by িনদাল
যাওয়ার আগে ত্রিনিপু আর মনা ভাই বলে দিয়েছিল, পেটের চিন্তা করবা না, সব টেস্ট করে দেখবা। আমি তাদের উপদেশ অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলেছি। ১৫ দিনের সফরে আমাদের টিমের অর্ধেকের বেশি মেম্বারের পেট নেমে যায়। তবে আমি খাড়া ছিলাম
, সেজন্য আমাকে জাপানি ইন্জিন উপাধি দেওয়া হয়
। সাধারণত যে ফ্রেন্ড সার্কেলের সাথে আমি ফুডোগ্রাফি (মানে কোন কিছু খাওয়ার আগে ছবি তুলে রাখা আরকি। আমি আর কয়েকজন ছবি তুলি, যাদের মোবাইলে ভাল ক্যমেরা নাই তারা ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করে, খাবার নিয়ে টানটানি করে করে না), করে থাকি, তারা কেউ ইন্ডিয়াতে সাথে ছিল না। সৌভাগ্যবশত একজনের সাথে খাতির হয়ে যায়( সেও ব্লগার, এখনও জেনারেল, তেমন একটা রেগুলার না)। খাবার আগে যাবতীয় জিনিসের ছবি তোলার সিস্টেম দেখে সে প্রথম দিকে অবাক হলেও পরে দ্রুত লাজ লজ্জা কাটিয়ে ওঠে এবং আমাকে সহযোগিতা করা শুরু করে।
বেশিরভাগ ছবিই মোবাইল দিয়ে এবং অনেক তাড়াহুড়া করে তোলা (বাজে কোয়ালিটির জন্য ক্ষমাপ্রার্থী) কয়েক জায়গায় ছবি তোলার কারণে সমস্যায়ও পড়তে হয়েছে। বেশিরভাগ খাবারের নামও ঠিকমত মনে নাই।
আমি যেসব খাবারের বর্ণনা দিয়েছি আমার ধারনা রাজ্য ভেদে সেগুলোর ডেসক্রিপশন চেঞ্জ হতে পারে।
১।
এটার নাম সম্ভবত সিক্কি চাট। আগ্রাতে যে হোটেলে ছিলাম তার সামনের রাস্তা থেকে খাওয়া। একটা টক মিষ্টি স্বাদের পুরি সাইজের জিনিস তেঁতুল পানি টাইপের রসে ডোবানো, উপরে চানাচুর, পনিরের টুকরা আরও কি কি মশলা দেয়া
২।

এটার নাম নে হয় ভেলপুরি। আমাদের মুড়ি মাখার মতই, তবে অনেক টাইপের মশলা দেয়া।
৩।

৪।

৫।

পানিপুরি। ফুচকার সাথে পার্থক্য হচ্ছে ফুচকাতে প্রথমে আলু আর চটপটির ডাল দিয়ে একটা ভর্তার মত বানিয়ে নেয় যেটা ফুচকার মধ্যে ভরা হয়, আর পানিপুরি ভর্তা বানায় না, চটপটির ডালটাকে অনেক সিদ্ধ করে একেবারে নরম করে ফেলে, তারপর ফুচকায় দেয়। আর পানিটা অনেক বেশী দেয় তেঁতুল পানি না, টমেটো সস ফ্লেভার। ফলে পুরো জিনিসটা অনেক সফট থাকে। অনেকগুলো খাওয়া যায়।
১০।

১১।

১২।

শিবপুরি। একই ভ্যানে বিক্রি হয়। ইনগ্রেডিয়েন্ট চেন্জ করে দেয়। শুকনা হয়। (আমাদের চটপটির ভ্যানে তো শুধু চটপটি আর ফুচকা বিক্রি করে। ইন্ডিয়াতে অনেকগুলা আইটেম বানায়
১৩।

১৪।

১৫।

মুসাম্বির শরবত। মুসাম্বি জিনিসটা কমলার মত। এক গ্লাস ২০ রুপি। প্রতও গ্লাসে ২টা মুসাম্বি
১৬।

সোডা । এক গ্লাস ৫ রুপি।
১৭।

পুদিনা ফ্লেভার
১৮।

রাম ফ্লেভার (ইয়াক)
১৯।

মুম্বাইয়ে রাস্তার পাশের ভ্যান থেকে লোকজন সকালের নাস্তা করছে
২০।

২১।

২২।

ম্যাকডোনাল্ডসের বার্গার। মোটাও আহামরি কিসু না। চিকেনটা খেতে একটু ফ্রেশ লাগে। টেস্ট আমাদের বিএফসির মতই
২৩।

১৩৫ রুপিতে এতটুক একটা বার্গার দিসে
২৪।

জয়পুরে মিষ্টির দোকান। প্রচুর মিষ্টি খেয়েছি। সব আইটেম এর এক পিস করে নিতাম। ভাল, নট একস্ট্রা অর্ডিনারি।
২৫।

ডাল তড়কা। পান্জাবি ধাবায় খেয়েছিলাম। চিকেনের অনেক লোভনীয় আইটেম ছিল, কিন্ত ঐ সময় পকেটে টাকা ছিল না
২৬।

২৭।

মেনুর ছবি তুলে নিয়ে আসছি
২৮।

২৯।

মুম্বাইয়ের একটা রেস্টুরেন্টের মেনু। এখান থেকে কিসু খাই নাই। ছবি তুলে বের হয়ে আসছি। ম্যনেজার অবাক হয়ে তাকায় ছিল
৩০।

৩১।

মদের দোকান। ইন্ডিয়াতে কমন দৃশ্য। সবচেয়ে বেশি আছে গোয়াতে। অন্য শহরগুলোর দোকানগুলো এরকম সাদামাটা, আর গোয়ারগুলো চকচকে, স্টাইলিশ। গোয়াতে মোটামুটি প্রতি ২টা দোকানের মধ্যে একটা মদের। এমন অবস্থা যে আপনি দরকারের সময় পানি না পেতে পারেন, মদ পাবেন। দামেও মনে হয় অন্য জায়গার তুলনায় সস্তা। এই ছবিটা মনে জয়পুরের রেলস্টেশনের সামনে থেকে তোলা।
৩২।

৩৩।

ড্রাই ডে লিস্ট। এইসব দিন মদ বিক্রি হয় না।
৩৪।

ইন্ডিয়ানরা যাবতীয় খাবার এরকম থালিতে করে খায়।
৩৫।

৩৬।

ট্রেনের একদিনের লান্চ। পানি, ভাত, রুটি, ডাল, দই, ডিম, আচার। সবকিছু থালিতে ঢেলে খেতে হবে। প্যাকেট বিরিয়ানীও খেয়েছি। ইন্ডিয়ানরা ভেজি বিরিয়ানীও খায়। আন্ডা বিরিয়ানীও আছে(ডাবল আন্ডা)।
৩৭।

ট্রেনে আরেক দিনের খাবার
৩৮।

৩৯।

আজমীর শরীফে ভাতের হোটেল
৪০।

৪১।

কফি হাউসের কফি। এখানে ছবি তুলতে গিয়ে ভাল ঝামেলায় পড়েছিলাম।
৪২।

৪৩।

৪৪।

জায়গারটায় সাথে টিএসসির ক্যাফেটেরিয়ার মিল আছে, পার্থক্য হচ্ছে এখানে দোতলায় একটা চৌকো ব্যালকনি আছে
৪৫।

কফি হাউসের ওয়েটার
৪৬।

কফি হাউসের মেনু
৪৭।

৪৮।

৪৯।

করিম হোটেল। দিল্লিতে জামে মসজিদের (মসজিদটা মোঘল আমলে বানানো, এখনো নামাজ পড়া হয়) পিছনে। দিল্লিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়, নতুন দিল্লি আর পুরান দিল্লি। পুরান দিল্লি আমাদের পুরান ঢাকার মতই, চিকন চিকন গলি। এখানকার নান্না মিয়ার মত বিখ্যাত একটা দোকান হল করিম হোটেল। আরেকটু আধুনিক ( ওয়েবসাইট আছে)। সকালে বিরিয়ানী বানায় না তাই খেতে পারি নাই। আর শিক কাবাব বানাতে টাইম লাগে তাই ওইটাও খাওয়া হয় নাই
৫০।

৫১।

৫২।

৫৩।

৫৪।

৫৫।

রুমালি রুটি
৫৭।

বাদাম পসন্দ
৫৮।

পিজা (চিকেন রোস্ট) গোয়া।
৫৯।

সবশেষে দারুন একটা খাবার। সাবমেরিন স্যান্ডউইচ। রসাল একটা জিনিস। রেস্টুরেম্ট চেইনটার নাম সাবওয়ে। বাংলাদেশে দ্রুত এটার ফ্রান্চাইসি খোলার জোর দাবী জানাচ্ছি। আমার ইচ্ছা ছিল ভালমত র্যাপিং করে কয়েকটা দেশে নিয়ে আসা। এয়ারপোর্টে আটকাবে এই ভয়ে আনা হয় নাই।
৬০।

৬১।

সাবওয়ের সালাদ বার
কারও খিদা লেগে গেলে দু:খিত
original post
যাওয়ার আগে ত্রিনিপু আর মনা ভাই বলে দিয়েছিল, পেটের চিন্তা করবা না, সব টেস্ট করে দেখবা। আমি তাদের উপদেশ অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলেছি। ১৫ দিনের সফরে আমাদের টিমের অর্ধেকের বেশি মেম্বারের পেট নেমে যায়। তবে আমি খাড়া ছিলাম
বেশিরভাগ ছবিই মোবাইল দিয়ে এবং অনেক তাড়াহুড়া করে তোলা (বাজে কোয়ালিটির জন্য ক্ষমাপ্রার্থী) কয়েক জায়গায় ছবি তোলার কারণে সমস্যায়ও পড়তে হয়েছে। বেশিরভাগ খাবারের নামও ঠিকমত মনে নাই।
আমি যেসব খাবারের বর্ণনা দিয়েছি আমার ধারনা রাজ্য ভেদে সেগুলোর ডেসক্রিপশন চেঞ্জ হতে পারে।
১।
এটার নাম সম্ভবত সিক্কি চাট। আগ্রাতে যে হোটেলে ছিলাম তার সামনের রাস্তা থেকে খাওয়া। একটা টক মিষ্টি স্বাদের পুরি সাইজের জিনিস তেঁতুল পানি টাইপের রসে ডোবানো, উপরে চানাচুর, পনিরের টুকরা আরও কি কি মশলা দেয়া
২।

এটার নাম নে হয় ভেলপুরি। আমাদের মুড়ি মাখার মতই, তবে অনেক টাইপের মশলা দেয়া।
৩।

৪।

৫।

পানিপুরি। ফুচকার সাথে পার্থক্য হচ্ছে ফুচকাতে প্রথমে আলু আর চটপটির ডাল দিয়ে একটা ভর্তার মত বানিয়ে নেয় যেটা ফুচকার মধ্যে ভরা হয়, আর পানিপুরি ভর্তা বানায় না, চটপটির ডালটাকে অনেক সিদ্ধ করে একেবারে নরম করে ফেলে, তারপর ফুচকায় দেয়। আর পানিটা অনেক বেশী দেয় তেঁতুল পানি না, টমেটো সস ফ্লেভার। ফলে পুরো জিনিসটা অনেক সফট থাকে। অনেকগুলো খাওয়া যায়।
১০।

১১।

১২।

শিবপুরি। একই ভ্যানে বিক্রি হয়। ইনগ্রেডিয়েন্ট চেন্জ করে দেয়। শুকনা হয়। (আমাদের চটপটির ভ্যানে তো শুধু চটপটি আর ফুচকা বিক্রি করে। ইন্ডিয়াতে অনেকগুলা আইটেম বানায়
১৩।

১৪।

১৫।

মুসাম্বির শরবত। মুসাম্বি জিনিসটা কমলার মত। এক গ্লাস ২০ রুপি। প্রতও গ্লাসে ২টা মুসাম্বি
১৬।

সোডা । এক গ্লাস ৫ রুপি।
১৭।

পুদিনা ফ্লেভার
১৮।

রাম ফ্লেভার (ইয়াক)
১৯।

মুম্বাইয়ে রাস্তার পাশের ভ্যান থেকে লোকজন সকালের নাস্তা করছে
২০।

২১।

২২।

ম্যাকডোনাল্ডসের বার্গার। মোটাও আহামরি কিসু না। চিকেনটা খেতে একটু ফ্রেশ লাগে। টেস্ট আমাদের বিএফসির মতই
২৩।

১৩৫ রুপিতে এতটুক একটা বার্গার দিসে
২৪।

জয়পুরে মিষ্টির দোকান। প্রচুর মিষ্টি খেয়েছি। সব আইটেম এর এক পিস করে নিতাম। ভাল, নট একস্ট্রা অর্ডিনারি।
২৫।

ডাল তড়কা। পান্জাবি ধাবায় খেয়েছিলাম। চিকেনের অনেক লোভনীয় আইটেম ছিল, কিন্ত ঐ সময় পকেটে টাকা ছিল না
২৬।

২৭।

মেনুর ছবি তুলে নিয়ে আসছি
২৮।

২৯।

মুম্বাইয়ের একটা রেস্টুরেন্টের মেনু। এখান থেকে কিসু খাই নাই। ছবি তুলে বের হয়ে আসছি। ম্যনেজার অবাক হয়ে তাকায় ছিল
৩০।

৩১।

মদের দোকান। ইন্ডিয়াতে কমন দৃশ্য। সবচেয়ে বেশি আছে গোয়াতে। অন্য শহরগুলোর দোকানগুলো এরকম সাদামাটা, আর গোয়ারগুলো চকচকে, স্টাইলিশ। গোয়াতে মোটামুটি প্রতি ২টা দোকানের মধ্যে একটা মদের। এমন অবস্থা যে আপনি দরকারের সময় পানি না পেতে পারেন, মদ পাবেন। দামেও মনে হয় অন্য জায়গার তুলনায় সস্তা। এই ছবিটা মনে জয়পুরের রেলস্টেশনের সামনে থেকে তোলা।
৩২।

৩৩।

ড্রাই ডে লিস্ট। এইসব দিন মদ বিক্রি হয় না।
৩৪।

ইন্ডিয়ানরা যাবতীয় খাবার এরকম থালিতে করে খায়।
৩৫।

৩৬।

ট্রেনের একদিনের লান্চ। পানি, ভাত, রুটি, ডাল, দই, ডিম, আচার। সবকিছু থালিতে ঢেলে খেতে হবে। প্যাকেট বিরিয়ানীও খেয়েছি। ইন্ডিয়ানরা ভেজি বিরিয়ানীও খায়। আন্ডা বিরিয়ানীও আছে(ডাবল আন্ডা)।
৩৭।

ট্রেনে আরেক দিনের খাবার
৩৮।

৩৯।

আজমীর শরীফে ভাতের হোটেল
৪০।

৪১।

কফি হাউসের কফি। এখানে ছবি তুলতে গিয়ে ভাল ঝামেলায় পড়েছিলাম।
৪২।

৪৩।

৪৪।

জায়গারটায় সাথে টিএসসির ক্যাফেটেরিয়ার মিল আছে, পার্থক্য হচ্ছে এখানে দোতলায় একটা চৌকো ব্যালকনি আছে
৪৫।

কফি হাউসের ওয়েটার
৪৬।

কফি হাউসের মেনু
৪৭।

৪৮।

৪৯।

করিম হোটেল। দিল্লিতে জামে মসজিদের (মসজিদটা মোঘল আমলে বানানো, এখনো নামাজ পড়া হয়) পিছনে। দিল্লিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়, নতুন দিল্লি আর পুরান দিল্লি। পুরান দিল্লি আমাদের পুরান ঢাকার মতই, চিকন চিকন গলি। এখানকার নান্না মিয়ার মত বিখ্যাত একটা দোকান হল করিম হোটেল। আরেকটু আধুনিক ( ওয়েবসাইট আছে)। সকালে বিরিয়ানী বানায় না তাই খেতে পারি নাই। আর শিক কাবাব বানাতে টাইম লাগে তাই ওইটাও খাওয়া হয় নাই
৫০।

৫১।

৫২।

৫৩।

৫৪।

৫৫।

রুমালি রুটি
৫৭।

বাদাম পসন্দ
৫৮।

পিজা (চিকেন রোস্ট) গোয়া।
৫৯।

সবশেষে দারুন একটা খাবার। সাবমেরিন স্যান্ডউইচ। রসাল একটা জিনিস। রেস্টুরেম্ট চেইনটার নাম সাবওয়ে। বাংলাদেশে দ্রুত এটার ফ্রান্চাইসি খোলার জোর দাবী জানাচ্ছি। আমার ইচ্ছা ছিল ভালমত র্যাপিং করে কয়েকটা দেশে নিয়ে আসা। এয়ারপোর্টে আটকাবে এই ভয়ে আনা হয় নাই।
৬০।

৬১।

সাবওয়ের সালাদ বার
কারও খিদা লেগে গেলে দু:খিত
original post

