Showing posts with label Educational. Show all posts
Showing posts with label Educational. Show all posts

Sunday, April 8, 2012

ইংলিশ (English)স্কিলস – টিপস টু পিপিং থ্রু ইংলিশ


ইংরেজী আসলেই বিদঘুটে একটি ভাষা … hilarious এবং brilliant!


প্রথমে আমরা একটা Box দিয়ে শুরু করবো যা বহুবচনে হবে Boxes,
তাহলে Ox এর বহুবচন Oxen হয়েছে , কেন নয় Oxes ?

একটি Fowl কে আমরা বলি Goose, কিন্তু দু’টিকে বলি Geese,
তারপরেও Moose এর বহুবচন কখনও হবেনা Meese.

আপনি একটি একাকী Mouse দেখতে পেতে পারেন বা ঘরভর্তি Mice,
কি অদ্ভুত , House এর প্লুরাল Houses হয়েছে, হয়নি কখনও Hice !

Man এর বহুবচন যদি সবসময় হয় Men,
তাহলে Pan এর বহুবচনে কেন হবেনা Pen ?

যদি একটি পা কে বলি Foot আর দুটোকে বলি Feet,
তবে কোন সূত্রে দুইটা Boot কে বলা যাবেনা Beet?

একটি দাঁত যদি Tooth হয় তবে একপাটি দাঁতকে বলি Teeth,
মহাভারত অশুদ্ধ হবে যদি একসারি Booth কে বলি Beeth.

ভাইকে বলি Brother আর ভাইয়েরা হলো Brethren,
আর মা যদি Mother হয়, কি দোষে মায়েরা হবেনা Methren?

এর পরে পুরুষদের আমরা বলি He, His অথবা Him,
কি অবাক কান্ড , মেয়েরা কিয়ের লিগা হয়না She, Shis অথবা Shim ?

আসলে ইংলিশ একটি ক্রেজী ল্যাঙ্গোয়েজ

কখনও কি ভেবে দেখেছেন, কি ফাজলামো এদের ভাষাতে ?
Eggplant এ কোনও Egg পাবেন না ।
Hamburger এ Ham.
Pineapple এ Apple ও নাই, আরও নাই Pine.

আমরা ইংরেজীকে নিশ্চিন্ত মনে ধরে নিই ঠিক কিন্ত যদি এর Paradoxeগুলোকে খুঁজি, তাহলে কি পাবো ?

চোরাবালি বা Quicksand কখনই দ্রুত কাজ করেনা বরং উল্টো Work Slowly.

Guinea pig কখনই Guinea থেকে আসেনি এবং এটা একটা Pig ও নয় ।

Boxing Rings কোনও বাক্স নয়, গোলও নয় ।

Teachers যদি Taught করায় , তবে Preachers যা করে তা কেন Praught নয় ?

Vegetarian রা যদি vegetables খায়, তবে Humanitarianরা কি খায় ?

এটাকে কি ক্রেজী মনে হয়না যখন “you can make amends but not one amend?”

কখোনও কখোনও মনে হয় যারা ইংরেজী শিখে বড় হয়, এই সব verbally insane এর জন্যে তাদের পাগলাগারদে যাওয়া উচিৎ ।
অন্য কোন ভাষায় আপনি এরকম পাবেন ????????

“মানুষ একটি “Play” তে “Recite” করে আবার একটি “Recital” এ “Play” করে ?

আমরা ট্রাক ভর্তি করে “Ship “ করি আর Ship ভর্তি করে কার্গো পাঠাই ?

আমাদের নাক “Run” (সর্দ্দি ঝরে) করে আর পা দিয়ে গন্ধ (Feet that smell) বেরোয় ?

আমরা Driveway তে Park করি আর Parkwayতে drive করি ?

আপনাকে ইংরেজীর অদ্ভুত পাগলামীতে অবাক হতেই হবে যখন দেখবেন–
Your house can burn up as it burns down,
You fill in a form by filling it out,
An alarm goes off by going on.

এই পাগলামীর গপ্পো শেষে ঝাঁপ বন্ধ করার আগে জিজ্ঞেস করি –

Father যদি Pop/Papa, তাহলে Mother কেন Mop/Mapa হল’না ???

টু হুম য়্যু আস্ক দিস ????:P:P:P


নটে গাছটি মুড়োনোর আগে কানে কানে একটি সত্যি কথা বলি –
আমাদের দেশে মায়েরা Mop না ঠিকই কিন্তু সারাজীবনই Mop করে
আর বাবারা শুধু সারাদিন Pop ( রাগে ফোটে ) করে !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!
original post
read more

Saturday, March 17, 2012

স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে যারা কানাডা আসতে চান তাদের জন্য কিছু টিপস (অবশ্য পাঠ্য) :):)

by মাহবু১৫৪
স্টুডেন্ট ভিসায় কানাডা আসার কথা যদি বিবেচনা করে থাকেন তাহলে কিছু কিছু বিষয় আপনাকে লক্ষ রাখতে হবে। যারা স্কলারশীপ নিয়ে আসেন তাদের কথা ভিন্ন তবে যারা নিজের ফান্ডিং নিয়ে আসেন তাদের জন্য একটু সমস্যা বৈ কি। কারণ কানাডা আসার পর প্রথম ৬ মাস আপনি কোন অফ ক্যাম্পাস চাকরি করতে পারবেন না। অন ক্যাম্পাস চাকরি করা যাবে। তবে ক্যাম্পাসে চাকরি পাওয়াটা একটু সময়ের ব্যপার। যেমন অনেক সময় দেখা গেল যে চাকরির নোটিশ দেয়া হয়েছে কিন্তু হঠাৎ করেই দেখা গেল অ্যাপ্লিকেশন জমা নেয়া বন্ধ করে দিয়েছে।

ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করা যায় এবং তা সহজলভ্য। তবে আপনার যদি মাগনা খাটার মন মানসিকতা থাকে তাহলে তা করতে পারেন। যারা স্কলারশীপ বা ফান্ডিং পেয়ে পড়তে আসেন তারা সাধারণত বাহিরে কোথাও কাজ করার অনুমতি পান না তার ফ্যাকাল্টির কাছ থেকে। অফ ক্যাম্পাস কোন চাকরি করতে হলে তাকে না জানিয়ে করতে হয় এখানে। আর কোনমতে যদি জেনে যান ফ্যাকাল্টি তাহলে ফান্ডিং কমিয়ে দিতে পারেন উনি।

যারা নিজের ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসেন তারা সাধারণত চান যে বিষয়ে পড়তে আসছেন সেই বিষয়ের কিছু কোর্সে যদি ক্রেডিট ট্রান্সফার করা যায় তাহলে খুব ভাল হয়। আপনাদের এখানে জানিয়ে রাখা ভাল যে এই কাজ করে নিজের পায়ে কুড়াল মারার চেয়ে না মারাই ভাল। কারণ আপনি নিশ্চিত থাকুন যে ক্রেডিট ট্রান্সফার করতে চাইলেও আপনাকে কানাডার ইউনিভার্সিটি থেকে দিবে না। তারা আপনাকে উক্ত কোর্সের জন্য অ্যাডভান্স স্ট্যান্ডিং করার অফার করবে। যা আপনি মেনে না নিলেও কিছু করার নেই। করতেই হবে আপনাকে।

কানাডার নিয়ম কানুন অনেক কড়া। এখানে নিয়ম ভাঙ্গলে জেল জরিমানা কিংবা দেশে পাঠিয়ে দেয়া এসবের নজির ও আছে। এমন অনেক ছাত্র আছে যারা ৬ মাস পুরণ হওয়ার আগেই অফ ক্যাম্পাস চাকরি শুরু করে দেয়। সাবধান! এটা করলে আপনার বিশাল সমস্যা হবে। একবার যদি ধরা পরেন তাহলে ক্ষতি আপনারই হবে।

থাকা খাওয়ার খরচ বলতে গেলে অনেক বেশি কানাডায়। এক রুমের বাসা ভাড়া ৫০০ ডলার এর উপরে বলতে পারেন। মাঝে মাঝে আবার ৭৫০ ডলার ও হয়। তবে সেই এক রুমে আপনি যদি শেয়ার করে থাকেন কারো সাথে তাহলে তা কমে আসবে। এছাড়া রয়েছে বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল। খাওয়ার খরচ নির্ভর করে আপনার উপর। আপনি কিভাবে খরচ করবেন তার উপর। হোস্টেলে যদি থাকতে চান তাহলে খরচের ভিন্নতা আছে। সেটা হোস্টেল ভেদে তা হয়।

আপনারা বুঝতেই পারছেন যে অন্তত ৬ মাসের থাকা খাওয়ার খরচ পর্যাপ্ত নিয়ে আসতে হবে আপনাকে। যে ইউনিভার্সিটিতে আপনি যে কোর্সের জন্য পড়তে আসতে চাইছেন সেই বিভাগের ডিন কিংবা প্রোগ্রাম অ্যাডভাইজারের সাথে যোগাযোগ রাখুন। কারণ তিনি আপনাকে জানাবেন ভর্তির সব নিয়ম কানুন। তবে মাথায় রাখবেন সবসময় যে ১ টা মেইল দিলে চলবে না। আপনাকে বার বার মেইল করে রিমাইন্ডার দিতে হবে তাদের। আপনি যদি তাদের ১০ টা মেইল দেন তাহলে তারা ১ টা উত্তর দিতে পারে।

আপনি যদি মে মাসে পড়তে আসেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই ৬/৭ মাস আগে থেকেই অ্যাপ্লিকাশন প্রসেস শুরু করতে হবে। কারণ মাঝে মাঝে ইউনিভার্সিটি অফার লেটার পাঠাতে দেরি করে। এর ফলে দেখা যায় যেই সেমিস্টারে আপনি আসতে চেয়েছিলেন সেই সময়ে আপনি আসতে পারছেন না। ফলে ৪ মাস সময় আপনার নষ্ট হয়ে গেল। ইউনিভার্সিটি থেকে অফার লেটার পাওয়ার পরই আপনাকে ভিসা প্রসেস করতে হবে। আর বাংলাদেশ থেকে ভিসা পাওয়া একটু সময় সাপেক্ষ ব্যপার। আর তাই এসব কাজ করার সময় আপনাকে অবশ্যই সঠিক সময় হিসেব করে নিতে হবে।

আপনার পড়াশোনার যাবতীয় খরচ (স্পন্সর) যিনি বহন করবেন উনি কানাডায় যদি অবস্থান করেন তাহলে তাকে স্পন্সর হিসেবে না দেখানোই ভাল। কারণ এতে আপনার ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস পেতে পারে। আর তাই দেশে থাকে এমন কেউ স্পন্সর করে তাহলেই ভাল হয়। ধরেন আপনি মাষ্টার্স করতে চাচ্ছেন আর তার মেয়াদ ২ বছরের। আপনাকে যিনি স্পন্সর করবেন উনার ১ বছরের ব্যাংক হিসেব থেকে শুরু করে যাবতীয় যত আয়, ব্যায় আছে সব দেখাতে হবে।

আর একটা কথা। ২ বছরের মাষ্টার্স প্রোগ্রাম হলেও ভিসাতে আপনাকে দেয়া হতে পারে মাত্র দেড় বছরের। এতে খুব বেশি টেনশনের কিছু নেই। কারণ এখানে এসে আপনি ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে নিতে পারবেন।
original post
read more

Monday, March 12, 2012

ইংরেজি শেখার জন্য প্রয়োজনীয় দারুন একটি জাভা SOFT

by আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম দারুন একটি জাভা SOFT.
Software টির নাম 1100 Words.
এর সাহায্যে আপনি প্রয়োজনীয় ১১০০ টি শব্দ শিখতে পারবেন।
Link

Software টির features :
>> এই Software টিতে ৫ টি অপশন রয়েছে : Study, Flash Cards, Search, Help, Exit
>> Study Section এর মাধ্যমে আপনি Daily Test এ অংশ নিতে পারবেন।
>> FlashCards Section এর মাধ্যমে আপনি নিজেকে যাচাই করতে পারবেন।
>> Search Section এর মাধ্যমে আপনি যেকোনো Word খুজতে পারবেন।
>> যেকোনো সাহায্যের জন্য ঘুরে আসুন Help Section থেকে।

ডাউনলোড করুন এখান থেকে
original post
read more

Sunday, January 22, 2012

পি এইচ পি কোচিং [পর্ব-১]

ওয়েব ডিজাইনিং এন্ড ডেভেলপমেন্টের জগত অনেক বিশাল ও ব্যাপক। এই জগতেরই একটি অংশ হচ্ছে ওয়েব প্রোগ্রামিং । বিভিন্ন ধরনের ওয়েব প্রোগ্রামিং ল্যংগুয়েজ আছে পৃথিবীতে। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ও বহুল প্রচলিত ল্যাংগুয়েজ পি এইচ পি। বন্ধুরা, “পি এইচ পি কোচিং” ধারাবাহিক টিউটোরিয়ালটিতে আমি তাই আপনাদের সামনে পি এইচ পি ল্যাংগুয়েজ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

পি এইচ পি কি ?

সহজ কথায় পি এইচ পি একটি ওয়েব প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ। এটি ওয়েব ডেভেলপমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ছিলাম । প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ মূলত দুই প্রকার, ডেস্কটপ প্রোগ্রামিং আর ওয়েব প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ । পি এইচ পি হল ওয়েব প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ।

পি এইচ পি যেকোনো অপারেটিং সিস্টেমে চলে। যেমন উইন্ডোজ, লিনাক্স ইত্যাদি।

পি এইচ পি শেখার জন্য যা যা লাগবেঃ

এপাচি ওয়েব সার্ভারঃ এটি ইন্সটল করলে আপনি নেট ডিসকানেক্টেড থাকা অবস্থায়ও পি এইচ পি তে কাজ করতে পারবেন। অর্থাৎ, এটির মাধ্যমে আপনি অফলাইনে কাজ করতে পারবেন।

Mysql Database: এটি একটি ডাটাবেস। ডাটাবেস হল, আপনি আপনার ওয়েবসাইটে যে সকল কন্টেন্ট যোগ করেন বা যা কিছু লেখেন সবই হল ডাটা আর এসব ডাটার স্টোররুমই হল ডাটাবেস। Mysql তেমনই একটি ডাটাবেস। সব ল্যাংগুয়েজ সব ডাটাবেসে কাজ করে না। পি এইচ পি যে ডাটাবেসে কাজ করে তার নাম Mysql. এছাড়াও Informix, Oracle, Sybase, Solid, PostgreSQL, Generic ODBC এসব ডাটাবেসেও পি এইচ পি কাজ করে।

Mysql ডাটাবেস ও এপাচি ওয়েব সার্ভার একসঙ্গে XAMPP নামের একটি সফটওয়্যারে থাকে। আপনি এই সফটওয়্যারটি ইন্সটল করে আপনার পিসিতে Apache এবং Mysql ডাটাবেস চালু করতে পারেন।

লেটেস্ট ভার্সনের XAMPP ডাউনলোড করুন এখান থেকে।

ডাউনলোডের পরে সাধারণভাবেই ইন্সটল করুন,ইন্সটল করার সময় নিচের মত একটি পেজ আসলে তাতে নিচের মত করে install apache as service এবং install mysql as service চেকবক্সে এ চেক করুন। ফলে apache ও mysql সার্ভিস চালু হবে।

Filezilla সিলেক্ট করতেও পারেন,নাও করতে পারেন।

ইন্সটল করার পর xampp কন্ট্রোল প্যানেল চালু করতে চাইলে তা চালু করেন। ফলে নিচের মত পাবেন।

এই কন্ট্রোল প্যানেলে আপনাকে অবশ্যই apache ও mysql চালু রাখতে হবে কাজ করার জন্য।

প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ নিয়ে কাজ করার পরিবেশ তো তৈরি করলেন। এখন প্রোগ্রাম কোথায় লিখবেন ? চক দিয়ে কোনো কিছু লিখতে গেলে যেমন স্লেট লাগে, প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ লেখার জন্য তো তেমনই একটা সফটওয়্যার দরকার যা লেখার মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। বন্ধুরা, এর জন্যও বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার আছে। যেমন নেটবিনস(NETBEANS) তেমনই একটি সফটওয়্যার। তবে সফটওয়্যারে কাজ করার আগে প্রাথমিক অবস্থায় নোটপ্যাডে কাজ করা ভাল। এতে পি এইচ পি ভালভাবে রপ্ত করা যাবে। পি এইচ পি তে লেখা যেকোনো প্রোগ্রাম নোটপ্যাডে লিখে তা .php ,phtml এক্সটেনশান দিয়ে সেভ করতে হয়। .phtml এক্সটেনশান দিয়ে সেভ করার কারণ হচ্ছে একটি পিএইচপি স্ক্রীপ্টে সাধারণত পিএইচপি আলাদা অবস্থায় থাকে না,এর সাথে এইচটিএমএল ও থাকে। এ প্রসঙ্গে একটি কথা বলে রাখা ভালো তা হল, যে কোনো ব্রাউজারে যখন কোনো লেখা প্রদর্শিত হয় তা মূলত একটি html স্ক্রীপ্ট,আপনি ঐ স্ক্রীপ্টে যত পি এইচ পি কন্টেন্টই রাখুন না কেন,ব্রাউজারে প্রদর্শনের সময় পুরো পেজটার html হিসেবেই দেখানো হয়।

আসুন একটি প্রোগ্রাম দেখি।

নোটপ্যাড ওপেন করে নিচের কোড গুলো লিখুন

1
2
3
4
5
6
7
echo "say hello to my little friend";
?>

প্রোগ্রাম থেকে নিশ্চয়ই এটা বুঝতে পারছেন, html ও php এ দুটি একই সাথে একটি স্ক্রীপ্টে কাজ করে।

original post

read more

পি এইচ পি কোচিং : পর্ব-২

পি এইচ পি কোচিং এর প্রথম পর্বে আমি আলোচনা করেছিলাম, পি এইচ পি কি, পি এইচ পি শিখতে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার সম্পর্কে। সেখানেই আমি বলেছিলাম নেটবিনস সফটওয়্যারের কথা। তবে এ সফটওয়্যারটি ইন্সটল করতে আরেকটি সফটওয়্যারের প্রয়োজন। এটা ডাউনলোড করতে পারেন এখান থেকে।

উপরের সফটওয়্যারটি ইন্সটল করার পরে নেটবিনস ডাউনলোড করার পালা। এর জন্য এখানে ক্লিক করুন।

এবারে পি এইচ পি তে কাজ করার পালা। এর জন্য প্রথমেই আপনাকে এপাচি ওয়েব সার্ভার পিসিতে চালু করতে হবে। সেই সাথে MySQL ডাটাবেসও চালু রাখতে হবে। এপাচি ওয়েব সার্ভার আপনাকে অফলাইনেও নেট কানেক্টেড থাকার মত পরিবেশ সৃষ্টি করবে যার ফলে আপনি পি এইচ পি তে কাজ করতে পারবেন। আর MySQL হল ডাটাবেস যেখানে আপনার তৈরি করা সাইটের ডাটা জমা থাকে। পি এইচ পি MySQL ডাটাবেস সাপোর্ট করে।

ডেস্কটপ থেকে XAMPP এর আইকনে ক্লিক করে XAMPP কন্ট্রোল প্যানেল রান করুন। এবং Apache ও MySQL চালু করুন।

এখন আপনার এপাচি ওয়েব সার্ভার চালু আছে। আপনার তৈরি করা পেজটি এপাচি ওয়েব সার্ভারে রান করার জন্য যে ওয়েব পেজটি আপনি তৈরি করছেন তা C ড্রাইভে অবস্থিত XAMPP ফোল্ডারের ভেতরে htdocs নামের ফোল্ডারে রাখতে হবে।

কোনো ওয়েব পেইজে পি এইচ পি আলাদাভাবে অবস্থান করে না। এইচ টি এম এল স্ক্রীপ্টের মধ্যেই এর কোড লেখা হয়। ব্রাউজার যখন পেজটি রান করে তখন এর ভেতরের সমস্ত কন্টেন্টকেই এইচটিএমএল স্ক্রীপ্ট হিসেবে প্রদর্শন করে। নিচের কোডটি দেখুন

1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
<html>
<body>
php
echo “hello world”;
?>
body>
html>

এই কোডটি একটি নোটপ্যাডে লিখে সি ড্রাইভে অবস্থিত Xampp ফোল্ডারের ভেতরে htdocs ফোল্ডারে রাখুন এবং যেকোনো নামে সেভ করুন। আমার তৈরি করা এই ফাইলের নাম দিলাম sample.php

এখন ব্রাউজারের এড্রেসবারে http://localhost/sample.php টাইপ করলে নিচের মত আউটপুট পাওয়া যাবে।

এড্রেসবারে localhost বলতে আপনার পিসিতে অবস্থিত htdocs ডিরেক্টরীকেই বোঝানো হয়।

মূলত পি এইচ পি এর যেকোনো প্রোগ্রাম এভাবেই সার্ভার ডিরেক্টরীতে সেভ করে রান করতে হয়।

পি এইচ পি সিনট্যাক্সঃ

উপরের প্রোগ্রামটি আরেকবার দেখুন। পি এইচ পি সিনট্যাক্স সম্পর্কে মোটামুটি একটা ধারনা পাবেন।

যে কোনো পি এইচ পি কোড শুরু করতে হয় লিখে। অবশ্য

পি এইচ পি কোড মূলত লিখতে হয় ও ট্যাগের মধ্যে।

পি এইচ পি তে লেখা প্রতিটি লাইনের পরে “;” দিতে হয়।

original post

read more

পি এইচ পি কোচিং: [পর্ব-৩]

গতপর্বে আমি বলেছিলাম ওয়েব সার্ভার চালু না থাকলে পি এইচ পি রান করবে না। আসলে ওয়েব সার্ভার কি?

ওয়েব সার্ভার কি এবং কিভাবে কাজ করে?

সাধারণ কথায়, ওয়েব সার্ভার হল একটি কম্পিউটারের মধ্যে অবস্থিত প্রোগ্রাম যার কাজ হল পৃথিবীর অন্য কম্পিউটারগুলোকে তাদের রিকোয়েস্টের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করা। বুঝতে পারছেন না?

ধরুন, একটি কম্পিউটারে ইন্টারনেট কানেকশান আছে। তাতে এমন একটি সফটওয়্যার ইন্সটল করা আছে যার নাম ওয়েব সার্ভার। এই সফটওয়্যারের কাজ হল প্রয়োজনীয় ওয়েব পেজ,যা তাকে সরবরাহ করা হয় তা তার মধ্যে জমা রাখা অর্থাৎ ওয়েব পেজ সেভ করে রাখা। পৃথিবীতে নেট কানেক্টেড থাকা অন্যান্য কম্পিউটারের মধ্যে কিছু কম্পিউটারের ব্রাউজার থেকে সার্ভার সফটওয়্যার ইন্সটল করা কম্পিউটারে রিকোয়েস্ট আসলো তাদের কে যেনো কোন অমুক ওয়েব সাইটের তমুক পেজটি দেখতে দেয়া হয়। ব্রাউজার যে পেজটি দেখতে চায়,এই রিকোয়েস্টটি পাঠানোর সময় সে পেইজের ওয়েব এড্রেস বা URL এড্রেসও সার্ভার সফটওয়্যার যুক্ত কম্পিউটারে পাঠায়।

তখন সার্ভার যুক্ত কম্পিউটারের সার্ভার সফটওয়্যারটি ওই রিকোয়েস্ট চেক করে এবং সেই রিকোয়েস্টে উল্লেখ করা URL address বিশিষ্ট পেজ তার সংগ্রহে আছে কিনা তা চেক করে। যদি ওয়েবপেইজটি পাওয়া যায় তবে ঐ ওয়েবপেইজটিকে এইচটিএমলে ডকুমেন্ট আকারে আবার সেই ব্রাউজারবিশিষ্ট পিসিতে প্রেরন করে যে পিসির ব্রাউজার তাকে রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছিল। আর ব্রাউজার এই ডকুমেন্টের এইচটিএমএল কন্টেন্টগুলোকে প্রসেস করে পেইজ আকারে স্ক্রীনে প্রদর্শন করে। আর পেইজ যদি না থাকে, তবে “page not found” অথবা “page unavailable” এধরনের নোটিশ পাঠায়।

উল্লেখ্য যে সকল পিসি থেকে রিকোয়েস্ট আসে তাদের বলা হয় ক্লায়েন্ট পিসি।

মূলত এটিই হল সার্ভার এর কাজ। আর এ ধরনেরই সার্ভার সফটওয়্যার হচ্ছে এপাচি ওয়েব সার্ভার। আর পি এইচ পি ল্যাংগুয়েজ এপাচি সার্ভারেই সবচেয়ে ভালো কাজ করে। আর সেই সাথে খুশির বিষয় হল, পৃথিবীতে যত সার্ভার কোম্পানী আছে তাদের ৬০%ই এপাচি সার্ভার ব্যবহার করে।

পিএইচপি(সার্ভার সাইড স্ক্রীপ্টিং ল্যাংগুয়েজ) ও জাভাস্ক্রীপ্ট ল্যাংগুয়েজঃ

এবার আসুন জানি অমুক সার্ভারে পি এইচ পি ভালো কাজ করে কথাটি দিয়ে কি বুঝায় ? আসলে ব্যাপারটি হচ্ছে, পিএইচপি অন্য সকল প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের মত হলেও এটি মূলত কাজ করে সার্ভারের উপস্থিতিতে উক্ত সার্ভারের সাথে যৌথভাবে এবং এ ল্যাংগুয়েজের মাধ্যমে প্রদত্ত কমান্ড বা ইন্সট্রাকশান সার্ভারের মাধ্যমে সম্পন্ন করে।

একারণে সার্ভার থাকা অবস্থাতেই এ ল্যাংগুয়েজ সক্রিয় হয়। অন্যকোনো ল্যাংগুয়েজ যেমন,জাভাস্ক্রীপ্ট ল্যাংগুয়েজ এ লেখা প্রোগ্রাম রান করার জন্য কোনো সার্ভার লাগে না, কারণ এর কাজ সার্ভারের সাথে সম্পর্কিত নয়। এর কাজ সম্পর্কিত হল ব্রাউজারের সাথে। মোটকথা পিএইচপি ল্যাংগুয়েজ এর প্রসেসিং হয় সার্ভারের মাধ্যমে আর জাভাস্ক্রীপ্ট ল্যাংগুয়েজের প্রসেসিং হয় ব্রাউজারের মাধ্যমে। তাই, পি এইচ পি কে সার্ভার সাইড স্ক্রিপ্টিং ল্যাংগুয়েজ বলা হয়। কিন্তু জাভাস্ক্রিপ্টকে বলা হয় ব্রাউজার সাইড স্ক্রিপ্টিং ল্যাংগুয়েজ।

original post

read more

পি এইচ পি কোচিং: [পর্ব-৩]

গতপর্বে আমি বলেছিলাম ওয়েব সার্ভার চালু না থাকলে পি এইচ পি রান করবে না। আসলে ওয়েব সার্ভার কি?

ওয়েব সার্ভার কি এবং কিভাবে কাজ করে?

সাধারণ কথায়, ওয়েব সার্ভার হল একটি কম্পিউটারের মধ্যে অবস্থিত প্রোগ্রাম যার কাজ হল পৃথিবীর অন্য কম্পিউটারগুলোকে তাদের রিকোয়েস্টের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করা। বুঝতে পারছেন না?

ধরুন, একটি কম্পিউটারে ইন্টারনেট কানেকশান আছে। তাতে এমন একটি সফটওয়্যার ইন্সটল করা আছে যার নাম ওয়েব সার্ভার। এই সফটওয়্যারের কাজ হল প্রয়োজনীয় ওয়েব পেজ,যা তাকে সরবরাহ করা হয় তা তার মধ্যে জমা রাখা অর্থাৎ ওয়েব পেজ সেভ করে রাখা। পৃথিবীতে নেট কানেক্টেড থাকা অন্যান্য কম্পিউটারের মধ্যে কিছু কম্পিউটারের ব্রাউজার থেকে সার্ভার সফটওয়্যার ইন্সটল করা কম্পিউটারে রিকোয়েস্ট আসলো তাদের কে যেনো কোন অমুক ওয়েব সাইটের তমুক পেজটি দেখতে দেয়া হয়। ব্রাউজার যে পেজটি দেখতে চায়,এই রিকোয়েস্টটি পাঠানোর সময় সে পেইজের ওয়েব এড্রেস বা URL এড্রেসও সার্ভার সফটওয়্যার যুক্ত কম্পিউটারে পাঠায়।

তখন সার্ভার যুক্ত কম্পিউটারের সার্ভার সফটওয়্যারটি ওই রিকোয়েস্ট চেক করে এবং সেই রিকোয়েস্টে উল্লেখ করা URL address বিশিষ্ট পেজ তার সংগ্রহে আছে কিনা তা চেক করে। যদি ওয়েবপেইজটি পাওয়া যায় তবে ঐ ওয়েবপেইজটিকে এইচটিএমলে ডকুমেন্ট আকারে আবার সেই ব্রাউজারবিশিষ্ট পিসিতে প্রেরন করে যে পিসির ব্রাউজার তাকে রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছিল। আর ব্রাউজার এই ডকুমেন্টের এইচটিএমএল কন্টেন্টগুলোকে প্রসেস করে পেইজ আকারে স্ক্রীনে প্রদর্শন করে। আর পেইজ যদি না থাকে, তবে “page not found” অথবা “page unavailable” এধরনের নোটিশ পাঠায়।

উল্লেখ্য যে সকল পিসি থেকে রিকোয়েস্ট আসে তাদের বলা হয় ক্লায়েন্ট পিসি।

মূলত এটিই হল সার্ভার এর কাজ। আর এ ধরনেরই সার্ভার সফটওয়্যার হচ্ছে এপাচি ওয়েব সার্ভার। আর পি এইচ পি ল্যাংগুয়েজ এপাচি সার্ভারেই সবচেয়ে ভালো কাজ করে। আর সেই সাথে খুশির বিষয় হল, পৃথিবীতে যত সার্ভার কোম্পানী আছে তাদের ৬০%ই এপাচি সার্ভার ব্যবহার করে।

পিএইচপি(সার্ভার সাইড স্ক্রীপ্টিং ল্যাংগুয়েজ) ও জাভাস্ক্রীপ্ট ল্যাংগুয়েজঃ

এবার আসুন জানি অমুক সার্ভারে পি এইচ পি ভালো কাজ করে কথাটি দিয়ে কি বুঝায় ? আসলে ব্যাপারটি হচ্ছে, পিএইচপি অন্য সকল প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের মত হলেও এটি মূলত কাজ করে সার্ভারের উপস্থিতিতে উক্ত সার্ভারের সাথে যৌথভাবে এবং এ ল্যাংগুয়েজের মাধ্যমে প্রদত্ত কমান্ড বা ইন্সট্রাকশান সার্ভারের মাধ্যমে সম্পন্ন করে।

একারণে সার্ভার থাকা অবস্থাতেই এ ল্যাংগুয়েজ সক্রিয় হয়। অন্যকোনো ল্যাংগুয়েজ যেমন,জাভাস্ক্রীপ্ট ল্যাংগুয়েজ এ লেখা প্রোগ্রাম রান করার জন্য কোনো সার্ভার লাগে না, কারণ এর কাজ সার্ভারের সাথে সম্পর্কিত নয়। এর কাজ সম্পর্কিত হল ব্রাউজারের সাথে। মোটকথা পিএইচপি ল্যাংগুয়েজ এর প্রসেসিং হয় সার্ভারের মাধ্যমে আর জাভাস্ক্রীপ্ট ল্যাংগুয়েজের প্রসেসিং হয় ব্রাউজারের মাধ্যমে। তাই, পি এইচ পি কে সার্ভার সাইড স্ক্রিপ্টিং ল্যাংগুয়েজ বলা হয়। কিন্তু জাভাস্ক্রিপ্টকে বলা হয় ব্রাউজার সাইড স্ক্রিপ্টিং ল্যাংগুয়েজ।

original post

read more

পিএইচপি কোচিং : পর্ব-৪

by
আজ আমরা শুরু করতে যাচ্ছি পিএইচপি কোচিং এর চতুর্থ পর্ব।

বিগত পর্বগুলোতে আমরা সার্ভার সাইড স্ক্রিপ্টীং ল্যাংগুয়েজ, ব্রাউজার সাইড স্ক্রিপ্টীং ল্যাংগুয়েজ ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জেনেছি। আজ চলুন একটি কোড দেখি।

একটি নোটপ্যাডে নিচের কোডটুকু লিখুন।

1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
echo "hello";
?>

এখন নোটপ্যাডটিকে যেকোনো নাম দিয়ে .php এক্সটেনশান দিয়ে সেভ করুন। আমি নাম দিয়েছি sample.php

এখন sample.php ফাইলটাকে c ড্রাইভের xampp ফোল্ডারের htdocs ফোল্ডারে সেভ করুন। এর ফলেই ফাইলটা আপনার সার্ভারে রয়েছে বলে ধরে নেয়া হবে। এখন ব্রাউজারে http://localhost/sample.php লিখলে নিচের মত পাবেন।

কোডটি দেখে আপনারা হয়ত কিছুটা অবাকও হচ্ছেন। হয়তো ভাবছেন, পিএইচপি কোথায়। এতো আপনাদের চিরচেনা এইচটিএমএল কোড। বন্ধুরা, আসলে পিএইচপি কোড কোনো আলাদা স্ক্রীপ্টে লেখা হয়না। এটি এইচটিএমএল এর সাথে এমবেড করা থাকে। একটি ওয়েব স্ক্রীপ্ট বা ডকুমেন্ট যখন সার্ভারে সেভ করা থাকে তখন এতে বিভিন্ন ধরনের কোড থাকতে পারে। হতে পারে তা পিএইচপি কোড বা এইচটিএমএল কোড। এই পেইজটিকে যখন ব্রাউজার দেখার জন্য সার্ভারে রিকোয়েস্ট পাঠায়, তখন সার্ভার চেক করে দেখে যে,ঐ ডকুমেন্টে কোনো পিএইচপি কোড আছে কিনা। যদি না থাকে তবে,অর্থাৎ যদি শুধুমাত্র এইচটিএমএল কোড থাকে তবে ঐ ডকুমেন্টটি বা পেজটি সাধারণভাবেই সার্ভার ব্রাউজারে প্রেরণ করে একটি সিম্পল প্লেইন এইচটিএমএল স্ক্রীপ্ট। কিন্তু যদি পিএইচপি কোড থাকে তবে ঐ পেইজটি ব্রাউজারে প্রেরণ করার পূর্বে সার্ভার ঐ পেইজের পিএইচপি কোড বা ইন্সট্রাকশান অনুসরন করে এবং সেই অনুযায়ী আউটপুট বের করে যা এইচটিএমএল রূপে পেইজে এটাচড হয় অর্থাৎ পিএইচপি কোড থাকলেই সার্ভার ঐ কোডকে ট্রান্সলেট করে তৈরি করে সিম্পল এইচটিএমএল স্ক্রীপ্ট।

আমরা জানি যেকোনো ব্রাউজারের অপশন বার থেকে পেজ সোর্স দেখা যায়। আপনি যদি উপরের কোডের পেজ সোর্স দেখেন তবে আপনি যা দেখবেন তা হবে নিচের মত।

দেখতেই পাচ্ছেন সোর্সের মধ্যে পুরো কোডটাই এইচটিএমএল। কোনো পিএইচপি কোড নেই,অথচ আপনি ঠিকই পিএইচপি কোড লিখেছিলেন (উল্লেখ্য, আমাদের কোডে এর মধ্যে লেখা কোডই পিএইচপি কোড)। তাহলে কোডটি গেল কোথায়। বন্ধুরা, এই কোডটি আসলে সার্ভার আগেই ট্রান্সলেট করেছে বা কম্পাইল করে সে অনুযায়ী এইচটিএমএল আউটপুট তৈরি করে পুরো ডকুমেন্টকেই এইচটিএমএল ডকুমেন্টে পরিণত করেছে যা আপনারা উপরের ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন।

original post

read more

পিএইচপি কোচিং: পর্ব-৫

by
আমরা নিজেরা এবার কোনো পিএইচপি কোড লিখি।

পিএইচপি কোড আপনি যেকোনো জায়গায় লিখতে পারেন একটি এইচটিএমএল স্ক্রীপ্টের মধ্যে। ট্যগের মধ্যে অথবা ট্যগের মধ্যে যেকোনো জায়গায়। নিচের কোডটি দেখুন।

echo "hello everybody";

?>

এখানে এর মধ্যে যা কিছু লেখা হয়েছে সবই পিএইচপি কোড।

পিএইচপি কোড শুরু করতে হয় এর মাধ্যমে।

প্রতিটী লাইনকে একেকটি স্টেটমেন্ট বলা হয়। পিএইচপিতে প্রতিটা লাইনের পরে ";" দেয়া ভালো। যেমন

echo "hello everybody";

এখানে echo একটি ফাংশন যার কাজ হল যেকোনো লেখাকে ব্রাউজারে প্রদর্শন করা। যেমন , এখানে "" এর মধ্যে আবদ্ধ hello everybody কে ব্রাউজারে প্রদর্শন করা হচ্ছে।

এর বাইরে যা কিছু আছে তাকেই মূলত ব্রাউজার এইচটিএমএল কোড বলে ধরে নেয়।

পিএইচপি কেস সেনসিটিভ নয়। অর্থাৎ, ছোট বড় যেকোনো হাতের লেখাই চলবে। তবে ছোট হাতের লেখাই শ্রেয়।

কিছুক্ষন আগে আমি বলেছি, echo ফাংশনের কথা। আপনারা হয়তো ভাবছেন,ফাংশন আবার কি জিনিস। ফাংশন মূলত প্রোগ্রামিং এ কমান্ডের কাজ করে। একেক ফাংশনের কাজ একেক রকম। যেমন, কোনো ফাংশন যেকোনো লেখাকে ব্রাউজারে প্রদর্শনের কাজ করে,যেমন echo ফাংশন। আবার কোনো ফাংশন ব্রাউজারে তারিখ বা সময় প্রদর্শন করে। ইত্যাদি।

original post

read more

পিএইচপি কোচিং: পর্ব-৬

by

যেকোনো কোড লেখার পরে ঐ কোড পরবর্তীতে অন্য কারো মাধ্যমে আপডেট করার প্রয়োজন হতে পারে। সেক্ষেত্রে তার বা অন্য কারো যেনো কোডটি বুঝতে সমস্যা না হয় তাই কোডের পাশে কমেন্ট যোগ করার সুবিধা দেয়া হয় যেকোনো প্রোগ্রামে।

পিএইচপি কোডে কমেন্ট করা জন্য "//" ব্যবহার করা হয়। যেমন, নিচের উদাহরনটি দেখু্ন।

1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
//this is comment
echo "hello everybody";
?>

লক্ষ্য করুন, এই কোডে ২য় কোডে "//" এর পরে this is comment কথাটি লেখা হয়েছে, কিন্তু তবুও কোডটি রান করার পরেও ব্রাউজারে লেখা প্রদর্শিত হবে না।

তবে আপনি যদি একাধিক লাইনে কমেন্ট করতে চান তবে কমেন্টের শুরুতে /* এবং শেষে */ দিলেই হয়ে যাবে। উক্ত কমেন্ট ব্রাউজারে প্রদর্শিত হবে না। যেমন,

1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
/*this is comment
the comment is running
the comment is here too*/
echo "hello everybody";
?>
original post
read more

পিএইচপি কোচিং: পর্ব-৭

by

ভেরিয়েবলকে তুলনা করতে কোনো একটি পাত্রের সাথে। পাত্রে যেমন কোনো কিছউ রাখা বা সংরক্ষন করা যায়, তেমনি ভেরিয়েবলেও ডাটা রাখা যায় এবং প্রয়োজনে ঐ ডাটা ফেলে নতুন ডাটাও রাখা যায়। যেকোনো প্রোগ্রামে ভেরিয়েবল ব্যবহার করার পূর্বে তা ডিক্লেয়ার করে কপাইলারকে জানিয়ে দিতে হয় যে, উক্ত নামে একটি ভেরিয়েবল ব্যবহার করা হবে। তবে পিএইচপি এর ক্ষেত্রে ভেরিয়েবল এভাবে ডিক্লেয়ার করতে হয়না। শুধুমাত্রা ভেরিয়েবলের নামের আগে "$" দিতে হয়, তবেই পিএইচপি বুঝে নেয় যে, এটি একটি ভেরিয়েবল। যেমন ,

$hel

$skl

$a

উপরে দেখানো প্রতিটি শব্দই একেকটা ভেরিয়েবল কারণ এদের নামের আগে $ যোগ করা হয়েছে।

  • ভেরিয়েবলের নাম যেকোনো কিছু হতে পারে। kodu,modhu সব। তবে এদের নামের আগে $ সাইন দিতে হবে অর্থাৎ $kodu, $modhu এভাবে লিখতে হবে।
  • ভেরিয়েবলের নামের মধ্যে কোনো স্পেস থাকতে পারবে না। যেমন $u ssl . এটা কোনো ভেরিয়েবল নয়। কারণ এর নামের স্পেস আছে।
  • ভেরিয়েবলের নামে "_" আন্ডারস্কোর ব্যবহার করা যাবে। যেমন,$asd_af

এতক্ষন আমরা দেখলাম ভেরিয়েবলের নাম কিভাবে লিখতে হয় এবং নাম লেখার ক্ষেত্রে কি কি নিয়ম অনুসরন করতে হয়। আসুন এবার দেখি, পিএইচপিতে ভেরিয়েবলে ডাটা নির্ধারণ করতে হয় কিভাবে। নিচের দেখুন,

$v=123;

মূলত এভাবেই ভেরিয়েবলে ডাটা নির্ধারণ করতে হয়। এখানে v নামে একটি ভেরিয়েবল ডিক্লেয়ার করা হয়েছে এবং সেই সাথে এর মান হিসেবে ১২৩ নির্ধারণ করা হয়েছে।

আসুন এবার একটি প্রোগ্রাম দেখি। নিচের কোডটুকু লক্ষ্য করুন।

1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
<html>
<body>
php
$b=123;
echo $b;
?>
body>
<html>

এটি নোটপ্যাডে লিখে sample.php নামে htdocs ফোল্ডারে সেভ করে ব্রাউজারে http://localhost/sample.php লিখে রান করলে নিচের মত পাবেন।

কেন এমন আউটপুট আসলো ?
original post
read more

পিএইচপি কোচিং: পর্ব-৮

by
আমরা জেনেছিলাম ভেরিয়েবল সম্পর্কে আর এ প্রসংগে বলতে গিয়ে একটি উদাহরন দেখিয়েছিলাম। আসুন উদাহরনটা আরেকবার দেখি।
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
$b=123;
echo $b;
?>

এখানে পিএইচপি কোড অংশে প্রথমে $b=123; এর মাধ্যমে $b এর মাধ্যমে একটি ভেরিয়েবল ডিক্লেয়ার করা হয়েছে এবং এই ভেরিয়েবলের মান নির্ধারন করা হয়েছে 123. পরের লাইনে echo ফাংশনের মাধ্যমে $b ভেরিয়েবল ব্রাউজারে প্রদর্শন করাতে বলা হয়েছে। $b ভেরিয়েবল প্রদর্শন করার অর্থ হচ্ছে এতে সংরক্ষিত মান প্রদর্শন করা। $b ভেরিয়েবলে 123 মান আছে। তাই echo $b স্টেটমেন্টের ফলে ব্রাউজারে 123 সংখ্যাটি প্রদর্শিত হবে।

বন্ধুরা, ডাটাতো অনেক ধরনের হতে পারে। ডাটা হতে পারে কোনো পূর্ণসংখ্যা, হতে পারে দশমিকবিশিষ্ট সংখ্যা অথবা হতে পারে শুধুমাত্র এক বা একাধিক বর্ণ বা শব্দ বা এক বা একাধিক বাক্য। পিএইচপিতে কোন ধরনের ডাটা রাখা হচ্ছে তা একে বলে দিতে হয়না। পিএইচপি নিজেই তা ঠিক করে নেয়। এটি পিএইচপি এর একটি সুবিধা।

আমি বলেছি, ডাটা হয় বিভিন্ন রকম। তা সংখ্যা বা বর্ণ/শব্দসমষ্টি হতে পারে। পিএইচপিতে বর্ণ বা শব্দসমষ্টিকে স্ট্রিং টাইপ ডাটা বলা হয় এবং স্ট্রিংকে "" এর মধ্যে লেখা হয় নিচের মত।

"hello world"

এখাএ hello world পুরোটাই একটা স্ট্রিং যাকে "" এর মধ্যে লেখা হয়েছে। এই স্ট্রিংকে আপনি ভেরিয়েবলে সংরক্ষন করতে পারেন নিচের মত।

$var="hello world";

আসুন একটি প্রোগ্রাম দেখি যেখানে এই ভেরিয়েবলের মাধ্যমে এই লেখাটিকে ব্রাউজারে প্রদর্শন করা হবে।

1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
$var="hello world";
echo $var;
?>

এখানে echo ফাংশনের মাধ্যমে $var ভেরিয়েবলে সংরক্ষিত ডাটাকে ব্রাউজারে প্রদর্শন করতে বলা হয়েছে আর $var ভেরিয়েবলে hello world ডাটা নির্ধারন করা হয়েছে $var="hello world"; এর মাধ্যমে।

বন্ধুরা আজ এ পর্যন্তই। ভালো থাকবেন সবাই। ধন্যবাদ।

পূর্বের কিছু কমেন্টে প্রাপ্ত অভিযোগের সমাধান

১)আমার আগের কোনো এক পর্বে একজন বলেছিলেন, তার xampp ইন্স্টল হলে ও পিএইচপি রান করাতে পারছেন না ঐ সফটওয়্যারে। এক্ষেত্রে আরেকবার ইন্সটল করুন। একান্তই যদি না হয় তবে এখান থেকে যথাক্রমে এপাচি, mysql এবং php ডাউনলোড করে নিন। তবে এ তিনটি আলাদা ভাবে ডাউনলোড করে ব্যবহার করা ঝামেলা, তাই আগে xampp দিয়েই ট্রাই করে দেখুন।

২) কোনো এক পর্বে একজন বলেছিলেন যে, তিনি কোড ব্রাউজারে রান করাতে পারছেন না,উল্লেখ্য কোড নোটপ্যাডে লিখে c:/xampp/htdocs/ এ রাখুন যেকোনো নামে .php এক্সটেনশান দিয়ে, এর পর ব্রাউজারে http://localhost/আপনার নোটপ্যাডের নাম.php লিখে রান করুন। যদি এতেই রান না হয় , তবে বুঝতে হবে আপনার কোডে ভুল আছে, সেক্ষেত্রে কি এরর আসে তা পড়ে দেখুন , হয়ত আপনার syntax অর্থাৎ লেখার নিয়ম রীতি তে কিছু টা ভুল আছে। আর তাতেও না হলে আমার লেখা কোডটাই কপি পেষ্ট করে রান করে দেখুন। এরপর উক্ত কোডের সাথে আপনার কোডের ভুল বের করুন। তবে এসব কিছু করার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন আপনার xampp এ এপাচি এবং mysql চলছে কিনা, না চললে কোনো কোডই রান করাতে পারবেন না।

original post

read more

পিএইচপি কোচিং : পর্ব-৯

by
আমরা জেনেছিলাম স্ট্রিং ভেরিয়েবল সম্পর্কে এবং জেনেছিলাম কিভাবে তা ডিক্লেয়ার করতে হয়। কিন্তু এমন যদি হয় যে, দুটি ভেরিয়েবলে সংরক্ষিত ডাটাকে এমনভাবে ব্রাউজারে প্রদর্শন করতে হবে যেন এই ভেরিয়েবলের সংরক্ষিত স্ট্রিং মিলে একটি বাক্য তৈরি করে তবে এ কাজটি কিভাবে করা যায়? আসুন তাইই দেখি। নিচের কোডটি দেখুন।
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11

<html>

<body>

<?php

$txt1="hello everybody, ";

$txt2="how are you all?";

echo $txt1.$txt2;

?>

</body>

</html>

লক্ষ্য করুন, echo $txt1.$txt2; স্টেটমেন্টে $txt1 ও $txt2 এর মাঝখানে "." ব্যবহার করা হয়েছে যার মাধ্যমে এই দুইটি ভেরিয়েবলের ডাটাকে একসংগে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং echo ফাংশনের মাধ্যমে এই সংযুক্ত ফলাফল ব্রাউজারে প্রদর্শন করা হচ্ছে নিচের মত।

আরেকবার লক্ষ্য রাখতে হবে, কখনই ভেরিয়েবলকে নিচের মত করে অর্থাৎ "" এর মধ্যে লিখবেন না।

echo "txt1";

কারণ এতে ব্রাউজার txt1 কে ভেরিয়েবল না ধরে স্বাভাবিক একটি স্ট্রিং হিসেবে ধরতে পারে এবং এই স্ট্রিংকেই ব্রাউজারে প্রদর্শন করবে।

আর যেকোনো স্ট্রিং বা লাইন যা কোনো ভেরিয়েবলে সংরক্ষন না করে সরাসরি echo ফাংশনের মাধ্যমে ব্রাউজারে প্রদর্শন করতে হলে নিচের মত করে লিখতে হয়।

echo "hello world";

অর্থাৎ, আমরা বলতে পারি শুধুমাত্র স্ট্রিং এর বেলাতেই "" ব্যবহার করা হয় এবং "" এর মধ্যে স্ট্রিঙটি লিখতে হয়।

এখন আপনি যদি দুটি ভেরিয়েবলে সংরক্ষিত স্ট্রিং এবং এদের মধ্যে আরেকটি সাধারণ স্ট্রিংকে একসাথে জোড়া লাগাতে চান তবে এভাবে লিখতে হবে,

$txt . "hello world" . $txt

আর একে ব্রাউজারে প্রদর্শনের জন্য নিচের মত echo ফাংশন ব্যবহার করতে হবে।

echo $txt . "hello world" . $txt;

original post

read more

পিএইচপি কোচিং: পর্ব-১০

by
আজ আমরা দুইটি গুরুত্বপূর্ণ ফাংশন সম্পর্কে জানব। ফাংশন দুইটি হল strlen() ফাংশন এবং strpos() ফাংশন। অবশ্য ফাংশন দুটি বেশ মজারও বটে।

strlen():

এই ফাংশনের কাজ হল যেকোনো স্ট্রিং এর ক্যারেক্টার সংখ্যা নির্ণয় করা। উল্লেখ্য পিএইচপিতে যেকোনো ধরণের বর্ণ,স্পেস,চিহ্ন ইত্যাদিকে ক্যারেক্টার বলা হয়। যেমন, "where are you?" এই স্ট্রিং এ কয়টি ক্যারেক্টার আছে তা জানার জন্য উক্ত স্ট্রিং এই ফাংশন ব্যবহার করে নিচের মত লিখতে হবে।

strlen("where are you?")

এর রেজাল্ট হবে ১৪ কারণ এতে ১৪ টি ক্যারেক্টার আছে। (একটি ? চিহ্ন, ২টি স্পেস এবং ১১টি বর্ণ)

তবে এই রেজাল্টটি ব্রাউজারে প্রদর্শন করতে চাইলে নিচের মত লিখতে হবে।

echo strlen("where are you?");

strpos():

এই ফাংশনের কাজ হল কোনো নির্দিষ্ট স্ট্রিং এ কোনো একটি ক্যারেক্টারের অবস্থান নাম্বার বের করা। নিচের উদাহরনটি লক্ষ্য করুন।

strpos("where are you?","you");

এখানে () এর ভেতর , দিয়ে দুটি স্ট্রিং লেখা হয়েছে। প্রথমে লেখা হয়েছে যে স্ট্রিং এ অবস্থান খুঁজতে হবে সেই স্ট্রিং এবং পরে লেখা হয়েছে যে স্ট্রুইং এর অবস্থান খুঁজতে হবে সেই স্ট্রিং। ফলে এর রেজাল্ট আসবে, ১০। কারণ "you" শব্দের প্রথম ক্যারেক্টার y শুরু হয়েছে ১০ নাম্বার অবস্থানের পর থেকে।

নিচের কোডটি দেখলে আশা করি ব্যাপারটি আরো পরিস্কার হবে।

echo strlen("where are you?");

echo "";

echo strpos("where are you?","you");

?>

ফলে এর আউটপুট হবে নিচের মত।


কেন এমন হল নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন।
original post
read more

পিএইচপি কোচিং : পর্ব-১১

by

অপারেটর কি? এ প্রশ্নের সহজ জবাব, যা অপারেট করে তাকেই অপারেটর বলে। ইতোমধ্যে আমরা পিএইচপিতে ভেরিয়েবল সম্পর্কে জেনেছি। আমরা জেনেছি ভেরিয়েবলে সংখ্যা বা অন্য যেকোনো ধরনের ডাটা থাকতে পারে। কাজের প্রয়োজনে এসব ডাটাকে একটি আরেকটির সাথে যোগ, বিয়োগ,গুণ বা ভাগ বা একটি আরেকটির সাথে তুলনা করার দরকার হয়। আর সেক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের চিহ্ন যেমন +,-,x,/,% ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। এদেরকেই মূলত অপারেটর বলে।

অর্থাৎ, যেসকল চিহ্ন বিভিন্ন ডাটাকে নিয়ে বিভিন্ন ম্যাথমেটিকেল বা তুলনামূলক ক্যালকুলেশন করে তাদেরকেই সহজ কথায় অপারেটর বলা যায়।

আর অপারেটর যেসকল ডাটা নিয়ে কাজ করে তাদের বলে অপারেন্ড।

যেমন,

$a+$b=1000;

উপরের উদাহরনে $a এবং $b এর ডাটাকে নিয়ে কাজ করছে "+"। তাই + একটি অপারেটর, আর + কাজ করছে $a ও $b কে নিয়ে,তাই $a , $b অপারেন্ড।

আবার,$a+$b এবং 1000 নিয়ে কাজ করছে "="। তাই "=" একটি অপারেটর।

অপারেটরকে চারভাগে ভাগ করা যায়।

এরিথমেটিক অপারেটর

এসাইনমেন্ট অপারেটর

কম্প্যারিজন অপারেটর

লজিক্যাল অপারেটর

এরিথমেটিক অপারেটরঃ যেসকল অপারেটর সাধারণত অপারেন্ডগুলোকে যোগ,বিয়োগ,ভাগ,গুন এ ধরনের কাজ করতে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে এরিথমেটিক অপারেটর বলা হয়।

চিহ্ন নাম উদাহরন অর্থ

+ যোগ $x+$a দুইটি ভেরিয়েবল x ও aপরস্পর যুক্ত হল

- বিয়োগ $x-$a $x থেকে $a বিয়োগ করা হল

* গুণ $x*$a $x , $a পরস্পর গুণ করা হল

/ ভাগ $x/$a $x কে $a দ্বারা ভাগ করা হল

% মডুলাস $x%$a $x কে $a দ্বারা ভাগ করে ভাগশেষ বের করা হল

++ ইনক্রিমেন্ট $x++ $x এর মান 1 বৃদ্ধি করা হল

- - ডিক্রিমেন্ট $x- - $x এর মান 1 হ্রাস করা হল

original post

read more

পিএইচপি কোচিং : পর্ব-১২

এসাইনমেন্ট অপারেটরঃ

এই অপারেটরের মাধ্যমে কোন ডাটাকে কোনো ভেরিয়েবলের মান হিসেবে নির্ধারন করা হয়। যেমন,

x=1;

এখানে = এর মাধ্যমে 1 কে x এর মান হিসেবে নির্ধারণ করা হল।

এরকম আরো কিছু এসাইনমেন্ট অপারেটর হল,

+=, যেমন x+=y অর্থাৎ, x=x+y

-=, যেমন x-=y অর্থাৎ x=x-y

*=, যেমন x=x*y অর্থাৎ x=x*y

/=, যেমন x/=y অর্থাৎ x=x/y

%=,যেমন x%=y অর্থাৎ x=x%y

কম্প্যরিজন অপারেটর(comparison operator)

যে সকল অপারেটরের মাধ্যমে দুটি অপারেন্ডের মধ্যে তুলনা করা হয় তারা এ ধরণের অপারেটরের অন্তর্ভুক্ত। যেমন,

==,যেমন x==y অর্থাৎ, x, y এর সমান

!=, যেমন x!=y অর্থাৎ, x, y এর সমান নয়

<>,যেমন x<>y অর্থাৎ, x,y এর সমান নয়

>,যেমন x>y অর্থাৎ, x, y এর চেয়ে বড়

<,যেমন x

>=,যেমন x>=y অর্থাৎ, x, y এর চেয়ে বড় অথবা সমান

<=,যেমন x<=y অর্থাৎ, x, y এর চেয়ে ছোট অথবা সমান

লজিক্যাল অপারেটর

এ সকল অপারেটর সাধারণত লজিক্যাল স্টেটমেন্টে ব্যবহার করা হয়। যেমন,

&& , অর্থাৎ "এবং", যেমন, x<4 && y>3

|| অর্থাৎ "অথবা" যেমন, x<4 || y>2

! অর্থাৎ "নয়" যেমন, x!=2

original post

read more

পিএইচপি কোচিং : পর্ব-১৩

by
পিএইচপি এর গত কয়েকটি পর্বে আমরা জেনেছি বেরিয়েবল এবং অপারেটর সম্পর্কে। জানতে জানতে অনেকে হয়তো হাঁপিয়ে গেছেন। আসুন এই জানাটাকে আমরা এবার কাজে লাগাই প্রোগ্রাম লেখার মাধ্যমে।

নিচের কোডগুলো লক্ষ্য করুন। অবশ্য শুধু লক্ষ্য করলেই হবে না, নিজে করলে আরো ভালো।

1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
11
12
13
14
15
16
17
18
19
20
21
$tm=4;
$nam="Nila";
echo "i have been waiting here for u for " . $tm ." hours. where were u ? ";
echo "";
echo "i came with ".$nam;
?>

এর আউটপুট হিসেবে ব্রাউজারে নিচের মত পাবেন।

আসুন এবার কোডটা থেকে কিভাবে এমন আউটপুট পাওয়া গেল তা নিয়ে একটু আলোচনা করি।

এই কোডের পিএইচপি অংশে

$tm=4; এর মাধ্যমে একই সাথে $tm নামে একটি ভেরিয়েবল ডিক্লেয়ার করা হয়েছে এবং সেই সাথে তার মান হিসেবে ৪ নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরের লাইনে $nam="Nila"; এর মাধ্যমে আরেকটি ভেরিয়েবল($name) ডিক্লেয়ার করা হয়েছে এবং এর মান হিসেবে "Nila" স্ট্রিং ডিক্লেয়ার করা হয়েছে।

পরবর্তী লাইনে echo "i have been waiting here for u for " . $tm ." hours. where were u ? "; এ লেখাটির ফলে ব্রাউজারে i have been waiting here for u for 4 hours. where were u ? লেখাটি পাওয়া যাচ্ছে। এক্ষেত্রে echo "i have been waiting here for u for " কোডটির জন্য ব্রাউজারে i have been waiting here for u for এই অংশটুকু দেখাচ্ছে। এখানেই শেষ নয়। $tm ভেরিয়েবলে সংরক্ষিত ডাটাকে("4") যোগ করা হয়েছে "." এর মাধ্যমে echo কমান্ডের মাধ্যমে প্রদর্শিত আগের লাইনের সাথে। ফলে $tm ভেরিয়েবলে সংরক্ষিত ডাটাও ব্রাউজারে দেখা যাবে i have been waiting here for u for এই অংশের পরেই। এখানে কোডে "." যোগ করার কাজ করছে। পরবর্তীতে আবারো "." এর মাধ্যমে " hours. where were u ? " এই লেখাটিকে যোগ করা হচ্ছে যেনো এই লেখাটিও ব্রাউজারে দেখায়।

সব মিলিয়ে "i have been waiting here for u for " . $tm ." hours. where were u ? " এই অংশকে echo ফাংশন বা কমান্ডের মাধ্যমে ব্রাউজারে দেখানো হয় যার আউটপুট হয়।

i have been waiting here for u for 4 hours. where were u ?

পরবর্তী লাইনে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয় echo ""; ব্যবহারের ফলে ২য় লাইনের লেখাটি আপনারে নিচের লাইনের দেখতে পাচ্ছেন।

পরের লাইনে echo "i came with ".$nam; এই কোডটিও আগের লাইনের মতই কাজ করে।

original post

read more

পিএইচপি কোচিং : পর্ব-১৪

by
আমরা একটি উদাহরণের মাধ্যমে দেখেছিলাম, কিভাবে ভেরিয়েবল ব্যবহার করতে হয় এবং কিভাবে একে অন্য কোনো স্ট্রিং এর সাথে একইসাথে ব্রাউজারে প্রদর্শন করা যায়। আজ আমরা দেখবে। ভেরিয়েবল, অপারেটর, সমীকরন ইত্যাদি কিভাবে কাজ করে। আসুন তাহলে শুরু করা যাক।

নিচের কোডটি লক্ষ্য করুন।

$rm=2;

$ng=3;

echo "the sum of ".$rm. " and ". $ng ." is";

echo "
";

echo $rm+$ng;

?>

এই লেখাটি নোটপ্যাডে লিখে যেকোনো নামে .php এক্সটেনশান দিয়ে htdocs ফোল্ডারে সেভ করে ব্রাউজারে রান করলে নিচের মত পাবেন।

এখানে $rm=2; এর মাধ্যমে $rm নামে একটি ভেরিয়েবল ডিক্লেয়ার করা হয়েছে এবং এর মান "2" নির্ধারণ করা হয়েছে। একইভাবে $ng=3; এর মাধ্যমে $ng ভেরিয়েবলের মান "3" নির্ধারণ করা হয়েছে।

echo "the sum of ".$rm. " and ". $ng ." is"; এর মাধ্যমে ব্রাউজারে the sum of 2 and 3 is এই লেখাটি প্রদর্শিত হচ্ছে। কিভাবে হচ্ছে তা পূর্বের পর্বে আলোচনা করা হয়েছে।

echo "
"; এর মাধ্যমে লাইন ব্রেক করা হয়েছে ।

echo $rm+$ng; এই লাইনে লেখা হয়েছে $rm+$ng, এই অংশের ফলে $rm এবং $nm এই দুই ভেরিয়েবলে সংরক্ষিত ডাটা যোগ করা হয়েছে। echo ফাংশনের মাধ্যমে $rm+$ng এর ফলাফল ব্রাউজারে প্রদর্শিত হচ্ছে।

উল্লেক্য এক্ষেত্রে echo $rm+$ng; না লিখে echo "$rm+$ng"; লিখা হলে ব্রাউজারে নিচের মত ফলাফল আসত।

এর কারণ "" চিহ্নের ভেতর ভেরিয়েবলগুলো ভেরিয়েবলের মতই কাজ করে এবং এদের মান ব্রাউজারে প্রদর্শিত হয় কিন্ত, এছাড়া অন্য যেকোনো লেখাই "" এর ভেতর স্ট্রিং হিসেবে ধরে নেয়া হয় এবং এজন্য "+" চিহ্নকেও অপারেটর হিসেবে নয় বরং একটি সাধারণ স্ট্রিং হিসেবেই ধরে নেয়া হয়েছে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন।

original post

read more

পিএইচপি কোচিং: পর্ব-১৫

বন্ধুরা, পিএইচপি টিউটোরিয়ালের এ পর্যায়ে আমরা জানব if else স্টেটমেন্ট সম্পর্কে।

পিএইচপি প্রোগ্রামিং এ মাঝে মাঝে কিছু কিছু কমান্ড বা ইন্সট্রাকশান দিতে হয় অন্য কোনো ঘটনার উপর ভিত্তি করে। অর্থাৎ, যদি অমুক ঘটনা ঘটে তবে তমুক কমান্ড বা ইন্সট্রাকশান কাজ করবে, আর ঘটনাটি না ঘটলে ঐ ইন্সট্রাকশন বা কমান্ডটি ঘটবে না। এই ধরনের নির্ভরশীলতামূলক কমান্ড বা ইন্সট্রাকশান দেয়ার জন্য if Else স্টেটমেন্ট ব্যবহার করা হয়।

if Else স্টেটমেন্ট এর সাধারণ কাঠামো নিচের মত।

if ( condition)

{code

}

এখানে condition অংশে সেই শর্তটি লিখতে হবে যার উপরে ভিত্তি করে পরের ইন্সট্রাকশন কাজ করবে।

code হল সেই ইন্সট্রাকশন বা কমান্ড বা উপরোক্ত শর্ত সংঘটিত হলে যা কাজ করবে।

আসুন একটি উদাহরন দেখি।

$num=rand();

if($num<10000)

echo "hello,well done,the number is $num";

?>

এখানে পিএইচপি কোড অংশে $num=rand(); লাইনের মাধ্যমে যেকোনো র‍্যান্ডম নাম্বারকে $num ভেরিয়েবলের ডাটা হিসেবে নির্ধারণ করতে বলা হচ্ছে। উল্লেখ্য, rand() একটি ফাংশন যা এলোমেলোভাবে যেকোনো সংখ্যা নির্বাচন করে, এই নির্বাচিত নাম্বারকেই $num ভেরিয়েবলের মান হিসেবে নির্ধারণ করা হচ্ছে এই লাইনের মাধ্যমে।

এরপর if($num<10000) এর মাধ্যমে বলা হচ্ছে যদি (if), $numভেরিয়েবলের মান ১০০০০ এর চেয়ে ছোট হয়($num<10000) তবে echo "hello,well done,the number is $num"; এই লাইনটি যেনো কাজ করে অর্থাৎ hello,well done,the number is $num এই লেখাটি যেনো ব্রাউজারে প্রদর্শিত হয়। এক্ষেত্রে $num এর জায়গায় ব্রাউজারে সেই সংখ্যাটি দেখাবে যে সংখ্যাটি rand() ফাংশনের মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়েছিল এবং $num ভেরিয়েবলের মান হিসেবে নির্ধারিত হয়েছিল। আরেকটি বিষয় উল্লেখ্য তা হল, প্রতিবার ব্রাউজার রিলোড করার সময় স্ক্রীপ্টের প্রতিটি কোড প্রথম থেকে আবার কাজ করে ফলে প্রতিবারই rand() এর মাধ্যমে নতুন একটি সংখ্যা নির্বাচিত হয় এবং $num এর মান হিসেবে নির্ধারিত হয়।

যেমন এই কোড ব্রাউজারে রান করার পরে প্রথম বার আমার ব্রাউজারে কোনো লেখা আসেনি, কারণ তখন $num এর মান ১০০০০ এর চেয়ে বেশি ছিল কিন্তু পরের ব্রাউজার পেজ রিলোড করার পরে নিচের লেখা আসে।

বন্ধুরা, এভাবে আপনারাও বিভিন্ন লজিক বানিয়ে দেখুন কাজ করে কিনা।
original post
read more

আপনি কেমন বাবা-মা? ১

মিতুর ক্লাসে আজ পরীক্ষার খাতা দিয়েছে। এই খাতা বাসায় বাবা বা মাকে দেখিয়ে সাইন করিয়ে আনতে হবে। কিন্তু পরীক্ষায় সে মাত্র ৬৫ পেয়েছে। এই খাতা ও কীভাবে বাবাকে দেখাবে? ৮০ এর নিচে নাম্বার পেলে খাতায় সাইন করা তো দূরের কথা, স্কুলে পড়ানোই বন্ধ করে দেবে বাবা। এমনটাই বলেছিলেন তিনি মিতুকে। ও খাতা ভাল করে দেখতে থাকে, কীভাবে নাম্বার বাড়ানো যায় এই চিন্তায়। ক্লাসে মিসের কাছে যেয়ে একটা প্রশ্নে আরেকটু নম্বর বাড়িয়ে দেবার জন্য কান্নাকাটি করতে শুরু করল। মিতুর এমন অযাতিত আবদার শুনে মিসও বিরক্ত হলেন। অবশেষে মিতুকে খাতায় নাম্বার না বাড়িয়েই বাড়ি ফিরতে হয়। বাসায় ফিরে ভয়ে ভয়ে মাকে খাতাটা দেখাতেই তিনি রাগে ফেটে পড়লেন। খাতাতে টিচারের লাল কালিতে কাটা ভুলগুলো দেখতে পেয়েই ‘’ কেন ভুল করেছিস? মানুষের কাছে এখন আমি কীভাবে বলব তুই মাত্র ৬৫ পেয়েছিস?’’ বলে মিতুর গালে কষে চড় লাগিয়ে দিলেন। মিতু কাঁদতে শুরু করল। বাকিটা সময় ওর মা ভালভাবে কথা পর্যন্ত বলে নি। বিকেলে ওর খেলতেও যাওয়া হল না। সন্ধ্যায় ওর বাবা বাসায় ফিরলে আরেক প্রস্থ ঝড় বয়ে গেল। বাবা-মা দুজনে মিলে সিদ্ধান্ত নিলেন, আজ থেকে মিতুকে খেলতে যেতে দেবেন না।


সেদিন থেকে মিতুর খেলতে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেল। যতদিন না পরীক্ষায় ৮০ এর উপরে নম্বর পাবে, ততদিন ওর উপর এই অধ্যাদেশ বলবৎ থাকবে। বাসায় পড়ায় চাপও বেড়ে গেছে এখন ওর উপর। ইচ্ছে না থাকলেও খেলার সময়েও পড়তে বসতে হয় । মিতু খুব চেষ্টা করে পড়া মনে রাখবার। কিন্তু পরীক্ষার সময় ওর কি যে হয়! জানা জিনিসটাও লিখতে পারে না ঠিক মত। আগের মতই ভুল হতে থাকে ওর। আর সেজন্য শাস্তি তো বরাদ্দ আছেই। ইদানিং ক্লাসের মিসগুলোও যেন ওর শত্রু হয়ে গেছে। সেদিন বাবা মাকে ডেকে ওর অবাধ্যতা আর শৃংখলা ভংগের কথা জানিয়ে দিয়েছেন। বাবা মাও সুযোগ পেয়ে মিসকে বিচার দিয়ে গেছেন, মিতু নাকি কিচ্ছু পড়ালেখা করে না। মিতুর কান্না পেতে থাকে।


এখানে মিতুর পরীক্ষায় কম নম্বর পাওয়া, স্কুলে যেয়ে শৃংখলা ভংগ, অবাধ্যতা, পরীক্ষার সময় নার্ভাসনেস ইত্যাদি সমস্যার জন্য ওর বাবা-মায়ের আচরণ বিশেষ প্রভাব ফেলেছে। এ ধরনের বাবা-মায়েদের মনোবিজ্ঞানীরা কর্তৃত্বপরায়ন অভিভাবক হিসেবে বিবেচিত করে থাকেন। সন্তানের কাছ থেকে তাদের প্রত্যাশা থাকে অনেক বেশি এবং সেগুলো তারা সন্তানের উপর চাপিয়ে দেন। এসব প্রত্যাশা তাদের কাছে এক ধরনের প্রেস্টিজ ইস্যু। প্রত্যাশা পূরণ করার মত সামর্থ্য সন্তানের আছে কিনা তা তারা বিবেচনায় আনেন না। আর প্রত্যাশা পূরণ না হলে সন্তানদের কঠিন শাস্তি দিয়ে থাকেন। শাস্তি দিয়ে থাকলেও সন্তানের ভুল সংশোধন করার জন্য কোন পদক্ষেপ নেন না। এছাড়াও সন্তানদের জন্য অনেক কঠিন নিয়ম কানুন তারা প্রবর্তন করেন, কিন্তু এগুলো কেন করছেন তার ব্যাখ্যা কখনো দেন না। সন্তানেরা বাধ্য হয়ে এসব মেনে চলে, কিন্তু মন থেকে মেনে নেয় না । সন্তানের পছন্দ-অপছন্দের কোন মূল্য তারা দেন না। আর সব বাবা-মায়েদের মত তারাও সন্তান্দের ভালবাসেন, কিন্তু তা সন্তানদের সামনে কখনো প্রকাশ করেন না। সন্তানের যেকোন কাজকেই নেতিবাচক দৃষ্টিতে মূল্যায়ন করে থাকেন। যেমনটা মিতুর বাবা-মাও করেছেন। মিতু পরীক্ষায় ৬৫ পেলেও, তারা তা গ্রাহ্য করেন নি। ভুলগুলো ঠিক করে দেন নি। আরো ভাল ফলাফল যে মিতু করতে পারে, সেজন্য কোন রকম উৎসাহ, প্রেরণা যোগান নি। উলটো তাকে খেলতে না দিয়ে চাপের মধ্যে ঠেলে দিয়েছেন। ফলে পরীক্ষার সময় নার্ভাসনেসের কারণে আগের মতই ভুলগুলো হতে থাকে ওর। এছাড়াও স্কুলে শৃংখলা ভংগ করার প্রবনতা দেখা যায়।

এমন কর্তৃত্বমূলক বাবা-মায়ের প্রভাব সন্তানের সামাজিক ও একাডেমিক কর্মকাণ্ডে পড়ে। এ ধরনের বাবা-মায়ের সন্তানদের কিছু বৈশিষ্ট্য দেওয়া হলোঃ

 ভীতু বা লাজুক হয়ে থাকে
 ঘরে বাবা-মায়ের কঠোর অনুশাসন মেনে চললেও বাইরে গেলে আক্রমণাত্নক আচরণ করে থাকে
 দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন সামাজিক অবস্থাতে সমস্যায় পড়ে থাকে এবং সেগুলো মোকাবেলা করতে পারে না
 আত্নবিশ্বাস কম থাকে
 বড় হলে নিজের কোন ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না
 যে কোন কাজে উৎসাহ বা কৌতুহল থাকে না বা কম থাকে। চ্যালেঞ্জ নিয়ে চায় না।
 অল্পতেই হতাশাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে

আজ শুধু কর্তৃত্বপরায়ন বাবা-মা ও তাদের সন্তানদের সম্পর্কে বলা হল। পরে পর্বগুলোতে আরো বাবা-মায়ের কথা বলার ইচ্ছে রইল। বিভিন্ন ধরনের বাবা-মায়ের সাথে আপনিও নিজেকে মিলিয়ে দেখতে পারেন।
original post
read more
affiliate program

EARN INCOME FROM YOUR WEBSITE

Turn your valuable web site traffic into income. Work online and join our free money making affiliate program. We offer the most pay-per-click rate to help maximize your cash stream.

Join our income making program absolutely free and 100% risk free.

Sign Up...

A steady income generator

Imagine running of a something that never failed to provide you with cash-flow. A earning money program so amazingly profitable that you never had to look for job ever again!Income while you sleep

CASH WHILE YOU SLEEP

Earn $1,000... $2,000... $5,000...

Turn your website visitors into cash!
You get money for every visitor that clicks on our advertizing. Our goal is to enable you to make as much as possible from your site. We pay monthly, either by check, or through PayPal.

Begin collecting steady partner commissions

Our money making program really can make you income on the same day. Start receiving steady partner revenue with almost no effort at all. This is a serious revenue opportunity, the chance for you to build a steady, reliable, long-time profitable business.

Savings Highway Dream Team Member Site Savings Highway Dream Team Member Site