Showing posts with label Tips And Tricks. Show all posts
Showing posts with label Tips And Tricks. Show all posts

Tuesday, May 1, 2012

online থেকেই কম্পিউটার বা ইন্টারনেটের ভিডিও ফাইল কনভার্ট করুন

by
আমরা অনেকেই অনলাইন থেকে ভিডিও ফাইল ডাউনলোড করে থাকি কিন্তু দেখা যায় পরে সেটা চলে না । আবার সেগুলো সিডিতে রাইট বা অনলাইনে আপলোড করতে গেলেও হয় না । এই সব সমস্যা সমাধানের জন্য আপনাকে কোন না কোন ভিডিও সফটওয়ার ব্যবহার করতে হয় । কিন্তু মনে করে আপনি এমন এক কম্পিউটার চালাচ্ছেন সেখানে সফটওয়ার ইনস্টল করার পদ্ধতি লক করা বা সেরকম কোন সফটওয়ার নেই যেটা দিয়ে আপনি ভিডিও ফাইলটি কনভার্ট করবেন । কিন্তু এই সব সমস্যাগুলো আপনি খুব সহজেই সমাধান করতে পারবেন অনলাইনে বসেই । আপনাকে প্রথমে www.online.movavi.com এ যেতে হবে । সেখানে যদি আপনি অনলাইন থেকে সরাসরি কনভার্ট করতে চান তাহলে Url লেখায় ক্লিক করে কনভার্ট করতে পারবেন আর যদি কম্পিউটার থেকে ফাইল কনভার্ট করতে চান তাহলে file এ ক্লিক করে ভিিডিও ফাইলটি কনভার্ট করতে পারবেন করতে পারবেন । আপনি এখান থেকে সর্বাধিক জনপ্রিয় ১২ টি ফরমেটে কনভার্ট করতে পারবেন যেমনঃ mp4 , avi , 3gp , 3gp2, mpeg , mp3 , flv ইত্যাদি । আপনি একসাথে সর্বাধিক ৫ টি ফাইল কনভার্ট করতে পারবেন এবং ১০০ মেগাবাইট বা ১০ মিনিটের ভিডিও ফাইল কনভার্ট করতে পারবেন । এই ওয়েবসাইট থেকে আপনি বিভিন্ন ওয়াইডগোট এবং কনভার্টার সফটওয়ার ডাউনলোড করতে পারবেন ফ্রিতে ।
wd

original post

read more

মাত্র ৩৮৭ বাইট ফাইল এর মাধ্যমে আপনার সকল ড্রাইভ কে NTFS এ রূপান্তরিত করুন !!!!!!

by
আমাদের কম্পিউটার এ অনেকের FAT/FAT32 তে ড্রাইভ সেটআপ দেয়া থাকে ।এমন কি পেনড্রাইভ ও FAT32 সিস্টেম দেওয়া থাকে । তাই আমাদের অনেক সময় ড্রাইভ গুলো NTFS এ রূপান্তরিত করার প্রয়োজন হয়। সেক্ষেত্রে আমরা পুরো কম্পিউটার কে সেটআপ দেই । কিন্তু আর এত কষ্টো করা লাগবে না । মাত্র ৩৮৭ বাইট এর ১ টি ফাইল দিয়ে আপনি আপনার কম্পিউটার এর সকল ড্রাইভ কে NTFS এ রূপান্তরিত করতে পারবেন।
নিয়ম ঃ
প্রথমে ১ টি notepad এ নিচের লিখা গুলো copy paste করুন।
title ROMEL!
=====================================================
==========convert c: /FS:NTFS
==========convert d: /FS:NTFS
==========convert e: /FS:NTFS
==========convert f: /FS:NTFS
==========convert g: /FS:NTFS
==========convert i: /FS:NTFS
msg %username% "NTFS CONVERTER - by Programmer SIMANTO ROMEL ,Contact :01911251212"
=============================================
বিশেষ দ্রষ্টব্য ঃ কারো কম্পিউটার এ ড্রাইভ বেশি থাকলে ১ টি লাইন বারিয়ে নিতে পারেন।যেমন ঃ ==========convert h: /FS:NTFS
শুধু ড্রাইভ letter পরিবর্তন করে নিবেন ।আমি যেমন ড্রাইভ letter h দিলাম
এর পর এটিকে ntfs.bat নামে সেভ করুন।
এরপর সেভ করা ফাইল টিকে ডাবল ক্লিক করুন । এরপর দেখুন এর মজা ।
এরকম আরো batch file এখানে ক্লিক করুন
 original post
read more

FAT32 কে NTFS ফাইল সিস্টেম এ কনভার্ট করুন কোন ডেটা হারানো ছাড়া !!!! (যারা নতুন কম্পিউটার এ কাজ করা শুরু করেছেন তাদের জন্য উপকারি)

by
FAT৩২ আর NTFS কি ?
FAT32 (File Allocation Table) আর NTFS (New Technology File System) হল ডিস্ক ফাইল সিস্টেম এর দুইটি ধরন ( Type ) । FAT32 সর্বপ্রথম DOS এবং Windows 98 এ ব্যাবহার করা হয় কিন্তু Windows XP ছাড়ার সময় আমরা NTFS ফাইল সিস্টেম এর সাথে পরিচিত হই । বর্তমানে NTFS ফাইল সিস্টেম সবচেয়ে বেশি ব্যাবহার করা হয় ।
NTFS vs. FAT32
NTFS ফাইল সিস্টেম যে সেক্টর তৈরি করে তার Counting হল ৪ , ধরুন আপনার ফাইল সাইজ হল ১৮ তাহলে NTFS ৫ টা সেক্টর (৪,৪,৪,৪,২) তৈরি করবে । এরমানে হল এখানে ২ টি সেক্টর হারিয়ে যাবে । কিন্তু FAT32 এর ক্ষেত্রে এটি যে সেক্টর গুলো তৈরি করে তার Counting হল ১৬ তাই ১৮ সাইজ এর ফাইলটির জন্য FAT32 ২ টি সেক্টর ( ১৬,২ ) তৈরি করবে যার মানে ১৪ টি সেক্টর হারিয়ে যাবে । কিন্তু নিচের পদ্ধতিতে আপনি Convert করতে পারবেন ডেটা হারানো ছাড়া ।
FAT32 কে NTFS ফাইল সিস্টেম এ কনভার্ট করার পদ্ধতি :
১। Start এ গিয়ে Search বার এ cmd লিখে সার্চ দিন আর cmd তে রাইট ক্লিক করে Run as adminidtratore ক্লিক করে কমান্ড ওপেন করুন ।

২। কমান্ড উইন্ডো তে " chkdsk G:/f " ( Quotesion ছাড়া ) । এখানে G এর জায়গায় যে ড্রাইভ টি কনভার্ট করবেন তা দিবেন । এই কমান্ড টি আপনার ড্রাইভ চেক করবে ।
৩।চেক হয়ে গেলে " Convert G: /FS:NTFS " ( Quotesion ছাড়া ) লিখে এন্টার চাপুন আর কনভার্ট হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন ।



 original post
read more

পাসওয়ার্ড না জেনেও বদলে ফেলুন Windows 7 এর পাসওয়ার্ড

by
এটা আমি Windows 7 এ করেছি । আমারা অনেকেই আমাদের Windows এ একের বেশি ইউজার ব্যবহার করি যার একটা হল Administrator আর অন্যটা Guest বা তার অধিক ।আর প্রায় সবাই পাসওয়ার্ডও ব্যাবহার করি।

মাঝে মাঝে অনেকেই পাসওয়ার্ড ভুলে জান । তখন নতুন করে সেটাপ দেয়া ছাড়া কোন উপায় থাকে না । আপনারা চাইলে নিচের পদ্ধতি ব্যাবহার করে আপনাদের Administrator এর পাসওয়ার্ড বদলে দিতে পারেন পাসওয়ার্ড জানা ছাড়াই !!!!!!!!!
১। প্রথমে Start>Control Panel>Administrative Tools তে জান । নেচের ছবির মত একটা Window আসবে এখানে Computer Management এ Double-Click করুন ।

২। Double-Click করে ওপেন করার পর নিচের ছবির মত একটা উইন্ডো আসবে । এখানে System Tools>Local Users And Groups এ গিয়ে Users ফোল্ডার টি Double-Click করে ওপেন করুন ।

৩। এবার Users ফোল্ডার টি ওপেন হলে নিচের মত এক্তা Window আসবে । এখানে আপনার ইউজার ( যেটির পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ) এর উপর রাইট ক্লিক করুন এবং Set Password এ ক্লিক করুন ।

৪। এবারে যে window টি আসবে তা দেখে ভয় পাবার কিছু নেই । Proceed এ ক্লিক করুন ।

৫।এবারে যে Window তি আসবে তাতে আপনার নতুন পাসওয়ার্ড টি লিখুন আর Confirm করুন । তাহলে একটা মেসেজ আসবে যে আপনার পাসওয়ার্ড Set হয়েছে । Ok করুন ।


আপনার কাজ শেষ । ৩ নং পয়েন্ট এ অনেকেই বুঝতে পারে না যে কোনটাতে Right-Click করে Set Password এ ক্লিক করবেন । এ জন্য আপনার Start এ click করেন আর নিচের ছবিটির Mark করা অংশের লেখা যেটার বাম পাশে থাকবে সেটাতে Right-Click করে Set Password এ ক্লিক করবেন ।



 original post
read more

Sunday, April 15, 2012

মুহুর্তেই আপনার স্লো ডাউনলোড স্পিডকে করুন আকাশছোঁয়া।

by এমসি

ওয়াইম্যাক্স এর কল্যাণে বাংলাদেশে হাইস্পিড ইন্টারনেট হয়তো এসেছে। তবে তা রাজধানী এবং অন্যান্য বড় শহরগুলোতেই সীমাবদ্ধ। আর আমরা যারা জিপি বা ডায়াল আপ মডেম ব্যবহার করি তাদের কাছে স্পিড হলো সোনার হরিণ।


এখন Ful speed booster থাকলে সেই সোনার হরিণ আপনার হাতে।
ছো্ট্ট এবং নিরীহ এই সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন।
আনজিপ করে ইন্টটল করুন। নিচের ইন্টারফেস দেখতে পাবেন।
আপনার ব্রাউজার দেখিয়ে দিন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর "Apply full speed booster" enable হলে এতে ক্লিক করুন। এবার এক্সিট করে পিসি রিস্টার্ট দিন।

আপনার কাজ শেষ এবার speed booster এর কাজ শুরু।

প্যাচ দিয়ে ফুল ভার্সন করতে ভুলবেননা যেন।
নোটঃ রাপিডশেয়ার থেকে মনে হয় ঝামেলা হচ্ছে। তাই মিডিয়াফায়ার লিংক দিলাম।
মিডিয়াফায়ার

original post

read more

Saturday, March 17, 2012

স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে যারা কানাডা আসতে চান তাদের জন্য কিছু টিপস (অবশ্য পাঠ্য) :):)

by মাহবু১৫৪
স্টুডেন্ট ভিসায় কানাডা আসার কথা যদি বিবেচনা করে থাকেন তাহলে কিছু কিছু বিষয় আপনাকে লক্ষ রাখতে হবে। যারা স্কলারশীপ নিয়ে আসেন তাদের কথা ভিন্ন তবে যারা নিজের ফান্ডিং নিয়ে আসেন তাদের জন্য একটু সমস্যা বৈ কি। কারণ কানাডা আসার পর প্রথম ৬ মাস আপনি কোন অফ ক্যাম্পাস চাকরি করতে পারবেন না। অন ক্যাম্পাস চাকরি করা যাবে। তবে ক্যাম্পাসে চাকরি পাওয়াটা একটু সময়ের ব্যপার। যেমন অনেক সময় দেখা গেল যে চাকরির নোটিশ দেয়া হয়েছে কিন্তু হঠাৎ করেই দেখা গেল অ্যাপ্লিকেশন জমা নেয়া বন্ধ করে দিয়েছে।

ভলান্টিয়ার হিসেবে কাজ করা যায় এবং তা সহজলভ্য। তবে আপনার যদি মাগনা খাটার মন মানসিকতা থাকে তাহলে তা করতে পারেন। যারা স্কলারশীপ বা ফান্ডিং পেয়ে পড়তে আসেন তারা সাধারণত বাহিরে কোথাও কাজ করার অনুমতি পান না তার ফ্যাকাল্টির কাছ থেকে। অফ ক্যাম্পাস কোন চাকরি করতে হলে তাকে না জানিয়ে করতে হয় এখানে। আর কোনমতে যদি জেনে যান ফ্যাকাল্টি তাহলে ফান্ডিং কমিয়ে দিতে পারেন উনি।

যারা নিজের ফান্ডিং নিয়ে পড়তে আসেন তারা সাধারণত চান যে বিষয়ে পড়তে আসছেন সেই বিষয়ের কিছু কোর্সে যদি ক্রেডিট ট্রান্সফার করা যায় তাহলে খুব ভাল হয়। আপনাদের এখানে জানিয়ে রাখা ভাল যে এই কাজ করে নিজের পায়ে কুড়াল মারার চেয়ে না মারাই ভাল। কারণ আপনি নিশ্চিত থাকুন যে ক্রেডিট ট্রান্সফার করতে চাইলেও আপনাকে কানাডার ইউনিভার্সিটি থেকে দিবে না। তারা আপনাকে উক্ত কোর্সের জন্য অ্যাডভান্স স্ট্যান্ডিং করার অফার করবে। যা আপনি মেনে না নিলেও কিছু করার নেই। করতেই হবে আপনাকে।

কানাডার নিয়ম কানুন অনেক কড়া। এখানে নিয়ম ভাঙ্গলে জেল জরিমানা কিংবা দেশে পাঠিয়ে দেয়া এসবের নজির ও আছে। এমন অনেক ছাত্র আছে যারা ৬ মাস পুরণ হওয়ার আগেই অফ ক্যাম্পাস চাকরি শুরু করে দেয়। সাবধান! এটা করলে আপনার বিশাল সমস্যা হবে। একবার যদি ধরা পরেন তাহলে ক্ষতি আপনারই হবে।

থাকা খাওয়ার খরচ বলতে গেলে অনেক বেশি কানাডায়। এক রুমের বাসা ভাড়া ৫০০ ডলার এর উপরে বলতে পারেন। মাঝে মাঝে আবার ৭৫০ ডলার ও হয়। তবে সেই এক রুমে আপনি যদি শেয়ার করে থাকেন কারো সাথে তাহলে তা কমে আসবে। এছাড়া রয়েছে বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল। খাওয়ার খরচ নির্ভর করে আপনার উপর। আপনি কিভাবে খরচ করবেন তার উপর। হোস্টেলে যদি থাকতে চান তাহলে খরচের ভিন্নতা আছে। সেটা হোস্টেল ভেদে তা হয়।

আপনারা বুঝতেই পারছেন যে অন্তত ৬ মাসের থাকা খাওয়ার খরচ পর্যাপ্ত নিয়ে আসতে হবে আপনাকে। যে ইউনিভার্সিটিতে আপনি যে কোর্সের জন্য পড়তে আসতে চাইছেন সেই বিভাগের ডিন কিংবা প্রোগ্রাম অ্যাডভাইজারের সাথে যোগাযোগ রাখুন। কারণ তিনি আপনাকে জানাবেন ভর্তির সব নিয়ম কানুন। তবে মাথায় রাখবেন সবসময় যে ১ টা মেইল দিলে চলবে না। আপনাকে বার বার মেইল করে রিমাইন্ডার দিতে হবে তাদের। আপনি যদি তাদের ১০ টা মেইল দেন তাহলে তারা ১ টা উত্তর দিতে পারে।

আপনি যদি মে মাসে পড়তে আসেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই ৬/৭ মাস আগে থেকেই অ্যাপ্লিকাশন প্রসেস শুরু করতে হবে। কারণ মাঝে মাঝে ইউনিভার্সিটি অফার লেটার পাঠাতে দেরি করে। এর ফলে দেখা যায় যেই সেমিস্টারে আপনি আসতে চেয়েছিলেন সেই সময়ে আপনি আসতে পারছেন না। ফলে ৪ মাস সময় আপনার নষ্ট হয়ে গেল। ইউনিভার্সিটি থেকে অফার লেটার পাওয়ার পরই আপনাকে ভিসা প্রসেস করতে হবে। আর বাংলাদেশ থেকে ভিসা পাওয়া একটু সময় সাপেক্ষ ব্যপার। আর তাই এসব কাজ করার সময় আপনাকে অবশ্যই সঠিক সময় হিসেব করে নিতে হবে।

আপনার পড়াশোনার যাবতীয় খরচ (স্পন্সর) যিনি বহন করবেন উনি কানাডায় যদি অবস্থান করেন তাহলে তাকে স্পন্সর হিসেবে না দেখানোই ভাল। কারণ এতে আপনার ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা হ্রাস পেতে পারে। আর তাই দেশে থাকে এমন কেউ স্পন্সর করে তাহলেই ভাল হয়। ধরেন আপনি মাষ্টার্স করতে চাচ্ছেন আর তার মেয়াদ ২ বছরের। আপনাকে যিনি স্পন্সর করবেন উনার ১ বছরের ব্যাংক হিসেব থেকে শুরু করে যাবতীয় যত আয়, ব্যায় আছে সব দেখাতে হবে।

আর একটা কথা। ২ বছরের মাষ্টার্স প্রোগ্রাম হলেও ভিসাতে আপনাকে দেয়া হতে পারে মাত্র দেড় বছরের। এতে খুব বেশি টেনশনের কিছু নেই। কারণ এখানে এসে আপনি ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে নিতে পারবেন।
original post
read more

Monday, March 12, 2012

কিভাবে বন্ধুর হার্ড ডিস্ক-Fakely মুছবেন

by

এখানে একটি মজার কৌতুক যা বিস্ময়কর এবং এই তামাশার সঙ্গে আপনার বন্ধুর ভীত করা হবে.
1) জাল delete.zip ডাউনলোড করুন এবং ডাউনলোড ফাইল আনজিপ করুন.
2) এখন ফোল্ডারটি খুলুন এবং ফাইল fakedel.exe খুলতে হবে . ফাইলটি ওপেন করলে মনে হবে যে ডাটা মুছে যাচ্ছে কিন্ত বাস্তব এ আসলে কিছুই মুছবে না . অর্থাৎ এটা ঠিক নকল এবং আপনার কম্পিউটার এর কিছুই হবে না .
3) এখন xyz.exe সঙ্গে এই ফাইল এবং নামান্তর পেস্ট করুন আপনার বন্ধুর ডেস্কটপ উপর এই ফাইল বা তাঁর / তার থেকে কিছু আকর্ষণীয় বার্তা সঙ্গে এটি ইমেইল করুন যাতে তিনি / সে অদ্ভুতভাবে ফাইল খুলবেন.
ওপেন করলে মনে হবে ফাইল সত্যি সত্যি ডিলিট হচ্ছে । তামাশার সঙ্গে আপনার বন্ধুর ভীত হবে ।
প্রক্রিয়াটি শেষ করতে নিচের নিয়ম অনুসরণ করুন
Taskbar থেকে Fakedel.exe থামুন যান> TaskManager> fakedel.exe>End Process
Click To Download
original post
read more

WinAMP – Power Plugin- সংগ্রহে রাখার মত জিনিস

by
একটি মাল্টি-মিডিয়া প্লেয়ার WINAMP –এর একটি বিশেষ ভার্সন। Winamp –সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই। আশা করি সকলের ভাল লাগবে।

এর সাইজ মাত্র ঃ ৪.১৮ মেগা বাইট।
ক্লিক করে ডাউনলোড করে নিন।
ভাল লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না কিন্তু।

যাদের এই বিশেষ Visualization – কাজ করছে না তারা নিচের নির্দেশিকা অনুসরন করুনঃ

Link
১. Winamp –রান করুন Double Click করে।
২. Winamp-এর যেকোন জায়গায় Right Click করুন।
৩. Option –সিলেক্ট করুন।
৪. Preference – সিলেক্ট করুন।
৫. Visualization – সিলেক্ট করুন।
৬. Power Plug in –এ ক্লিক করে নিচের Start বাটনে ক্লিক করুন।
original post
read more

জেনে নিন কিভাবে নিজেকে লুকিয়ে রাখবেন। আপনাকে তো এখন Trace করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার

by একটা কথা বলি, ভাল হ্যাকার হোন কিংবা খারাপই হোন, বিনা সতর্কতায় আপনাকে কিন্তু Trace করা সম্ভব, কমবেশি সবাই আমরা তা জানি। শুধু হ্যাকিং কেন, যে কোন জায়গাতেই আপনাকে প্রতিনিয়ত ট্রেস করা হচ্ছে, রেকর্ড করা হচ্ছে Privacy. মেইল হোক, FaceBook হোক, বা কোন ওয়েবসাইট হোক। সবাই আপনার খবরাখবর রাখছে।
আপনি যদি একজন সচেতন ইউজার হোন, তাহলে এধরনের ফালতু বিষয়গুলো সত্যিই আপত্তিকর। এর কারনঃ
১। আপনি কখন ওয়েবসাইট ভিজিট করেছেন, তা বের করা যাবে।
২। আপনার IP (Internet Protocal) Address জানা যাবে। এর দ্বারা আপনি কোথায় অবস্থান করছেন তা জানানো সক্ষম হবে।
৩। হ্যাকাররা আপনার প্রাইভেসি এবং আইপি দ্বারা সহজে আপনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করবে।
৪। এমনকি ইদানীং দেখা যাচ্ছে, অনেক সংস্থা আপনি কম্পিউটারে কি করছেন, তার খবরও রাখতে সক্ষম।
এখন আমার কথা হল, আমি কাউকে কিচ্ছু বুঝতে দেব না, আমি কোন ওয়েবসাইটে গিয়েছি তা জানতে দেব না। ট্রেস করতে দেব না আমার আইপিঁ।
এখন নিশ্চয়ই বলবেন, কেন? IP Hider তো আছে। কিন্তু জেনে রাখুন, এগুলো সেফ নয়, কয়টিই বা ভাল সফটওয়্যার পাবেন। IP Hider প্রক্সি সার্ভার ইউজ করে। চলুন জেনে নিই কয়েক ধরনের Proxy.
বিস্তারিত শ্রেণীবিভাগে যাব না, কারন ভুল তথ্য দেয়ার শখ আমার নেই-
একধরনের Dedicated Server আছে যা সাধারন, প্রায় সকল IP Hiding Soft এটা ইউজ করে। হ্যাঁ, আপনার মূল আইপি দেখা যাবে না, তবে আপনি যে প্রক্সি ইউজ করেছেন তা জানা যাবে। শুধু তাই না, খুব সহজে কর্তৃপক্ষ Header File এর সাহায্যে আপনার মূল আইপি ধরে ফেলবেন, বের করে ফেলবেন আপনি কোথাকার, কখন হ্যাক করেছেন।
চলুন, একটা প্রমান নিয়ে নিই। এটি তাদের জন্য যারা ভাবেন IP Hiding সফট গুলো খুবই কাজের।
ঠিক আছে, আপনার IP Hider Active করুন। আমরা জানি, www.whatismyip.com এ গেলে আপনার আইপি জানা যাবে। সাইটটিতে যান, “আহা কি আনন্দ!। ফেক আইপি দেখাচ্ছে, তার মানে আমি সফল।“ কিন্তু ভাই, আইপিঁ ঠিকানার নিচে দেখেন। সাইট বুক উচুঁ করে দেখাবে, “Possible Proxy Detected: “
হি হি হি! ধইরা ফেলাইছে আপনি প্রক্সি আলা, যখন এ সাইট ধরতে পেরেছে, তখন হেডার ব্যবহার করে আপনার মূল আইপি পাওয়া সম্ভব, যদিও আপনি IP Hider ব্যবহার করছেন!!!!!!
এখন আপনি চান আরো প্রটেকশন, যাতে কেউ কিছুই ধরতে না পারে। তাহলে চলুন জেনে নিই Elite Proxy কী?
Elite Proxy Server এক ধরনের সার্ভার। খুব কম সফট এই ধরনের সার্ভার ইউজ করে (জানামতে হাতে গোনা দুই একটি)। এর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, আপনার IP Hide করবে। শুধু তাই নয়, কাউকে বুঝতে দেবে না যে আপনি প্রক্সি ইউজ করছেন। নিজেকে সাধারন সার্ভার হিসেবে পরিচয় দেবে। অপরপক্ষ ভাববে, আপনি স্বাভাবিকভাবে এসেছেন ও চলে গেছেন, তারা ভাববে ফেক আইপিই আপনার আসল আইপি (যা General IP Hiding সফট এ সম্ভব নয়)।
এখন নিশ্চয়ই ইচ্ছা করছে Elite Proxy নিতে, তাহলে পড়তে থাকুন। তার আগে বলি VPN (Virtual Private Network) সম্পর্কে, ফ্রি VPN সেফ নয়। কেননা এরা User Log জমা রাখে। অপরপক্ষে Paid VPN সুরক্ষিত, কিন্তু ওত টাকা দেয়ার ইচ্ছা আমাদের কাদের আছে???
এখন পরিচয় করিয়ে দিই সম্পূর্ণ ফ্রি এবং লেটেস্ট Security Software – ULTRASURF এর সাথে। পুরো ফ্রি, কিন্তু বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, Elite Proxy Server ইউজ করে। এর ফিচারসমূহঃ
১। কোন ইন্সটলের প্রয়োজন নেই, এমনকি পেন ড্রাইভে নিয়ে যে কোন কম্পিউটারে ইউজ করতে পারবেন।
২। সর্বোর্চ গতি সম্পন্ন সার্ভার বের করে। (স্বাভাবিক হাইডারে সবসময় ফুল স্পিড হয় না)।
৩। IE এর হিস্টোরি ও কুকি নিয়মিত ক্লিয়ার করে।
৪। আইপি লুকিয়ে রাখে, কাউকে জানতে দেয় না যে আপনি প্রক্সি ইউজ করছেন।
৫। ব্যবহার খুবই সহজ, সাইজ মাত্র ১.৫০ মেগাবাইট।
তাহলে চলে যানঃ
এটি একটি জিপ ফাইল, এক্সট্রাক্ট করুন। এটি IE এর জন্য ডিফল্ট। তবে সমস্যা নেই, Mozilla র জন্যও আছে। এজন্য ছোট্ট একটা Add-On লাগবে। সাইটির Support পেজে গিয়ে নিচের দিকে দেখুন, এড অন দেয়া আছে। ডাউনলোড করুন।
এবার .xpi ফাইলটি ফায়ারফক্সে ড্রাগ করে আনুন (যেভাবে ফাইল ফোল্ডার ড্যাগ করেন)। ২-৩ সেকেন্ড পর ইন্সটল শুরু হবে। শেষ হলে FireFox Restart করুন। মূল সফটটি চালু করুন। এবার Options->Toolbar Layout এ যান। এখানে গেলে একটা লিস্টের মত আসবে। নিচের দিকে গেলে UltraSurf এর Add-On আইকন দেখতে পারবেন। আইকনটি টেনে এনে পছন্দ মত স্থানে বসিয়ে দিন।
মূল সফট চালু করলেই নিচের মত দেখতে পাবেন। কানেক্ট হতে দিন। কিন্তু কানেক্ট হলে কিছু করবেন না, বন্ধ করে দিন। একটু আযব লাগলেও এমন্টাই করুন। কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন। কাজ শেষ।
মূল সফট চালু করেন, অটো কানেক্ট হবে, ফায়ারফক্স খুলুন। এবার উল্লেখিত আইকনটি ক্লিক করুন, তাহলে UltraSurf চালু হবে। এখন আপনি পুরোপুরি সেফ। এটি যে জটিল কাজ করে, তার প্রমান দিই!
আগের মত www.whatismyip.com এ যান। এবার দেখুন তো, Proxy Detected লেখা দেখাচ্ছে?
samair.ru এ যান। লেখা দেখাবে “Using High Anonymous/Elite Proxy if using”.
www.free-hideip.com এ যান, দেখবেন যে দেখাচ্ছে অন্য একটা দেশ, বাংলাদেশ না।
আর কত প্রমান চাই, বুঝলেন তো UltraSurf এক ধরনের Elite Proxy।
তাহলে নিশ্চিন্তে ব্রাউজ করুন ইন্টারনেট। তবে যদি লুকিয়ে কোন অকাজ করেন, তাহলে দোষ কিন্তু আমার না।
original post
read more

প্রোগ্রাম আনইনস্টল করার ২টি অতিউত্তম সফটওয়্যার আজি সংগ্রহে রাখুন

by
আমরা আমাদের প্রয়োজনেই বিভিন্ন প্রোগ্রামকে কম্পিউটারে Install করি। কিন্তু প্রায় সময় দেখা যায় যে এই সব প্রোগ্রামের ব্যাবহারের কোনো প্রয়োজন হয় না।
তাই এই সব তখন শুধু শুধু পিসিতে জায়গা দখল করে। এই সকল প্রোগ্রামকে কম্পিউটার হতে Uninstall করাই সব চেয়ে উত্তম। তবে তা করতে গিয়েও আমাদেরকে অনেক সময় অনেক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।
যেমন বিভিন্ন ধরণের Error ম্যাসেজ দেখায়,
কম্পিউটার হ্যাং হয়ে যায় ইত্যাদি ইত্যাদি।
তখন তো ঐ সব প্রোগ্রাম Uninstall করা যায়ই না
তাই অনেকে ভাববেন এই সব নিয়ে না মাথা নষ্ট না করাই ভালো + অতিউত্তম।
তবে আমার মতে এই সব নিয়ে ভাবানার দরকার ।
কেন শুধু শুধু কম্পিউটারের জায়গা দখল করে রাখবে ঐ সব অকাজের প্রোগ্রামগুলো ।
কিন্তু এই সমস্যার সমাধান কিভাবে করতে হবে এটাই হল প্রশ্ন।
এই ধরণের সকল সমস্যার সমাধান করা সম্ভব এবং অতি সহজেই।
তার জন্য আপনাকে একটি সফটওয়্যার ব্যাবহার করতে হবে। সেই সফটওয়্যারটির নাম হল Your_Uninstaller Pro_7.4.2011.12_সফটওয়্যারটি যদি আপনার সংগ্রহে না থাকে তাহলে ডাওনলোড করুন।

তারপর তা Install করুন এবং তা চালু করুন। তারপর নিম্নের চিত্রের মত একটি প্রোগ্রাম চালু হবে।
সিরিয়াল কি দিয়ে সবার আগে রেজিস্ট্রেশন করে নিন , আপডেট করবেন না । ইন্টারনেট CONNECTION অফ রাখুন
Key features:
* Completely remove any application installed.
* Deep scan of registry and entire disk for unused registry entries and files.
* Remove programs that could not be removed by Add/Remove Program.
* Uninstall screen savers. [PRO]
* Remove internet surfing traces.
* Backup and restore registry.
* Registration key management.
* Built-in Disk Cleaner helps you find and remove unnecessary files on your disk to save space and make computer faster! [PRO]
* Built-in IE Context Menu Cleaner, cleans the context menu of Internet Explorer. [PRO]
* Built-in Startup Manager, take full control of Window startups. [PRO]
* Fix invalid desktop shortcuts and start menu shortcuts.
* Get the applications detail info even if it hide itself in deep directory, especially useful for finding out “Spy” applications. [PRO]
* Backup/restore installed-applications information.
* Uninstall with SINGLE drag-drop! Just drop a file on Your Uninstaller! icon on the desktop to see what happens! [PRO]
* List installed applications with appropriate icons(same as you see in the Start Menu), you can easily find the application you want to uninstall.
* Powerful search feature allows you quickly find the program you are about to uninstall.
* Automatic detection of invalid installations and removing them with one click.
* Force removal of uninstall related entries in the registry(care to use!). [PRO]
* Lighting speed at startup, 5-10 times faster than Add/Remove Program of Windows XP!
* Export programs list to file or printer.

Image

CLICK HERE DOWNLOAD NOW

18561 পোর্টেবল সফটওয়্যার এর ভূবনে আপনাকে স্বাগতম !!!!
সবচেয়ে ভালো ও জনপ্রিয় আরেকটি সফটওয়্যারে আছে যার নাম

Revo Uninstaller Pro 2.5.5 full



Revo Uninstaller Pro helps you to uninstall software and remove unwanted programs installed on your computer easily! Even if you have problems uninstalling and cannot uninstall them from “Windows Add or Remove Programs” control panel applet.

CLICK HERE DOWNLOAD NOW

18561 পোর্টেবল সফটওয়্যার এর ভূবনে আপনাকে স্বাগতম !!!!
সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন তারপর ফাইল ওপেন করে প্যাচ নামের ফাইলটি কপি করুন নেক্সট __ C:\Program Files\VS Revo Group\Revo Uninstaller Pro এখানে নিয়ে ফাইলটি পেস্ট
করতে হবে তারপর প্যাচে ডাবল কিল্ক করুন একটু ওয়েট করুন আপনার Revo Uninstaller Pro ফুল ভার্সন হয়ে যাবে তারপর আর আপডেট করবেন না ।
original post

read more

আর নয় গ্রেটিং কার্ড কেনা, এখন থেকে কার্ড তৈরি করুন নিজের মত করে (AMS Greeting Card Studio 5.21 সিরিয়াল কী সহ )

by আজ আমি আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছি AMS Greeting Card Studio 5.21 য়ার দ্বারা খুব সহজেই আপনারা তৈরি করতে পারবেন হাই কোয়ালিটি সম্পূর্ন দারুন সব গ্রেটিং । AMS Greeting Card Studio 5.21 দ্বারা আপনারা ছবিতেও বিভিন্ন ইফেক্ট যোগ করতে পারবেন অথবা কার্ডে নিজের পছন্দ ছবি ব্যবহার করতে পারবেন । চলুন না ডাউনলোড করে দেখা যাক । নিচে AMS Greeting Card Studio 5.21 দিয়ে এডিট করা কিছু ছবি দেওয়া হলো


Link

ডউনলোড লিংক (সফটয়্যার)

ডউনলোড লিংক (সিরিয়াল কী)

প্রতিটি Link এ Click করে 5 second Wait করেন । তারপর ডানদিকের উপরের ad skip তে click করুন।
original post
read more

মজিলা ফায়ারফক্স কনফিগার করে ইন্টারনেটের স্পিড আপ করুন

by বাদশা নামদার
টা অনেক পুরনো একটা ট্রিকস কিন্তু খুবি কাজের।অতীতে এ নিয়ে অনেক শুনেছেন বা নিজেও করেছেন।এর সাথে কিছু নতুন জিনিস ও দেখা যাক হয়তো কারো কাজে লাগতে পারে।

১। মজিলা অপেন করে এড্রেসবারে টাইপ করুন about:config enter দিন একটা লিখা আসে এরকম "i will be careful, i promise" OK দিয়ে ভিতরে ঢুকুন।

২. উপরে লিখা আছে "filter" পাশে একটু খালি জায়গা লিখার জন্য, তাই না? ঐ খালি জায়গায় লিখুন network.http.

৩। এখন নিচের কাজ গুলো করুন
•network.http.pipelining: ডাবল ক্লিক এটাকে true করে দিন।
•network.http.proxy.pipelining: ডাবল ক্লিক এটাকে true করে দিন।
•network.http.pipelining.maxrequests: ডাবল ক্লিক করে 8 করে দিন।
•network.http.max-connections: ডাবল ক্লিক করে 96 করে দিন।
•network.http.max-connections-per-server: ডাবল ক্লিক করে 32 করে দিন।

৪। আমরা অনেক সময় বড় বড় ফাইল ডাউনলোড করলে এন্টি ভাইরাস সেটা স্কেন করা শুরু করে, সেটা বন্ধ করতে চাইলে filter এর জায়গায় এটা লিখে খুজে বের করে ডাবল ক্লিক করে এটার মান false করে দিন।
browser.download.manager.scanWhenDone

৫। যে কনো লিংকে ক্লিক করলে নিউ টেব আসবে, এমন করতে চাইলে, এটা খুজে true করে দিন।
browser.search.openintab

৬। ফায়ারফক্স সব গুলো লাইনে স্পেল চেক করে না, যদি চান সব গুলো টেক্সট বক্সে স্পেল চেক করুক তাহলে
layout.spellcheckDefault খুজে ডাবল ক্লিক করে 2 করে দিন

৭। source code যদি নতুন নিজের ইচ্ছা মত এডিটরে দেখতে চান খুজে বের করুন view_source.editor.external তারপর true করে দিন, এখন এটা বের করে view_source.editor.path বলে দিন আপনে কিসের দারা অপেন করতে চান। যেমন নোটপেড

৮। এখন আপনার মজিলা ব্রাউসার টা বন্ধ করে আবার অপেন করুন।সবাইকে ধন্যবাদ।
original post
read more

প্রত্যেক কম্পিউটারে ২০% ইন্টারনেট স্পিড কমানো আছে বাই ডিফল্ট ভাবে?

by বাদশা নামদার
আপনি হয়তো এখনো জানেন না যে, Microsoft windows গুলোতে আপনার আপনার কম্পিউটারে ২০% ইন্টারনেট স্পিড কমানো আছে বাই ডিফল্ট ভাবে। এই ২০% বেন্ডউইড Microsoft তাদের প্রডাক্ট আপডেট কারা জন্য রিসার্ভ করে রাখে, সেই জন্য আপনি বন্চিত হচ্ছেন ২০% কানেক্শন থেকে।কি আজব তাই না? তবে Microsoft আমাদেরকে বোকা মনে করলেও আমরাতো এত বোকা না, তাই না?

তাহলে চলেন, ফিরিয়ে আমি ২০% ব্যান্ডউইড।

১। Click - Run
Type - gpedit.msc

২। তারপর group policy editor অপেন হবে. Then go to -
Local Computer Policy / Computer Configuration / Administrative Templates / Network / QOS Packet Scheduler / Limit Reservable Bandwidth

৩।Double click on Limit Reservable bandwidth. It will say it is not configure.
এখন সিলেক্ট করুন ENABLE reservable bandwidth, then set it to ০ . তাহলে আপনার কম্পিউটারে আর ২০% স্পিড রিসার্ভ করা থাকবে না।
original post
read more

উইন্ডোজ কম্পিউটারে পেনড্রাইভকে ব্যবহার করুন RAM হিসেবে

by বাদশা নামদার
এই system হয়ত অনেকেই জানেন তবে যারা জানেন না তাদের জন্য এই লেখা।
Random Access Memory বা RAM পিসির হার্ডওয়্যারের একটি অপরিহার্য এবং খুবই গুরুত্বপূর্ন অংশ। RAM এর স্বল্পতার কারনে সাধারনত পিসি স্লো হয়ে যায়। আপনি ইচ্ছে করলে সহজেই আপনার পেনড্রাইভ অথবা যে কোন ফ্ল্যাশ ড্রাইভকে RAM হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে আপনার পিসির সার্বিক কর্মক্ষমতা এবং গতি কিছুটা হলেও বাড়বে।
এর আগে কিছু বিষয় সম্পর্কে জেনে রাখা ভাল। মাইক্রোসফট উইন্ডোজ কম্পিউটারের কাজের জন্য দুটি মেমোরি ব্যবহার করে:

১. Physical Memory (যা আমাদের কাছে RAM হিসেবে পরিচিত)
২. Page File (এটি একটি ভার্চুয়াল মেমোরি ফাইল, যা হার্ডডিস্ক এ স্টোর করা থাকে)

Physical Memory যখন সম্পুর্ণ হয়ে যায় তখন অতিরিক্ত মেমোরি হিসেবে Virtual Memory ব্যবহৃত হয়। উল্লেখ্য যে Physical Memory, Virtual Memory অপেক্ষা দ্রুত কাজ করে এবং Virtual Memory, Physical Memory অপেক্ষা কম গতি সম্পন্ন।
এবার উইন্ডোজ ভিস্তা এবং উইন্ডোজ সেভেন এর পদ্ধতিটি বলিঃ


উইন্ডোজ ভিস্তা এবং উইন্ডোজ সেভেন এ মাইক্রোসফট প্রযুক্তির বিশ্বে একটি নতুন প্রযুক্তির সাথে আমাদের পরিচয় করিয়েছে। তা হল Ready Boost Technology. এটির সাহায্যে পেনড্রাইভ বা যে কোন ফ্ল্যাশ ড্রাইভকে কম্পিউটারের তৃতীয় মেমোরি হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

Ready Boost অ্যাকটিভেট করতে হলে প্রথমে আপনার পেনড্রাইভ অথবা ফ্ল্যাশ ড্রাইভকে কম্পিউটারে কানেক্ট করুন এবং নিচের ধাপগুলো অনুসরন করুন:

* My Computer ওপেন করুন।

* Removable Disk Drive টির Properties এ যান।

* Ready Boost ট্যাবটিতে ক্লিক করুন।

* আপনি যতটুকু জায়গা মেমোরি হিসেবে ব্যবহার করতে চান তা সিলেক্ট করে Ready Boost Enable করুন।

এই বিষয়গুলো লক্ষ করুন:

* আপনি Ready Boost ব্যবহার করুন আর নাই করুন, উইন্ডোজ ভিস্তা এবং উইন্ডোজ সেভেন আপনার কম্পিইটারে ব্যবহারের জন্য নুন্যতম ৫১২ মেগাবাইট RAM থাকা প্রয়োজন। উল্লেখ্য যে, ১ গিগাবাইট RAM থাকলে ভাল হয়।

* আপনি যখন পেনড্রাইভ বা ফ্ল্যাশ ড্রাইভকে মেমোরি হিসেবে ব্যবহার করবেন, তখন আপনার সিলেক্ট করা জায়গাটুকু ফাইল স্টোরেজের জন্য ব্যবহার করতে পারবেন না।

* যদি আপনার ডিভাইসটিতে Ready Boost অ্যাকটিভেট করা না যায়, তাহলে আপনার ডিভাইসটিতে Ready Boost অ্যাকটিভেট করার জন্য নুন্যতম ডাটা ট্রান্সফার রেট (২ মেগাবাইট প্রতি সেকেন্ড) এর ঘাটতি রয়েছে। তাই আপনার ডিভাইসটি Ready Boost সাপোর্ট করেনা।

সাধারনত সনির এম ২ মেমোরি কার্ড যা সকল সনি এরিকসন মোবাইলৈ ব্যবহৃত হয় তা Ready Boost সাপোর্ট করেনা। কারন এম ২ কার্ডের ডাটা ট্রান্সফার রেট ২ মেগাবাইটের কম। তবে এখনকার বেশিরভাগ মেমোরি কার্ড, পেনড্রাইভ এবং ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ই Ready Boost সাপোর্ট করে।

উপরে উল্লেখিত পদ্ধতিতে আপনি যে কোন উইন্ডোজ কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারেন।
Pen-Drive যা RAM হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
original post
read more

মাউস ছাড়াই কাজ করুন মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজারে

by বাদশা নামদার


অনেক সময় আপনার মাউস নস্ট হয়ে গেলে বা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে যদি মাউস কাজ না করে তবে আপনি মাউস ছাড়াই কাজ করতে পারেন মজিলা ফায়ারফক্স ব্রাউজারে।নিচের লিংকটি থেকে download করে নিন mouseless browsing
Click This Link
এবার আপনার browser restart করুন।ইন্টারনেটে প্রদর্শীত সব link এর পাশে সংখা এসেছে।এবার ইচ্ছা অনুযায়ী mouseless browsing option (Ctrl+Alt+Shift+M একসংগে চেপে) ইচ্ছামত key সেট করে নিন।
original post
read more
affiliate program

EARN INCOME FROM YOUR WEBSITE

Turn your valuable web site traffic into income. Work online and join our free money making affiliate program. We offer the most pay-per-click rate to help maximize your cash stream.

Join our income making program absolutely free and 100% risk free.

Sign Up...

A steady income generator

Imagine running of a something that never failed to provide you with cash-flow. A earning money program so amazingly profitable that you never had to look for job ever again!Income while you sleep

CASH WHILE YOU SLEEP

Earn $1,000... $2,000... $5,000...

Turn your website visitors into cash!
You get money for every visitor that clicks on our advertizing. Our goal is to enable you to make as much as possible from your site. We pay monthly, either by check, or through PayPal.

Begin collecting steady partner commissions

Our money making program really can make you income on the same day. Start receiving steady partner revenue with almost no effort at all. This is a serious revenue opportunity, the chance for you to build a steady, reliable, long-time profitable business.

Savings Highway Dream Team Member Site Savings Highway Dream Team Member Site