Showing posts with label Corporate story. Show all posts
Showing posts with label Corporate story. Show all posts

Thursday, November 3, 2011

স্টিভেন পল জবস্ : বিশ্ব প্রযুক্তির এ মহানায়কের প্রতি সামহোয়্যার পরিবারের শ্রদ্ধার্ঘ : বিদায় বন্ধু... যেখানেই থাকো, ভালো থেকো...

by আমিই রাকিব

বিডি নিউজ২৪ : যে কারণে স্টিভ জবস গুরুত্বপূর্ণ
ইউটিউব : Steve Jobs Dies: Bio/Tribute
BBC : Tributes for Apple 'visionary' Steve Jobs
স্টিভ জবস মারা যাবার আগের দিনই তার ভক্তরা ১৪ই অক্টোবর ‘স্টিভ জবস ডে’ পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ‘স্টিভ জবস ডে’ নামে একটি ওয়েবসাইটও খোলা হয়েছে। স্টিভ জবসের ভক্তদের ফেসবুক পেজে গিয়ে তাদের ইচ্ছা শেয়ার ও স্টিভ জবস ডে ইভেন্টে অংশগ্রহন করারও অনুরোধ করা হয়েছে। তবে ১৪ই অক্টোবর ‘স্টিভ জবস ডে’ ঘোষণা করা হবে কিনা তা অ্যাপল কর্তৃপক্ষ বা কোনো সরকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়নি।

সিলিকন ভ্যালির যে বাড়িতে জবস থাকতেন, সেই বাড়ির সামনে ফুল রেখে যাচ্ছে অসংখ্য ভক্ত। ছোট ছেলেমেয়েরা বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে চোখ ভেজাচ্ছে। পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছে। মরেও যারা অমর হয়ে থাকে তাদেরই একজন হচ্ছেন অ্যাপেলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস। সিলিকন ভ্যালিতে অবস্থিত অ্যাপলের প্রধান কার্যালয়ের সামনে একটি সাদা রঙের আইপ্যাডের সঙ্গে স্টিভের ছবিতে ফুল দিচ্ছে ভক্তকুল, আর পতাকা নামিয়ে রাখা হয়েছে অর্ধেক। বিশ্বের দেশে দেশে মানুষ অ্যাপেলের স্টোর ও শোরুম গুলোতে ভিড় করে ফুল দিয়ে যাচ্ছেন। কেউ কেউ শ্রদ্ধা জানিয়ে নোট দিচ্ছেন, কেউবা পূর্ণ আপেলে একটি কামড় বসিয়ে রেখে যাচ্ছেন। ওটিই যে অ্যাপেলের প্রতীক। তারা বলছে, 'জবস আমাদের সবার জীবনকে পাল্টে দিয়েছে। আমরা আজকে যেভাবে একে অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ করি, সেটাই ঠিক করে দিয়েছেন স্টিভ। তাঁর জন্য আমাদের ভালোবাসার শেষ নেই।'
না... জবস শুধু একজন প্রযুক্তিবিদ'ই ছিলেন না, তিনি প্রযুক্তির জাদুকর, তিনি শুধু একজন উদ্যোক্তা'ই ছিলেন না, তিনি আদর্শ কর্পোরেট লিডার, তিনি শুধু একজন সংগ্রামী মানুষ'ই নন, তিনি জন্ম থেকেই শত প্রতিকূলতা পাড়ি দিয়ে বিশ্বকে বদলে দেয়া বিশ্বজয়ী সংগ্রামী। তিনি শুধু স্বপ্নই দেখেননি, স্বপ্ন দেখতেও শিখিয়েছেন... তিনি পৃথিবীটাকে আমাদের আংগুলের ডগায় এ্নে দিয়েছেন....





এ মুহূর্তে বিশ্বের সবগুলো সামাজিকমাধ্যম (টুইটার, ফেসবুক, ইউটিউব, গুগল+) এখন স্টিভের জন্য শোকবার্তা সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। প্রযুক্তিগুরু স্টিভ জীবিত অবস্থায় একের পর রেকর্ড গড়েছেন, আর নিজেই ভেঙেছেন সে সব রেকর্ড। জীবণের ওপারে গিয়েও নিজের শ্রেষ্ঠত্বের কথা আবার জানাচ্ছেন অনলাইন বিশ্বকে। এরই মধ্যে তিনি গড়েছেন আরেক বিশ্বরেকর্ড। টুইটারের প্রতি সেকেন্ডের বার্তা নিবন্ধনের হিসাবে স্টিভই এখন বিশ্বসেরা। অস্ট্রেলিয়ার সামাজিকমাধ্যম পর্যবেক্ষক সংস্থা এসআর৭ সূত্র মতে, স্টিভের মৃত্যুর খবর ঘোষণার পর টুইটার প্রতি সেকেন্ডে ১০ হাজার টুইট বার্তা জমা পড়েছে টুইটার সার্ভারে। এ যেন রীতিমতো শোকবার্তার টাইফুন বয়ে গেছে অনলাইন গণমাধ্যমে। স্টিভের এ অকালপ্রয়াণকে অ্যাপল ভক্তরা সংক্ষেপে ‘আইস্যাড’ খুদেবার্তা হিসেবে প্রকাশ করেছে। চলে গিয়েও তিনি উপহার দিয়ে গেলেন ‘আইস্যাড’। জবসের মৃত্যুর খবর নিয়ে ফেসবুকে কয়েক শ পেজ তৈরি হয়েছে। পেজগুলোতে লেখা : রেস্ট ইন পিস : স্টিভ জবস । একজন প্রযুক্তি ব্যক্তিত্বের জন্য এত মায়া আগে আর কখনোই দেখা যায়নি।





ম্যাক, আইফোন ও আইপডের মতো নতুন নতুন প্রযুক্তি পণ্য উপহার দিয়ে না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন অ্যাপল’র অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস। দত্তক সন্তান হিসেবে সিলিকন ভ্যালি এসে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা পুরোটা সম্পন্ন না করে শেষ পর্যন্ত পুরো বিশ্ব ঠিকই জয় করেছিলেন স্টিভ জবস। সম্পদ ও পেশাগত সাফল্যে উজ্জ্বল স্টিভ জবস সারাজীবনই সিলিকন ভ্যালির সবচেয়ে বেপরোয়া অভিযাত্রীর খেতাবটা পেয়েছিলেন। তার উচ্চাকাঙ্খাই অ্যাপলকে এ গ্রহের সবচেয়ে বেশি পরিচিত ব্র্যান্ডগুলোর একটিতে পরিণত করেছেন। স্টিভ জবসের পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মৃত্যুর সময় তারা স্টিভের পাশেই ছিলেন এবং এক শান্তির মৃত্যুই তার হয়েছে। স্ত্রী, এক ছেলে এবং দুই কন্যা ছাড়াও কোটি মানুষকে কাঁদিয়ে মাত্র ৫৬ বছর বয়সেই চলে গেলেন এই প্রযুক্তি কিংবদন্তি।





অ্যপলে'র সহ প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস্ আর নেই........ মাত্র ৫৬ বছর বয়সে (১৯৫৫-২০১১) জটিল ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান। খবরটি অ্যাপল সূত্র, বিবিসি , সিএনএনআল্ জাজিরা নিশ্চিত করেছে.....

মাউস নিয়ন্ত্রিত আইকন ভিত্তিক ব্যক্তিগত কম্পিউটার, অ্যাপল ম্যাকিন্টস, আইপড, আইপ্যাড এবং আইফোন উদ্ভাবণের মাধ্যমে স্টিভ জবস বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। অ্যাপল ই প্রথম কম্পিউটার জগতে নিয়ে আসে রঙ, রূপ, স্মার্টনেস আর ব্যবহারবান্ধব প্রযুক্তি। শুধু অ্যাপলই যথেষ্ট ছিল তাকে এ জগতে অমর করে রাখার জন্য, কিন্তু তিনি তাঁর অসীম প্রতিভায় কম্পিউটার অ্যানিমেশন ও কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত বিভিন্ন মেশনের ব্যবহার করে পিক্সার স্টুডিওকে দেন নতুন প্রান, পরিণত করেন পৃথিবীর সেরা সিজিআই এনিমেশন স্টুডিওতে। তার অক্লান্ত পরিশ্রম আর কল্পনা-প্রযুক্তির সমন্বয়ে পিক্সার স্টুডিও থেকে মুক্তি পায় টয় স্টোরি, এ বাগস লাইফ, টয় স্টোরি-২, মনস্টার ইঙ্ক, ফাইন্ডিং নিমো, ইনক্রেডিবলস, টয় স্টোরি-৩ এর মত বিশ্ব কাপাঁনো অসাধারণ সম্পূর্ণ এনিমেশন চলচিত্র। শুধু তাই নয়, তিনি ছিলেন জীবণ সংগ্রামের এক আদর্শ দৃষ্টান্ত। ২০০৪ সাল থেকে অগ্ন্যাশয়ের জটিল ক্যান্সারে ভুগছিলেন স্টিভ জবস।

ছবিতে স্টিভ জবস'র জীবনগাঁথা : ।। বিবিসি ।। সিএনএন ।। আল্ জাজিরা ।।

উইকিপিডিয়া’তে স্টিভ জবস : ।। ইংরেজী ।। বাংলা ।।

বিশ্ব প্রযুক্তির এ মহানায়কের বিদায়ে সিএনএন'র শ্রদ্ধার্ঘ।

২০০৫ সালে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে তাঁর অসাধারণ বক্তৃতাটি এখানে: ।। ইউটিউব ভিডিও ।। মূল ইংরেজী বক্তৃতা ।। বাংলা অনুবাদ ।।

স্টিভ জবস ছিলেন বিশ্ববিখ্যাত কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রধান নির্বাহী এবং মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসের প্রিয় বন্ধু। তবে বন্ধুত্বের আড়ালে চলতো প্রতিদ্বন্দ্বিতাও। গত শতকের '৭০ দশকের শুরু থেকে কাজ শুরুর পর কম্পিউটর জগতের চূড়োমনি হয়ে ওঠেন জবস ও গেটস। একজন অ্যাপলে, অন্যজন মাইক্রোসফটে। বন্ধুর অকাল প্রয়াণের শোকবার্তায় বিল গেটস বলেন, “হৃদয়ের গভীর থেকেই স্টিভকে মিস করছি। আমি সৌভাগ্যবান বলেই স্টিভের মতো এমন বহুগুণী এবং ভবিষৎদ্রষ্টার সঙ্গে কাজ করার সুয়োগ পেয়েছি। স্টিভের মৃত্যুর ক্ষতি শুধু এই প্রজন্মই নয়, পরবর্তী কয়েক প্রজন্ম অনুভব করবে।”

স্টিভের মৃত্যুতে অ্যাপল তাদের ওয়েবসাইটে স্টিভের সাদাকালো একটি ছবি দিয়ে লিখেছে, 'স্টিভ জবস: ১৯৫৫-২০১১'। তাদের সদর দপ্তরের বাইরে তাদের পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়েছে। অ্যাপলের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, “স্টিভের মেধা, ভালোবাসা এবং উদ্যমই ছিল অসংখ্য উদ্ভাবনের নেপথ্যে, যা আমাদের সবার জীবনযাত্রার মানোন্নয়ে বিশাল ভূমিকা রেখেছে। স্টিভের জন্যই বিশ্ব আজ অনেক উন্নত।”


এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ, গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ল্যারি পেজ, চলচ্চিত্র পরিচালক এবং প্রযোজক স্টিভেন স্পিলবার্গ, নকিয়ার প্রধান নির্বাহী স্টিফেন ইলোপ ছাড়াও বিশ্বপ্রযুক্তি অঙ্গনের শীর্ষ ব্যক্তিরা স্টিভ জবসের মৃত্যুতে গভীর প্রকাশ করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, “তার মৃত্যুতে বিশ্ব দূরদৃষ্টিসম্পন্ন একজন মানুষকে হারালো।, তিনি ভিন্ন ভাবে চিন্তা করতে পারতেন, বিশ্বকে বদলে দেওয়ার ব্যাপারে ছিলেন দৃঢ়চেতা। আর তা করার যথেষ্ট বুদ্দিমত্তাও তার ছিলো।”

ফেসবুক সিইও মার্ক জুকারবার্গ তার ফেবু স্ট্যাটাসে লিখেছেন : “একজন বন্ধু ও গুরু হিসেবে তোমাকে পেয়েছি, স্টিভ তোমাকে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ এই জন্য যে, তুমি দেখিয়ে গেছো, তুমি যা আবিস্কার করেছো তা বিশ্বকে বদলে দিতে পারে। আমরা তোমাকে মিস করবো।”


গুগলের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও ল্যারি পেজ তার জি প্লাস স্ট্রিমে বলেছেন , “তিনি সবসময় আপনি কি ভাবতে পারেন তা খুব অল্প কথায় বলে দিতে পারতেন, অপনি ভাবার আগেই।”


চলচ্চিত্র পরিচালক এবং প্রযোজক স্টিভেন স্পিলবার্গের বলেছেন, “টমাস (আলভা) এডিসনের পর শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবক ছিলেন স্টিভ জবস। তিনি পৃথিবীটাকে আমাদের আংগুলের ডগায় এ্নে দিয়েছিলেন”।

নকিয়ার প্রধান নির্বাহী স্টিফেন ইলোপের বলেছেন, “কমপিউটার শিল্প অঙ্গনে স্টিভের তুলনা তিনি নিজেই। ভবিষ্যৎ চাহিদাতে সময়ের অনেক আগেই কল্পনা করতে পারদর্শী ছিলেন স্টিভ। আর নিরলস পরিশ্রম ও কর্মদক্ষতার শক্তি দিয়ে তিনি তা বাস্তবায়নও করতে পারতেন।”

পুরো আট বছর একান্তেই জটিল ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন স্টিভ। কিন্তু তাঁর উদ্ভাবনী শক্তিকে মোটেও দমিয়ে রাখতে পারেনি ক্যান্সার। অদম্য সাহস আর ধৈর্য্য নিয়ে তিনি গত আটটি বছর অ্যাপলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন। বিশ্বকে দিয়েছেন একের পর চমক। বিশ্ব পরিবর্তনের রূপকার হিসেবে তাঁকে এ কালের লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি উপাধীও দেওয়া হয়। এরই মধ্যে পুরো বিশ্বপ্রযুক্তি অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। কেউই যেন স্টিভের এ অকালে চলে যাওয়াকে মেনে নিতে পারছেন না।বিশ্বের কোটি কোটি অ্যাপল ভক্তকে চোখের জলে ভাসিয়ে স্টিভ এখন স্মৃতির মনিকোঠায়। স্টিভ শুধু অ্যাপলের সম্পদ ছিলেন না। বরং পুরো বিশ্বই আজ হারালো বিশ্বপ্রযুাক্তির এক অপূরণীয় মহানায়ককে। মৃত্যুকালে স্টিভ স্ত্রী, এক ছেলে এবং দুই কন্যা রেখে গেছেন।


এক নজরে স্টিভ জবস :
১৯৫৫: স্টিভ জবসের জন্ম ২৪ ফেব্রুয়ারি, যুক্তরাষ্ট্রের স্যান ফ্রান্সিসকোতে অবিবাহিত দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী সিরীয় বংশোদ্ভূত আব্দুল ফাত্তাহ জান্দালি ও মা জোয়ান সিবিলের সন্তান হিসেবে স্টিভ জন্মগ্রহণ করেন। জন্মের পরেই ক্যালিফোর্নিয়ার মাউনটেন ভিউ অঞ্চলের পল ও ক্লারা জবস শিশু স্টিভকে দত্তক নেন।

১৯৭৪: ভিডিওগেম কোম্পানি অ্যাটারি ইনকর্পোরেশনে চাকরি নেন। তবে কয়েক মাস পর ইস্তফা দিয়ে ভারতে বেড়াতে যান।

১৯৭৫: বন্ধু স্টিভ ওজনিয়াকের সঙ্গে স্টিভ জবস নিজেদের পারিবারিক গ্যারেজে আদি কম্পিউটারটি তৈরি করেন।

১৯৭৬: নিজেদের মেশিনপত্র বিক্রির জন্য জবস ও ওজনিয়াক অ্যাপল কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেন। এবারই প্রথম অ্যাপল-১ কম্পিউটারটি পরিচিতি পায়।

১৯৭৭: অ্যাপল-২ বাজারে আসে। এই প্রথম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে কম্পিউটারটি বিক্রি হয়। টানা ১৬ বছর এটি উৎপাদনে থাকে।

১৯৮০: অ্যাপল-৩ বাজারে আসলেও তা বাণিজ্যিকভাবে ব্যর্থ হয়। কম্পিউটারটির নির্মাণে ত্রুটি ছিল। এটিকেই বলা হয় অ্যাপলের দ্বিতীয় কম্পিউটার।

১৯৮৩: লিসা নামের পারসোনাল কম্পিউটার (পিসি) বাজারে ছাড়ে অ্যাপল। মাউস দিয়ে এটি চালানো সম্ভব হয়। তবে এ প্রচেষ্টাও বাণিজ্যিকভাবে ব্যর্থ হয়।

১৯৮৪: ম্যাকিনটশ কম্পিউটার বাজারে ছাড়ে অ্যাপল। এটি ব্যাপক মনোযোগ কাড়ে। তবে বিক্রিবাট্টা কম হয়।

১৯৮৫: অ্যাপল ছয়টি কারখানার তিনটিই বন্ধ করে এবং ১২০০ কর্মীকে চাকরিচ্যুত করে। বোর্ডরুম বৈঠকে জন স্কালির কাছে হেরে কোম্পানি ছেড়ে দিতে বাধ্য হন স্টিভ জবস

১৯৮৬: লুকাসফিল্ম লিমিটেডের গ্রাফিকস বিভাগ কিনে নেন জবস। প্রতিষ্ঠানটির মালিক স্টার ওয়ারস চলচ্চিত্রের পরিচালক জর্জ লুকাস। এখানে পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওস নামের একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯৮৭: ম্যাকিনটশ-২ বাজারে আসে।

১৯৮৮: নেক্সট কম্পিউটার প্রতিষ্ঠা করেন জবস। আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারেনি। মাত্র ৫০ হাজার কম্পিউটার বিক্রি হয়।

১৯৯৫: পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওসের প্রধান নির্বাহী থাকাকালীন টয় স্টোরি বের হয়। কম্পিউটারে অ্যানিমেশন করা পূর্ণদৈর্ঘ্যরে ছবি। চলচ্চিত্রটি বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সাড়া পায়।

১৯৯৬: অ্যাপলের কাছে ৪২ কোটি নয় লাখ মার্কিন ডলারে বিক্রি হয় নেক্সট। জবসের প্রযুক্তি ব্যবহার করে উৎপাদন শুরু করে। এতে সফটওয়্যারও নিজেদের নির্মিত।

১৯৯৭: জবস অ্যাপলের অন্তর্বর্তী প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পান।

১৯৯৮: স্বয়ংসম্পূর্ণ কম্পিউটার আইম্যাক বাজারে ছাড়া হয়। এর সঙ্গে মনিটরও জুড়ে দেওয়া হয়। এর ফলে অ্যাপলের প্রতিদ্বন্দ্বীরা অনেক পেছনে পড়ে যায়।

২০০১: অক্টোবরে প্রথমবারের মতো আইপড বাজারে ছাড়া হয়। এতে সাফল্য আসে।

২০০৩: এপ্রিলে আইটিউনস গানের ডিভাইস বাজারে ছাড়া হয়।

২০০৭: প্রথমবারের মতো আইফোন বাজারে ছাড়া হয়। অ্যাপলের নামে কম্পিউটার যন্ত্রাংশ উৎপাদন বন্ধের সিদ্ধান্ত নেন স্টিভ জবস।

২০১০: এপ্রিল আইপ্যাড বাজারে ছাড়া হয় এবং ৮০ দিনের মধ্যে এটি ৩০ লাখ কপি বিক্রি হয়। বছর শেষে দেড় কোটি আইপ্যাড বিক্রির খবর পাওয়া যায়। অ্যাপলের বাৎসরিক আয় ছয় হাজার ৫০০ কোটি ডলারে পৌঁছায়। ২০০০ সালে এ আয় ছিল ৮০০ কোটি ডলার।

২০১১: বাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকায় অ্যাপল নতুন পণ্য ছাড়ে। এর মধ্যে আছে, আইপ্যাড২, আইফোন৪ এবং সর্বশেষ আইফোন৪এস।





বিশ্ব পরিবর্তনের রূপকার, এ কালের লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি :

এমন অনেক মানুষের কাহিনীই আমরা জানি, যারা তাদের জীবনের নানা প্রতিবন্ধকতাকে কাটিয়ে উঠে এসেছেন সাফল্যের শীর্ষে। কিন্তু অ্যাপেল কম্পিউটরসের এর সিইও স্টিভ জবস এদের সবার থেকে একটু আলাদা। প্রতিবন্ধকতাকে কাটিয়ে নয়, তিনি সাফল্য আর খ্যাতির চূড়ায় উঠেছেন তার প্রতিবন্ধকতাকে সঙ্গে নিয়েই। তার একক প্রচেষ্টায় নিছক খালি ভাঁড়ার নিয়ে শুরু হওয়া 'অ্যাপেল কম্পিউটারস' আজ মাইক্রোসফট-এর মতো কোম্পানিকে পেছনে ফেলে বিশ্বের এক নম্বর জায়গা দখল করে নিয়েছে। জীবনে বহু প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হয়েছেন জবস। কিন্তু তিনি কখনো হাল ছাড়েননি। সমস্যা যত বড়ই হোক নিজেকে বুঝিয়েছেন, 'আমি হারব না'। সত্যি তিনি হারেননি। কখনো হারেননি। ২০০৪ সালে তার লিভারে এক বিশেষ ধরনের টিউমার ধরা পড়ে। এই টিউমার থেকেই ধরা পড়ে ক্যান্সারের সংক্রমণ। ডাক্তাররা জানান, 'টিউমার অপারেশন করলে স্টিভ-এর বাঁচার আশা খুবই ক্ষীণ। আবার অপারেশন না করলেও রয়েছে প্রাণসংশয়।' তখন মুহূর্তের জন্য থেমে গিয়েছিল স্টিভ-এর পৃথিবী। তার নিজের তৈরি করা সাম্রাজ্য একটু একটু করে হারিয়ে যাচ্ছিল চোখের সামনে থেকে। শুধু একটাই কথা মনে হচ্ছিল তার, 'তাহলে কি সব শেষ? সারা জীবনের পরিশ্রম, সব মেহনত কি নিমেষে শেষ হয়ে যাবে? 'অ্যাপেল'কে বিশ্বের সর্বোচ্চ স্থানে নিয়ে যাওয়ার যে স্বপ্ন আমি দেখেছি তা কি তাহলে আর কোনোদিন সম্পন্ন হবে না?' তাকে ঘিরে থাকা মানুষের সবাই যখন ভেঙে পড়েছিলেন, হারিয়ে ফেলেছিলেন লড়াই করার ক্ষমতা তখনই স্টিভ উঠে দাঁড়ান। সিদ্ধান্ত নেন, হেরে যাওয়ার আগে শেষ একবার অস্ত্র হাতে তুলে নেবেন। লড়ে নেবেন শেষ লড়াইটা। হার বা জিত যা হওয়ার হবে। তবে এটা ছিল স্টিভ-এর জীবনযুদ্ধের ইতিহাসের একটা অধ্যায়।

সব ডাক্তারই যখন তার বাঁচার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন, তখন স্টিভ বেছে নেন এক বিকল্প চিকিৎসার পথ। ২০০৪ সালে 'হুইপল প্রোসিডিওর'-এর মাধ্যমে তার টিউমার অপারেশন করেন ডাক্তাররা। কোনো ক্যান্সারনিরোধক প্রয়োগের প্রয়োজনও হয়নি। তবে এতকিছু করেও ক্যান্সারের কামড় আটকানো যায়নি। ততদিনে তার শরীরে থাবা বসিয়ে দিয়েছে ওই মারণ রোগ। এবার একটু একটু করে স্টিভকে ঠেলে নিয়ে যাবে মৃত্যুর দিকে। নিজের জীবনের অন্তিম সত্যিটাকে সঙ্গে নিয়েই স্টিভ এগিয়ে চলা শুরু করেন শীর্ষের পথে। চিকিৎসার জন্য সাময়িক বিরতির পর তিনি ফিরে আসেন অ্যাপেল-এর দুনিয়ায়। নিজের হাতে তুলে নেন সংস্থার দায়িত্বভার। একে একে 'হার্ডল' পেরিয়ে অ্যাপেল এগোতে থাকে সাফল্যের চূড়ায়। প্রথম লড়াই তাকে লড়তে হয়েছিল শৈশবেই। ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৫ সালে সান ফ্র্যান্সিসকো-এ জন্ম হয় স্টিভেন পল জবস-এর। অবিবাহিত বাবা-মায়ের সন্তান স্টিভকে দত্তক নেন পল এবং ক্লারা জবস্। স্টিভ- নামটিও তাদেরই দেওয়া। বাবা-মায়ের অভাবে বেড়ে ওঠাই ছিল স্টিভ-এর প্রথম লড়াই। ক্যালিফোর্নিয়ার হোমস্টেড হাই স্কুল-এ লড়াইয়ের শুরু। ক্যালিফোর্নিয়ার হোমস্টেড হাইস্কুল-এ পড়ার সময় স্টিভ একটি সফ্টওয়্যার সংস্থা হিউলেট-প্যাকার্ড কোম্পানিতে কাজ করার সুযোগ পান। সেখানেই হয় তার কর্মজীবনের সূত্রপাত। এরপর 'আতারি' নামে একটি সংস্থার হয়ে তিনি ভিডিও গেম তৈরি করেন। তবে এসবই ছিল শুরুর শুরু। ১৯৭৬ সালে স্টিভ তার দুই বন্ধু স্টিফেন ওজনিক, রোনাল্ড ওয়েনকে নিয়ে 'অ্যাপেল কম্পিউটারস্'-এর সূচনা করেন। না ছিল কোনো ফান্ড, না কোনো পরিকাঠামো। শুধু ছিল অসীম ইচ্ছা। সফল হওয়ার ইচ্ছা। আর এটাই এগিয়ে নিয়ে যায় স্টিভ বাহিনীকে। ২৪ জানুয়ারি ১৯৮৪ সালে জবস বাজারে আনেন বিশ্বের সবচেয়ে ছোট কম্পিউটার 'ম্যাকিনটশ'। এর জনপ্রিয়তাই অ্যাপেল-এর বিশ্বাসযোগ্যতাকে অনেকাংশে বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু সব হয়েও কিছুই হলো না। বাড়ানো গেল না অ্যাপেল-এর বাজারদর। বাড়ল না ক্রেতার সংখ্যাও।

অন্যদিকে বিশ্ব-বাজারে ছেয়ে গেল মাইক্রোসফটের নিত্যনতুন পণ্য। বাজার দখলের লড়াইয়ে অ্যাপেলকে পেছনে ফেলে অনেকটাই এগিয়ে যায় মাইক্রোসফট; কিন্তু তখনও হাল ছাড়েননি স্টিভ। চালিয়ে যেতে থাকেন লড়াই। এগিয়ে যেতে থাকেন চূড়ান্ত সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে। তবে সাফল্যের রাস্তা একাকী। সেই রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে মানুষ অনেক সময়ই হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। স্টিভও হয়েছিলেন। তার মনের মুক্তি তিনি খুঁজে পেয়েছিলেন বৌদ্ধধর্মের মধ্যে। সেই টানে তিনি ছুটে এসেছিলেন এই ভারতের মাটিতেও। বৌদ্ধধর্মে দীক্ষা নিয়ে ফিরে গিয়েছিলেন নিজ দেশে। আজীবন নিজের ভাগ্যের সঙ্গে সংগ্রাম করেছেন স্টিভ। আর তার এই লড়াই গোটা বিশ্বের মানুষকে জোগাচ্ছে বাঁচার ইচ্ছা। স্টিভ আমাদের দেখিয়েছেন, যারা লড়াই করেন তারা কখনো হারেন না। আর এই পৃথিবী শুধু জয়ীদেরই স্যালুট করে।

আজ এ কিংবদন্তির বিদায় ঘটল.... অকালেই চলে গেলেন বিশ্বপ্রযুক্তির মহানায়ক স্টিভ জবস.... বিদায় বন্ধু.... যেখানেই থাকো, ভালো থেকো......
original post
read more

Saturday, October 22, 2011

বিল গেটসকে চোর বলতেন স্টিভ জবস!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

by জানকিরান

মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটসকে ‘আইডিয়া চোর’ বলেই জানতেন অ্যাপলের সহপ্রতিষ্ঠা স্টিভ জবস। এ ছাড়া তিনি গুগল উদ্ভাবিত অ্যান্ড্রয়েডের ওপর যারপরনাই ক্ষুব্ধ ছিলেন। তিনি মনে করতেন, প্রযুক্তির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ‘চুরি’ এই অ্যান্ড্রয়েড। এটাই ছিল তাঁর ক্ষোভের মূল কারণ। আমৃত্যু তিনি বিশ্বাস করতেন, নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান গুগল অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেছে আইফোনের অপারেটিং সিস্টেম নকল করে। অ্যান্ড্রয়েডের ব্যাপারে তাঁর এই মনোভাব জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বহাল ছিল। তিনি চেয়েছিলেন যেকোনো মূল্যে অ্যান্ড্রয়েডকে ধ্বংস করে দিতে।
২৪ অক্টোবর স্টিভ জবসের বহুল আলোচিত ও প্রতীক্ষিত আত্মজীবনী গ্রন্থ প্রকাশিত হবে। সেই গ্রন্থের কিছু চুম্বক অংশ হাতে এসেছে বার্তা সংস্থা এপি ও হাফিংটন পোস্ট নামের একটি পত্রিকার মাধ্যমে। সেই চুম্বক অংশগুলো শুক্রবার বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট ও বার্তা সংস্থার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে কিছু বিষয়ে বিশেষত মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সম্পর্কে স্টিভ জবসের চিন্তাভাবনা ও মনোভাব ফুটে উঠেছে।
অ্যান্ড্রয়েড একটি ‘চুরির পণ্য’
স্টিভ জবস মনেপ্রাণেই বিশ্বাস করতেন অ্যান্ড্রয়েড একটি ‘চুরির পণ্য’। গুগল এই চুরিটা করেছে আইফোন অপারেটিং সিস্টেম (আইওএস) থেকে। তিনি অ্যান্ড্রয়েডকে চরমভাবে ঘৃণা করতেন। তিনি বলেছিলেন, ‘দরকার হলে আমি অ্যান্ড্রয়েডকে পৃথিবী থেকে বিদায় করতে অ্যাপলের রিজার্ভ ৪০০ কোটি ডলারের পুরোটাই খরচ করব।’
সম্প্রতি অ্যাপলের সঙ্গে অ্যান্ড্রয়েড নিয়ে বিভিন্ন মোবাইল-প্রযুক্তি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান যেমন স্যামসাং, মটোরোলা, এইচটিসির বিভিন্ন দেশে আইনি লড়াই চলছে। তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে, অ্যাপল এখনো অ্যান্ড্রয়েড নিয়ে গুগলের বিরুদ্ধে সরাসরি কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। স্টিভ জবস তাঁর আত্মজীবনী লেখক ওয়াল্টার ইসাকসনকে বলেছিলেন, তিনি যেকোনো মূল্যে অ্যান্ড্রয়েডের কবল থেকে রেহাই চান। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি অ্যান্ড্রয়েডকে ধ্বংস করে ছাড়ব। কারণ এটি একটি চুরির পণ্য। এর বিরুদ্ধে ‘থার্মোনিউক্লিয়ার’ যুদ্ধেও আপত্তি নেই আমার।’ জবস ইসাকসনকে বলেন, ‘গুগল অ্যাপলের আইডিয়া মেরে এই অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেছে। এখন কেউ যদি এর বিরুদ্ধে লড়াই বন্ধ করার জন্য আমাকে পাঁচ বিলিয়ন ডলারও ঘুষ প্রস্তাব দেয়, তা-ও আমি প্রত্যাখ্যান করব। আমি শুধু অ্যান্ড্রয়েড নামের এই প্রতারণার শেষ দেখতে চাই।’ তবে অ্যান্ড্রয়েডের বিরুদ্ধে এই মনোভাব পরিবর্তনের জন্য কেউ তাঁকে ঘুষের প্রস্তাব দিয়েছিল কি না, ইসাকসনের কাছে জবস তা পরিষ্কার করেননি।
বিল গেটস সম্পর্কে স্টিভ জবস
বিল গেটসকে একেবারেই পছন্দ করতেন না স্টিভ জবস। তিনি মনে করতেন গেটস যা কিছু করেছেন, সবই অন্যের আইডিয়া চুরি করে। বিল গেটস সম্পর্কে জবসের ধারণা ছিল, ‘এই লোকটি আসলে একজন অচিন্তাশীল ব্যক্তি।’ তিনি বলতেন, ‘তাঁর কাজই হচ্ছে, নির্লজ্জের মতো অন্যের আইডিয়া মেরে দেওয়া।’
বার্তা সংস্থা এপির বিশ্লেষণ থেকে জানা যায়, বিল গেটসকে অপছন্দ করতেন বলেই তাঁর আমন্ত্রণে কোনো প্রকার দাতব্য কার্যক্রমে অংশ নেননি জবস। তিনি বলেছিলেন, বিল গেটস খুব ভালো করেই জানেন, তিনি অন্যের আইডিয়া মেরে দিয়েছেন। তাই তাঁর মধ্যে সব সময় একটা খচখচানি কাজ করে। আর সে কারণেই দানে তাঁর এত আগ্রহ।
অন্যদিকে বিল গেটস কিন্তু জবসকে তাঁর প্রাপ্য সম্মান সব সময় দিয়ে এসেছেন। ২০০৭ সালে একটি অনুষ্ঠানে বিল গেটস স্টিভ জবসকে ব্যক্তিগত কম্পিউটারের উদ্ভাবনকারী হিসেবেই অভিহিত করেছিলেন। জবস কিন্তু সেই প্রতিদান দেননি কখনোই।
বারাক ওবামা সম্পর্কে জবস
২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বারাক ওবামার নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্ব নিতে চেয়েছিলেন স্টিভ জবস । তিনি ওবামাকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন অ্যাপলের কমিউনিকেশন উইং ওবামার নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্ব পেতে আগ্রহী। ওবামার তত্কালীন প্রধান কৌশল প্রণয়নকারী ডেভিড অ্যাক্সেলরডের কারণেই সেই দায়িত্ব পাননি জবস। তবে মৃত্যুর আগেও তাঁর ইচ্ছা ছিল ওবামার ২০১২ সালের নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্বটি তিনিই পাবেন।
২০১০ সালে বারাক ওবামার সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে দেখা হয়েছিল জবসের। সেখানে ওবামার মুখের ওপরই একটি অপ্রিয় কথা বলে ফেলেছিলেন জবস। তিনি ওবামাকে বলেছিলেন, ‘আমি আপনার দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার কোনো লক্ষণ দেখছি না।’
অন্যান্য বিষয়ে জবস
বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিজের মতো করেই ভাবতেন স্টিভ জবস। ২০০৪ সালে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার কারণে মৃত্যু তাঁর চিন্তাভাবনার অনেকটাই আচ্ছন্ন করেছিল। জীবন সম্পর্কে তিনি ইসাকসনকে বলেছিলেন, ‘প্রতিটি মানুষই খুব অল্প সময়ের জন্য পৃথিবীতে আসে। কেউ জানে না কত দিনের জন্য আসলে আমরা পৃথিবীতে থাকার অধিকার পেয়েছি। তবে এই সময়ের মধ্যে অনেকেই ভালো কিছু কাজ করে।’ নিজের সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, তরুণ বয়সেই কিছু ভালো কাজ করার সুযোগ আমি পেয়েছিলাম।’
জবস চেয়েছিলেন, তাঁর সন্তানেরা তাঁকে ভালোভাবে জানুক। স্বভাবে নিভৃতচারী জবস সে কারণেই আত্মজীবনীর ব্যাপারে উত্সাহী ছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি চাই আমার সন্তানেরা ভালো করে জানুক, আমি পুরো জীবনে কী করেছি। কীভাবে এই জায়গায় এসেছি।’
original post
read more

Tuesday, October 11, 2011

আগামী দিনের বাড়ি: রোবক্লিনার, টুইটিং এ্যাপলায়েন্স

by PriyoTech

কেউ কি একবার ভেবে দেখেছেন আজ থেকে দশ বছর পর আপনার ঘরের ইলেক্ট্রনিক্সগুলো ঠিক কী ধরনের হতে পারে? আপনার বাড়িটি কি রোবটারা পরিষ্কার করবে? পুরো ঘরটি পরিচালনা হবে কমপিউটার দিয়ে?

এমন কি হতে পারে যে, আপনার ফ্রিজটি নিজে থেকেই আপনার জন্য ডিনারের পরিকল্পনা করে ফললো, নয়তো আপনার পার্টনারের সাথে আলোচনা করে ঠিক করে নিল? কিংবা নিজেই বাজারের জন্য অর্ডার দিয়ে বসলো? হতে পারে এমন?


নতুন প্রজন্মের ফ্রিজ, যা কিনা নিজে নিজেই খাবার অর্ডার করতে পারে

বিশ্বাস হচ্ছে না? সায়েন্স ফিকশন গল্পের মতো লাগছে? কিন্তু জার্মানীতে সম্প্রতি হয়ে যাওয়া একটি মেলায় এমন ধরনের পণ্যই প্রদর্শন করেছে বড় বড় হাইটেক কম্পানীগুলো। বর্তমানে এই ধরনের প্রযুক্তি বাজারে আসতে শুরু করেছে; এবং পাইলট হিসেবে পৃথিবীর অন্যতম কনজুমার ইলেক্ট্রনিক্স ব্যবহারকারী দেশ দক্ষিন কোরিয়ায় বসানো হচ্ছে। এখানে বলে রাখা ভালো যে, জার্মানীর এই মেলাটি এতই বিশাল ছিল যে, এটা হয়েছিল ২০টি ফুটবল মাঠের মতো বিশাল একটি জায়গায়। এই মেলায় কম করে হলেও ১৪৪১টি কম্পানী বিভিন্ন রকমের অদ্ভুৎ ধরনের গ্যাজেট এবং পণ্য প্রদর্শন করেছে।

এই মেলায় নতুন ধরনের কিছু এ্যাপলায়েন্স এসেছে যেগুলো ঘরের বাইরে থেকেও নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব - যেমন আপনার ঘরের এয়ার কন্ডিশনারটিকে স্মার্ট ফোনের মাধ্যমে পৃথিবীর যেকোন জায়গা থেকে তাপমাত্রা ঠিক করে দিতে পারবেন।

আরেকটি কম্পানী নিয়ে এসেছে রিমোট কন্ট্রোল ওয়াশিং মেশিন, যা আপনি অফিসে কিংবা গাড়িতে বসেই স্মার্ট ফোনের এ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে চালু ও বন্ধ করে দিতে পারেন। আপনি যদি তাড়াহুড়ো করে বাসা থেকে বের হওয়ার পর মনে হলো যে ওয়াশিং মেশিনটি চালিয়ে আসতে ভুলে গিয়েছেন, তখন আর কোনও ভাবনা নেই। গাড়িতে বসেই চালু করে দিন সেটি।

আর ফ্রিজের কথা কী বলবো? এগুলো তো শুধু খাবার রাখার যন্ত্রই নয়, দিনকে দিন হয়ে উঠছে ভীষণ স্মার্ট। তারা যেন নিজ থেকেই বুঝতে পারছে কোনটা কতটা কমে গিয়েছে, সবজি আরো লাগবে, দুধটাও কমতির দিকে, মাংশ একদমই নেই। তখুনি ইন্টারনেটে গিয়ে নিজে নিজেই অর্ডার করে দিতে সক্ষম এগুলো। আপনাকে আর বাজারে যেতে হবে না।

পাশাপাশি ঘরদোরের কাজ করার জন্য আসছে রোবক্লিনার। এরা নিজে নিজেই ঘরের অনেক কিছু পরিষ্কার করে ফেলতে পারবে।

টিভিগুলোও হয়ে উঠছে আরো স্মার্ট, এবং ইন্টারএ্যাক্টিভ। আপনি এক সাথে টিভি দেখতে পারবেন আবার বন্ধুর সাথে কথাও বলতে পারবেন। আবার এগুলোর ভেতর দেয়া হয়েছে "ফেস রিকগনিশন" প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে কে টিভি দেখছে সেটাও সনাক্ত করতে পারবে টিভি; এবং সেই অনুযায়ী তার প্রোফাইল অনুসারে অনুষ্ঠান দেখাতে থাকবে।

এমনকি বিশেষ ধরনের চশমা না পড়েই থ্রি-ডি টিভি দেখা যাবে। তশিবা তেমন একটি টিভি প্রদর্শন করেছিল, যেখানে ডান ও বা চোখে ভিন্ন মাত্রায় আলো ফেলে থ্রি-ডি এফেক্ট তৈরী করতে পারছে। ফলে থ্রি-ডি টিভি দেখার জন্য আর বিশেষ ধরেনর চমশা পড়তে হচ্ছে না।

আর প্রতিটি পণ্যই হচ্ছে এনার্জি সেভিং। তারা খুব কম মাত্রায় বিদুৎ খরচ করবে। পাশাপাশি তারা বিকল্প শক্তিকে সঞ্চয় করেও রাখতে সাহায্য করবে। যেমন সূর্যের আলোকে ধরে রাখা যেতে পারে। তারপর যখন প্রয়োজন হবে, আপনার টিভিটি আপনাকে জানিয়ে দিবে যে, আপনার এখন ব্যাটারী মোডে পরিচালনা করা উচিৎ - তাহলে পাশের বাড়ির লোকটি কিছুটা বিদুৎ পেতে পারে।

original post

read more

শিশুদের জন্য গুগলের আয়োজন "ডুডল"

by PriyoTech

গুগলের একটি বিখ্যাত অনুষ্ঠানের নাম "ডুডল"। প্রতি বছর গুগল এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে থাকে। এই অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য হলো তথ্য আদান প্রদান করা, এবং বিনোদন।

এই প্রোগ্রামের আওতায় গুগল স্কুল ও কলেজের ছেলেমেয়েদেরকে বিভিন্ন রকম প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে দেয়। মূল উদ্দেশ্য হলো, শিশুদের ভেতর যে শৈল্পিক প্রতিভা আছে, সেটাকে কাজে লাগানো। এই প্রতিযোগিতায় শিশু/কিশোররা গুগলের লগোটি তাদের মতো করে ডিজাইন করার সুযোগ পায়। গুগল চায়, এর ভেতর দিয়ে শিশু/কিশোররা যেন বড় কিছু চিন্তা করতে পারে। গুগল বিশ্বাস করে, যারা ছোট বেলা থেকেই বড় ধরনের চিন্তা করতে পারে, তারা ভবিষ্যতেও বড় কিছু পরিবর্তন আনতে পারে যা মানব সভ্যতাকে সামনে নিয়ে যেতে পারে। তারা হতে পারে ভবিষ্যতের নেতা, স্বপ্নদ্রষ্টা কিংবা উদ্ভাবক।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে গুগল এই অনুষ্ঠানটি করে থাকে, যেখানে শিশুরা এসে বিভিন্ন থিমের উপর প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে থাকে। আমরা এই প্রতিবেদনে আমাদের পাশের দেশ ভারতে ডুডলের অনুষ্ঠান সম্পর্কে তথ্য দিচ্ছি।

এবছর ভারতে ডুডল হবে ১৪ই নভেম্বর ২০১১। এই নিয়ে তৃতীয় বারের মতো ভারতে হতে যাচ্ছে এই অনুষ্ঠান। শিশুরা এই অনুষ্ঠান গুগলের যে লগো তৈরী করবে, এবং যারা বিজয়ী হবে তাদের লগো গুগলের ভারতীয় ওয়েব সাইটে (http://google.co.in) শোভা পাবে। এই প্রতিযোগিতা ৫ থেকে ১৬ বছর বয়সের সকল ছেলেমেয়েদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। ভারতে এই বছরের থীম হলো - "পৃথিবীর জন্য ভারতের উপহার"।

এই প্রতিযোগিতার বিজয়ীকে পুরস্কার হিসেবে তার আঁকা লগো ওয়েব সাইটে দেয়ার পাশাপাশি আরো দেয়া হবে একটি "টেকনোলজী ষ্টাটার কিট" - যার ভেতর রয়েছে একটি ল্যাপটপ, এক বছরের ফ্রি ইন্টারনেট সংযোগ এবং বিজয়ীর স্কুলকে ২ লক্ষ রূপী।


২০১০ সালে ভারতে "ডুডল ফর গুগল" বিজয়ী

গত বারের মতো এবারো তিনটি গ্রুপে ছাত্রছাত্রীদেরকে ভাগ করা হবে - ক). প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণী খ). চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ শ্রেণী এবং গ). সপ্তম থেকে দশম শ্রেণী। প্রতি গ্রুপে প্রাথমিকভাবে সেরা ২০০টি লগো বাছাই করা হবে। এই বাছাই কাজটি করবে ভারতের সেরা আর্ট কলেজেগুলো। তারপর বিচারক মন্ডলী প্রতিটি গ্রুপে ১৫ জনকে বাছাই করবে, যাদেরকে বলা হয় ডুডল। মোট ৪৫ টি লগো প্রতিযোগিতায় স্থান পাবে।

এই ৪৫টি লগো জনসাধারনের ভোটের জন্য প্রদর্শন করা হবে। সবচে বেশি ভোট প্রাপ্তকে সেই গ্রুপে বিজয়ী বলে ধরা হবে। তারা তিনজন স্টাটার কিট পাবেন।

Dennis Hwang
ডেনিস ওয়াং

কিন্তু এই ৪৫টি লগো থেকে চূড়ান্ত বিজয়ীকে নির্বাচন করবেন মূল ডুডলার ডেনিস ওয়াং। ২০০০ সালে গুগলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারী পেজ এবং সার্গেই ব্রিন গুগলের ওয়েবমাষ্টার ডেনিস ওয়াং-কে আমেরিকার স্বাধীনতা দিবসের জন্য এমন একটি প্রতিযোগিতা আয়োজনের কথা বলেন। তখন ডেনিস গুগলে ইন্টার্ন করতেন। ডেনিস এটাকে এতই ভালো করেন যে, পরবর্তীতে তাকেই "চীফ ডুডলার" পদটি দেয়া হয়। তারপর থেকে ডেনিস-ই এটাকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন।

original post

read more

ই-লাইব্রেরীর পরিকল্পনা অ্যামাজনের

by PriyoTech

নেটফ্লিক্স ইনকরপোরেশনের আদলে অনলাইনে একটি ই-লাইব্রেরি স্থাপনের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে অ্যামাজন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মতে, ইতিমধ্যে ডিজিটাল লাইব্রেরির জন্য বই সংগ্রহে নেমেছে অ্যামাজন। এ লক্ষ্যে তারা বিভিন্ন প্রকাশকদের সঙ্গে আলোচনাও শুরু করেছে।


ইবুক পড়ায় মগ্ন একজন পাঠক

তবে বেশকিছু প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের সঙ্গে কাজ করতে অনীহা দেখাচ্ছে বলে জানা গেছে। দাম এবং শর্তে বনিবনা না হওয়ায় অ্যামাজনকে বই সরবরাহে অনীহা প্রকাশ করছে এসব প্রতিষ্ঠান। তাদের অভিযোগ অ্যামাজনের এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বইয়ের খুচরা ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। প্রকাশকেরা এতে সম্পৃক্ত হলে, তাদের সঙ্গে খুচরা ব্যবসায়ীদের সম্পর্কের অবনতি হবে।

তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইলেক্ট্রনিক বই [ই-বুক] পড়ার ডিভাইস কিন্ডেল রিডারের সাফল্যের পর ডিজিটাল লাইব্রেরি প্রকল্পেও অ্যামাজন সফল হবে, এ লক্ষ্যে অ্যামাজন অ্যাপলের আইপ্যাডের অনুরূপ একটি ট্যাবলেট পিসিও বাজারে নিয়ে আসছে। গ্রাহকেরা বার্ষিক একটি নির্দিষ্ট ফি দিয়েই বিশ্বের বিভিন্ন বই এ পরিষেবার মাধ্যমে সংগ্রহ ও পড়তে পারবেন। প্রাথমিকভাবে ৭৯ ডলারে এক বছরের জন্য বই পড়ার সুযোগ দেবে অ্যামাজন। তবে ডিজিটাল লাইব্রেরির প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হলেও অ্যামাজন কবে এ পরিষেবা চালু করবে, সে ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

original post

read more

আইপডের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করবে জেলি বিন!

by PriyoTech

এপলের আইপড ৩ বাজারে আসার কথা রয়েছে আগামী অক্টোবর বা নভেম্বর মাসে, আর এসময়ই অ্যাপলের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দিতা করতে সার্চ জায়ান্ট গুগল ছাড়তে পারে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের নতুন আরেকটি সংস্করণ, আর এ সংস্করনটির নাম হতে পারে জেলি বিন।


জেলি বিন!

বর্তমানে গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের জিঞ্জারব্রেড এবং হানিকম্ব সংস্করণের অনেক ডিভাইস বাজারে রয়েছে। গুগলের পরবর্তী সংস্করণটির নাম হবে আইসক্রিম স্যান্ডউইচ। আর আইসক্রিম স্যান্ডউইচের পর পরই আসতে পারে এই জেলি বিন সংস্করণটি।

সম্প্রতি স্যান ফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিত ‘ড্রিমফোর্স’ নামের ক্লাউড কম্পিউটিং কনফারেন্সে গুগলের সাবেক সিইও এবং বর্তমানে এক্সিকিউটিভ চেয়্যারম্যান পদে থাকা এরিক স্মিড আইসক্রিম স্যান্ডউইচ কবে নাগাদ বাজারে আসবে সে তথ্যটি অনুষ্ঠানে কথা প্রসঙ্গে বলেছিলেন, কিন্তু এখনও সেটি বাজারে আসার আগেই পরবর্তী জেলি বিনের কথা ফাঁস হয়ে গেছে।

original post

read more

মুঠোফোন অনুবিক্ষণের মাধ্যমে রোগ নির্ণয়

by iqbalahsan

প্রথাগতভাবে যে সকল তৈজসপত্র মুঠোফোনের জন্য পাওয়া যায় তাদেরকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে বৈজ্ঞানিকেরা সাধারণ মুঠোফোনের সাথে একটি যন্ত্র সংযুক্ত করে এর ফ্লুরোসেন্ট (প্রতিপ্রভ) অণুবীক্ষণ কার্যক্ষমতাকে প্রদর্শন করেছেন। এই যন্ত্রটির পেছনে যে সকল বৈজ্ঞানিক রয়েছেন তাদের মতে এর সাহায্যে ম্যালেরিয়া এবং যক্ষার জীবাণু সনাক্ত করা সম্ভব। বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশে যেখানে স্বাস্থ্য পরিচর্যা সীমিত অথবা মার্কিন গ্রাম অঞ্চলে।

সেলোস্কোপ (“Cellscope”) বার্কলেতে অবস্থিত ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি আলোকবিদ্যা-শ্রেণীর (optics-class) প্রকল্প, যা রক্ত ও থুতুর নমুনার বিবর্ধিত চিত্রের সহজ বিশ্লেষণ করতে পারে, এছাড়া সেলফোনের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ছবিগুলোকে আরো গভীর বিশ্লেষণের জন্য অন্যত্র প্রেরণ করবার ক্ষমতা রাখে।

এই যন্ত্রটি দেখতে অদ্ভুত – একটি নলের (tube) মত বর্ধিতাংশ একটি বেল্ট ক্লিপের সাহায্যে সেল ফোনের সাথে সংযুক্ত – যা একটি সাধারণ অণুবীক্ষণযন্ত্রের ন্যায় কাজ করে, একদল লেন্স ব্যাবহারের মাধ্যমে অণুবীক্ষণযন্ত্রের স্লাইডের উপরে রাখা রক্ত বা থুতুর নমুনাকে বিবর্ধিত করে। যেমন, টিবি সনাক্ত করবার জন্য, থুতুর নমুনাকে অরামিন (auramine) নামক একটি সস্তা রঙ্গের (dye) সঙ্গে চারিত (infused) করা হয়। একটি “উদ্দীপক” ( “excitation”) তরঙ্গদৈর্ঘ্য নির্গত হয় আলোর উৎস হতে – একটি নীল আলো বের হয় এমন ডায়োড (LED) থেকে যা সেল ফোনে সংযুক্ত ডিভাইসের বিপরীত প্রান্ত থেকে নির্গত হয় – এবং থুতুর নমুনাতে মেশানো অরামিন তা শোষন করে নেয়, যা টিবির ব্যাকটেরিয়াকে সবুজাভ আভায় ফুটিয়ে তোলে। পরে স্বয়ংক্রিয় সফ্টওয়্যারের মাধ্যমে তখন তখনি (in real time) সবুজ ব্যাকটেরিয়াগুলোর সংখ্যা নির্ধারণ সম্ভব রোগের অবস্থা নির্ণয়ের জন্য অথবা চিত্রগুলো সেল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে একটি আলাদা স্থানে প্রেরণ করা যাবে যেখানে ডাক্তাররা একে বিশ্লেষণ করে সঠিক রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে সমাধান প্রদান করবেন।

“সেলফোন পদ্ধতিটি বিশ্বের সমস্ত অংশের জন্য খুবই মূল্যবান বিশেষ করে যেখানে চিকিৎসার সরঞ্জাম অপ্রতুল”, বলেছেন আয়োডোগান অজক্যান (Aydogan Ozcan), ইউসিএলএ’র বৈদ্যুতিক প্রকৌশল (electrical engineering) বিভাগের সহকারী অধ্যাপক, যিনি এ মুহূর্তে এই পদ্ধটিকে আরো উন্নত করে লেন্স-বিহীন করবার চেষ্টায় রয়েছেন।

এ প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত গবেষকগণের নেতৃত্ব দিয়েছেন বার্কলের বায়োপ্রকৌশল (bioengineering) বিভাগের অধ্যাপক ড্যানিয়েল ফ্লেচার, একটি প্লাস ওয়ান (PLoS One) নামক জার্নাল প্রকাশিত প্রবন্ধে তিনি তাঁদের কাজের বিস্তারিত বিবরণ প্রদান করতে গিয়ে জানিয়েছেন, প্রথম দিকে তাঁরা একটি প্রোটোটাইপ ডিভাইসে ব্যবহার করেছিলে সাদা আলো, অথবা উজ্জ্বল-ক্ষেত্র ইমেজিং (bright-field imaging), যার মাধ্যমে রক্ত কোষের দাগকে বিবর্ধিত ছবির তুলে রক্ত ম্যালেরিয়া প্যারাসাইট আবিষ্কার করবার জন্য। এটি এমন এক পন্থা যার মাধ্যমে সনাক্ত করা সম্ভব অদ্ভুত আকৃতির লাল রক্তকোষে (red blood cell) সিকেল সেল রোগ (sickle cell disease)। ফ্লুরোসেন্ট (প্রতিপ্রভা) রোগ নির্ণয়ের একটি নতুন ক্ষমতা যা বিশেষভাবে দরকারী হয়ে পড়বে যদি এটাকে সস্তা এবং বহনযোগ্য করা যায়।

‘ফ্লুরোসেন্ট (প্রতিপ্রভ) অণুবীক্ষণের মাধ্যমে রোগ নির্ধারণ করবার সুবিধা দরিদ্র দেশগুলোর জন্য কঠিন।’ বললেন ইউসিএসএফ (UCSF) এর স্কুল অভ মেডিসিনের বায়োপ্রকৌশলী ও চিকিৎসক উইলবার ল্যাম, যিনি প্রকল্পটিতে ক্লিনিকাল এক্সপার্ট হিসাবে কাজ করছেন। তার মতে, ‘ল্যাব-গ্রেড ফ্লুরোসেন্ট প্রযুক্তি ব্যয়বহুল এবং কাজটি সহজ নয়, এছাড়া এ জন্য প্রয়োজন ডার্ক রুম, মার্কারি আলো এবং প্রয়োজন প্রচুর প্রশিক্ষণের।’ এই সুবিধা উপলব্ধ করা উন্নয়নশীল দেশের অনেক অঞ্চলের পক্ষে সম্ভব নয়, আর ল্যামের মতে সেই সকল জায়গায় টিবির মত সাধারণ রোগ সনাক্ত করবার জন্য সেলস্কোপ ব্যবহার করা যাবে। এই ডিভাইসটি দূরবর্তী এলাকায় স্বাস্থ্য কর্মীদের মাঝে বিতরণের মাধ্যমে প্রতিপ্রভা ভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি নাগালের মধ্যে আনা সম্ভবপর হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে টিবি সনাক্তকরণ যন্ত্র হিসাবে এটি খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কারণ, যে কারো পক্ষে একটি উজ্জ্বল-ক্ষেত্রের পটভূমিতে সবুজাভ দাগ খুজে পাওয়া সম্ভব। যদিও প্রথাগত প্রতিপ্রভা সরঞ্জাম ব্যবহার করে মাইক্রোস্কোপ স্লাইড উপর থেকে দাগ গণনা করা স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্য সহজ নয়। আর তাই, বার্কলে গ্রুপ একটি সফ্টওয়্যার তৈরি করেছে যার মাধ্যমে সবুজ দাগগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে গণনা করা হয়; যখন তা স্মার্ট ফোনে ইনস্টল করা থাকে, এর মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি হয়ে পড়েছে সহজ এবং দ্রুত।

এছাড়াও যেহেতু একজন টিবি রোগীকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মীর সাথে যোগাযোগ রাখতে হয়, এই যন্ত্রের মাধ্যমে প্রতি সপ্তাহে রোগীর অবস্থার চিত্র সংরক্ষণের মাধ্যমে রোগের অগ্রগতির বা কোন জটিলতা সৃষ্টির পূর্বেই জানা সম্ভব হয়।

ছবিগুলো প্রেরণ করবার মাধ্যমে টেলেমেডিসিন সুবিধা এবং জিপিএস ট্যাগ যুক্ত থাকায় কোন রোগের প্রারম্ভিক প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে সতর্কবার্তা প্রদান করা সম্ভব।

মেডিক্যাল রেকর্ডকে ডিজিটাইজড করবার ক্ষেত্রে ফ্লেচারের গ্রুপ সমস্যায় পড়ে বাংলাদেশ এবং কঙ্গোতে। সেখানে কাগজ-কলমের রেকর্ড সহজেই হারিয়ে যায়। এ সমস্যাও সেল ফোন মাইক্রোস্কোপ ব্যবহারের মাধ্যমে সমাধান করা যায়, প্রত্যেক ডিজিটাল ইমেযে রোগীর-সনাক্তকরণ তথ্য সংযোজনের মাধ্যমে। রেকর্ডস তারপর সহজে অনুসন্ধান করা যাবে যখন রোগী আবার স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ফিরে আসবে তখন।

বিশ্বে যখন চার বিলিয়ন সেল ফোন রয়েছে, অজকানের মতে, অনেক উন্নয়নশীল দেশ, সেল ফোন মাইক্রোস্কোপ এর মাধ্যমে বিদ্যমান অবকাঠামোর সুবিধা নিয়ে রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হতে পারে।

original post

read more

মুক্তি পেলো ফায়ারফক্স ৭ : আগের চেয়ে অনেক কম মেমোরী ব্যাবহৃত হবে

by reaz mahmood

গত ২৮ সেপ্টেম্বর জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার ফায়ারফক্স তাদের সপ্তম সংস্করণ রিলিজ করেছে। ফায়ারফক্স সেভেন-এর সবচেয়ে উল্লখযোগ্য দিক হলো কম মেমোরী ব্যাবহার। কম্পিউটারে চলার সময় যে প্রোগ্রাম যত কম মেমোরী ব্যাবহার করে সে প্রোগ্রাম তত দ্রুত চলতে পারে।

ফায়ারফক্স কতৃপক্ষের মতে, এবারের সংস্করনটি আগের সংস্করন গুলো (ফায়ারফক্স ৪, ৫, ৬) থেকে অনেক কম মেমোরী ব্যবহার করবে, স্বাভাবিক অবস্হায় প্রায় ২০-৩০ শতাংশ। কোন কোন ক্ষেত্রে তা ৫০% হতে পারে। এর ফলে ফায়ারফক্সের কার্যকারিতা আরো বৃদ্বি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ব্যাবহারকারীরা যখন অনেকগুলো ট্যাব একসাথে খুলে কাজ করেন তখন এই কম মেমোরী ব্যাবহার প্রোগ্রামটিকে হ্যাং করা থেকে মুক্ত রাখবে।


ফায়ারফক্স ৭

ফায়ারফক্সের মেমোরী ব্যাবহার কমানোর জন্য ফায়ারফক্স "মেমশ্রিংক" নামে একটি প্রজেক্ট হাতে নিয়েছিল, সেটির উদ্দেশ্য ছিল যে সকল বাগের (bug) কারনে মেমোরী ব্যাবহার বেড়ে যায় তা নিরুপন করা। বিশেষ করে কিছু বাগের কারনে ট্যাব বন্ধ করার পরেও তা কিছু অংশ মেমোরী দখল করে রাখত। এই সকল বাগগুলো নতুন সংস্করনে নিরুপন করা হয়েছে বলে কতৃপক্ষ জানায়।

এছাড়া ও নতুন সংযোজনের মাঝে আছে এইচটিএমএল ৫ রেন্ডারিং দ্রুততর করার জন্য হার্ডওয়্যার উন্নততর করার ফ্রেমওয়ার্ক। ফলে এইচটিএমএল-৫ ভিডিও এবং এনিমেশন আরো ভালভাবে প্রদর্শিত হবে। নতুন এই সংস্করনে আগের চিহ্নিত হওয়া ১১টি নিরাপত্তা দুর্বলতাও দূর করা হয়েছে।

আগ্রহীরা সরাসরি মজিলা ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন অথবা যারা ইতিমধ্যেই ফায়ারফক্স ব্যাবহার করছেন তার ফায়ারফক্সের নিজস্ব আপডেট মেনুর সাহায্যে ইনস্টল করতে পারেন।

original post

read more

মুক্তি পেলো ফায়ারফক্স ৭ : আগের চেয়ে অনেক কম মেমোরী ব্যাবহৃত হবে

by reaz mahmood

গত ২৮ সেপ্টেম্বর জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার ফায়ারফক্স তাদের সপ্তম সংস্করণ রিলিজ করেছে। ফায়ারফক্স সেভেন-এর সবচেয়ে উল্লখযোগ্য দিক হলো কম মেমোরী ব্যাবহার। কম্পিউটারে চলার সময় যে প্রোগ্রাম যত কম মেমোরী ব্যাবহার করে সে প্রোগ্রাম তত দ্রুত চলতে পারে।

ফায়ারফক্স কতৃপক্ষের মতে, এবারের সংস্করনটি আগের সংস্করন গুলো (ফায়ারফক্স ৪, ৫, ৬) থেকে অনেক কম মেমোরী ব্যবহার করবে, স্বাভাবিক অবস্হায় প্রায় ২০-৩০ শতাংশ। কোন কোন ক্ষেত্রে তা ৫০% হতে পারে। এর ফলে ফায়ারফক্সের কার্যকারিতা আরো বৃদ্বি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ব্যাবহারকারীরা যখন অনেকগুলো ট্যাব একসাথে খুলে কাজ করেন তখন এই কম মেমোরী ব্যাবহার প্রোগ্রামটিকে হ্যাং করা থেকে মুক্ত রাখবে।


ফায়ারফক্স ৭

ফায়ারফক্সের মেমোরী ব্যাবহার কমানোর জন্য ফায়ারফক্স "মেমশ্রিংক" নামে একটি প্রজেক্ট হাতে নিয়েছিল, সেটির উদ্দেশ্য ছিল যে সকল বাগের (bug) কারনে মেমোরী ব্যাবহার বেড়ে যায় তা নিরুপন করা। বিশেষ করে কিছু বাগের কারনে ট্যাব বন্ধ করার পরেও তা কিছু অংশ মেমোরী দখল করে রাখত। এই সকল বাগগুলো নতুন সংস্করনে নিরুপন করা হয়েছে বলে কতৃপক্ষ জানায়।

এছাড়া ও নতুন সংযোজনের মাঝে আছে এইচটিএমএল ৫ রেন্ডারিং দ্রুততর করার জন্য হার্ডওয়্যার উন্নততর করার ফ্রেমওয়ার্ক। ফলে এইচটিএমএল-৫ ভিডিও এবং এনিমেশন আরো ভালভাবে প্রদর্শিত হবে। নতুন এই সংস্করনে আগের চিহ্নিত হওয়া ১১টি নিরাপত্তা দুর্বলতাও দূর করা হয়েছে।

আগ্রহীরা সরাসরি মজিলা ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন অথবা যারা ইতিমধ্যেই ফায়ারফক্স ব্যাবহার করছেন তার ফায়ারফক্সের নিজস্ব আপডেট মেনুর সাহায্যে ইনস্টল করতে পারেন।

original post

read more

এ বছরের মধ্যেই গ্রাহক সংখ্যায় ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যেতে পারে গুগল ক্রোম

by reaz mahmood

ইন্টারনেট ব্রাউজার যুদ্বে ক্রমশই শক্ত প্রতিদ্বন্দী হয়ে উঠছে গুগল ক্রোম। মার্কেট অংশীদারীত্বে প্রথম স্হানটি মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের দখলে থাকলেও ২য় স্হান নিয়ে ভালই লড়াই জমেছে গুগল ক্রোম এবং ফায়ারফক্সের মধ্যে।

জনপ্রিয় অনলাইন ট্রাফিক মনিটরিং ওয়েবসাইট স্ট্যাটকাউন্টারের (statcounter.com) রিপোর্ট অনুযায়ী, গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে ক্রোমের মার্কেট অংশীদারীত্ব ছিল ১১.৫৪% বর্তমানে তা প্রায় ২৩.১৬, যা কিনা প্রায় ১০০ ভাগ বৃদ্বি। একই সময়ে ফায়ার ফক্স হারিয়েছে তাদের ৪% মার্কেট অংশীদারীত্ব । গত বছরের এই সময়ে তাদের দখলে থাকা ৩১% মার্কেট অংশীদারীত্ব ২৭.৫ এ এসে পৌছেছে। তবে ক্রোমের এই উথানে সবচেয়ে বেশী ভুক্তভোগী ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার। ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের মার্কেট অংশীদারীত্ব এক বছরে ৪৯.৮৭ থেকে ৪১.৮৯ এ এসে দাড়িয়েছে। গুগল ক্রোমের এই উথানের গতি অব্যহত থাকলে এ বছর শেষের আগেই গুগল ক্রোম ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যাবে বলেই মনে হচ্ছে।

গত এক বছরের মার্কেট অংশীদারীত্ব (তথ্যসূত্র: স্ট্যাটকাউন্ট.কম):
statcount

মার্কেট অংশীদারিত্বের বর্তমান চিত্র:
Photobucket

অন্য আরেকটি ট্রাফিক মনিটরিং ওয়েবসাইট নেটমার্কেটশেয়ার (netmarketshare.com) এর রিপোর্টে গুগল ক্রোম (১৫.৫১%) ফায়ারফক্সের (২২.৫৭%) তুলনায় বেশ খানিকটা পিছিয়ে থাকলেও তারাও ধারনা করছে ২০১২ সালের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যেই গুগল ক্রোম ফায়ারফক্সকে ছাড়িয়ে যাবে।

গুগল ক্রোমের এই অগ্রসরের পেছনে তাদের ব্যাপক বিজ্ঞাপনী প্রচারকে প্রভাবক হিসেবে মনে করা হচ্ছে। পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট গুগলের নিজস্ব হওয়ায় তারা প্রতিনিয়তই গুগল ক্রোমের বিজ্ঞাপনী প্রচার করে চলেছে। নিজেদের ব্রাউজারকে মানুষের কাছে জনপ্রিয় করার জন্য তারা এমনকি টিভি বিজ্ঞাপন ও প্রচার করেছে। সার্বিক অবস্হা বিবেচনায় ফায়ারফক্স এবং ইন্টারনেটকে শক্ত প্রতিদ্বন্দিতার মুখোমুখি করতে যাচ্ছে গুগল ক্রোম।

original post

read more

আইফোন ৫: আসি আসি করেও এলেনা, এলো আইফোন ৪এস (iPhone 4S)

by reaz mahmood

অনেক জনপ্রিয় টেকনোলজি ব্লগার, ওয়েবসাইটের ভবিষ্যৎবানী,জল্পনা-কল্পনা সেইসাথে গ্রাহকদের আকাংখা কে ভুল প্রমান করে দিয়ে অ্যাপল কোম্পানী আইফোন ৫ নামে কোন ফোন মুক্তি দেয়নি। কদিন আগে অ্যাপল তাদের সম্মেলনের তারিখ ঘোষনার পর থেকে কানাঘুষা শোনা যাচ্ছিল অ্যাপল হয়তো আইফোন ৫ নামে কোন ফোন রিলিজ করতে পারে এই সম্মলনে। বরং অ্যাপল গতকাল মঙ্গলবার তাদের সদর দফতর ক্যালিফোর্নিয়ায় এক সম্মেলনে একটি নতুন ফোন রিলিজ করে। এটি হলো বর্তমানে বাজারে থাকা আইফোন ৪-এর উন্নততর সংস্করন আইফোন ৪এস (iPhone 4S)।

নতুন এই আইফোন ৪এস দেখতে আইফোন ফোর-এর মতই। তবে পরিবর্তন এসেছে এর ভেতরের হার্ডওয়্যারে। এছাড়া এটি অ্যাপলের নতুন মোবাইল ফোন অপারেটিং সিস্টেম আইওএস ৫ (ios 5)-এ চলবে। সেই সাথে বর্তমান আইফোন ব্যাবহারকারীরা ১২ই অক্টোবর থেকে তাদের ফোনের অপারেটিং সিস্টেম আইওএস ৫-এ আপগ্রেড করিয়ে নিতে পারবেন।

অ্যাপলের বিশ্বব্যাপী পন্য বিপনন যুগ্ম মহাসচিব ফিলিপ শিলার সংবাদ সম্মেলনে আইফোন ৪এস রিলিজের সংবাদ দিচ্ছেন:

নতুন যে পরিবর্তন গুলো আসল:

১. আইফোন ৪এস চলবে ডুয়াল কোর এ৫ (A5) চিপ-এ। যার ফলে এই ফোনটিকে ৭ গুণ দ্রুতসেবা দেবে। নতুন এই ফোনে প্রায় ১৪.৪ মেগাবাইট পর্যন্ত ডাউনলোড স্পীড পাওয়া সম্ভব।

২. নতুন সিগন্যালিং সিস্টেম: এই ফোনটি সিগন্যাল গ্রহন এবং প্রেরনের জন্য নিজে নিজেই দুটি মোবাইল এন্টেনার মাঝে বদলাবদলি করতে পারবে যা কিনা কলের গুনাগুন এবং ডাটা ডাউনলোড স্পীড বাড়াতে সাহায্য করবে।

৩. ক্যামেরার অগ্রগতি: নতুন ফোনে থাকছে আট মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। এর সাথে থাকছে হাইব্রিড আইআর (IR) ফিল্টার যা আরো ভাল এবং নিখুত রং পেতে সাহায্য করবে।

৪. ভয়েস এসিসটেন্ট: এটি আইফোন ৪এস-এর সবচেয়ে আকর্ষনীয় বৈশিস্ট্য। এতে রয়েছে সিরি নামক একটি ভয়েস রিকগনিশন সিস্টেম যা আপনার মুখের কথা থেকেই ফোনের কমান্ড নিতে পারে। আগে বেশ ফোনে কিছু ফোনেই ভয়েস রিকগনিশন থাকলেও সেগুলো নিখুত ফল দেয়ার ব্যাপারে এখনো পিছিয়ে আছে। সেগুলোর চেয়ে এটি অনেক উন্নত এবং রেসপন্সিব হবে বলে অ্যাপল জানিয়েছে। যেমন ধরুন আপনি বললেন "local time in Dhaka" এটি তখন আপনাকে ওয়ার্ল্ড ক্লকে ঢাকার সময় দেখাবে। শুধু তাই নয় এটি আপনার কথার উত্তর ও দিতে পারে। আপনি কমান্ড দিলে আপনার ফোন আপনাকে মেসেজ পড়ে শোনাবে।

৫. আইক্লাউড রিলিজ: আইক্লাউডের মাধ্যমে গ্রাহকরা অনলাইনে তাদের ডাটা সংরক্ষন করতে পারবেন।

সবকিছু মিলিয়ে আইফোন লাইনআপের নতুন এই সদস্য গ্রাহক মাতাবে বলেই মনে হচ্ছে।

যারা আগ্রহী তারা এখানে পুরো প্রোডাক্ট রিলিজ অনুস্ঠানটি দেখতে পারেন

read more

প্রথম দিকের দুজন উদ্যোক্তা - বিল গেটস এবং ষ্টিভ জবস

by Shawnchoy.Rahman

যা কমিপউটার প্রযুক্তিকে ভালোবাসেন, যারা এই ক্ষেত্রে কাজ করেন, যারা নতুন কোনও পণ্য বা আইডিয়া নিয়ে কাজ করেন, কিংবা করতে চান - তাদের কাছে দু'জন মানুষ খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং অনুসরনীয় নেতা। তারা হলেন - বিল গেটস এবং ষ্টিভ জবস। তারা পৃথিবীর তথ্য প্রযুক্তির পথটা তৈরী করে দিয়েছেন। তারা বদলে দিয়েছেন আমরা যেভাবে এই পৃথিবীতে যোগাযোগ করি; এবং তাদের প্রভাব থাকবে আমাদের মাঝে। তাদের দু'জনের কিছু ভিডিও ফুটেজ রয়েছে। কমিপউটারপ্রেমী মানুষদের জন্য সেগুলো এখানে দিলাম। আশা করছি, আপনাদের ভালো লাগবে।

Part1

Part2

Part3

Part4

Part5

Part6

Part7

Part8

Part9

Part10

Part11

read more

আসছে গুগল মিউজিক (Google Music)

by Shawnchoy.Rahman

গুগল শীঘ্রই নিয়ে আসছে গুগল মিউজিক। আপনি আপনার পছন্দের সর্বমোট ২০০০০ গান গুগল ক্লাউডে ফ্রি জমা করে রাখতে পারবেন। গুগল চাচ্ছে music everywhere অর্থাৎ যেকোনো ডিভাইস থেকে সেই গান শুনতে পারবেন। এটা হতে পারে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন, ট্যাবলেট কিংবা পিসি।
GoogleMusic

শুধুমাত্র তাই-ই নয় গুগল ডিভাইসগুলোর মধ্যে অটোমেটিক সিঙ্ক্রোনাইজেশন করবে। এটার জন্য অ্যান্ড্রয়েড মার্কেট থেকে তাদের ফ্রি মিউজিক অ্যাপ্লিকেশনটি আপনার প্রতিটি ডিভাইসে ইন্সটল করে নিতে হবে। ব্যাস হয়ে গেল কাজ! ধরা যাক, আপনি আপনার পছন্দের একটি গান মিউজিক অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে আপনার পিসিতে যোগ (add) করলেন। গুগল অটোম্যাটিক্যালি আপনার প্রতিটি ডিভাইসে এই গানটি সিঙ্ক্রোনাইজ করে ফেলবে অর্থাৎ তারপর থেকে এই গানটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন, অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবলেট-এ গানটি শোনা যাবে। আপনি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন বা ট্যাবলেটে গান যোগ করলেও এটি অন্যান্য ডিভাইসের সাথে সিঙ্ক্রোনাইজ হয়ে যাবে।

আবার ধরা যাক, আপনি আপনার পছন্দের একটি গান আপনার ফোনে বাসায় থাকা অবস্থায় শুনেছেন। তারপর বিকেল বেলা হয়তবা পার্কে প্রিয় মানুষটির সাথে ফুচকা খাচ্ছেন। আপনার ইচ্ছে হল যে আপনি আপনার পছন্দের গানটি আপনার প্রিয় মানুষটিকে শোনাবেন। খোলা আকাশের নিচে ফুচকা, প্রিয় মানুষের হাত - এবার পছন্দের গানটি হলে ব্যাপারটা পরিপূর্ণ হয়। কিন্তু বাধ সাধল ইন্টারনেট। খোলা আকাশের নীচে ইন্টারনেট নেই। কোন ভাবনা নেই ! গুগল মিউজিক এই সমস্যার সমাধান করে ফেলেছে। আপনি যদি কোন গান একবার শুনে থাকেন,তবে বুদ্ধিমান মিউজিক অ্যাপ্লিকেশনটি ঐ গানটি অফলাইনেও সহজলভ্য (available) করে দিবে। এমনকি কোন অ্যালবামটি বা কোন গানটি আপনি অফলাইনে চান, তা মিউজিক অ্যাপ্লিকেশনটির মাধ্যমে নির্ধারণ করা যাবে।

এই অ্যাপ্লিকেশনটির আরো একটি কাজ হল আপনার মুড অনুযায়ী গান নির্ধারণ করা। ধরা যাক, আপনার কোন কারণে মনটা খারাপ। আপনি একটি আনন্দের গান শুনতে চান যাতে মনটি ভালো হয়ে যায়। আপনি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনে আনন্দের গান ধারণা করে একটি গান সিলেক্ট করুন। গুগল সাথে সাথে একই রকম আরো অন্যান্য গানগুলিও লিস্ট করে ফেলবে।

read more

আসছে গুগল মিউজিক (Google Music)

by Shawnchoy.Rahman

গুগল শীঘ্রই নিয়ে আসছে গুগল মিউজিক। আপনি আপনার পছন্দের সর্বমোট ২০০০০ গান গুগল ক্লাউডে ফ্রি জমা করে রাখতে পারবেন। গুগল চাচ্ছে music everywhere অর্থাৎ যেকোনো ডিভাইস থেকে সেই গান শুনতে পারবেন। এটা হতে পারে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন, ট্যাবলেট কিংবা পিসি।
GoogleMusic

শুধুমাত্র তাই-ই নয় গুগল ডিভাইসগুলোর মধ্যে অটোমেটিক সিঙ্ক্রোনাইজেশন করবে। এটার জন্য অ্যান্ড্রয়েড মার্কেট থেকে তাদের ফ্রি মিউজিক অ্যাপ্লিকেশনটি আপনার প্রতিটি ডিভাইসে ইন্সটল করে নিতে হবে। ব্যাস হয়ে গেল কাজ! ধরা যাক, আপনি আপনার পছন্দের একটি গান মিউজিক অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে আপনার পিসিতে যোগ (add) করলেন। গুগল অটোম্যাটিক্যালি আপনার প্রতিটি ডিভাইসে এই গানটি সিঙ্ক্রোনাইজ করে ফেলবে অর্থাৎ তারপর থেকে এই গানটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন, অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবলেট-এ গানটি শোনা যাবে। আপনি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোন বা ট্যাবলেটে গান যোগ করলেও এটি অন্যান্য ডিভাইসের সাথে সিঙ্ক্রোনাইজ হয়ে যাবে।

আবার ধরা যাক, আপনি আপনার পছন্দের একটি গান আপনার ফোনে বাসায় থাকা অবস্থায় শুনেছেন। তারপর বিকেল বেলা হয়তবা পার্কে প্রিয় মানুষটির সাথে ফুচকা খাচ্ছেন। আপনার ইচ্ছে হল যে আপনি আপনার পছন্দের গানটি আপনার প্রিয় মানুষটিকে শোনাবেন। খোলা আকাশের নিচে ফুচকা, প্রিয় মানুষের হাত - এবার পছন্দের গানটি হলে ব্যাপারটা পরিপূর্ণ হয়। কিন্তু বাধ সাধল ইন্টারনেট। খোলা আকাশের নীচে ইন্টারনেট নেই। কোন ভাবনা নেই ! গুগল মিউজিক এই সমস্যার সমাধান করে ফেলেছে। আপনি যদি কোন গান একবার শুনে থাকেন,তবে বুদ্ধিমান মিউজিক অ্যাপ্লিকেশনটি ঐ গানটি অফলাইনেও সহজলভ্য (available) করে দিবে। এমনকি কোন অ্যালবামটি বা কোন গানটি আপনি অফলাইনে চান, তা মিউজিক অ্যাপ্লিকেশনটির মাধ্যমে নির্ধারণ করা যাবে।

এই অ্যাপ্লিকেশনটির আরো একটি কাজ হল আপনার মুড অনুযায়ী গান নির্ধারণ করা। ধরা যাক, আপনার কোন কারণে মনটা খারাপ। আপনি একটি আনন্দের গান শুনতে চান যাতে মনটি ভালো হয়ে যায়। আপনি আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনে আনন্দের গান ধারণা করে একটি গান সিলেক্ট করুন। গুগল সাথে সাথে একই রকম আরো অন্যান্য গানগুলিও লিস্ট করে ফেলবে।

read more

Monday, October 10, 2011

এইচপি'র হার্ডওয়্যার থেকে সফটওয়্যারে যাত্রার পথে নতুন সংযোজন "এন্টারপ্রাইজ সিকিউরিটি"

by reaz mahmood

বিখ্যাত টেকনোলজি প্রতিষ্ঠান হিউলেট প্যাকার্ড গত কিছুদিন ধরেই হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারক থেকে সফটওয়্যার সার্ভিসে তাদের ব্যাবসার মনোনিবেশ স্হানান্তর করছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এবার তারা বাজারে আনল "এন্টারপ্রাইজ সিকিউরিটি সলিউশন"।

এটি মূলত একটি বহুস্তর বিশিষ্ট সিকিউরিটি ফ্রেমওয়ার্ক যা ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান গুলোকে তাদের নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা কৌশল প্রনয়নে এবং বাস্তবায়নে সাহায্য করবে। বিশেষত ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে ভ্রাম্যমানতা (মোবিলিটি), ক্লাউড কম্পিউটিং এবং সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাপক উথানের ফলে যেসব বহুমুখী হুমকি এবং সম্ভাব্য ক্ষতি হতে পারে সেগুলো মোকাবেলা করবে এই ব্যাবস্হাটি।

গত ১২ সেপ্টেম্বর এইচপি'র এক অফিসিয়াল বার্তায় বলা হয়, "বৃহৎ প্রতিষ্ঠানগুলোতে মোবাইল কম্পিউটিং, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক গ্রাহকমুখীতা, ক্লাউড সার্ভিসের উত্তরোত্তর ব্যাপক ব্যাবহার, সামাজিক মিডিয়ার ব্যাপকতা ইত্যাদি কারনে সৃষ্ট হুমকিগুলো মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় কৌশল অবলম্বন করতে এই নিরাপত্তা পোর্টফোলিও সাহায্য করবে।"

এইচপি গত বছর কম্পিউটার সিকিউরিটি ফার্ম আর্কসাইট এবং ফর্টিফাই সফটওয়্যার অধিগ্রহন করে। এছাড়া ও ২০০৯ সালে থ্রীকম কোম্পানি কেনার মাধ্যমে তারা টিপিংপয়েন্ট নামক আরেকটি কম্পিউটার সিকিউরিটি ফার্মের মালিক হয়। নতুন এন্টারপ্রাইজ সিকিউরিটি ফ্রেমওয়ার্ক কে দেখা হচ্ছে এই ৩টি প্রতিস্ঠানের প্রযুক্তিক সমন্বয়ে প্রাপ্ত নিরাপত্তা ও ঝুকি ব্যাবস্হাপনা। বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তায় এই একীভূত চেস্টা সাফল্যের মুখ দেখবে বলেই আশা করা যাচ্ছে।

original post

read more

Saturday, September 10, 2011

▒▒Enigma সমগ্র এবং মাইকেল ক্রেটুঃ The god Of Music.▒▒

by ইনকগনিটো
Justify Full





নামে অনেকেই হয়তো চিনবেন, হয়তো চিনবেন না। তবু বলতে হয় "মাইকেল ক্রেটু" সঙ্গীতের আকাশে এক অনন্য উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম। তার কোঁকড়ানো চুলের জন্য তাকে curly নামেও ডাকা হয়, যেটা থেকে পরবর্তীতে "Carly's Song" এর উৎপত্তি! এনিগমা নামের অবিশ্বাস্য মিউজিকাল প্রজেক্টটির জন্ম হয় তার হাতে। যারা এনিগমা এর গান শুনেছেন বা শুনেন, তারা হয়তো জেনে থাকবেন সঙ্গীতকে ঘিরে এই ব্যাক্তিটির প্রতিভার কথা।



মাইকেল ক্রেটু এর জন্ম ১৯৫৭ সালে, রোমানিয়া এর বুখারেস্ট শহরে। ছোটবেলা থেকেই সঙ্গীতের প্রতি চরমভাবে অনুরক্ত ছিলেন। সঙ্গীতের প্রতি তার আগ্রহ দেখে তার বাবা মা তাকে মিউজিক স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিলেন। তার সঙ্গীত শিক্ষা চলতে লাগলো বুখারেস্ট এর বিখ্যাত মিউজিক স্কুল- ডিনু লিপাট্টি তে। পরবর্তীতে তিনি আরও উচ্চ শিক্ষার জন্য চলে আসেন জার্মানির ফ্রাঙ্কফুটে, যেখান থেকে ১৯৭৮ সালে তিনি ডিগ্রি অর্জন করেন।

তার প্রথম সিঙ্গেল রিলিজ হয় ১৯৭৮ সালেই, যেটার নাম ছিল Wild River. পরের বছরই রিলিজ হল ক্রেটু এর প্রথম অ্যালবাম Moon, Light & Flowers. ১৯৮৩ ও ১৯৮৫ সালে বেশ সফলভাবেই ক্রেটু রিলিজ করলেন আরও দুটি সলো অ্যালবাম যার নাম Legionäre এবং Die Chinesische Mauer. অ্যালবাম দুটি জার্মান ভাষাতেও অনুবাদ করা হয়, এবং ক্রেটু বেশ অল্প সময়েই ব্যাপক সুখ্যাতি লাভ করেন। যদিও তার এই অ্যালবাম গুলি ছিল একেবারেই ক্লাসিক্যাল, সেখানে পরবর্তীতে জন্ম দেওয়া রহস্যমাখা সঙ্গীতগুলোর ছিটে ফোটা ছায়াও ছিল না।

ক্রেটু অবশ্য একটি ব্যান্ড দলের হয়ে কি বোর্ড বাজাতেন, যেটির নাম ছিল অ্যারাবেস্কি। ৮৪ সালের দিকেই ব্যান্ডটি ভেঙে যায়। ক্রেটু তখন সান্দ্রা এর সাথে যৌথভাবে সঙ্গীত তৈরিতে মনোনিবেশ করলেন। সান্দ্রা নিজেও অ্যারাবেস্কি এর সাথে জড়িত ছিলেন, এবং তার সুরেলা কণ্ঠ বহু হৃদয়েই ঝড় তুলে গেছে কালের পর কাল।



ক্রেটু সান্দ্রা এর প্রতিভা চিনতে ভুল করেন নি। ধীরে ধীরে সান্দ্রাও খুজে পেলেন নিজেকে, খুব অল্প সময়ের মাঝে ক্রেটু এর সহযোগিতায় আরেকটি মেধার পরিস্ফুটন ঘটলো। ১৯৮৬ সালে ক্রেটুর তত্ত্বাবধানে সান্দ্রা এর একটি অ্যালবাম রিলিজ হল- যার নাম Mirrors. সান্দ্রা এর অন্যতম সফল অ্যালবামের মধ্যে এটি একটি।

এর পরেই ১৯৮৮ সালে ক্রেটু এবং সান্দ্রা রিলিজ করলেন আরেকটি অ্যালবাম যার নাম Into a Secret Land, এটির মধ্যেই প্রথম ক্রেটু কিছুটা রহস্যময়তার ছোঁয়া দেন। অ্যালবামটি মুহূর্তের মধ্যেই সান্দ্রা এর জনপ্রিয়তাকে হাজারগুন বাড়িয়ে দেয়। একটি গান শুনে দেখতে পারেন অ্যালবামটির।


ক্রেটু এবং সান্দ্রা একে অপরের প্রতি বেশ ভালভাবে দুর্বল ছিলেন। তাদের প্রেমকে পূর্ণতা দিতে ১৯৮৮ সালেই সান্দ্রার সাথে প্রনয়ে আবদ্ধ হন মাইকেল ক্রেটু। সান্দ্রা-ক্রেটু বেশ সফল দম্পতি ছিলেন। পরবর্তীতে তাদের দুটি জমজ সন্তান হয়। একজন এর নাম নিকিতা এবং আরেকজন সেবাস্টিয়ান।




দ্যা রাইজ অফ এনিগমাঃ

প্রথম থেকে ক্লাসিকাল মিউজিক এর প্রতি ক্রেটু এর ঝোঁক থাকলেও তিনি অতি দ্রুত ক্লাসিকাল এর উপর থেকে আগ্রহ হারান। তার চোখে ছিল, কিছু একটা নতুন কে খুজে বের করার তৃষ্ণা। এনিগমা নামের মিউজিকাল প্রজেক্ট এর চিন্তাটা মুলত সে সময়ই শুরু হয়। ক্রেটু ফ্রাঙ্ক পিটারসন এর সাথে যৌথভাবে পরিশ্রম করে একটি সিঙ্গেল রিলিজ করলেন যার নাম- Sadeness (Part I) যেটাকে গ্রেগরিয়ান চান্ট এর একটি বর্ধিত সংস্করণ বলা যায়। এই সিঙ্গেল টি তুমুল আলোড়ন তৈরি করলো বের হওয়ার সাথে সাথে। ৮ মাসের পরিশ্রম শেষে ১৯৯০ সালে ক্রেটূ রিলিজ করলেন এনিগমা এর প্রথম অ্যালবাম -MCMXC a.D।

MCMXC a.D:



অ্যালবামটির প্রায় সবগুলো সঙ্গীতই আধ্যাত্মিকতা ও রহস্যময়তায় পরিপূর্ণ। অ্যালবামটির কনসেপ্ট মুলত মানব মনে জন্ম নেওয়া বিচিত্র পাপানুভুতি, আধ্যাত্মিকতা, মৃত্যুর পরের জীবন, যৌনতা ও একাকীত্ব এর সংমিশ্রণ। ৬০ টি প্লাটিনাম অ্যাওয়ার্ড পাওয়া ও ৪১ টি দেশে টপ করা এই অ্যালবামটি এখন পর্যন্ত এনিগমা এর সবচেয়ে জনপ্রিয় অ্যালবাম। এনিগমা নামের ব্যান্ডটিকে চিনতে খুব বেশি একটা সময় লাগলো না সঙ্গীত দুনিয়ার মানুষদের।

Sadness এর ভিডিওটা দিয়ে দিলাম-


অ্যালবামটির ডাউনলোড লিংক এখানে-

Enigma-MCMXC A.D


The Cross of Changes :



এটি এনিগমা এর দ্বিতীয় অ্যালবাম যেটা রিলিজ হয় ১৯৯৩ সালে। এটি রিলিজের আগে অবশ্য এই এ্যালবামের সবচেয়ে আলোচিত সিঙ্গেলটি রিলিজ পায়, যার নাম "Carly's Song" বা Age of Loneliness। সান্দ্রা এই গানটি তে কণ্ঠ দেন, যদিও এনিগমা এর অনেক গানেই সান্দ্রা এর উপস্থিতি বেশ লক্ষ্য করা যায়। ১৯৯৩ সালেই এই অ্যালবামটির ৬ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়।

Age Of Loneliness (Carly's Song) এর ভিডিও-



অ্যালবামটির ডাউনলোড লিংক এখানে-

Enigma-The Cross Of Changes



Le Roi est mort, vive le Roi! :



১৯৯৬ সালে রিলিজ হওয়া এটি এনিগমা এর তৃতীয় অ্যালবাম। এই এ্যালবামের নামটি ফরাসি, এটার ইংরেজি অর্থ করলে দাড়ায়-"The King is dead. Long live the King! আগের দুটি এ্যালবামের সাথে সামঞ্জস্যতা খুজে পাওয়া যায় এই অ্যালবামটিতেও। এই এ্যালবামের Beyond The Invisible গানটা আমার অনেক পছন্দের।


অ্যালবামটির ডাউনলোড লিংক এখানে-

Enigma- Le Roi Est Mort, Vive Le Roi!



The Screen Behind the Mirror :



২০০০ সালে রিলিজ পাওয়া এই অ্যালবাটিতে কিছুটা পরিবর্তন ও আধুনিকতার ছোঁয়া স্পষ্ট। অনেক ভক্তদের মতে এটি এনিগমার সবচেয়ে পরিনত অ্যালবাম। আবার অনেকে এটির বেশ সমালোচনা করেছেন অ্যালবামটিতে প্রায় ৪ টি সিঙ্গেলে Carmina Burana এর ব্যবহারে।
অ্যালবামটির জনপ্রিয় গান গুলোর মধ্যে "Gravity of Love" অন্যতম। তবে আমি ব্যাক্তিগতভাবে পছন্দ করি -"Traces (Light and Weight)" ,"Silence Must Be Heard", এবং "Between Mind & Heart"।

Gravity Of Love এর ভিডিও-

অ্যালবামটির ডাউনলোড লিংক -

Enigma-The Screen Behind The Mirror



Love Sensuality Devotion: The Greatest Hits :



২০০১ সালে রিলিজ পাওয়া এই অ্যালবামটি মুলত একটি রিমিক্স অ্যালবাম। আগের এ্যালবামের সঙ্গীত গুলোকেই পরিবর্তন করে বা অপরিবর্তিত রেখে অ্যালবামটিতে দেওয়া হয়। এই এ্যালবামের দুটি কম্পোজিশন একেবারে নতুন। এদের একটি হল-The Landing এবং অন্যটি Turn Around। মুলত এই এ্যালবামের মধ্যে থেকে এনিগমা এর প্রথম অধ্যায় এর সমাপ্তি হয়।
Turn Around এর ভিডিও-


অ্যালবামটির ডাউনলোড লিংক-

Enigma-Love Sensuality Devotion



Voyageur :



Voyageur রিলিজ পায় ২০০৩ সালে যেটার মাঝে এনিগমা এর আমুল পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। এনিগমা এর এই অ্যালবামটি তেমন একটা সাড়া ফেলতে পারেনি, কারন হিসেবে পরিবর্তনকেই দায়ী করেন অনেকে।
From The East To West এর এই ভিডিওটি অফিসিয়াল না হলেও কোন দিক থেকে কম মনে হয়না আমার।


অ্যালবামটির ডাউনলোড লিংক-

Enigma-Voyageur(2003)


15 Years After :



এনিগমা এর ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০০৫ সালে এনিগমা রিলিজ করলো 15 Years After নামের একটি বক্স সেট। যার মধ্যে ছিল এনিগমা এর বিগত ৫ টি অ্যালবাম, দুইটি বোনাস সিডি -Hello and Welcome" এবং The Dusted Variations এবং দুইটি ডিভিডি-Remember the Future ও MCMXC a.D.: The Complete Video Album.


অ্যালবামটির ডাউনলোড লিংক-

Enigma- 15 Years After



A posteriori :



২০০৬ সালে রিলিজ হল এনিগমা এর এই অ্যালবামটি। এটির কনসেপ্ট মুলত ইতিহাস, পদার্থ ও জ্যোতির্বিদ্যা। এই এ্যালবামের কম্পোজিশন গুলো বেশ উপভোগ্য এবং রহস্যময়তায় ভরপুর।

এই এ্যালবামের Eppur Si Muove এর ভিডিও-


অ্যালবামটির ডাউনলোড লিংক-

Enigma-A Posteriori



Seven Lives Many Faces :



২০০৮ সালে রিলিজ পাওয়া এই অ্যালবামটিই এখন পর্যন্ত এনিগমা এর সর্বশেষ মৌলিক অ্যালবাম। এটি অনেকটা টেকনো ধাঁচের।

Hells heaven এই অ্যালবামের একটি অসাধারন কম্পোজিশন!


অ্যালবামটির ডাউনলোড লিংক-

Enigma-Seven Lives Many Faces



ক্রেটু এবং সান্দ্রা এর বিচ্ছেদঃ



২০০৭ সালের নভেম্বরে ক্রেটু এর সাথে সান্দ্রা এর ১৯ বছরের দাম্পত্য জীবনের বিচ্ছেদ ঘটে। সান্দ্রা পরবর্তীতে আরেকজনের সাথে প্রনয়ে আবদ্ধ হন, যার নাম ওলাফ মেনজেস।


Sleep:



এনিগমা এর এই অ্যালবামটা বেশ দুষ্প্রাপ্য। ডাউনলোড লিংক দিলাম, শুনে বেশ ভালো লেগেছে আমার। বিশেষ করে Sleep, manic star, centre of the sun, tears from the moon এই গানগুলি। এটির অনেক গুলি গানেই সান্দ্রা এর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। সেই হিসেবে অ্যালবামটি ২০০৭ এর আগের বলেই ধারনা আমার।
Sleep গানটা শুনে দেখতে পারেন-

অ্যালবামটির ডাউনলোড লিংক-

Enigma-Sleep-Part1

এবং

Enigma-Sleep-Part2


Eppur Si Muove:

ডাউনলোড লিংক-
ENIGMA -Eppur Si Muove


বর্তমান এনিগমাঃ



ক্রেটু বেশ কিছুদিন ধরেই Enigma-The Social Song নামের এক প্রজেক্টে কাজ করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে একটি ভিডিও রিলিজ করেছেন তিনি। এনিগমা এর ভক্তদের নিয়ে ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে।


স্কুলে থাকতে আমার জীবনে শোনা প্রথম ব্যান্ডটির নাম- এনিগমা। এটা এমন একটা ব্যান্ড, যাদের কোন গান আমার কাছে কখনো পুরনো হয় না। যত শুনি, ততোই ভালো লাগে। এনিগমা শুধু আমার হৃদয়ই জয় করেনি, অসংখ্য ভক্তের হৃদয়ে পাকাপাকি ভাবে ছাপ ফেলে গেছে। এনিগমা এর গানগুলি চিরকাল বেঁচে থাকুক তার ভক্তদের মাঝে।।
original post
read more
affiliate program

EARN INCOME FROM YOUR WEBSITE

Turn your valuable web site traffic into income. Work online and join our free money making affiliate program. We offer the most pay-per-click rate to help maximize your cash stream.

Join our income making program absolutely free and 100% risk free.

Sign Up...

A steady income generator

Imagine running of a something that never failed to provide you with cash-flow. A earning money program so amazingly profitable that you never had to look for job ever again!Income while you sleep

CASH WHILE YOU SLEEP

Earn $1,000... $2,000... $5,000...

Turn your website visitors into cash!
You get money for every visitor that clicks on our advertizing. Our goal is to enable you to make as much as possible from your site. We pay monthly, either by check, or through PayPal.

Begin collecting steady partner commissions

Our money making program really can make you income on the same day. Start receiving steady partner revenue with almost no effort at all. This is a serious revenue opportunity, the chance for you to build a steady, reliable, long-time profitable business.

Savings Highway Dream Team Member Site Savings Highway Dream Team Member Site