Showing posts with label Kothin dialog. Show all posts
Showing posts with label Kothin dialog. Show all posts

Sunday, April 8, 2012

ইংলিশ (English)স্কিলস – টিপস টু পিপিং থ্রু ইংলিশ


ইংরেজী আসলেই বিদঘুটে একটি ভাষা … hilarious এবং brilliant!


প্রথমে আমরা একটা Box দিয়ে শুরু করবো যা বহুবচনে হবে Boxes,
তাহলে Ox এর বহুবচন Oxen হয়েছে , কেন নয় Oxes ?

একটি Fowl কে আমরা বলি Goose, কিন্তু দু’টিকে বলি Geese,
তারপরেও Moose এর বহুবচন কখনও হবেনা Meese.

আপনি একটি একাকী Mouse দেখতে পেতে পারেন বা ঘরভর্তি Mice,
কি অদ্ভুত , House এর প্লুরাল Houses হয়েছে, হয়নি কখনও Hice !

Man এর বহুবচন যদি সবসময় হয় Men,
তাহলে Pan এর বহুবচনে কেন হবেনা Pen ?

যদি একটি পা কে বলি Foot আর দুটোকে বলি Feet,
তবে কোন সূত্রে দুইটা Boot কে বলা যাবেনা Beet?

একটি দাঁত যদি Tooth হয় তবে একপাটি দাঁতকে বলি Teeth,
মহাভারত অশুদ্ধ হবে যদি একসারি Booth কে বলি Beeth.

ভাইকে বলি Brother আর ভাইয়েরা হলো Brethren,
আর মা যদি Mother হয়, কি দোষে মায়েরা হবেনা Methren?

এর পরে পুরুষদের আমরা বলি He, His অথবা Him,
কি অবাক কান্ড , মেয়েরা কিয়ের লিগা হয়না She, Shis অথবা Shim ?

আসলে ইংলিশ একটি ক্রেজী ল্যাঙ্গোয়েজ

কখনও কি ভেবে দেখেছেন, কি ফাজলামো এদের ভাষাতে ?
Eggplant এ কোনও Egg পাবেন না ।
Hamburger এ Ham.
Pineapple এ Apple ও নাই, আরও নাই Pine.

আমরা ইংরেজীকে নিশ্চিন্ত মনে ধরে নিই ঠিক কিন্ত যদি এর Paradoxeগুলোকে খুঁজি, তাহলে কি পাবো ?

চোরাবালি বা Quicksand কখনই দ্রুত কাজ করেনা বরং উল্টো Work Slowly.

Guinea pig কখনই Guinea থেকে আসেনি এবং এটা একটা Pig ও নয় ।

Boxing Rings কোনও বাক্স নয়, গোলও নয় ।

Teachers যদি Taught করায় , তবে Preachers যা করে তা কেন Praught নয় ?

Vegetarian রা যদি vegetables খায়, তবে Humanitarianরা কি খায় ?

এটাকে কি ক্রেজী মনে হয়না যখন “you can make amends but not one amend?”

কখোনও কখোনও মনে হয় যারা ইংরেজী শিখে বড় হয়, এই সব verbally insane এর জন্যে তাদের পাগলাগারদে যাওয়া উচিৎ ।
অন্য কোন ভাষায় আপনি এরকম পাবেন ????????

“মানুষ একটি “Play” তে “Recite” করে আবার একটি “Recital” এ “Play” করে ?

আমরা ট্রাক ভর্তি করে “Ship “ করি আর Ship ভর্তি করে কার্গো পাঠাই ?

আমাদের নাক “Run” (সর্দ্দি ঝরে) করে আর পা দিয়ে গন্ধ (Feet that smell) বেরোয় ?

আমরা Driveway তে Park করি আর Parkwayতে drive করি ?

আপনাকে ইংরেজীর অদ্ভুত পাগলামীতে অবাক হতেই হবে যখন দেখবেন–
Your house can burn up as it burns down,
You fill in a form by filling it out,
An alarm goes off by going on.

এই পাগলামীর গপ্পো শেষে ঝাঁপ বন্ধ করার আগে জিজ্ঞেস করি –

Father যদি Pop/Papa, তাহলে Mother কেন Mop/Mapa হল’না ???

টু হুম য়্যু আস্ক দিস ????:P:P:P


নটে গাছটি মুড়োনোর আগে কানে কানে একটি সত্যি কথা বলি –
আমাদের দেশে মায়েরা Mop না ঠিকই কিন্তু সারাজীবনই Mop করে
আর বাবারা শুধু সারাদিন Pop ( রাগে ফোটে ) করে !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
original post
read more

Tuesday, March 20, 2012

টাকাই পরিচয়

by রমিত
১। আমি একবার বাড়ী ভাড়ার জন্য এক মালিককে ফোন করেছিলাম। বাড়ীর মালিক নির্বাচন করার ক্ষেত্রে আমি আবার একটু সাবধান থাকি। ফোনে উনাকে জিজ্ঞেস করলাম আপনার পরিচয় কি? বাড়ীর মালিকের উত্তর: “আমার পরিচয়ে কি হবে? আপনার পরিচয় বলুন।” আমি বললাম, “যার বাড়ী ভাড়া নেব তার পরিচয় আমার কাছে ইমপর্টেন্ট”। তিনি বললেন, “কি রকম পরিচয় দরকার?”। আমি বললাম, “আপনি শিক্ষিত কি অশিক্ষিত, আপনার পেশা কি, ইত্যাদি আর কি।” এবার তিনি একটু জোর গলায় বললেন, “এই বাড়ী আমার, সব মিলিয়ে বিশ কোটি টাকার সম্পত্তি, এর বেশী আর কি পরিচয় দরকার?”

২। পাত্রের পিতাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, ছেলে (মানে পাত্র) কি করে????

উত্তর আসল- ………… (রাজনৈতিক দল) করে। বিস্তর টাকা-পয়সা।

৩। একটি উপন্যাস থেকে কোট করছি: সমাজের ভয় দেখিও না। কিসের সমাজ? কার সমাজ? টাকা যার আছে, সমাজ তার।

৪। কিস্তিতে জমি কিনতে গিয়েছি। বললাম
: আমি আপনাদের জমি খরিদ বাবদ মাসে মাসে টাকা দিব। এর বিপরিতে আপনারা আমাকে কি দিবেন?
: আমরা আপনাকে এই মানি রিসিপ্টটি দিব।
মানি রিসিপ্ট আমার পছন্দ হলোনা। আমি বললাম
: এটা তো সামান্য জিনিস। এতে তো কাজ হবেনা। আপনি আমাকে শক্ত চুক্তিপত্র দিন। যাতে আমি প্রয়োজনে আইনের সাহায্য নিতে পারি।
: হা, হা, হা আইন। আইনের সাহায্য পাবেন ভেবেছেন? আপনি সেখানে দেবেন এক লাখ টাকা, আর আমি দেব দশ লাখ টাকা। আমার সাথে টাকায় আপনি পারবেন না।


৫। : আপনার গাড়ীটির চাইতে আমার গাড়ীর দাম অনেক বেশী।
: আপনি যে চাকরী করেন তাতে তো এমন গাড়ী কেনার সামর্থ্য থাকার কথা না। এত টাকা কোথায় পেলেন?
: (উদ্ধত: কন্ঠে) আমি ডাকাতি করছি।

৬। একটি ব্লগে এমন মন্তব্য পেয়েছি: আমাদের সমাজ এখন আর দুর্নীতি বা অসদোপায়ে সম্পদ অর্জনকে আর খারাপ চোখে দেখে না, শুধুমাত্র দেখে কে কত সম্পদশালী আর ক্ষমতাবান। সবাই যদি এই সব দুই নম্বর মানুষদেরকে ঘৃণার চোখে দেখা শুরু করে সৎ মানুষদের শ্রদ্ধা করা শুরু করতো তাহলে অনেক কিছু থেকে মুক্তি পাওয়া যেত।
: চল এখন থেকে কাউকে দামী গাড়ি চালাতে দেখলে জিজ্ঞেস করি – আচ্ছা আপনি এটা কিভাবে কিনেছেন?
original post
read more

Tuesday, January 24, 2012

কবর পুজা, মাজার পুজা এবং আমাদের ইসলাম। সাহাবাদের কবর বনাম পীরদের কবর

by Abdullah Arif Muslim

সূফির মাজার

সূফির মাজার
বনাম

নবীর সাহাবাদের কবর
-----------------------------------------------------------------------

বোবা সরি বাবা ফকিরুদ্দিন এর মাজার

বনাম


নবীর সাহাবাদের কবর


=============================================

আল্লাহর রাসুল সা: আলী রা: কে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, সকল উচু কবর ধ্বংস করার জন্য। আমাদেরও এখন একই কাজ সকল উচু কবর, মাজার নামের ব্যবসা ধ্বংস করে দেওয়া, মাটির সাথে সমান। আফসোসের বিষয় সেই আলী রা: এর কবরই এখন মাজারে পরিনত করছে।

মাজার শব্দের অর্থ হলো দর্শনীয় স্থান। যেটা দেখলে মন ভাল হয়। যেমন সমুদ্র সৈকত একটা মাজার বা দর্শনীয় স্থান।

সহীহ হাদিসগুলোতে আছে, কবর পাকা করা নিষেধ, কবরে বাতি দেওয়া নিষেধ, কবরের উপর ঘর নির্মাণ নিষেধ, কবরকে উৎসরেব স্থান বানানো নিষেধ, কবরে গিলাফ লাগানো নিষেধ। কিন্তু আমাদের মুসলমান নামধারীরা সবগুলো নিষেধ করা কাজই বেশী করে করে।

বলতে পারে সেগুলো পীরদের মাজার। কিন্তু প্রশ্ন হলো এই পীরগুলার অস্তিত্ব কেন সাহাবাদের যুগে নাই, কেন তাবেয়ীদের যুগে নাই। কারণ এটা একটা ব্যবসা যা মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে।

আল্লাহ কোরআনে বলেছেন
সূরা ফাতির-২২> হে নবী, তুমি কবরে শায়িতদের কথা শুনাতে সক্ষম না।
আর আমাদের কবরগুলোতে এমনই আক্বিদাহ পোষন করে যে কবর বাসী শুনে।

আল্লাহ কোরআনে বলেছেন
সূরা আহকাফ-৯> হে নবী, বল, আমি জানি না আমার সাথে আল্লাহ কি ব্যবহার করবেন এবং আমি জানি না আল্লাহ তোমাদের সাথে কি ব্যবহার করবেন।

বুঝার চেষ্টা করুন, নবী নিজেই যেখানে জানেন না তার সাথে কি ব্যবহার হবে, সেখানে আমাদের দেশের ৯০% মানুষ মনে করে আব্দুল কাদের জিলানী, শাহ জালাল, শাহ পরান (র রা জান্নাতি। তারা জান্নাতের সার্টিফিকেটই দিয়া দেয়।

অনেকে তাদের মুখে জান্নাতি না বললেও মনে মনে সেটা বিশ্বাস করে। আর ঈমান হলো সেটাই যা অন্তরে বিশ্বাস করা হয়, মুখে স্বীকার করা হয় এবং কার্য দ্বারা সম্পাদন করা হয়।

কবরপুজারী, মাজারপুজারীরা মুখে অস্বীকার করলেও তাদের অন্তর এই স্বাক্ষ্যই দেয় যে তারা জান্নাতি।
আল্লাহ আমাদের কবর পুজা, মাজার পুজা ইত্যাদি থেকে বাচার এবং কবর পুজা মাজার পুজা ধ্বংস করার তৌফিক দান করুন। আল্লাহ এই পীর পুজারী, কবর পুজারীদের হেদায়েত দান করুন। আমীন।
original post
read more

Sunday, January 22, 2012

স্বামীরা কি টাকার যন্ত্র?

by এইযেদুনিয়া

টিভিতে দারুণ একটা নাটক দেখাচ্ছে। রেহনুমা খুব মন দিয়ে দেখছে সেটা। কাহিনি অনেকটা এই রকম স্বামী-স্ত্রী দুজনেই কর্মজীবী। এদিকে টিন এজার সন্তানটি বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে উচ্ছন্নে চলে যাচ্ছে। এমন অবস্থায় স্বামী স্ত্রীকে চাকরি ছেড়ে সন্তানের দিকে মনোযোগ দিতে বলে। ‘’তোমার জন্যই আজ ছেলের এই অবস্থা! ছেলের কোন খোঁজ খবর কি তুমি রাখো?’’ স্ত্রীও তাকে পালটা জানিয়ে দেয়, ‘’তোমার কথায় আমি কেন চাকরি ছেড়ে দেব? আমার চাকরি কি তুমি দিয়েছিলে? চাকরি যদি ছাড়তে হয়, তুমি ছেড়ে দাও। আমার আয় তোমার চেয়ে বেশি। আমার একার আয়েই সংসার ভাল চলবে।বাবা হিসেবে কি তোমার কোন দায়িত্ব নেই? আমি যদি বলি, তোমার জন্যই আজ ছেলের এই অবস্থা? ছেলের কোন খোঁজ খবর কি তুমি রাখো? ‘’ চরম এক দ্বন্দ্বমুখর অবস্থা। শেষ পর্যন্ত কী হয় কী হয় উত্তেজনা। কিন্তু সেই উত্তেজনার গায়ে ঠাণ্ডা পানি ঢেলে দিয়ে চলে গেল বিদ্যুৎ।



অন্ধকারে মন খারাপ করে না থেকে মোবাইলটা নিয়ে ফেসবুক খুলে বসে পড়ল রেহনুমা। দেখে ওর এক বন্ধু একটি ছবি শেয়ার করেছে। ছবিতে এক লোক প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, তাতে লেখা ‘’ Husband is not an ATM machine’’


ছবিটাতে অন্য বন্ধুরা প্রচুর লাইক আর কমেন্ট করে অস্থির করে ফেলছে। রেহনুমা দেখে ছবিতে একজন কমেন্ট করেছে, ‘’একদল মানুষ দিয়ে আনন্দ পায়, একদল নিয়ে। আমি প্রথমটার দলে। আমার স্বামী অনেক ডলার আয় করে। কিন্তু আমি ওর কাছ থেকে এক পয়সাও নিই না। উলটো ওকে দিই। আমি আমার স্বামীর চেয়ে ধনী। আমি অন্য মেয়েদেরও সব সময় বলি রোজগার কর, সাবলম্বী হও।‘’ কথাটা পড়ে হাসি পায় রেহনুমার। ওর কাজের বুয়াটাও তার স্বামীর চেয়ে ধনী। বুয়ার জামাই বেকার, গাঞ্জাখোর। বউয়ের টাকায় চলে, আবার উলটো বউকে মারধোর করে। ভাবখানা এমন যেন লাট সাহেবের বেটা। শুধু কাজের বুয়ার কথাই বা ও ভাবছে কেন? ওর কাজিন পপি আপুকে তো শেষ পর্যন্ত চাকরি ছেড়েই দিতে হল, লোভী স্বামীর হাত থেকে নিস্তার পেতে। রেহনুমা ভাবনায় পড়ে যায়, পপি আপু চাকরি ছেড়ে দিল, তবু এই তথাকথিত সমাজ সংস্কারের কারণে ঐ পাষণ্ড স্বামীকে ছাড়তে পারল না! ঐ কাজের বুয়া আর উচ্চ শিক্ষিত পপি আপুর তাহলে পার্থক্য কোথায়? মেয়েরা কি আসলেই সাবলম্বী হতে পারে? যাক এগুলো নিয়ে ও আর ভাববে না। আবার মন দিল ফেসবুকের ঐ ছবিতে। আরো কমেন্ট এসেছে।



আরেকজন খুব মজার একটা কমেন্ট করেছে। ‘’গৃহিণীদের কাছেই শুধু স্বামীরা এটিএম মেশিন। ওরা স্বামীদের কাছ থেকে শাড়ি গয়নার জন্য অযাতিত ডিমান্ড করে।একজন আরেকজনের সাথে শাড়ি গয়নার প্রতিযোগিতা করে। আর যেসব মেয়েরা নিজেরা আয় রোজগার করে, তারা ওদের স্বামীর কাছে শুধু এটিএম মেশিনই না, কফি মেশিন, ওয়াশিং মেশিন, ডিশ ওয়াশিং মেশিন, কুকিং মেশিন, আরো অনেক মেশিন।‘’ রেহনুমারও একটা কমেন্ট করতে ইচ্ছে করে। ও লিখে দেয়, ‘’ভার্সিটিতে আমাদের এক স্যার বলতেন, যে স্বামীকে দিয়ে রান্না করায় সে খারাপ না। বরং যে স্বামীর টাকায় শাড়ি কিনে আর পরচর্চা করে বেড়ায় ‘অমুক তার স্বামীকে দিয়ে রান্না করায়’ সে খারাপ। ‘’ কমেন্ট করা মাত্র বিদ্যুৎ চলে এলো। রেহনুমা টিভি খুলে দেখে ঐ নাটক শেষ। লোড শেডিং এর যন্ত্রণায় হেলাল হাফিজের লাইন ক’টা ওর মনে পড়ে যায়,

‘’দিচ্ছো ভীষণ যন্ত্রণা,

বুঝতে কেন পারছ না ছাই,

মানুষ আমি, যন্ত্র না। ‘’
original post
read more

Thursday, November 17, 2011

ইন্ডিয়া কথা রাখে, তাইতো আমি দেশটির এত ভক্ত

বাংলাদেশের সাবেক দুই সেনাপ্রধান। একজন লেঃ জেনারেল হাসান মশহুদ চৌধুরি, অপরজন জেনারেল মঈন উ আহমদ। একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান, অবসরে যাওয়ার পর সিক্যুরিটি গার্ড সাপ্লাই কোম্পানিতে পুনরায় কর্মরত। আরেকজন চরম সৎ ও উচ্চদরের নিষ্ঠাবান, অবসরে যাওয়ার পর কোন কর্মে রত না হয়েই যুক্তরাষ্ট্রে রাজার হালে বসবাসরত।

লেঃ জেনারেল হাসান মশহুদ চৌধুরি সত্যিই নিষ্ঠাবান সেনা কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি অবসরে যাওয়ার পর সংসার চালানোর জন্য আরেকটি পেশা বেছে নিতে বাধ্য হন। এ ছাড়া,জন্মভূমির প্রতি নিষ্ঠাবান ও দেশপ্রেমিক সেনানি হিসাবে তিনি দেশেই অবস্থান এবং দেশের মাটিতে মৃত্যুকে শ্রেয় বলে মনে করেছেন।

অন্যদিকে জেনারেল মঈন ই আহমদও চরম নিষ্ঠাবান ছিলেন। তবে তার নিষ্ঠা কার প্রতি ছিল, তা নিয়ে দুর্জনেরা সংশয় প্রকাশ করেন। তারা বলেন, জন্মভূমির প্রতি নয়, বরং একটি বৃহৎ প্রতিবেশি দেশের প্রতি নিষ্ঠাই তাকে আজ স্বর্গরাজ্যে বসবাস করার সুবর্ণ সুযোগ এনে দিয়েছে। সেই দেশটি জেনারেল মঈনকে 'অশ্ব কূটনীতি'র সাতপাঁকে বেঁধে ফেলে তাকে বলেছিল, ২০০৮ সালের নির্বাচনে আপনি আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় এনে দিয়ে যেতে পারলে বাকি জীবন আপনাকে রাজার হালে রাখবো আমরা। পৃথিবীর যে প্রান্তেই থাকতে চান, যত উন্নত জীবনযাপন করতে চান, আমরা তার ব্যবস্থা করে দেবো।

ইন্ডিয়া তার ক্ষুদ্র প্রতিবেশিদের পায়ের নীচে দাবিয়ে রাখার নীতি গ্রহণ করলেও এই নীতি বাস্তবায়নে সহায়তাকারীদের মাথায় তুলে রাখে। দেশটি জেনারেল মঈন উ আহমদকেও যুক্তরাষ্ট্রে পরিবার পরিজনসহ উন্নত জীবনযাপনের ব্যবস্থা করে দিয়েছে। ইন্ডিয়া তাকে আজীবন খাওয়ানো পরানোর দায়িত্ব নিলেও বিধাতার হিসাব হয়তো অন্যরকম। সেই 'আজীবন' বলতে আরো কুড়ি/ত্রিশটি বছর নয়, তিনি হয়তো আর কুড়ি/ত্রিশ দিনের মধ্যেই জেনারেলের জেনারেলগিরি খতমের ব্যবস্থা করতে যাচ্ছেন।

দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন 'মহানবী'কে চার চারবার স্বপ্নে(?) দর্শনকারী জেনারেল উ আহমদ। যুক্তরাষ্ট্রের একটি উন্নত হাসপাতালে তার বোন ম্যারো ট্র্যান্সপ্লান্ট হবে। খরচের পরিমাণ? ওরে বাবা! একজন সাবেক সেনাপ্রধানের পক্ষে তা কস্মিনকালের জন্যও বহন করা সম্ভব নয়। তাহলে সমস্যা কি? আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রেখে যাওয়ার বদৌলতে কথা তো রেখেছে ইন্ডিয়া।



original post

read more

Tuesday, June 14, 2011

;);)তাহাদের নাম "এপ্রন উইমেন"B-)B-)



সুপারম্যান, স্পাইডার ম্যান, ক্যাট ওম্যান, আয়রন ম্যান এর পর দুনিয়া কাপাতে যারা চলে এসেছে তারা হলেন "এপ্রন ওমেন"।B-) তবে অন্যান্য সুপার হিরো বা হিরোইনদের মতো এরা সংখ্যায় শুধুমাত্র একজন নয়, এরা একাধিক। সৌভাগ্যক্রমে বাংলাদেশে এদের অনেক বেশি দেখা যায়।;)

প্রতিটা সুপার হিরো, হিরোইনের মতো তাদেরও একটা আলাদা পোশাক আছে। নামেই বুঝতে পারছেন। হ্যা, সেটা এপ্রন।;) অন্যান্য হিরো হিরোইনরা নিজেদের পরিচয় চেপে রাখতে চাইলেও এপ্রন ওমেনরা নিজেদের পরিচয় আলাদাভাবে প্রকাশ করার জন্য মনে হয় বদ্ধপরিকর।:D তাইতো তাদের অহরহ প্রায়শই রাস্তায়, বাসে, মার্কেট এ, ফাস্ট ফুড শপে সেই বিশেষ পোশাকে দেখা যায়।B-) তবে তারা সেখানে কি হিরোইন গিরি করেন, সেটা একটা রহস্য।:D

এখন প্রশ্ন জাগতেই পারে যে, কেন আমি শুধু হিরোইন দের কথা বলছি? "এপ্রন ম্যান" বা "এপ্রন মেন" দের কি দেখা যায় না?;) হয়ত দেখা যায় , তবে উইমেন দের মতো এতোটা না। অন্তত আমি রাস্তাঘাটে ২০ জন এপ্রন মহা মানবী দেখে থাকলে এপ্রন মানব দেখেছি ১ বা ২ জন। আরেকটা কারন হল বিভিন্ন শপিং মল বা মার্কেট। শুনলে হয়তো অবাক লাগবে তবুও এটাই সত্যি যে আমি এখন পর্যন্ত যে কয়দিন বসুন্ধরা সিটি তে গিয়েছি, প্রতিদিনই কোন না কোন এপ্রন মহা মানবী এর সাক্ষাত পেয়েছি!!:-/

এপ্রন মানব কিংবা এপ্রন মানবীরা কি জন্মসুত্রেই এই ক্ষমতার অধিকারি?নাকি পরবর্তীতে অর্জন করেছেন?

না, উনারা মায়ের পেট থেকেই এপ্রন নিয়ে বের হন নি। এটা অর্জন করতে হয়েছে। B:-)

আমিও কি চাইলেই এপ্রন মানব কিংবা মানবী হতে পারবো?

উত্তরঃ হ্যা, আপনি চাইলে আপনি নিজেও এই সুপার পাওয়ার অর্জন করতে পারেন।B-)

এপ্রন মানব কিংবা এপ্রন মানবী হতে হলে কি করতে হবে?

এপ্রন মানব কিংবা এপ্রন মানবী হওয়ার জন্য আপনাকে মেডিকেল কলেজের ফর্ম কিনতে হবে। সরকারী কিংবা বেসরকারি যেকোনো মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার পর একাডেমিক কাজ শেষে সারাদিন এপ্রন পরিহিত অবস্থায় যেখানে সেখানে ছুটাছুটি করলেই আপনি এপ্রন সুপার হিরো বা হিরোইন এ পরিনত হবেন।B-) তবে ফার্মাসি, কিংবা বায়োকেমিস্ট্রি তে পড়লেও এটা করা যায়, তবে এইসব অনুষদের শিক্ষার্থীরা এমনটা করেন না বলেই আমার ধারনা।

বিঃদ্রঃ ল্যাব টেকনিশিয়ানদেরও এপ্রন পরিধান করতে হয়।

এপ্রন মানবীদের কোন দিন বা দিনের কোন সময়ে বেশি সাক্ষাত পাওয়া যায়?

যেকোনো দিনেই পাবেন। এমনকি শুক্রবারেও গাউছিয়াতে এপ্রন মানবীদের দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন এক প্রত্যক্ষদর্শী। তাছাড়া মেডিকেলে ক্লাস শুরু হবার ৭ দিন আগে একবার আমাদের এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আমাদের ব্যাচের একজন মানবী এপ্রন পরে সংবর্ধনায় এসেছিলেন (সেটাও শুক্রবার ছিল):P এছাড়া যে কোন দিনের সকাল ৯ টা থেকে শুরু করে রাত ৯ টা পর্যন্ত এদের বেশি দেখা যায়। এদের দেখতে পাওয়ার জন্যে আপনার কষ্ট করার দরকার নেই। এরা নিজেরাই আপনাকে পেলে নিজেদের দেখিয়ে যাবে।:-/

এপ্রন মানবীদের কাজটা কি?

বহুত কাজ!!!ভাবছেন কি? /:) তারা অন্য সুপার হিরোদের চেয়ে কম যায়না।;)

১ নম্বর কাজঃ ভাব মারা। তারা মেডিকেলে পড়ে, লোকজনকে বুঝানো লাগবে না? /:) ( তারা ভাব মারবে না তো কি আপনে মারবেন?X((

বিঃদ্রঃ যদিও বছরের ৩৬৩ দিন এই ভাব থাকে, কিন্তু কোন এক অজ্ঞাত কারনে ঈদের দিনগুলিতে কোন মানবীকে এপ্রন পড়তে দেখতে পাওয়া যায় নি, বড়ই আশ্চর্য!:-/

২ নম্বর কাজঃ বদ পুলাপান দের শিক্ষাদান। X(তারা কিন্তু নিজেরা বদ দের মারে না, কিন্তু জনগণদের প্ররোচিত করে বদ দের শায়েস্তা করে। আমি একবার একটা ঘটনা দেখেছিলাম। এটা রাপা প্লাজাতে। তিনজন এপ্রন মানবী একই সাথে এসেছিলেন।( হয়তো রাপা প্লাজা এর কেউ অসুস্থ হয়ে পড়েছিলো!) :Pযাই হোক, এক ছেলে তাদের কাছে যেয়ে বলল- তার বেশ ঘনঘন বুক ধড়ফড় করে।:Pএটার ওষুধ কি? প্রত্যুত্তরে তারা তো ওষুধ এর কাছে থেকেও গেলেন না!! উল্টা সারা রাপা প্লাজা এর মানুষ জড় করলেন ডেকে। চোখের পলকে ইভ টিজিং এর দায়ে অভিযুক্ত বেয়াদপ ছেলের কপালে জুটল বেশ ভালো কিছু ওষুধ। চড়, কিল, ঘুষি, লাত্থি। :Pহিরোইনদের জয় হল, শয়তান বাঁদরেরা উচিৎ শিক্ষা পেলো।;)

৩ নম্বর কাজঃ তিন নম্বর কাজটা অনেক কঠিন! অনেক চিপা এর মধ্য থেকেও নিজেদের কাজ হাসিল করে নেওয়াB-) এটা যে কতটা কঠিন, তা আমি জানি, আমি চিপার মধ্য থেকে আমার কাজ হাসিল করতে পারিনাই, অথচ একজন এপ্রন মানবী পেরেছেন।:-* এইজন্য তাকে একটা হাততালি।B-)

কয়দিন আগে বরিশালে গিয়েছিলাম। বরিশালে যাওয়ার কিংবা বরিশাল থেকে ঢাকা আসার দুইটা উপায় আছে। একটা হল, সড়ক পথে অর্থাৎ বাস এর মাধ্যমে। আরেকটা হল নৌ পথে, অর্থাৎ লঞ্চ। আমার লঞ্চ জার্নি ই বেশি ভালো লাগে। তো ছুটি শেষ, বরিশাল থেকে ঢাকা আসবো, এমন অবস্থায় লঞ্চ অফিসে গেলাম একটা সিট বুকিং দেওয়ার জন্য। বুকিং কাউন্টার এ দাঁড়ানো মাত্র কাউন্টার এর লোক আমাকে বলে দিলো যে কোন সিট খালি নাই, যেয়ে রাস্তা মাপেন। /:) আমি ছাগলের মতো দাড়িয়ে আছি ,এমন সময় একজন এপ্রন মানবী এর আগমন ঘটলো।

মিষ্টি করে হেসে কাউন্টারে যেয়ে মহা মানবী বললেন-
এক্সকিউজ মি ভাইয়া, আজ আপনাদের কোন লঞ্চটা ঢাকা যাবে?B-)
আসেন আসেন আপা, কয়ডা সিট লাগবে খালি কন।:D

:-/:-/আমি ভাবলাম ইশ! কেন যে এপ্রন ম্যান হইয়া আইলাম না,:(( হইলেই তো কাহিনী হইয়া যাইত। /:)




পরিশিষ্টঃ যেকোনো কিছু ব্যবহার করতে হলে আগে সেই জিনিসটার প্রকৃত গুরুত্ব জানা উচিৎ।এপ্রন ভাব মারা কিংবা স্টাইলের জন্য নয়। এপ্রন ব্যবহারের প্রকৃত উদ্দেশ্য হল হাসপাতাল কিংবা কর্মক্ষেত্রে জীবাণুমুক্ত ভাবে সেবা প্রদান। পুরা শহরে চক্কর মেরে রাজ্যের ধুলো গায়ে মেখে রোগীর কাছে যাওয়ার মানেটা কি? একই ভাবে হাসপাতালে ব্যবহৃত এপ্রন অনেক ভাবেই রোগীদের শরীরে থাকা বিভিন্ন জীবাণু দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। সেই জীবাণুগুলিকেও সারা শহরে ছড়িয়ে দেওয়ার কোন অর্থ নেই। এপ্রন একজন মেডিকেল স্টুডেন্ট এর আইডেন্টিটি ও বটে, সেই হিসেবে ব্যবহার করলে কিন্তু রাস্তাঘাটে সবার সব স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর ও দেওয়াটা বাঞ্ছনীয়। ইদানিং হরহামেশা রাস্তাঘাটে ,শপিং মলে এদের বেশি দেখা যায়, তাই না লিখে পারলাম না। ঘুরতে হলে এপ্রন খুলে ঘুরলেই তো হয়। ভাব না হয় একটু না ই নেওয়া হল, ক্ষতি কি?
read more

Wednesday, June 8, 2011

বাংলাদেশের আন্চলিক ভাষারঙ্গ

ভাষা বিরাট মজার জিনিস।একই ভাষা কিন্তু উচ্চারনে ভিন্নতার কারনে কিন্তু একটা 'এক্সপ্রেশন' তৈরী হয়।'অটো' চিন্তা ভাবনা করতে আমার খুব ভাল লাগে তো তাই ব্যাক্তিগত ভাবে প্রায় সকল আন্চলিক ভাষার প্রতিই আমার কিছু বিশেষ কল্পনা বা অনুভুতি রয়েছে যা আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।

নোয়াখালীর ভাষাটা শুনলে আমার মনে হয়, ব্যাপক চিন্তা-ভাবনা চলছে।মানে সবকিছু গোছানো 'টোন' আছে।ঐ ভাষায় কেউ মুখ খুললেই কেন জানি মনে হয় যে ধীরে ধীরে সে তার লক্ষ্যের দিকে চলতেছে।তবে চালাকি ফুটে বের হয় তাই অন্য যে শুনে সে 'অটোই' একটু সতর্ক হয়ে যায়।তবে এই ভাষায় কেউ যদি আমাকে বলে যে, নো টেনশন! আমি সত্যিই টেনশনমুক্ত হয়ে যাবো।

বরিশালের ভাষাটা শুনলে মনে হয় "রিল্যাক্স" বক্তা বোধহয় মজা নিতেছে, শ্রোতারে দাম দিতেছে না।
এই ভাষায় গল্প শুনতে মজা লাগে।'জীবনের দর্শন' সহজ-সরল হয়ে যায় বরিশালের ভাষায়।তবে বিপদে আপদেও সিরিয়াসনেস একটু কোম! এই ভাষায় কিন্তু মায়া ফুটে উঠে খুব প্রখর ভাবে। বিপদের দিনে এমন গলায় দুটি বাক্য অনেক ভরসা দেয়।

চট্টগ্রাম আর সিলেটের ভাষা শুনলে মনে হয় ওনারা নিজেদের মধ্যেই কথা-বার্তা বইলাই খুশী।অন্য কাউকে বুঝানের টাইম নাই।তবে চাটগাঁ'র ভাষা শুনলে মনে হয় যে সব বাক্যের শেষেই প্রশ্ন জুড়ে দেয়।আর সাতকানিয়া বা কক্সবাজারের ভাষায় মনে হয় শব্দগুলো ছুড়ে ছুড়ে মারতেছে,কোন প্যাচগোচ নাই,ঠাস ঠাস ভাবপ্রকাশ।এই ভাষায় একটা শিশুও যদি কথা বলে আমার কাছে "ম্যাচিউর" মনে হয়।আর মনে হয় এই ভাষায় টাকা পয়সা চাইলেই পাওয়া যাবে।

কুমিল্লার ভাষাটা তেমন স্বতন্ত্র না তবে নিজস্ব 'টোন' আছে।আমার নিজের এলাকা তাই নিজে নিরপেক্ষভাবে বুঝতে না পারলেও টের পাই যে, কুমিল্লা বেড়াতে গেলে অন্যান্য বিভাগের মানুষজন সাচ্ছন্দ্য বোধ করে না কারন কুমিল্লার মানুষের সরল ভাষায় যে কোন প্রশ্ন শুনলেও অনেকে অপমানিত বোধ করে।রাস্তা-ঘাটে ঝগড়া করার জন্য উত্তম ভাষা, তবে বক্তা কেমন মানুষ সেটা তার গলার স্বরেই বুঝা যায় এই ভাষায় রাখঢাক চলে কম।

ময়মনসিংহের ভাষাটা শুনলে মনে হয় সব কথাই ব্যাখ্যা বিশ্লেষন সহ বুঝায়ে দিতেছে অথবা স্বগোতোক্তি করতেছে।বাক্যের শেষে খুব চমৎকারভাবে ফুলস্টপ দিয়ে দেয়।নিজ নিজ দুঃখ-দুর্দশা প্রকাশের জন্য চমৎকার ভাষা আবার কাউকে ঝাড়ি দিয়ে বসায়ে দেয়ার জন্যও উত্তম।

উত্তরান্চলের ভাষার প্রতি আমার ব্যাক্তিগত দুর্বলতা রয়েছে।কারন ওদের ভাষা শুনলেই খুব নিরাপদ বোধ হয়।ওরা যে আমার কোন ক্ষতি করবে না তা গলার স্বরেই টের পাই তবে খোঁচা মারা টাইপের কথা ভালই বের হতে পারে।এর মধ্যে সিরাজগন্জে একটু এগিয়ে তবে মুলত একটা সহজ-সরল চিত্র পাই। ঝিনেদা'র কথা শুনলে আমি বিগলিত হয়ে যাই। আমার ক্লাসে এক ঝিনেদা'র বন্ধর টিফিন খাওয়ার পর ও যেই গলায় অভিযোগ করছিল তাতে আমার চোখ ছলছল করে উঠতে নিছিল।
তবে সার্বিকভাবে উত্তরবঙ্গের ভাষাটাই আমার প্রিয়।

খুলনার ভাষা শুনলে মনে হয় ওরা মোটামুটি সবই জানে।হেন কোন বিষয় নাই যে ওদের আয়ত্বের বাইরে।তবে খুলনার মানুষ যখন খাবার খেতে ডাকে তখন ক্ষিদে বেড়ে যায়।

ঢাকা'র ভাষার মধ্যে ২টা ভাগ, একটা হলো পুরান ঢাকা আরেকটা নতুন ঢাকা।
নারায়নগন্জ,গাজীপুর,টাঙ্গাইল,নরসিংদি এসব ভাষার প্রভাবের সাথে চলিত ভাষা মিলিয়ে নতুন ঢাকার ভাষা।
আর হিন্দি-উর্দুর প্রভাবে পুরান ঢাকার ভাষা।
নতুন ঢাকার ভাষা নিয়ে বলার মত কিছু পাই না তবে পুরান ঢাকার ভাষা শুনলে মনটা ভালো হয়ে যায়। মনে হয় মশকারা চলতেছে একটু পরেই চানাচুর খাবো।অথবা ধাধাঁ জিজ্ঞেস করতেছে।দিলখোশ টাইপের মানুষের মুখে পুরান ঢাকার বুলি বেশী মজা।
আর প্রায় সবার মুখে এবং বিশেষ করে কিশোর-কিশোরীদের মুখে নতুন ঢাকার টোন খুব ভাল মানায়।

তবে নতুন ঢাকার ভাষায় যেই কথা বলুক না কেন, যার যার গ্রামের বাড়ীর টোনটা কিন্তু থেকেই যায় :)
read more
affiliate program

EARN INCOME FROM YOUR WEBSITE

Turn your valuable web site traffic into income. Work online and join our free money making affiliate program. We offer the most pay-per-click rate to help maximize your cash stream.

Join our income making program absolutely free and 100% risk free.

Sign Up...

A steady income generator

Imagine running of a something that never failed to provide you with cash-flow. A earning money program so amazingly profitable that you never had to look for job ever again!Income while you sleep

CASH WHILE YOU SLEEP

Earn $1,000... $2,000... $5,000...

Turn your website visitors into cash!
You get money for every visitor that clicks on our advertizing. Our goal is to enable you to make as much as possible from your site. We pay monthly, either by check, or through PayPal.

Begin collecting steady partner commissions

Our money making program really can make you income on the same day. Start receiving steady partner revenue with almost no effort at all. This is a serious revenue opportunity, the chance for you to build a steady, reliable, long-time profitable business.

Savings Highway Dream Team Member Site Savings Highway Dream Team Member Site