Showing posts with label Health. Show all posts
Showing posts with label Health. Show all posts

Tuesday, April 10, 2012

এত ছোট একটা জিনিস অথচ কি ক্ষমতা! মস্তিস্কের ক্ষমতা কত জানেন?

by আমার মন

ছেলের মাথায় ঘিলু আছে, বলে অনেক সময় লোকে। আসলে ঘিলুটা কি? মাথার ভিতর জিনিস আছে ! জিনিসটা কি?

সেটা হল মস্তিস্ক। যার অন্দরে সব স্মৃতি জমা থাকে। মাত্র তিন পাউন্ড ওজনের একটি জিনিস যার ক্ষমতা শুনলে মানুষ বিশ্বাস করতে চাইবে না।

মস্তিস্ক হল সকল প্রানীর কেন্দ্রিয় স্নায়ু বিভাগ। যা থেকে, প্রানীদেহের সব কাজ,চিন্তা-ভাবনা,নড়া-চড়া সব নিয়ন্ত্রন করে । একজন মানুষের মস্তিস্ক,অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রানীর চেয়ে প্রায় ৩ গুন বড় হয়।

এর সবচেয়ে বড় গুণ হল, আমাদের গবেষণা বা কোন ঘটনার গভীরে গিয়ে তার বিচার বিশ্লেষণের মাধ্যমে একটি কাল্পনিক চিত্র তৈরি করা,যা নিকট ভবিষ্যতে ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।

ডক্টর ওয়াল্টারের মতে যদি মানুষের মস্তিষ্কের সমমানের একটি বৈদ্যুতিক মস্তিস্ক তৈরী করা যায় তাহলে তার খরচের টাকা গুনলে ১৫০০,০০০০০০০,০০০০০০০ টাকা পরবে সেই পরিমান টাকা দিয়ে বর্তমান সময়ে প্রায় অত্যাধুনিক দশ কোটি কম্পিউটার কেনা সম্ভব আর এই যান্ত্রিক মস্তিষ্কের আয়তন হবে আটারটি এক’শ তলা বিল্ডিং এর সমান আর এটা চালাতে এক হাজার কোটি কিলোওয়াট বিদ্যুৎ এর প্রয়োজন হবে তাহলে দেখুন তার কত ক্ষমতা।

কিন্তু বিজ্ঞানীরা মস্তিস্কের গঠন সম্পর্কে এখনো পরিস্কার ধারণা পান নি।

একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ প্রতিদিন প্রায় ৭০০০০ বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে সক্ষম। কিন্তু করে না। যার কারণে মস্তিস্ক অলস বসে থাকে।
মানুষের মস্তিষ্ক সেকেন্ডে ১০-১৫ টি শব্দ ধারণ করতে পারে। বিজ্ঞানীরা বলে মানুষের মস্তিষ্কে ২২ লক্ষ সেল আছে সাধারণ মানুষ তার থেকে মাত্র ৩% সেল ব্যবহার করে বাকী গুলো বেকার হয়ে পড়ে থাকে আর বিজ্ঞানী বুদ্ধিজীবি শ্রেণীর মানুষ ব্যবহার করে ১০ থেকে ১১% !!
কিন্তু মানব মস্তিস্কের প্রায় ৭৫ ভাগই পানি আর ২৫ ভাগ দিয়ে আমরা এইসব কাজ করে থাকি।

জাগ্রত থাকা অবস্থায় মস্তিস্ক প্রায় ২৫ ওয়াট পাওয়ার সৃষ্টি করে,যা একটি লাইট বাল্ব জালানোর জন্য যথেষ্ট। আর ঘুমের মাঝে আমরা যে সব সাদাকালো স্বপ্ন দেখি তার রহস্য এখনো বিজ্ঞানীরা আবিস্কার করতে পারে নি।

আমাদের মস্তিষ্ক প্রায় ১০,০০০ টি বিভিন্ন গন্ধ চিনতে ও মনে রাখতে পারে।
এই সব ক্ষমতার কারণে, ১০০ বছর আগেও বোর্নিওতে মানুষের মাথার খুলি মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করা হতো।

আমরা বলি মেয়েরা কথা বেশি বলে থাকে কারণ মস্তিস্কের এই গঠন। প্রতিদিন মহিলারা গড়ে ৭০০০ বাক্য বলে থাকে, আর পুরুষরা বলে থাকে ২০০০ বাক্য।

আমরা যা খাই তার মোট শক্তির ২০% মস্তিস্কের জন্য যায়, যেখানে মস্তিস্ক শরীরের আয়তনের মাত্র ২% হলেও এর শক্তি চাহিদা অনেক ।

এত এত ক্ষমতা আমাদের শরীরের উপরের মাথাটাতে অথচ অনেক কিছু করতে পারি না। :(
original post
read more

Sunday, April 8, 2012

শুয়ে বসে থাকবেন না ...........একটি স্বাস্থ্য প্যাচালী..............

by আহমেদ জী এস

জীবনে বিশ্রামের মূল্য কতোটুকু ?

জীবনটাকে পূর্ণমাত্রায় উপভোগ করা থেকে দুরে থাকতে আপনার অজুহাতের কোনও শেষ নেই ।
কারন বেশীরভাগ সময়েই আপনাকে শেখানো হয়েছে, খেলাধূলো এবং বিশ্রাম “গুড ফর নাথিং”।
যখোনই আপনি একটু ফাঁকা সময় হাতে পেয়েছেন, আপনার মাথার মধ্যে কোন চিন্তাটি গজিয়ে উঠছে ?
প্রতিযোগিতার এই দৌড়ে না ভেবে উপায় নেই – “গেট বিজি” ।
অথবা ভেবেছেন, অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা, তাই । কিম্বা, অলস বসে থাকলে “বাত” এর আক্রমন হবে, এমোনটাও ভাবতে পারেন । আবার এটাও ভেবে থাকলে দোষ নেই – “পরিশ্রমেই সাফল্য” । সুতরাং.. দৌড়াও…দৌড়াও.. রান…রান…. ।
বিশ্রাম নেয়া আর আপনার হয়ে ওঠেনি । অবশ্য আপনার ধারনা, বিশ্রাম মানেই শুয়ে-বসে থাকা । হ্যা, সাধারন অর্থে বিশ্রাম মানে তাই ।
শুয়ে বসে আপনি আপনার ক্লান্ত হয়ে পড়া মাংশপেশীকেই বিশ্রাম দিতে পারেন শুধু । কিন্তু আপনার মস্তিষ্ক ? ওখানে তো চলছে সারাক্ষন ঝড় । তার কি হবে ?
আপনার মস্তিষ্ক তথা মানসিক জগতেরও বিশ্রাম প্রয়োজন হবে । এবং তা হতে হবে মধুর । চিন্তা চেতনাকে "ছুট্টি" দিয়ে নয় । তাহলে আপনি "ডাল" বা নিস্ক্রিয় হয়ে পড়বেন । এটাকে রাখতে হবে সতেজ আর টৈ-টুম্বুর ।
স্বাস্থ্য বিজ্ঞানীরা বলেন তা্ -ই ।
আসলে আপনি যতো সক্রিয় বিশ্রামে থাকবেন ততোই আপনার জীবনটা সুখের হবে । কিন্তু জীবনের অধিকাংশ বাধাগুলো যেমন – ক্লান্তি, অপরাধবোধ, নিজের ছেলেমেয়েদের সাথে সংসারে হেকটিক সিডিউল, ব্যবসা-বানিজ্য, সামাজিকতা রক্ষার ঝকমারি ইত্যাদি এড়িয়ে চলা সহজ নয় মোটেই ।
এর জন্যে চাই, ভিন্নমাত্রার দক্ষতা যার সাথে আপনি পরিচিত নন । আর দরকার পরিকল্পনার ।
আপনার প্রয়োজন বিশ্রাম খুঁজে নেয়ার দক্ষতা, যা জীবনদীপ্ততার হাতিয়ার । আর এ নিয়েই অধমের এই প্যাচালী...................


শুধুই দর্শকের গ্যালারীতে বসে থাকবেননা… . . .

আমরা বড়ই হয়েছি কেবল দেখতে দেখতে, দর্শক হিসেবে । অংশগ্রহন করা হয়ে ওঠেনি অনেক কিছুতেই । কেবল পর্দায় দিন-রাত তাকিয়ে তাকিয়ে ছবি দেখা ছাড়া আমরা নিজেরা হয়ে উঠতে পারিনি পাত্রপাত্রী ।
ছবি দেখে, শাহরুখ খান কিম্বা ঐশ্বরিয়া রাই হতে তো বড্ড ইচ্ছে মনে মনে । কিন্তু ইচ্ছেগুলো ইচ্ছেই থেকে গেছে ।
সাদা পর্দায় নয়, জীবনের বিশাল পর্দায় অভিনীত ছবিতে সক্রিয় অংশগ্রহনের অভিজ্ঞতাটাই হলো গিয়ে রিয়েল ম্যাজিক । বৈষয়িক প্রাপ্তির চেয়ে এই প্রাপ্তিটুকুই আমাদের বেশী সুখী করতে পারে । আর তা তুলনাহীন, মিলবেনা অন্য কারো সাথে । তাই , আপনার সন্তানটিকে বা ছোট্ট ভাই-বোনদের যখোন আপনি শেখাচ্ছেন – “টুইংকল টুইংকল লিটল ষ্টার…”
আপনিও ওদের সাথে মিটিমিটি তারাদের মতোন জ্বলে উঠুন । কেবল দর্শক হয়ে থাকবেন না । মোটেও ভাববেন না , আপনার এই বয়সে এটা কি মানাবে ?


কাজের অপরাধবোধ সময়ের অপচয় মাত্র…. . . .


অনেক রাত পর্য্যন্ত আপনাকে কাজ করতে হয়, এমোন কি ছুটির দিনেও রেহাই নেই কাজ থেকে , বিশ্রামের সময় কোথায় ? এমোন অপরাধের অনুশোচনায় ভুগবেন না । সাইকোলজিষ্টরা বলেন, কাজ সংক্রান্ত অপরাধ বোধটি একটি “আন-রিয়েল” অপরাধ শ্রেনীর । এতে আপনি কাউকে শারীরিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করেননি । আপনার এই অপরাধবোধটুকু বলছে, বিশ্রামের কোনও অর্থ নেই ।
ডোন্ট বাই ইট ।
মনের ভেতরে এই ভাবনাটুকু গড়ে তুলুন, কাল শুক্রবারের দিনটিতে আমি অফিসে বা কাজে যাচ্ছিনে ।কাল বাসার সবার ছুট্টি । ওদের দিকে নজর দিয়ে ওদের সাথে সময় কাটানোটাই আমার প্রায়োরিটি । কাজ যেটুকু বাকী রোববারে করে ফেলবো । দেখবেন একটা অহেতুক অপরাধবোধ থেকে আপনি ছাড়া পেয়েছেন । এতে আপনার মন-মেজাজ হাল্কা থাকবে, যেটা আপনি আসলেই চেয়ে এসেছেন এতোদিন ।
আপনি যদি একজন “মা” হন ভেবে দেখুন, আপনার সন্তানরা যখোন দেখবে তাদের বাবা তাদের সঙ্গ দিচ্ছে তখন আপনার খানিকটা সময় বিশ্রাম নিতে কোনও দোষ নেই কারন আপনার বাচ্চারা তখন তাদের বাবার সাথে আনন্দে মশগুল । আপনার স্বাস্থ্য আর জীবনীশক্তি পুরোপুরিই নির্ভর করছে এই রকম “কোয়ালিটি রিফুয়েলিং” এর উপর । আপনি যদি কাজটিকেই প্রাধান্য দিয়ে ভেতরে ভেতরে অনুশোচনায় ভোগেন যে, সংসারে সময় দিতে পারছেন না তাহলে আপনি যথেষ্ট বুদ্ধি মাথায় রাখেন না । যদি ভাবতে গিয়ে মনে হয়, “ধেত্তেরি তোর চাকরী…..” তাহলে বুঝতে হবে আপনার অধৈর্য্য আপনাকে বুদ্ধির শেষ মাথায় ঠেলে দিচ্ছে । বুদ্ধির শেষ মাথায় পৌছে গেলে আপনি ঘর-সংসারের নিত্যদিনের চ্যালেঞ্জগুলি মোকাবেলার জন্যে দরকারী শক্তি আর ধৈর্য্য খুঁজে পাবেন না ।
এরকম ফালতু অপরাধবোধ আপনাকে জোরে জোরে বলবে, জীবনের মধুর ক্ষনগুলো আপনার জন্যে নয় । আপনি এর যোগ্য নন ।
আপনি বুদ্ধিধারী হলে এরকম “বোগাস” কথা কানে তুলবেন না ।



“অফ-মুড”টাকে কষে নাড়া দিন . . . . .

কখনও কখনও আপনার মুড আপনার জীবনকেই জিম্মি করে ফেলবে । প্রতিদিনই আপনাকে অনেক কিছুর ভেতর দিয়ে যেতে হয় । কাজ থেকে বাড়ীতে ফিরে আপনার মুড থাকে বিরক্তির তুঙ্গে । এটি সাময়িক, কিন্তু জীবনের রস-কষ শুষে নিতে পারে । অনুভুতিটা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন।
চুপচাপ বসে না থেকে কিছু একটা করুন । ছেলেমেয়ে থাকলে তাদের সাথে আড্ডা দিতে বসে যান । ওরাও আপনাকে পেয়ে বাড়তি মজা পাবে যা ওদেরকে রাখবে তরতাজা । এটা না থাকলে সংসার পার্টনারের সাথে ঘরের কিছু কাজ সেরে ফেলুল । খুনসুটি করুন ।
ও স্যরি, আপনি অবিবাহিত । কেউ নেই বলে মুখ গোমড়া করে দীর্ঘশ্বাস ফেলবেন না । সারাদিন খেটেখুটে এসে এই বিশ্রামের সময়টুকুতেও যদি জীবনে কি পেলেন এমন হিসাব কষতে বসেন, তবে দেখবেন আপনার জীবনীশক্তির সলতেটি পুড়ে পুড়ে এইটুকুন হয়ে গেছে ।
ট্রাক-স্যুট পড়ে ফেলুন আর ঝেড়ে দৌড় দিন একটা । ব্যায়ামও হবে আর আসার পথে মোড়ের ডিভিডি শপ থেকে একটা সুস্থ্য ধারার ছবি নিয়ে আসবেন । কিম্বা কিছু স্ন্যাকস । কিম্বা বন্ধুকে ফোন করুন । ঘন্টা খানেক কাটিয়ে দিন ……

বের হয়ে আসুন ঘেরাটোপ থেকে.. .. .. ..



নতুন কিছুর চেষ্টা করা সবসময়ই খানিকটা আতংকের । নিজেকে বোকা বোকা লাগবে এই ভয়ে হাত গুটিয়ে বসে থাকবেন না । বোকাদেরই অনেক মজা করার থাকে কারন তারা এতে নতুন কিছু শেখে । আর আপনার মগজটি তাই-ই চায় , কিছুতে লেগে থাকতে , অলস বসে থাকতে নয় । আপনি নিজেকে গুটিয়ে রাখেন এই ভয়ে যে, লোকে হয়তো ভাববে আপনি অনেক কিছুই জানেন না । এই ভীতিটাই আপনাকে অন্তর্মুখী করে ফেলবে । এ ঘেরাটোপ থেকে বেড়িয়ে আসুন । এ জাতীয় বোকামীর সাথে বাঁধা গাটছড়া খুলে ফেলুন । জাষ্ট জাম্প…জাম্প ।
ভাবতে থাকুন-“পথে এবার নামো সাথী, পথেই হবে পথ চেনা….”

খুঁজুন লম্বা সময় ধরে তৃপ্তি .. .. .. ..


ছোটখাটো স্বল্পকালীন আনন্দই কেবল নয় , খুঁজুন লম্বা সময় ধরে তৃপ্তি দিতে পারে এমোন কিছু । আপনি সাধারনত খাবার, সেক্স, শপিং, সিনেমা ইত্যাদির পেছনেই পড়ে থাকেন ।এরা হলো খন্ডকালীন ডিপোজিট যা কখনই আপনাকে লং-টার্ম ডিভিডেন্ড দেবেনা ।অথচ এর পাশাপাশি যদি আপনি এমোন কিছু করেন যেমন, প্রতিবেশী কাউকে সাহায্য করা, বাচ্চা- লালন পালনে হাত লাগানো, নতুন কোনও শখের পেছনে ছোটাছুটি , দেখবেন তার আনন্দ সব ছাঁপিয়ে দীর্ঘতর হয়েছে ।আপনার ভেতরের একান্ত চাহিদাকেই এ জাতীয় কাজ পূর্ণ করে দেবে । তৃপ্তিটা হবে বোনাস পাওনা ।

জীবন নিয়ে পরীক্ষা করে দেখুন .. .. .. ..


জীবনটাকে আরো রঙীন করে তুলতে আপনার বিশ্রামের সময়টুকুকে অন্যভাবেও কাজে লাগাতে পারেন । পরীক্ষামূলক । নিজে গান গাইতে পারেন, ছবি আঁকা শুরু করে দিতে পারেন, পারেন লেখালিখি করতে । কিছু না করার থাকলে বাগানের বা টবে লাগানো গাছে পানি ঢালতে পারেন ।বাচ্চাদের ও শেখাতে পারেন এসব । ওরাও বেশ আনন্দ পাবে আর সারাদিনের ক্লান্তির পরে আপনারও বেশ ঝরঝরে লাগবে দেহ-মন ।
এখানে কোনও বিচারক বসে নেই আপনার কাজের বিচার করতে । আর আপনার কাজের কোনও বিচার করার প্রয়োজনও পড়বেনা বোধহয় ।
মনের ভেতরের এই সুইচটাকে অফ করে দিন, যা আপনাকে সবসময় বলছে – কাজ মানেই কাজ আর বিশ্রাম মানেই কিছু না করে চুপচাপ বসে থাকা ।“ওয়র্ক মাইন্ডসেট”টাকে বন্ধ রাখুন । জ্বেলে দিন মনের ভেতরের একান্ত আনন্দমুখর যে মানুষটি বাস করে তার ঘরের বাতিটিকে । কেবলমাত্র বিশ্রামের সময়টুকুতে শুধু চুপচাপ বসেই থাকবেন না । কিছু একটা করুন যাতে আপনার মনের খোরাক মেটে । মোটেও বৈষয়িক প্রাপ্তির কথা মাথায় আনবেন না । কিছু না করার খুঁজে পেলে, লাইফ পার্টনারকে কাতুকুতু দিন …..
( একটা সত্যি ঘটনা – আমার এক বন্ধু, মুনসী মানুষ, সবে অধ্যাপনায় যোগ দিয়েছে আর বিয়েটাও সেরে ফেলেছে নগদে ।একদিন পথে দেখা, হাতে তিনচারটে বিছুটি পাতার শাখা । বললাম, কিরে মুনসী- এগুলো দিয়ে কি করবি ? নির্বিধায় তার জবাব- তোর ভাবীর কনুইতে আর নাকে ঘসে দেবো । দেখবো আসলে চুলকোয় কিনা …. নতুন বৌ তো, হাসিখুশিতে রাখতে হবে…….)

অভ্যেস গড়ে তুলবে “প্যাসন” .. .. .. ..


মনের চার দেয়ালের মধ্যে আপনি হাতড়ে বেড়ালেও “প্যাসন” এর দেখা পাবেন না । আপনাকে এর মধ্যে সুড়ুৎ করে ঢুকে পড়তে হবে । লেগে থাকতে হবে যেমন লেগে ছিলেন উঠতি বয়সকালে সুন্দরী মেয়েটি বা সুন্দর ছেলেটির পেছনে । সব কাজই যে নিঁখুত ভাবে করতে হবে এমোনটা নয়, কিঁছুটা নিজে নিজে শেখার জন্যে করুন । এখানে ভুল-ত্রুটি হলেও ক্ষতি নেই । কে দেখতে যাচ্ছে ? জানবেন, প্রাইজ দিতে আপনার জন্যে ফুলের মালা নিয়ে কেউ বসে নেই । এই অভ্যেসগুনোকে উপভোগ করতে শিখুন এবং দেখবেন গেল দিনের চেয়ে আপনার পারফর্ম্যান্স আজ অনেকটা ভালো হয়েছে । এই একাগ্রতা বা প্যাসন যা – ই বলুন, যদি একবার আপনাকে দিয়ে ইঞ্জিনটি “ষ্টার্ট” দেয়াতে পারে দেখবেন আপনার জীবন নামের নিত্যদিনের রেলগাড়ীটি “কুউউ……উ………উ…….. ঝিক-ঝিক…………….” ছন্দে কি সুন্দর চলছে সারাটি হপ্তা জুড়ে ।


সুখি মানুষেরাই নতুন কিছু গড়তে জানে………


জীবন সম্পর্কে হাযারো ফিলোসফি আওড়ানো যাবে । সবচেয়ে ছোট্টটি হলো, জীবনে কিছু ঘটবে এটা ভেবে বসে থাকবেন না । য়্যু হ্যাভ টু মেক ইট হ্যাপেন ।
আপনিই হলেন আপনার জীবনের “মিউজিক ডিরেক্টর” । আপনার অবসরে আপনি জীবনের তন্ত্রীতে সুর তুলুন নিজের মতো করে । বাচ্চারা ঘুমিয়ে গেছে, ওয়েব ব্রাউজ করুন । তা নেই ? ক্ষতি কি ? আজকের খবরের কাগজটির যে লেখাগুলো পড়া হয়ে ওঠেনি সেখানে চোখ রাখুন । খবরের কাগজ রাখেন না ? বাচ্চাদের বইগুলো থেকে একটাকে টেনে আনুন । এই যাহ…….. বাচ্চারাতো এই পিচ্চি পিচ্চি, স্কুলেই যায়না !ওদের খেলনাগুলো নিয়ে খেলতে থাকুন ।অর্ধাঙ্গ বা অর্ধাঙ্গিনীকে ডাকুন । তাকেও সব কাজে সঙ্গী করুন । দেখবেন, অবসরের সময়গুলো কেমন করে যে কেটে গেছে । বিছানায় শুয়ে এপাশ ওপাশ করবেন না ।
আপনি আন-ম্যারেড বা ম্যারেড ব্যাচেলর ? রাস্তার মোড়ের দোকানে গিয়ে চা-সিগ্রেট নিয়ে বসে পড়ুন । জয়েন দ্য গ্রুপ । দুনিয়ার সব জ্ঞান জুটে যাবে সেখানে । এটা পছন্দ না হলে বই নিয়ে বসুন , কিছু লিখতে টেষ্টা করুন ।
এভাবে আগামী ছুটির দিনগুনোর ছক কেটে ফেলুন । তেমন জম্পেশ করতে চাইলে বন্ধু-বান্ধবদের একত্রে করুন ।


অজুহাত গুলোকে সরিয়ে রাখুন .. .. ..


আমাদের তৃতীয় হাতটি বেশ বড় আর জোরালো – “অজুহাত” ।
পকেটে টাকা নেই বা সঙ্গীর অভাব এই অজুহাত তুলবেন না । টাকা নেই তো কি হয়েছে ? আশেপাশের পার্কে বা খোলা মাঠে গিয়ে বসুন খানিকটা সময় । প্রকৃতিকে দেখুন । গন্ধ নিন বাতাসের । একা হলেই বা ক্ষতি কি ? আপনার ভেতরের কবিটিকে ঘুম থেকে টেনে তুলুন ।
না হলে উইন্ডো শপিং করতে লেগে পড়ুন । বিচিত্র মানুষের ভীড়ে নিজেকে মিশিয়ে দিন ।
আপনার পরিবার আছে ? ছোট ছোট সময় নিয়ে বাইরে ঘুরে আসুন । সংসারের অহেতুক এবং অপ্রয়োজনীয় কিছু খরচ কমিয়ে এই অবসর সময়টুকুর পেছনে ব্যয় করুন । রাস্তার পাশে চটপটি আর ফুচকার দোকানে পা লেপ্টে বসে পড়ুন । লোকে কি ভাববে ? কিচ্ছু যায় আসে না । জীবনটা আপনার তো ? তাহলে ?

বি পজেটিভ .. ... ...


বিশ্ব-ব্রম্মান্ডের গূঢ় রহস্যটি হলো এই একটি-ই ।
পজেটিভ চিন্তা ভাবনা আপনার বডি-ল্যাঙ্গোয়েজ কে বদলে দেবে । সুখের অভিব্যক্তি চেকনাই এনে দেবে আপনার মুখের হাসিতে, চেহারায় জৌলুস ফুঁটে উঠবে, গলার স্বরে আসবে আত্মপ্রত্যয়ী টান, ব্যবহারে ফিরে আসবে পরিতৃপ্তির আমেজখানি । আর এই পরিবর্তনই আপনার গোমড়া সময়গুনোকে তাড়িয়ে দিয়ে আপনার চারপাশে বন্ধুদের জড়ো করবে, এমোনকি আপনার সাফল্যকেও এনে দেবে আপনার হাতের মুঠোয় ।
আপনার পজেটিভ চিন্তা আসেনা ? কুচ পরোয়া নেই ! ভান করুন, পজেটিভ চিন্তার । দেখবেন, মূহূর্তেই তারা কাজে লেগে পড়েছে আর আপনার বিশ্রামের সময়টিকে ভরে তুলেছে এক নতুন আলোয় ।
আপনি জানবেন – এটিই আসল, এটিই সত্য.................
original post
read more

Tuesday, February 21, 2012

লিভারের কথা

by ঢাকাবাসী

আমার নাম লিভার। আমি আপনার শরীরের ভিতরের সবচাইতে বড় অঙ্গ, প্রায় তিন পাউন্ড। আমার কাজ অনেক। আপনারা হার্ট নিয়ে অনেক কথা বলেন, আর আমি?
আপনারা যা খান সেগুলিকে আমি ভেঙ্গে গ্লুকোজ বানাই তার পর গ্লাইকোজেন তৈরি করি যা আপনার শরীরের কাজে লাগে। আপনাদের মধ্যে যারা এলকোহল (হুইস্কি বা দারু) খান তাদের ঐ জিনিসটাকে ভেঙ্গে খারাপ জিনিসটাকে বের করে দেয়া, রক্তকে পরিষ্কার করে শরীরে সব জায়গাতে পাঠানো এরকম অনেক আমার কাজ।
চর্বি বেশি খেলে, রিচ ফুড বেশি খেলে, হুইস্কি বেশি খেলে.. ঐসব ভাঙ্গতে আমার কষ্ট হয়। অতিরিক্ত চাপে এক সময় আমার ক্ষমতা কমে যায় তখন আপনার হতে পারে অনেক রকম রোগ (নামগুলি বললাম না)।
ভয় পাবেন না। চর্বিযুক্ত খাবার কম খান, এলকোহল কম খান, োজন কম রাখুন, ব্যায়াম করুন, প্রচুর পানি খান, সুস্হ থাকুন।
বেশিদিন বাঁচুন। জীবনটাকে উপভোগ করুন।
original post
read more

লবন কম খান

by ঢাকাবাসী

লবন ছাড়া জীবন বাঁচে? সেই যে রাজার গপ্পো, যে মেয়েটি লবন দিয়ে শাক ভাত খাইয়েছিল তাকেই তো রাজামশাই পরে বেশি আদর করেছিলেন। মানুষের জিভের স্বাদের প্রাথমিক অংশই লবনের। লবন ছাড়া তরকারী! কল্পনাই করা যায়না!
তবে সেটার একটু খারাপ দিক আছে, শুনুন।
লবনে সোডিয়াম থাকে আর এই সোডিয়াম হল আমাদের দেহের একটা বড় শত্রু। এটা রক্তে তরল পদার্থের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, ফলে রক্ত চাপ বেড়ে ম্যালা খারাপ অসুখ বিসুখ হয়।
আসুন তো দেখি কিসে কিসে সোডিয়াম তথা লবন বেশি থাকে:

পাউরুটি, রোল, পিৎজা, চিকেন ফ্রাই, পনীরের বার্গার বা স্যান্ডউইচ, পাসতা, আলু চিপস, পপকর্ন ইত্যাদি। মনটা খারাপ হয়ে গেল?
জেনে রাখুন একজন পুর্ণ বয়স্ক মানুষ দৈনিক ৩৩০০ মি.গ্রাম লবন খান। যারা খাবার সময় পাতে লবন খান সেটা ছাড়াই! তবে সেটা যদি ২৫০০ মি.গ্রাম করা যায় বছরে ২৮০০০ জীবন বেঁচে যেত।
যারা ৫১ বছর বা তার বেশী বয়সী তারা কখনোই ১৫০০ মি.গ্রামের বেশী লবন খাবেন না, মানে তরকারিতে এমনিতেই যেটুকু খেলেন ঠিক আছে। পাতে কাচা লবন খাবেনই না।
টক খাবেন না কারন টক খেলে লবন খাবেনই, সুতরায় রাস্তায় আমড়া বা তেতুল বা জাম্বুরা অন্যান্য টক খাবার নিষেধ। খেলে লবন ছাড়া খেতে হবে।
চেষ্টা করুন, বেশিদিন বাঁচুন।
original post
read more

সিগারেট ছেড়ে দিন না।

by ঢাকাবাসী

সিগারেটে যে স্বাস্হ্যের জন্য অনেক ভয়ংকর ক্ষতিকারক মাল আছে তাদের কয়েকটা হল:
নিকোটিন, আর্সেনিক, কার্বন মনোক্সাইড, ডিডিটি, সায়ানহাইড্রিক এসিড, ন্যাপথালিন সহ আরো ম্যালা বাজে জিনিস। এর যে কোন একটা কয়েক মিলিগ্রাম আপনার শরীরে ইনজেকশনের মাধ্যমে ঢুকিয়ে দিলে(ঐ CO গ্যাসটা বাদে) আপনি মোটামুটি বেহেশতে চলে যেতে পারেন (রুপকার্থে)!

সিগারেট ছাড়লে অনেক লাভ। ছাড়ার ২-৩ দিনের মধ্যে আপনি যে সমস্ত সুন্দর ঘ্রান উপভোগ করতে পারেননি, তা পারবেন।
খাবারের স্বাদ বেড়ে যাবে, মানে খেয়ে মজা পাবেন যা অনেকদিন পাননা। মাসখানেকের মধ্যে সিড়ি বেয়ে উঠতে আগের চাইতে অনেক কম হাঁপাবেন।
ক্ষুধা একটু বেড়ে যেতে পারে, ক্ষতি নেই। জিহ্বার স্বাদের গ্ল্যান্ডগুলো আরো ভাল কাজ করবে, খেয়ে আগের চাইতে বেশি মজা পাবেন।
Link
হায়াৎ মউৎ সৃস্টিকর্তার উপর, তবে আপনার আয়ু বেশ খানিকটা বেড়ে যাবে সন্দেহ নেই। বাজি ধরবেন?
তাহলে আজই ছাড়ুন, হ্যাঁ আজই, যদিনা এরই মধ্যে না ছেড়ে থাকেন। জীবনটা একবারের জন্যই, এটাকে অপচয় করাতে কোন লাভ নেই।
original post
read more

Monday, February 20, 2012

যে পোস্ট টি পড়ে আপনি ও কারো জীবন বাঁচাতে পারেন।

by বোরহান উদদীন


STROKE স্ট্রোকঃ মনে রাখুন শব্দটির প্রথম ৩টি অক্ষরঃ S, T এবং R
আমার বন্ধু আমাকে এই ছবিটি পাঠিয়েছে এবং আমাকে এই কথাগুলো ছড়িয়ে দেয়ার জন্য উৎসাহ যুগিয়েছে। আমরা সবাই-ই যদি এই ছোট্ট সাধারণ সণাক্তকরণ উপায়টা শিখে ফেলি, তবে হয়তো আমরা স্ট্রোকের ভয়ংকর অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের প্রিয়জনদের রক্ষা করতে পারবো।

একটি সত্যি গল্পঃ

একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে একজন ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন। উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, সবকিছু ঠিক আছে, মেঝের টাইলসে তার নতুন জুতোর হীল বেঁধে যাওয়ায় তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। কেউ একজন এম্বুলেন্স ডাকার কথা বললেও তিনি তাতে রাজি হলেন না।

সবকিছু ঠিকঠাক করে, পরিস্কার করে তিনি নতুন করে প্লেটে খাবার নিলেন। যদিও মনে হচ্ছিলো যেন তিনি একটু কেঁপে কেঁপে উঠছেন। অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ সময় জুড়েই তিনি উপস্থিত থাকলেন। পরদিন দুপুরে ভদ্রমহিলার স্বামী ফোন করে জানালেন, তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ছয়টার সময় তিনি মারা গেলেন।

মূল যে ঘটনা ঘটেছিল, তা হলো, তিনি অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় স্ট্রোক করেছিলেন। সেখানে যদি কেউ জানতেন, কিভাবে স্ট্রোক সনাক্ত করা সম্ভব, তাহলে হয়তো ভদ্রমহিলা আজও বেঁচে থাকতেন।

সবাই যে মৃত্যুবরণ করে, তা নয়। অনেকের ঠাঁই হয় বিছানায়, সাহায্যহীন, ভরসাহীন মূমুর্ষূ অবস্থায়। মাত্র তিনটা মিনিট সময় নিয়ে এটা পড়ে ফেলুন।

একজন মস্তিষ্কবিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি একজন স্ট্রোকের শিকার রোগীকে স্ট্রোক হবার তিন ঘন্টার মধ্যে হাসপাতালে নেয়া যায়, তবে তাকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরত পাওয়া সম্ভব। শুধু আমাদের জানতে হবে কিভাবে স্ট্রোক চেনা যায়, এবং কিভাবে রোগীকে উল্লেখ্য সময়ের মধ্যে মেডিকেল কেয়ারে নেয়া যায়।

স্ট্রোককে চিনুন...

সহজ তিনটি ধাপঃ- S T ও R...পড়ুন এবং জানুন!

মাঝে মাঝে স্ট্রোকের উপসর্গ সনাক্ত করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের অজ্ঞতার কারণেই নেমে আসে যাবতীয় দুর্যোগ। স্ট্রোকের শিকার রোগীর মস্তিষ্কে যখন ভয়ানক রকম ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, পাশে দাঁড়ানো প্রিয়জনটিই হয়তো বুঝতে পারছে না, কি অপেক্ষা করছে তাদের কাছের মানুষের জীবনে।

সহজ উপায়ে স্ট্রোক সনাক্ত করার উপায়, সহজ তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুনঃ

১. S – Smile রোগীকে হাসতে বলুন।

২. T – Talk রোগীকে আপনার সাথে সাথে একটি বাক্য বলতে বলুন। উদাহরণঃ আজকের দিনটা অনেক সুন্দর।

৩. R – Raise hands. রোগীকে একসাথে দুইহাত উপরে তুলতে বলুন।

এর কোনো একটিতে যদি রোগীর সমস্যা বা কষ্ট হয়, তৎক্ষণাৎ দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। এবং চিকিৎসককে সমস্যাটি খুলে বলুন। (রোগী বলতে স্ট্রোকের শিকার সন্দেহ করা ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে)

সনাক্তকরণের আরেকটি উপায় হচ্ছে, রোগীকে বলুন তার জিহবা বের করতে। যদি তা ভাঁজ হয়ে থাকে, বা অথবা যদি তা বেঁকে যেকোনো একদিকে চলে যায়, সেটাও স্ট্রোকের লক্ষণ। তৎক্ষণাৎ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।

একজন খ্যাতনামা হৃদবিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি আমরা সবাই-ই এই সহজ ব্যাপারগুলো জেনে রাখি, তবে আমরা একজনের হলেও জীবন বাঁচাতে পারবো।

সুতরাং, আপনি শিখলেন, আপনার বন্ধু ও প্রিয়জনদেরও শেখান!!!


আসল পোস্ট টি নীচে দিলাম।

STROKE: Remember The 1st Three Letters... S.T..R ...
My friend sent this to me ...and encouraged me to post it and spread the word. I agree. If everyone can remember something this simple, we could save some folks.

STROKE IDENTIFICATION:
During a party, a friend stumbled and took a little fall - she assured everyone that she was fine and just tripped over a brick because of her new shoes. (they offered to call ambulance)

They got her cleaned up and got her a new plate of food - while she appeared a bit shaken up, Ingrid went about enjoying herself the rest of the evening. Ingrid's husband called later telling everyone that his wife had been taken to the hospital - (at 6:00pm , Ingrid passed away.)
She had suffered a stroke at the party . Had they known how to identify the signs of a stroke, perhaps Ingrid would be with us today.

Some don't die. They end up in a helpless, hopeless condition instead. It only takes a minute to read this...

STROKE IDENTIFICATION:

A neurologist says that if he can get to a stroke victim within 3 hours he can totally reverse the effects of a stroke...totally. He said the trick was getting a stroke recognized, diagnosed, and then getting the patient medically cared for within 3 hours, which is tough.

RECOGNIZING A STROKE

Remember the '3' steps, STR . Read and Learn!
Sometimes symptoms of a stroke are difficult to identify. Unfortunately, the lack of awareness spells disaster.
The stroke victim may suffer severe brain damage when people nearby fail to recognize the symptoms of a stroke.
Now doctors say a bystander can recognize a stroke by asking three simple questions :

S * Ask the individual to SMILE ..
T * = TALK. Ask the person to SPEAK A SIMPLE SENTENCE (Coherently) (eg 'It is sunny out today').
R * Ask him or her to RAISE BOTH ARMS .

If he or she has trouble with ANY ONE of these tasks, call the ambulance and describe the symptoms to the dispatcher.

NOTE : Another 'sign' of a stroke is
1. Ask the person to 'stick' out their tongue.
2. If the tongue is 'crooked', if it goes to one side or the other that is also an indication of a stroke.

A prominent cardiologist says if everyone who gets this status shares it; you can bet that at least one life will be saved...
original post
read more

যে পোস্ট টি পড়ে আপনি ও কারো জীবন বাঁচাতে পারেন।

by বোরহান উদদীন


STROKE স্ট্রোকঃ মনে রাখুন শব্দটির প্রথম ৩টি অক্ষরঃ S, T এবং R
আমার বন্ধু আমাকে এই ছবিটি পাঠিয়েছে এবং আমাকে এই কথাগুলো ছড়িয়ে দেয়ার জন্য উৎসাহ যুগিয়েছে। আমরা সবাই-ই যদি এই ছোট্ট সাধারণ সণাক্তকরণ উপায়টা শিখে ফেলি, তবে হয়তো আমরা স্ট্রোকের ভয়ংকর অভিজ্ঞতা থেকে আমাদের প্রিয়জনদের রক্ষা করতে পারবো।

একটি সত্যি গল্পঃ

একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে একজন ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলেন। উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, সবকিছু ঠিক আছে, মেঝের টাইলসে তার নতুন জুতোর হীল বেঁধে যাওয়ায় তিনি পড়ে গিয়েছিলেন। কেউ একজন এম্বুলেন্স ডাকার কথা বললেও তিনি তাতে রাজি হলেন না।

সবকিছু ঠিকঠাক করে, পরিস্কার করে তিনি নতুন করে প্লেটে খাবার নিলেন। যদিও মনে হচ্ছিলো যেন তিনি একটু কেঁপে কেঁপে উঠছেন। অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ সময় জুড়েই তিনি উপস্থিত থাকলেন। পরদিন দুপুরে ভদ্রমহিলার স্বামী ফোন করে জানালেন, তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ছয়টার সময় তিনি মারা গেলেন।

মূল যে ঘটনা ঘটেছিল, তা হলো, তিনি অনুষ্ঠান চলাকালীন সময় স্ট্রোক করেছিলেন। সেখানে যদি কেউ জানতেন, কিভাবে স্ট্রোক সনাক্ত করা সম্ভব, তাহলে হয়তো ভদ্রমহিলা আজও বেঁচে থাকতেন।

সবাই যে মৃত্যুবরণ করে, তা নয়। অনেকের ঠাঁই হয় বিছানায়, সাহায্যহীন, ভরসাহীন মূমুর্ষূ অবস্থায়। মাত্র তিনটা মিনিট সময় নিয়ে এটা পড়ে ফেলুন।

একজন মস্তিষ্কবিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি একজন স্ট্রোকের শিকার রোগীকে স্ট্রোক হবার তিন ঘন্টার মধ্যে হাসপাতালে নেয়া যায়, তবে তাকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরত পাওয়া সম্ভব। শুধু আমাদের জানতে হবে কিভাবে স্ট্রোক চেনা যায়, এবং কিভাবে রোগীকে উল্লেখ্য সময়ের মধ্যে মেডিকেল কেয়ারে নেয়া যায়।

স্ট্রোককে চিনুন...

সহজ তিনটি ধাপঃ- S T ও R...পড়ুন এবং জানুন!

মাঝে মাঝে স্ট্রোকের উপসর্গ সনাক্ত করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। আমাদের অজ্ঞতার কারণেই নেমে আসে যাবতীয় দুর্যোগ। স্ট্রোকের শিকার রোগীর মস্তিষ্কে যখন ভয়ানক রকম ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে, পাশে দাঁড়ানো প্রিয়জনটিই হয়তো বুঝতে পারছে না, কি অপেক্ষা করছে তাদের কাছের মানুষের জীবনে।

সহজ উপায়ে স্ট্রোক সনাক্ত করার উপায়, সহজ তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুনঃ

১. S – Smile রোগীকে হাসতে বলুন।

২. T – Talk রোগীকে আপনার সাথে সাথে একটি বাক্য বলতে বলুন। উদাহরণঃ আজকের দিনটা অনেক সুন্দর।

৩. R – Raise hands. রোগীকে একসাথে দুইহাত উপরে তুলতে বলুন।

এর কোনো একটিতে যদি রোগীর সমস্যা বা কষ্ট হয়, তৎক্ষণাৎ দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। এবং চিকিৎসককে সমস্যাটি খুলে বলুন। (রোগী বলতে স্ট্রোকের শিকার সন্দেহ করা ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে)

সনাক্তকরণের আরেকটি উপায় হচ্ছে, রোগীকে বলুন তার জিহবা বের করতে। যদি তা ভাঁজ হয়ে থাকে, বা অথবা যদি তা বেঁকে যেকোনো একদিকে চলে যায়, সেটাও স্ট্রোকের লক্ষণ। তৎক্ষণাৎ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।

একজন খ্যাতনামা হৃদবিশেষজ্ঞ বলেছেন, যদি আমরা সবাই-ই এই সহজ ব্যাপারগুলো জেনে রাখি, তবে আমরা একজনের হলেও জীবন বাঁচাতে পারবো।

সুতরাং, আপনি শিখলেন, আপনার বন্ধু ও প্রিয়জনদেরও শেখান!!!


আসল পোস্ট টি নীচে দিলাম।

STROKE: Remember The 1st Three Letters... S.T..R ...
My friend sent this to me ...and encouraged me to post it and spread the word. I agree. If everyone can remember something this simple, we could save some folks.

STROKE IDENTIFICATION:
During a party, a friend stumbled and took a little fall - she assured everyone that she was fine and just tripped over a brick because of her new shoes. (they offered to call ambulance)

They got her cleaned up and got her a new plate of food - while she appeared a bit shaken up, Ingrid went about enjoying herself the rest of the evening. Ingrid's husband called later telling everyone that his wife had been taken to the hospital - (at 6:00pm , Ingrid passed away.)
She had suffered a stroke at the party . Had they known how to identify the signs of a stroke, perhaps Ingrid would be with us today.

Some don't die. They end up in a helpless, hopeless condition instead. It only takes a minute to read this...

STROKE IDENTIFICATION:

A neurologist says that if he can get to a stroke victim within 3 hours he can totally reverse the effects of a stroke...totally. He said the trick was getting a stroke recognized, diagnosed, and then getting the patient medically cared for within 3 hours, which is tough.

RECOGNIZING A STROKE

Remember the '3' steps, STR . Read and Learn!
Sometimes symptoms of a stroke are difficult to identify. Unfortunately, the lack of awareness spells disaster.
The stroke victim may suffer severe brain damage when people nearby fail to recognize the symptoms of a stroke.
Now doctors say a bystander can recognize a stroke by asking three simple questions :

S * Ask the individual to SMILE ..
T * = TALK. Ask the person to SPEAK A SIMPLE SENTENCE (Coherently) (eg 'It is sunny out today').
R * Ask him or her to RAISE BOTH ARMS .

If he or she has trouble with ANY ONE of these tasks, call the ambulance and describe the symptoms to the dispatcher.

NOTE : Another 'sign' of a stroke is
1. Ask the person to 'stick' out their tongue.
2. If the tongue is 'crooked', if it goes to one side or the other that is also an indication of a stroke.

A prominent cardiologist says if everyone who gets this status shares it; you can bet that at least one life will be saved...
original post
read more

Wednesday, February 8, 2012

:):DB-);):):DB-);)কন্টাক্ট লেন্স (চশমার বিকল্প) - একটি অত্যন্ত কাম ওয়ালা পুষ্ট :):DB-)B-);):)

by স্বপ্নচারী সুমন

কন্টাক্ট লেন্স। আমার মত যারা চশমা পছন্দ করেন না, বা চশমা পরতে ভালো লাগেনা, তাদের জন্য এক বিকল্প।

কন্টাক্ট লেন্স কি?

কন্টাক্ট লেন্স বলতে আমরা সাধারনত ডিসপোজেবল সফট কন্টাক্ট লেন্স কেই বুঝি। কেউ কেউ কন্টাক্ট লেন্স ইউজ করে ফ্যাশন এর জন্য। আবার কেউ কেউ চোখের প্রব্লেম এর জন্য। ফ্যাশনাবল লেন্স বলতে কালার লেন্স এর কথা বলা হচ্ছে। এটা মুহূর্তেই আপনার চোখের রং বদলে দিবে।
আজ আপনার চোখ নীল সাগরের মত, তো কাল আবার হ্যাজেল এর মত। কিংবা পরশু ঘোলা ঘোলা।

আর অপ্টিকাল সমস্যার জন্য যে লেন্স ব্যবহার করা হয়, সেগুলাতে পাওয়ার থাকে।
বাংলাদেশে চক্ষু সমস্যার জন্য ডাক্তারেরা সাধারনত স্বচ্ছ লেন্স দিয়ে থাকেন। কারন কালার পাওয়ার যুক্ত লেন্স বাংলাদেশে ভালো ব্র্যান্ড এর পাওয়া যায় না। আর সেগুলা ঠিক সফট আর থাকে না যা আপনার চোখের উপর স্ট্রেস ফেলে। ফলে চোখ গরম হয়ে যায় ২-৩ ঘণ্টা পর ই।


লেন্স পরতে যা যা লাগবেঃ

১-- লেন্স (দুই চোখের জন্যই)
২-- সল্যুশন (এটা একটা তরল যার মাঝে লেন্স ভিজিয়ে রাখতে হয়)
৩-- লেন্স বক্স (বক্স এর মাঝে লেন্স সল্যুশন এ ভিজিয়ে রাখতে হয়)
লেন্স কেনার সময় ই এগুলা সব দিয়ে দেয়া হয়।

ডিসপোজেবল সফট কন্টাক্ট লেন্স এর ব্যাবহার বিধিঃ

লেন্স পরা খুব ই সোজা। প্যাকেট খলার পর লেন্স টি বাম হাতের তালুতে রাখুন। এবার, কিছুটা সল্যুশন ঐ লেন্স এর উপর নিন। ডান হাতের আঙ্গুল দিয়ে লেন্স টি পরিস্কার করুন। সতর্ক থাকবেন, লেন্স টি যেন ছিঁড়ে না যায়। এবার লেন্স টি ডান হাতের তর্জনী তে নিন ঠিক নিচের ছবির মত।

এবার বান হাত দিয়ে টেনে চোখটিকে বড় করুন আর লেন্স টিকে ভিতরে বসিয়ে দিন ডান হাত দিয়ে। শেষ হলে কয়েকবার চোখ বন্ধ করুন আর খুলুন। এভাবে দুচোখেই লেন্স পরুন।
পুরো পদ্ধতিটি নিচের ছবিতে দেখুন-


২য় ছবির ৫ নং পয়েন্ট টা দরকার হয় না।
লেন্স পড়ার আগে অবশ্যই খেয়াল করতে হবে লেন্স টি সোজা আছে কিনা। লেন্স এর দুইটা পার্শ্ব। কোনটা সোজা কিভাবে বুঝবেন? প্রথমে লেন্স টিকে তরজনির উপর রাখুন। এবার নিচের ছবিটি খেয়াল করুন। কোনা গুলো যদি উঁচু হয়ে থাকে তাহলে লেন্স সোজা আছে। আর যদি একটু ঝুলে থাকে, তাহলে লেন্স উল্টা।

এবার চলুন দেখি লেন্স কিভাবে খুলতে হবে। বাম হাত দিয়ে চোখ প্রসারিত করুন। ডান হাতের দুই আঙ্গুল দিয়ে লেন্স টি চাপ দিন দুপাশ থেকে। সেটা আপনার হাতে চলে আসবে। বের করে আনুন। বক্স এর মাঝে রাখুন। বক্স এ সল্যুশন ধেলে দিন। বক্স এর মুখ লাগান। একটানা এক সপ্তাহের বেশি লেন্স বক্স এ ইউজ না করে ফেলে রাখলে, মাঝে মাঝে সল্যুশন পালটাতে হয়। বিস্তারিত নিচের ছবিতে।

অবশ্যই খেয়াল রাখবেন, ডান চোখের লেন্স ডান বক্স এ, আর বাম চোখের লেন্স বাম বক্স এ রাখতে হবে।
লেন্স বক্স এর উপর বাম ডান লেখা থাকে সাধারনত।
ডিসপোজেবল সফট কন্টাক্ট লেন্স সাধারনত সকালে পরতে হয় আবার রাতে খুলে রাখতে হয়। এভাবে প্রতিটি লেন্স ২ মাস পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়। এক প্যাকেট এ প্রতি চোখের ছয়টা করে লেন্স থাকে।

কারা কন্টাক্ট লেন্স পরতে পারবেনঃ

এটার জন্য আপনাকে আপনার চক্ষু বিশেষজ্ঞ এর সাথে কথা বলতে হবে। সাধারনত চোখে ফাঙ্গাস এর ইনফেকশন না থাকলে লেন্স ব্যবহার করা যায়। যাদের চোখের পাওয়ার ০.২৫ থেকে ৮.০০ তারাই লেন্স ইউজ করতে পারবেন।


কোন ব্র্যান্ড এর লেন্স কিনবেনঃ


1. johnson and johnson (বাংলাদেশে যেগুলা পাওয়া যায়,তার মাঝে এটাই বেস্ট )

2. acuvue

3.bausch + lomb

4.biofinity

5. dailies

6. fresh look

7. air optix

8. igel

9. aqua flexi

এছাড়াও আরও অনেক ব্র্যান্ড আছে। কিন্তু ডাক্তার আপনাকে johnson and johnson ই নিতে বলবে।

দাম কেমন?

johnson and johnson এক বছরের জন্য প্রতি চোখের ছয়টা করে লেন্স দাম পড়বে ৪০০০ টাকার মত।

কোথায় পাওয়া যাবেঃ

আপনার চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছেই পাবেন। তবে দাম একটু বেশি লাগবে । নিজে কিনতে চাইলে নিচে্র যেকোনোটিতে যেতে পারেন।


American Optics
120/1, Outer Circular Road , Maghbazar , Dhaka
Telephone : 02-9358879
Anika Monika Optics
Land Mark Shopping Centre , Gulshan-2 , Dhaka
Telephone : 02-9884044
Ankhi Noor Optics
22/12, Tajmahal Road , Mohammadpur , Dhaka
Telephone : 018-19281437
Armani Optics
Level#5, Shop #10-11, Bashundhara City Shopping Mall , Panthapath , Dhaka
Telephone : 017-11188365
Asian Optics
Out Circular Road, Maghbazer , The Grand Plaza, Shop #26/27 , Dhaka
Telephone : 02-8331225 , 019-14244785
Bangladesh Lions Eye Hospital
Begum Rokya Sarani, Lions Bhaban , Agargaon , Dhaka
Telephone : 02-9131990 , 02-9138711 , 02-8110894
Bashundhara Optics
Level #5, Block-D, Bashundhara City , Panthapath , Dhaka
Telephone : 02-8121975
Confidence Optics
319, Govt New Market, Gate#1 , Dhaka
Telephone : 02-8620509
Cornea Optico
101, Momin Road, East of Cheragi Hill , Chittagong
Telephone : 031-614587
Dunhill Optics
Shop #43 (Ground Floor) , Gulshan Pink City , Dhaka
Telephone : 02-8627657
Eye Care Optics
33/1, Baily Complex, Uttara , Dhaka
Telephone : 02-8915933
Eye Dazzler
8, Tajmahal Road , Mohammadpur , Dhaka
Telephone : 011-99097701 , 019-20336000
Eye Place
131/B, Green Road , Jahanara Garden , Dhaka
Telephone : 02-9121911
Eye Point
Level #5, Shop #90, Bashundhara City Shopping Mall , Panthapath , Dhaka
Telephone : 017-26909554 , 019-15231866
Eye View
Level#5, Bashundhara City Shopping Mall , Panthapath , Dhaka
Telephone : 017-2570789
Eye Vision
Uttara Bhaban , Dhaka
Telephone : 02-8914396
Eye Vision
94, New Elephant Road , Dhaka
Telephone : 02-9664035
Islam Optics
25/3, Elephant Road , Dhaka
Telephone : 017-20202213 , 019-14991076
Jubaer Optics & Watch
House #45, Gulshan-1 , Navana Tower, Shop #5 , Dhaka
Telephone : 018-18936957
Kader Optics
104, Capital Market , Farmgate , Dhaka
Telephone : 018-18384018

Kahinur Optics
G/105/106, Suvastu Najar Valley , Shajadpur, Gulshan , Dhaka
Telephone : 017-16372292
Lima Optics
98, Sat Masjid Super Market , Mohammadpur , Dhaka
Telephone : 019-12605444 , 016-71347193
London Optics
Level#5, Shop #37-A, Bashundhara City Shopping Mall , Panthapath , Dhaka
Telephone : 019-12715783
Look
Level#5, Shop #36/37, Bashundhara City Shopping Mall , Panthapath , Dhaka
Telephone : 018-18368129
M/S Nahar Optical Center
284/1, Ibrahimpur, Dhaka Cantonment , Khan Mansion , Dhaka
Telephone : 017-12784467
Mahabub Watch & Optics
2, Raja Super Market, Garden Tower , Zindabazar , Sylhet
Telephone : 017-31534071
Mehbub Optics
13, Green Super Market (1st Floor), Green Road , Dhaka
Telephone : 02-9113851
Modern Vision
28/A, North Kafrul , Dhaka Cantonment , Dhaka
Telephone : 02-9870333
Modern Vision
9, Baily Road, Navana Baily Star , Shop #7, (Ground Floor) , Dhaka
Telephone : 02-9362834 , 019-25865272
Modern Watch & Optics
3, Shukria Market , Zindabazar , Sylhet
Telephone : 017-15238684
Mozaddedi Optic Vision
Shop #2, Rajuk Avenue Center , Nikunja-2, Khilkhet , Dhaka
Telephone : 019-14209970
Nayan Optical
Paradogar, Basher Pool , Demra , Dhaka
Telephone : 017-31461944
New Eye Fashion
Shop #125, Rupayan Center , (Ground Floor), Mohakhali , Dhaka
Telephone : 015-52359878 , 019-14162545
Noor Optics
57/1, Kuril Chowrasta, Progoti Sarani , Kazi Tower , Dhaka
Telephone : 019-14723164 , 015-52343149
Nur Optical
96, West of Laldighi , Chittagong
Telephone : 031-634034 , 031-612353
Optical Center
104, Green Road, Farmgate , Capital Super Market, Shop #4 , Dhaka
Telephone : 02-9127491 , 019-23651150
Optical Centre
3, Elephant Road , Dhaka
Telephone : 02-9663952
Optical Fair
Dhaka New Market , Dhaka
Telephone : 02-8631618
Optical Garden
2, Indira Road, Shop #140 , Shejan Point , Dhaka
Telephone : 017-12117948
Optics Media
Suvastu Najar Valley, (2nd Floor) , Shop #G/81, Shajadpur, Gulshan , Dhaka
Telephone : 017-1568758

RB Watch & Optics
Block-C, Rajdhani Super Market , Shop #157/58, Tikatuli , Dhaka
Telephone : 019-12100354
Rajonigandha Optics
C‐21, Rajonigandha Super Market , Dhaka Cantonment , Dhaka
Telephone : 019-11475647
Ramisa Optics
1/1/C, D. I. T. Road , East Rampura Bazar , Dhaka
Telephone : 02-9360641
Ray Ban Vision
37/1, New Elephant Road , Dhaka
Telephone : 02-8625858
Rony Optics
340, New Market , Dhaka
Telephone : 02-8628696
Runa Optics
103/A, Green Road , Dhaka
Telephone : 02-9119831
S. B Optics
43/44 Mansoor Khan Plaza (1st floor), 148, Chawk Moghaltuli , Dhaka
Telephone : 02-7318199 , 017-12177209
Saifun Optics
Level#5, Shop #10, 11, Bashundhara City Shopping Mall , Panthapath , Dhaka
Telephone : 015-56326250 , 017-15136366
Save Eye
820, Sewrapara, Begum Rokeya Sarani , Mamun Tower, Mirpur , Dhaka
Telephone : 019-15603548
Sikder Optics
Level #5, Shop #70‐71, Bashundhara City Shopping Mall , Panthapath , Dhaka
Telephone : 011-96244730
Standard Watch & Optics
12, Haji Kudrotullah Market , Sylhet
Telephone : 0821-719340
Star Optics
A/2 & A/4, Century Arcade , Maghbazar , Dhaka
Telephone : 02-8331888
Wadud Optics & Co
104, Green Road, Capital Super Market , Shop #6, Farmgate , Dhaka
Telephone : 018-16006961
Westar Optics
11-12, Rob Super Market , Gulshan-2 , Dhaka
Telephone : 02-9884523
Wester Vision
House #45, Gulshan‐1 , Navana Tower, Shop #9 , Dhaka
Telephone : 018-19126737
original post
read more

Monday, February 6, 2012

যদি লম্বা হতে চান.......

লম্বা হতে চাই............. লম্বা হতে চাই....... ছেলে বা মেয়ে সবার মনের বাসনা একই ।যারা বেশ ভালই লম্বা তাদেরও মনে হয় আরও ১-২ ইঞ্চি লম্বা হতে পারলে বেশ ভাল মানাত!আসলে আপনি কতটুকু লম্বা হবেন তা আপনার বংশগতি থেকেই নির্ধারিত হয়।তবে একথাও ঠিক আপনার পূর্বপুরুষেরা লম্বা হলেও আপনি যদি অপুষ্টিতে ভোগেন তবে আপনার বৃদ্ধি ঠিকমত হবে না।আর মানুষের দেহের বৃদ্ধি ঘটে ২৫ বছর বয়স পর্যন্তই।তাই কিশোরকাল থেকেই এ ব্যাপারে লক্ষ্য রাখতে হবে।তিনটি জিনিসের সমন্বয় লম্বা হতে সাহায্য করবে-
১.পুষ্টিকর খাবার
২.নিয়মিত ব্যয়াম
৩.পর্যাপ্ত বিশ্রাম

কি কি থাকতে হবে খাবার তালিকায়:

*মিনারেলস:
পর্যাপ্ত পরিমান বিভিন্ন রকমের মিনারেল আমাদের খাবার তালিকায় রাখতে হবে।আমাদের দেহে প্রতিটি কাজে মিনারেলের ভূমিকা রয়েছে ।হাড়ের গঠন ও বৃদ্ধিতে মিনারেল একান্ত প্রয়োজনীয় উপাদান।বিষেশভাবে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস যেন পরিমান মত গ্রহন করা হয় তা লক্ষ্য রাখতে হবে। দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, ছোট মাছ,খেজুর,বাধাকপি,ফুলকপি, ব্রোকলি,পালং শাক, পুই শাক ইত্যাদিতে ভাল পরিমান ক্যালসিয়াসম আছে।দুগ্ধজাত খাবার,মাছ, মাংস, এমনকি সবজিতেও ফসফরাস আছে।আয়রন পাওয়া যায় খেজুর, ডিমের কুসম,কলিজা,পরুর মাংসে।ম্যাগনেসিয়াম আছে আপেল, জাম্বুরা, ডুমুর,লেবু ইত্যাদিতে।জিন্ক পাওয়া যায় ডিম, সূর্যমূখীর বীচিতে।

*ভিটামিন :
আমাদের প্রয়োজনীয় সব রকমের ভিটামিনই বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি ও ফল থেকে পাওয়া যায়।কিন্তু খাবারের ভিটামিন দেহে কতটুকু গৃহিত হচ্ছে তা বোঝা বেশ কঠিন। তাই বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি ও ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।Vitamin B-1 আছে চীনা বাদাম,লাল চাল,গমে। Vitamin B-2 আছে মাছ, ডিম, দুধে। Vitamin B-6 রয়েছে বাধাকপি, কলিজা, গরুর মাংসে।Vitamin D পাওয়া যায় মাছের তেল, দুগ্ধজাত খবার থেকে।Vitamin E আছে ডিম, সয়াবিন, গমে। Vitamin A আছে ডিমের কুসুম, গাজর,দুধ ,কলিজায়।

*প্রোটিন:
হাড়ের বৃদ্ধির সাথে সাথে মাংস পেশীরও বৃদ্ধি পেতে হবে লম্বা হওয়ার জন্য।আর মাংস পেশির বৃদ্ধি ও মজবুত হওয়ার জন্য প্রয়োজন প্রোটিন।খাবার তালিকায় ভাল মানের প্রোটিন যেমন- মাছ, মাংস, ডিম রাখুন।বিভিন্ন রকমের ডাল,মটরশুটি, সীমের বীচি, কাঠালের বীচি ইত্যাদি থেকেও প্রোটিন পাওয়া যায়।খাবার তালিকায় সয়া প্রোটিন,বিভিন্ন রকমের প্রোটিন সেইক যোগ করতে পারেন।

*কার্বোহাইড্রেট:
অনেকেই লম্বা হওয়ার জন্য কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট জাতীয় খাবার বেশী পরিমানে গ্রহন করে থাকেন। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে, বেশী পরিমান কার্বোহাইড্রেট লম্বা হওয়াকে বাধাগ্রস্থ করে।কারণ বেশী পরিমান কার্বোহাইড্রেট গ্রহন মানে রক্তে বেশী পরিমান গ্লুকোজ।এর ফলে ইনসুলিন নামক হরমোনও নিঃসৃত হবে বেশী।এবং ইনসুলিন দেহের গ্রোথ হরমনের কার্যকারীতা কমিয়ে দেয়।তাই খাবার তালিকায় লাল আটা, লাল চাল, ওট ইত্যাদি রাখুন ময়দা, সাদা আটা, পলিশ চালের পরিবর্তে।

* পানি:
পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান করতে হবে , প্রায় ১.৫ থেকে ২ লিটার দৈনিক।

যেসব কারণে লম্বা হওয়া বাধা পায়:

১.ঘুমের অভাব- দৈনিক ৮ ঘন্টা ঘুমের অভ্যাস তৈরী করুন।Link
২.খেলা-ধূলা না করা-বাস্কেট বল,ভলি বল খেলার অভ্যাস গড়ে তুলুনঅ কিছু stretching exercises ও করতে হবে। যারা নতুন শুরু করছেন তারা প‌্রথমে অল্প কিছু stretch ups, এর পর দড়ি লাফ, এর পর অন্যান্য ব্যায়াম শুরু করুন।
৩.অপুষ্টি- পুষ্টিকর ও সুষম খাবার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
৪.posture ঠিক না থাকা - এ ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপিষ্টের সাহায্য নিতে হবে।

ত্যাগ করতে হবে:

মদ্যপান ও ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। কারণ এগুলো দেহের হরমোনের ব্যালান্স নষ্ট করে।
original post
read more

যদি লম্বা হতে চান.......

লম্বা হতে চাই............. লম্বা হতে চাই....... ছেলে বা মেয়ে সবার মনের বাসনা একই ।যারা বেশ ভালই লম্বা তাদেরও মনে হয় আরও ১-২ ইঞ্চি লম্বা হতে পারলে বেশ ভাল মানাত!আসলে আপনি কতটুকু লম্বা হবেন তা আপনার বংশগতি থেকেই নির্ধারিত হয়।তবে একথাও ঠিক আপনার পূর্বপুরুষেরা লম্বা হলেও আপনি যদি অপুষ্টিতে ভোগেন তবে আপনার বৃদ্ধি ঠিকমত হবে না।আর মানুষের দেহের বৃদ্ধি ঘটে ২৫ বছর বয়স পর্যন্তই।তাই কিশোরকাল থেকেই এ ব্যাপারে লক্ষ্য রাখতে হবে।তিনটি জিনিসের সমন্বয় লম্বা হতে সাহায্য করবে-
১.পুষ্টিকর খাবার
২.নিয়মিত ব্যয়াম
৩.পর্যাপ্ত বিশ্রাম

কি কি থাকতে হবে খাবার তালিকায়:

*মিনারেলস:
পর্যাপ্ত পরিমান বিভিন্ন রকমের মিনারেল আমাদের খাবার তালিকায় রাখতে হবে।আমাদের দেহে প্রতিটি কাজে মিনারেলের ভূমিকা রয়েছে ।হাড়ের গঠন ও বৃদ্ধিতে মিনারেল একান্ত প্রয়োজনীয় উপাদান।বিষেশভাবে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস যেন পরিমান মত গ্রহন করা হয় তা লক্ষ্য রাখতে হবে। দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, ছোট মাছ,খেজুর,বাধাকপি,ফুলকপি, ব্রোকলি,পালং শাক, পুই শাক ইত্যাদিতে ভাল পরিমান ক্যালসিয়াসম আছে।দুগ্ধজাত খাবার,মাছ, মাংস, এমনকি সবজিতেও ফসফরাস আছে।আয়রন পাওয়া যায় খেজুর, ডিমের কুসম,কলিজা,পরুর মাংসে।ম্যাগনেসিয়াম আছে আপেল, জাম্বুরা, ডুমুর,লেবু ইত্যাদিতে।জিন্ক পাওয়া যায় ডিম, সূর্যমূখীর বীচিতে।

*ভিটামিন :
আমাদের প্রয়োজনীয় সব রকমের ভিটামিনই বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি ও ফল থেকে পাওয়া যায়।কিন্তু খাবারের ভিটামিন দেহে কতটুকু গৃহিত হচ্ছে তা বোঝা বেশ কঠিন। তাই বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি ও ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।Vitamin B-1 আছে চীনা বাদাম,লাল চাল,গমে। Vitamin B-2 আছে মাছ, ডিম, দুধে। Vitamin B-6 রয়েছে বাধাকপি, কলিজা, গরুর মাংসে।Vitamin D পাওয়া যায় মাছের তেল, দুগ্ধজাত খবার থেকে।Vitamin E আছে ডিম, সয়াবিন, গমে। Vitamin A আছে ডিমের কুসুম, গাজর,দুধ ,কলিজায়।

*প্রোটিন:
হাড়ের বৃদ্ধির সাথে সাথে মাংস পেশীরও বৃদ্ধি পেতে হবে লম্বা হওয়ার জন্য।আর মাংস পেশির বৃদ্ধি ও মজবুত হওয়ার জন্য প্রয়োজন প্রোটিন।খাবার তালিকায় ভাল মানের প্রোটিন যেমন- মাছ, মাংস, ডিম রাখুন।বিভিন্ন রকমের ডাল,মটরশুটি, সীমের বীচি, কাঠালের বীচি ইত্যাদি থেকেও প্রোটিন পাওয়া যায়।খাবার তালিকায় সয়া প্রোটিন,বিভিন্ন রকমের প্রোটিন সেইক যোগ করতে পারেন।

*কার্বোহাইড্রেট:
অনেকেই লম্বা হওয়ার জন্য কার্বোহাইড্রেট ও ফ্যাট জাতীয় খাবার বেশী পরিমানে গ্রহন করে থাকেন। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে, বেশী পরিমান কার্বোহাইড্রেট লম্বা হওয়াকে বাধাগ্রস্থ করে।কারণ বেশী পরিমান কার্বোহাইড্রেট গ্রহন মানে রক্তে বেশী পরিমান গ্লুকোজ।এর ফলে ইনসুলিন নামক হরমোনও নিঃসৃত হবে বেশী।এবং ইনসুলিন দেহের গ্রোথ হরমনের কার্যকারীতা কমিয়ে দেয়।তাই খাবার তালিকায় লাল আটা, লাল চাল, ওট ইত্যাদি রাখুন ময়দা, সাদা আটা, পলিশ চালের পরিবর্তে।

* পানি:
পর্যাপ্ত পরিমান পানি পান করতে হবে , প্রায় ১.৫ থেকে ২ লিটার দৈনিক।

যেসব কারণে লম্বা হওয়া বাধা পায়:

১.ঘুমের অভাব- দৈনিক ৮ ঘন্টা ঘুমের অভ্যাস তৈরী করুন।Link
২.খেলা-ধূলা না করা-বাস্কেট বল,ভলি বল খেলার অভ্যাস গড়ে তুলুনঅ কিছু stretching exercises ও করতে হবে। যারা নতুন শুরু করছেন তারা প‌্রথমে অল্প কিছু stretch ups, এর পর দড়ি লাফ, এর পর অন্যান্য ব্যায়াম শুরু করুন।
৩.অপুষ্টি- পুষ্টিকর ও সুষম খাবার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
৪.posture ঠিক না থাকা - এ ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপিষ্টের সাহায্য নিতে হবে।

ত্যাগ করতে হবে:

মদ্যপান ও ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। কারণ এগুলো দেহের হরমোনের ব্যালান্স নষ্ট করে।
original post
read more

চোখের নীচের কালো দাগ দূর করতে চাইলে.......

চোখের নীচের কালো দাগ নিয়ে অনেকেই বিব্রত। বিশেষ করে যাদের গায়ের রঙ হালকা তাদের ক্ষেত্রে এর অস্তিত্ব বোঝা যায় বেশ ভালো ভাবে। বাজারে বিভিন্ন রকমের under eye cream পাওয়া যায়। এসব ব্যবহারের আগে অবশ্যই একজন ডার্মাটোলজিষ্টের পরামর্শ নিবেন। আপনার বন্ধু বা আত্মীয় কোন বিশেষ ক্রীম ব্যবহারে উপকার পেয়েছে দেখে আপনিও তা ব্যবহার করা শুরু করবেন না। কারণ তা আপনার জন্য প্রযোয্য নাও হতে পারে।
বাহ্যিক যত্নের পাশাপাশি আপনার খাবার তালিকার দিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে।

চোখের নীচের কালো দাগের কারণ:
১.আমাদের চোখের নীচের ত্বক অপেক্ষাকৃত পাতলা ।বয়স যত বাড়তে থাকে চোখের নীচের ত্বক তত পাতলা হতে থাকে এবং ত্বকের নীচের চর্বির পরিমানও কমতে থাকে।এতে রক্ত নালীগুলো দৃশ্যমান হয় বেশী।যেহেতু ত্বকের উপর দিয়ে রক্ত নালীর রং নীলচে বা অনেকের ক্ষেত্রে কালচে দেখা যায়, তাই সার্বিক ভাবে চোখের নীচ কালো দেখায়।
২.এর সাথে সূর্যরশ্মি যোগ হলে বা রোদে বেশী থাকলে ক্ষতি আরও বেশী হয়।
৩.যাদের বায়ু বাহিত এলার্জী যেমন -ধূলা, ফুলের রেণু ইত্যাদি কারণে এলার্জী হয় তাদের এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়া food allergyও Dark circle কারণ হয়ে দাড়ায় অনেক সময়।
৪.অতিরিক্ত খাবার লবণ ও ধূমপানের কারণে Dark circle দেখা দিতে পারে।
৫.Heart, kidney,liver, thyroid এর বিভিন্ন রোগে Dark circle হতে পারে।
৬.পর্যাপ্ত পরিমান ঘুমের অভাবে।
৭.এনিমিয়ায় আক্রান্ত হলে, অর্থাৎ খাবারে আয়রনের অভাব থাকলে
৮.শরীর পানিশূন্য হলে
৯.Chronic atopic eczema'র কারণে
১০.বংশ গত কারণে

প্রতিকার:

১.প্রচুর পরিমান পানি পান করতে হবে। দিনে কমপক্ষে ১০ গ্লাস।
২.Vitamin A পাওয়া যায় এমন খাবার রাখুন দৈনিক খাবার তালিকায়।Link
৩.Vitamin C Dark circle কমাতে সাহায্য করে। বিশেষত তা যদি রক্ত নালী congestionএর কারণে হয়ে থাকে।
৪.Vitamin K যুক্ত খাবার খেতে হবে।
৫.খাবারে লবণের ব্যবহার সীমিত করতে হবে।
৬.কিছু খাবার যেমন -বিবিন্ন রকমের ডাল, সবুজ/কালো চা,পার্সলে, বিভিন্ন রকমের বেরি জাতীয় ফল Dark circle কমাতে বেশ কার্যকরী।
৭.আয়রনযুক্ত খাবার যোগ করুন দৈনিক মেনুতে।
৮.দৈনিক ৮ ঘন্টা অবশ্যই ঘুমাতে হবে।
৯.যতটুকু সম্ভব মানুসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকার চেষ্টা করুন।
১০.ভালো মানের সানস্ক্রীন ব্যবহার করুন।
original post
read more

ঠোঁটের কালো দাগ দূর করতে ......

by ডোরা রহমান

আধুনিক জীবন-যাপন পদ্ধতি, খাদ্যাভ্যাস এবং বিশেষ কিছু ওষুধ ঠোটের কালো দাগের জন্য অনেকটাই দায়ী।পুরুষ বা মহিলা যে কেউ এ সমস্যায় পরতে পারেন।মহিলারা কসমেটিকস ব্যবহার করে হয়ত এটা লুকাতে পারেন, কিন্তু পুরুষদের তো এই অপসনও নেই।তবে আজকাল কালো দাগ দূর করার জন্য chemical peel, microdermabrasion ইত্যাদি করা হয়। এ ব্যাপারে আপনাকে একজন ডার্মাটোলজিস্ট সাহায্য করতে পারেন। আমি শেয়ার করব, কোন কোন খাবার আপনাকে এই ঝামেলা থেকে মুক্তি দিতে পারে- তা।
১.Vitamin C যুক্ত খাবার খেতে হবে। কারণ Vitamin C দেহে মেলানিনের উৎপাদন কমায়।
২.প্রতিদিন দুধ খেতে হবে। দুধের Lactic Acid এর whitening properties আছে, অর্থাৎ এটি কালো দাগ দূর করতে বিশেষ ভাবে কার্যকরী। এছাড়া দুধ মৃত চামড়া ঝড়িয়ে ফেলতে সাহায্য করে।
৩.Cocoa butter এ antioxidants আছে যা ঠোটকে নরম রাখে এবং দূষন থেকে রক্ষা করে।
৪. লেবুর রসে প্রাকৃতিক bleaching ক্ষমতা আছে । তাই লেবুর রস পান করুন এবং লেবুর রসের সাথে মধু মিশিয়ে ঠোটে লাগান।
৫.প্রচুর পরিমান পানি পান করতে হবে। যা ঠোটকে আদ্র রাখতে সাহায্য করবে। শুষ্কতা ঠোটের কালো দাগের অন্যতম কারণ।
৬.যাদের ঠোটে কালো দাগ রয়েছে তারা কখনই খুব গরম খাবার খাবেন না। খাবার কিছুটা ঠান্ডা করে তারপর খান। কারণ অতিরিক্ত তাপ কালো দাগকে বাড়িয়ে দিতে পারে।
৭. খাবার তালিকায় সবজি ও ফল রাখুর প্রচুর পরিমানে।
৮.বেদেনা বা ডালিমের রস খুবই উপকারী।

তাৎক্ষনিক ভাবে যা আপনাকে ত্যাগ করতে হবে:
১.অতিরিক্ত চা / কফি পান পরিহার করুন।
২.ধুমপান অবশ্যই ত্যাগ করতে হবে।
৩.অতিরিক্ত লিপস্টিক ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
৪.সস্তা লিপস্টিক ব্যবহারে বিরত থাকুন।
৫. রোদে খুব বেশী থাকা যাবে না।
৬.যাদের জিভ দিয়ে ঠোট ভেজানোর অভ্যাস আছে, তাদের তা অবশ্যই পরিহার করতে হবে।

আরও যা করণীয়:
১.সবসময় ঠোট আদ্র রাখতে চেষ্টা করুন। ।এক্ষেত্রে Almond oil, coconut oil, cucumber extract,ভাল মানের lip bum ব্যবহার করতে পারেন্
২. সানস্ক্রীন ব্যবহার করুন।
৩.হালকা রঙের লিপস্টিক ব্যবহার করুন।Link
original post
read more

খুশকি মুক্ত চুলের জন্য.....

শীত আসতে না আসতেই খুশকির ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে অনেককেই।কারো আবার সারা বছরই খুশকি থাকে।বাজারেও আছে খুশকি প্রতিরোধকারী বিভিন্ন শ্যাম্পু, চুলের প‌্যাক,তেল!আছে আর্য়ুবেদিক সমাধানও। আর পার্লার গুলোই বা পিছিয়ে থাকবে কেন! তাদেরও আছে বিভিন্ন হেয়ার ট্রিটমেন্ট।এর ভিতর থেকে অনেক কিছুই আপনি হয়ত ট্রাই করেছেন।কিছুটা সমাধানও হয়েছে, কিন্তু আবার ফিরে এসেছে খুশকি। কেন? কারণ আমরা শুধু বাহ্যিক যত্ন নিয়েই ব্যস্ত,দেহকে ভিতর থেকে পুষ্টি না দিলে বাহিরের সব যত্নই যে বৃথা তা অনেক সময়ই মনে থাকে না।
খুশকি হলে আপনাকে অবশ্যই একজন চর্ম বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে হবে ।সেই সাথে তার কাছ থেকে জেনে নিবেন কোন ধরনের শ্যাম্পু ও চুলের প্রসাধনী আপনি ব্যবহার করতে পারবেন।এরপর নজর দিতে হবে আপনার খাদ্যাভ্যাসের দিকে।

১.সুষম খাবার খেতে হবে।বাসায় তৈরী খাবার যা কম তেলে রান্না করতে হবে।
২.তাজা সবজি ও ফল রাখুন খাবার তালিকায়।
৩.দুধ নিয়মিত খেতে হবে।
৪.Vitamin B 12 চুলের গোড়ায় শক্তি যোগায়।
৫. Vitamin C Scalpএ রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং চুলের বৃদ্ধি ঘটায়
৬.Vitamin E অক্সিজেনের গ্রহন বাড়ায়।
৭.Vitamin B-3 B -5, B-6 চুলের স্বাস্হ্য ও বর্ধনে সাহায্য করে।
৮.Iron চুলের basic health ও strength রক্ষা করে
৯.zinc ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে ও চুলের বৃদ্ধিকে উৎদিপ্ত করে
১০.Folic Acid চুল পরা প্রতিরোধ করে।
১১.বিশেষ কিছু পুষ্টি উপাদান যেমন-zinc, sulfur, biotin, ও selenium এর অভাবে খুশকি দেখা দেয়।সূর্যমুখীর বীচি, মটরশুটি,পালংশাক zincএর ভাল উৎস।বাধাকপি,ফুলকপি,ব্রোকলি থেকে sulfur ও biotin পাওয়া যায়।বাদাম, মাংস থেকে selenium পাওয়া যাবে।
১২. প্রোটিন জাতীয় খাবার খেতে হবে।
১৩.প্রতিদিন flaxseed oil ১ টেবিল চামচ খান। এতে omega-3 fatty acids আছে যা খুশকির হাত থেকে রক্ষা করবে।

খাবার তালিকা থেকে বাদ রাখুন:
১.সাদা আটা /ময়দা
২.অতিরিক্ত চিনি
৩.তেলে ভাজা খাবার
৪.চকোলেট
৫.এলকোহল

ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন, চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলুন আর সেই সাথে আপনার ডায়েট চার্টের দিকেও নজর রাখুন।ফলাফল স্বরুপ পাবেন খুশকি মুক্ত সুন্দর চুল।

original post

read more

হৃদরোগীরা যে খাবারগুলো থেকে দূরে থাকবেন...

হৃদরোগীরা যদি খাবার নিয়ে একটু সচেতন থাকেন,তবে তারা অনেক শারীরিক জটিলতা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে পারবেন।সাধারনত ভুল খাদ্যাভ্যাস আর পর্যাপ্ত শারীরিক শ্রমের অভাবেই হৃদরোগের সুচনা হয়।আর একবার এই রোগে আক্রান্ত হলে আপনাকে বাকিটা জীবন কিছুটা নিয়ম মেনে চলতেই হবে।আপনার খাদ্যাভ্যাস ধীরে ধীরে বদলে ফেলুন এবং কি ধরেনর ব্যায়াম আপনি করতে পারেবন তা আপনার ডাক্তারের কাছ থেকে জেনে নিন। আজকে শেয়ার করব কোন খাবার গুলো আপনি মেনু থেকে বাদ দিবেন,তা।

যে খাবার গুলো বাদ দিতে হবে দৈনিক খাবার তালিকা থেকে:

১.ডিমের কুসুম এবং কুসুম সহ ডিম ব্যবহার করা হয়েছে এমন খাবার।
২.প্রক্রিয়াজাত খাবার যেমন- আলুর চিপস, সসেজ ইত্যাদি।
৩.লবনাক্ত খাবার। সাধারনত প‌্যাকেট জাত খাবারে অতিরিক্ত লবণ থাকে।
৪.লাল মাংস,ননীসহ দুধ ও দুদ্ধজাত খাবার,নারকেল তেল, পাম তেল বাদ দিন । কারন এতে আছে saturated fat।
৫.অতিরিক্ত চিনির ব্যবহার বাদ দিন।
৬.Trans fat যা fast food থেকে সহজেই পাওয়া যায়।
৭.আইসক্রীম। এতেও Trans fat আছে।
৮.ডুবো তেলে ভাজা খাবার।
৯.সাদা আটা /ময়দা
১০.কেক
১১.বেকারি বিস্কুট
১২.খাবার প‌্যাকেটের লেভেলে যদি প্রথম ৫ টি উপাদানের মধ্যে hydrogenated" বা "partially-hydrogenated oil লেখা থাকে তবে ঐ খাবার বাদ দেয়াই উত্তম হবে।

উচ্চ কোলেস্টেরল যুক্ত খাবার

১.ডিমের কুসুম
২.কলিজা
৩.মাখন
৫.চিংড়ি মাছ
৬.Fast Foods
৭.পণির
৮.বিবিন্ন রকমের বেকড খাবার যেমন- বিস্কিট, কুকিস, কেক, ডোনাট ইত্যাদি
৯.গরু ও খাসীর মাংস
১০.মগজ
১১.ননীসহ দুধ
১২.hydrogenated vegetable oils

খাবার তালিকা থেকে উচ্চ কোলেস্টেরল যুক্ত খাবার গুলো বাদ দিন।পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও এসব খাবারের ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করুন।
original post
read more

সুস্থ্য হৃদপিন্ডের জন্য কিছু ডায়েট টিপস.....

by ডোরা রহমান

আজকের দিনে সুস্থ্য হৃদপিন্ড একটি মূল্যবান সম্পদ। আমাদের দেশের প্রায় সব খাবারেই ভেজাল মেশানো হয় , সাথে আছে প্রিজারভেটিবস এর ধাক্কা।এর উপর দৈনিক খাদ্যাভ্যাশটাও যদি অস্বাস্থ্যকর হয় তবে তো আর কথাই নেই।একগাদা রোগে মালিক হয়ে যাবেন অচিরেই। তাই সময় থাকতেই যত্ন নিন হৃদয়ের।

যে খাবার গুলো হৃদপিন্ডকে সুস্থ্য রাখে:
১.Omega-3 fatty acids দেহের জন্য খুব উপকারী। এটা পাওয়া যায় corn, safflower, sunflower ও canola oil ,Almonds,Flaxseed, আখরোট, মাছের তেলে ।
২.Olive, canola oil, চীনা বাদম থেকে পাওয়া যায় monounsaturated fats। যা দেহের জন্য ভাল এবং শরীর সহজেই এটা ভাঙ্গতে ও ব্যবহার করতে পারে।
৩.তাজা ফল ও শাক সবজি দৈনিক খাবার তালিকায় রাখতে হবে। এগুলো থেকে খাদ্য আশঁ পাওয়া যায় যা কোলেস্টেরল কমাতে বিশেষ ভাবে কার্যকরী।
৪.সকালের নাস্তায় উচ্চ আশঁযুক্ত খাবার রাখুন।যেমন- লাল আটার রুটি বা ওট মিল ।
৫.মাঝে মাঝে সকালের নাস্তায় ভিন্ন ধরনের কিছু ট্রাই করতে পারেন। যেমন- লাল চাল, barley, whole-wheat pasta ইত্যাদি।এতে স্বাদে ভিন্নতা আসবে, সেই সাথে আশঁও পাওয়া যাবে বেশি পরিমানে।
৬.প্রতিদিন ১ চামচ Flax seed খাওয়া উচিৎ। Flaxseed মোটা গুড়া করে সালাদের উপর ছিটিয়ে দিন বা সকালে কোন সিরিয়াল খেলে তাতে মিশিয়ে খেতে পারেন।
৭.snack হিসেবে খেতে পারেন তাজা যেকোন ফল বা কাLinkচা সবজি যেমন-শশা, গাজর ইত্যাদি বা ১ মুঠ বাদাম বা whole-grain crackers।
৮.খাবারে বিভিন্ন ধরনের ডাল যোগ করুন।
৯.সীম, মটরশুটি,বরবটি,kidney beans(রাজমা) খেতে পারেন বিভিন্ন ভাবে যেমন-সালাদ বা সুপে দিতে পারেন।
১০.লাল মাংস এড়িয়ে চলুন ।ফার্মের মুরগীতে বেশ ভালো পরিমান চর্বি থাকে,তাই সম্ভব হলে ফার্মের মুরগী এড়িয়ে চলুন অথবা চর্বি ভালভাবে ছাড়িয়ে নিন।
১১. খাবারে বিভিন্ন রকমের মাছ (চিংড়ি ও অন্যান্য সেল ফিস বাদে) রাখুন।

একটু সচেতন ভাবে খাবার নির্বাচন করলেই আমরা একটি সুস্থ্য হৃদপিন্ডের অধিকারী হতে পারবো। :)
original post
read more

হার্ট এটাকের পর করণীয়...(ডায়েট রিলেটেড)

হার্ট এটাকের পর যাবতীয় চিকিৎসা শেষে রোগী হাসপাতাল থেকে যখন বাসায় আসেন তখন শারীরিক ও মানসিক উভয় দিক থেকেই নাজুক থাকেন। তার মনোবল যেন ভেঙ্গে না পরে সেদিকে পরিবারের সদস্যদের নজর রাখতে হবে। সেই সাথে রোগীর খাবার তালিকার দিকেও বিশেষ মনযোগ দিতে হবে।সাধারনত ডাক্তাররা একটা গাইড লাইন দিয়ে দেন। ডাক্তারের পরামর্শ তো অবশ্যই মেনে চলতে হবে, সেই সাথে আরও ছোট খাট কোন বিষয় গুলোতে লক্ষ্য রাখতে হবে তা আজকে শেয়ার করব।

১.হার্ট এটাকের পর প্রথম কয়েক দিন কম ক্যালরীর খাবার দিতে হবে। রোগীর অবস্থার উন্নতির সাথে সাথে ক্যালরীর পরিমান ধীরে ধীরে বাড়াতে হবে। তবে রোগী যদি স্থুল হলে ক্যালরী গ্রহণের পরিমান কম হওয়াই বাঞ্ছণীয়।
২.নিয়ন্ত্রিত পরিমানে ডিম দেয়া যেতে পারে।
৩.ননীবিহীন দুধ দেয়া যেতে পারে, কারণ এতে কোলেষ্টেরল হ্রাসকারী প্রভাব রয়েছে।
৪.Saturated Fat total calorie'র ১০% এর কম খেতে হবে।
৫.মৃদু সোডিয়াম (2 gm/day) অনুমোদন করা হয়েছে।
৬.খাবারে Complex carbohydrate এর পরিমান বাড়াতে হবে।
৭.Refined ও processed sugar গ্রহনের পরিমান কমাতে হবে।
৮.আশঁ জাতীয় খাবার দৈনিক মেনুতে রাখুন।
৯. Omega-3 fatty acid সমৃদ্ধ খাবার যথা সম্ভব খাবার তালিকায় রাখতে হবে।
১০.খাবার নরম ও অল্প পরিমানে বাড়ে বাড়ে দিতে হবে।
১১.যেসব খাবার সহজে হজম হয় না তা বর্জন করতে হবে।
১২.যেসব পানীয়তে ক্যাফেইন আছে তা বাদ দিতে হবে।
১৩.দুধ ছাড়া চা (black tea), পেয়াজ,রসুন, আপেল হৃদরোগ প্রতিরোধে বিশেষ কার্যকরী ।তাই রোগীর খাবারে এসব রাখতে হবে।
১৪.Vitamin A,C,E Antioxidant হিসেবে কাজ করতে পারে।প্রতিদিন ২ serving ফল ও ৩ serving সবজি খেলে Antioxidant এর চাহিদা পূরণ হবে।
১৫.গ্যাস উৎপাদনকারী খাবার বাদ দিতে হবে। কারণ গ্যাস উৎপন্ন হলে হৃদপিন্ডে অতিরিক্ত চাপ পরতে পারে।

সর্বোপরি উদ্ভুত নতুন পরিস্থিতিতে মানিয়ে নিতে পরিবারের সবাইকে সাহায্য করতে হবে।
original post
read more

শক্তিশালী ব্রেইনের জন্য........

ব্রেইন আমাদের দেহের খুবই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। কিন্তু কখনো কি আমরা ব্রেইনের যত্ন নেয়ার কথা ভেবেছি!শুধু অভিযোগ করে যাই "আমার মাথা ঠিকমত কাজ করছে না বা আজকাল আমার কিছুই মনে থাকে না!"অন্যান্য অঙ্গের মত ব্রেইনেরও খাবার, পুষ্টি ও এর্নাজী দরকার।টোটাল বডি এর্নাজীর ২০% ব্রেইন ব্যবহার করে।
তাই আমাদের দৈনিক খাবার মেনু এমন হওয়া উচিত,যেন তা ব্রেইনের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি ও এর্নাজী সরবরাহ করতে পারে।

যে খাবারগুলো রাখতে হবে ডায়েট চার্টে:
১.স্বাস্থ্যকর ফ্যাট- যা ব্রেইন গঠন করবে:
স্বাস্থ্যকর ফ্যাট হল ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড যা ব্রেইনের মেরামত ও নতুন কোষ তৈরীতে সাহায্য করে।এছাড়া এগুলো আপনাকে নতুন কিছু শিখতে আগ্রহী করে এবং মানসিক ভাবে ভাল অনুভব করায়।oleic acid ব্রেইনকে ক্ষীপ্র করে।Olive oil, peanut oil থেকে oleic acid পাওয়া যায়।

২.Antioxidants- যা ব্রেইনকে সুরক্ষা দেয়:
খাবারে Antioxidants এর অভাব থাকলে বয়স বাড়ার সাথে সাথে স্মৃতি শক্তি কমতে থাকে।তাই Antioxidants সমৃদ্ধ খাবারের দিকে নজর দিতে হবে। Antioxidants এর ভাল উৎস হল-সবুজ চা, ব্লুবেরী ও অন্যান্য বেরী জাতীয় ফল, লাল আঙ্গুর, টমেটো,গাজর,রসুন,পালং শাক,whole grains ও সয়া দ্রব্য।

৩.ভিটামিন ও মিনারেলস- ব্রেইনের গঠনকারী ইট:
সুনির্দিষ্ট কিছু ভিটামিন ও মিনারেলস ব্রেইনের গঠনে খুবই প্রয়োজন।ব্রেইনের কাজের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন হল- Vitamins C, B12, and B6।
মিনারেলসের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল-ক্যালসিয়াম ও আয়রন।এসব ভিটামিন ও মিনারেলস নিয়মিত খেতে হবে।

৪.আশঁ - যা ফুয়েল সরবরাহকে নিয়ন্ত্রণ করে:
ব্রেইন শুধুমাত্র গ্লুকোজ থেকেই শক্তি নিতে পারে। রক্তে এই গ্লুকোজের সরবরাহ ধীর ও নিয়মিত রাখতে সাহায্য করে আশঁ জাতীয় খাবার।ভাল পরিমানে আশঁ পাওয়া যাবে :শুষ্ক ফল (কিছমিছ, খেজুর,কালো কিছমিছ), বিভিন্ন রকমের শাক,সবজি,আস্ত ফল (যেমন-আপেল,কমলা,নাসপতি) whole wheat grains (বার্লি, লাল চাল,বিভিন্ন ধরনের whole wheat pastas and cereals)।

৫.পানি- আদ্র রাখবে ব্রেইনকে:
সামান্য পানিশূন্যতাও মানসিক শক্তি কমিয়ে দেয় এবং স্মৃতিশক্তির উপর প্রভাব ফেলে। তাই কমপক্ষে ২.৫-৩ লিটার পানি দৈনিক পান করা উচিত।

৬.কার্বোহাইড্রেট প্রয়োজন:
কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার serotonin এর লেভেল ঠিক রাখে।ঘুমের ধরন, মুড,appetite ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করতে ব্রেইনের কোষ serotonin ব্যবহার করে।
এছাড়া অতিরিক্ত খাবার খাওয়ার ইচ্ছাও নিয়ন্ত্রণ করে serotonin। তাই জটিল কার্বোহাইড্রেট খেতে হবে।

৭.প্রয়োজন নিয়মিত গ্লুকোজ সরবরাহ:
আগেই বলেছি,ব্রেইন শুধুমাত্র গ্লুকোজ থেকেই শক্তি নিতে পারে।আর নিয়মিত খাবার গ্রহন না করলে রক্তে গ্লুকোজ লেভেল কমে যায়। এর ফলে মেমোরী লস হতে পারে। তাই দেখা যায় যারা সকালের নাস্তা বাদ দেয় তাদের স্মৃতি শক্তি দূর্বল হয়।খুব তাড়াতাড়ি গ্লুকোজ পাওয়া যাবে আস্ত ফল থেকে, যেমন- আপেল, কমলা, আঙ্গুর ইত্যাদি।

৮.সীম (Fava Beans):
সীমে খুব ভাল পরিমানে আছে levodopa , আমাদের ব্রেইন levodopa কে dopamine এ রুপান্তরিত করে। dopamine ব্রেইনের বিশেষ কিছু কাজ (concentration, motivation ও movement) নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজন হয়।

৯.Herbs:
Herbs খাবারের স্বাদই শুধু বাড়ায় না, আমাদের চিন্তা-ভাবনায়ও বিশেষ প্রভাব ফেলে।Herbs স্মৃতিশক্তি উন্নত করে, মানসিক দক্ষতা বাড়ায়,মনোযগ বাড়ায়,মানসিক সতর্কতা বাড়ায়।

১০.মাছ:
প্রোটিন হল neurotransmitters তৈরীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। আর neurotransmitters mental performance এর জন্য প্রয়োজন।মাছ হল প্রোটিনের খুবই ভাল উৎস। এছাড়া মাছে আছে essential oils যা ব্রেইনের বর্ধন,সুরক্ষা ও কাজের জন্য প্রয়োজন।

১১.বিভিন্ন রকমের বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবার ,ফুলকপি, ব্রোকলী,বাধাকপি ব্রেইনের জন্য খুবই উপকারী।

ব্রেইনের যত্ন নিন,পুষ্টি যোগান । ব্রেইনও আপনাকে দরকারের সময় প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সাহায্য করবে।
original post
read more

যে খাবার ক্যান্সারের ঝুকি বাড়ায়........

by ডোরা রহমান

বেচে থাকার জন্য খাবার প্রয়োজন আবার অনেক সময় খাবার মৃত্যুরও কারণ হয়ে দাড়ায়।নিয়মিত খাওয়া হয় এমন কিছু খাবার ক্যান্সারের ঝুকি বাড়িয়ে দেয়। আমরা হয়ত তা জানি না অথবা ততটা সচেতন না এই ব্যাপারে।দীর্ঘদিন যাবৎ এসব খাবার খেতে থাকলে তা ক্যান্সার সৃষ্টিতে ট্রিগার করে।

যেসব খাবারে ক্যন্সারের ঝুকি বাড়ে:

১.যেসব খাবারে acrylamide থাকে, যেমন- আলুর চিপস, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই । যখন স্টার্চ জাতীয় খাবারকে তাপ দেয়া হয় তখন acrylamide গঠিত হয়।

২.pickled খাবার digestive tract. এর ক্যান্সারের জন্য দায়ী।

৩.Smoked খাবার ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।smoking process এর সময় খাবারের উপরিতলে polycyclic aromatic hydrocarbons (PAHs) নামক ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান তৈরী হয় যা পাকস্থলীতে টিউমার সৃষ্টি করে।

৪.Grilled বা charcoaled মাংস ক্যান্সার এর কারণ হতে পারে।মাংসের প্রোটিন ও ফ্যাট উচ্চ তাপের সংর্স্পশে আসলে heterocyclic amines উৎপন্ন করে যা এ রোগের জন্য দায়ী। তাই দেখা যায় বার-বি-কিউ বেশী পরিমানে দীর্ঘ দিন খেলে কোলন ক্যান্সার হয়।

৫.সাদা বা পলিস করা যেকোন কিছুই অস্বাস্থ্যকর।যেমন- সাদা আটা, সাদা চাল,সাদা পাস্তা। এছাড়া বেকারী দ্রব্যও ক্ষতিকর, কারণ এগুলো সাদা আটা বা ময়দা দিয়ে তৈরী হয়।প্রক্রিয়াজাত এসব খাবার থেকে খুব বেশী মাত্রায় চিনি রক্তে তাড়াতাড়ি আসে, এছাড়া এ থেকে saturated fatও পাওয়া যায়। এগুলো ট্রিগার হিসেবে কাজ করে।saturated fat ও Trans fats Breast Cancer এর জন্য বিশেষ ভাবে দায়ী।

৬.মাত্রাতিরিক্ত এলকোহল

৭.যেসব খাবার ও পাণীয়তে কৃত্রিম স্বাদ যেমন-aspartame ব্যবহার করা হয়।

৮.অতিরিক্ত কোমল পানীয় বা সোডা

৯.প্রক্রিয়াজাত মাংস যেমন- বেকন,সসেজ ইত্যাদি বেশী খেলে lung, colon, liver, ও esophagus ক্যান্সারের ঝুকি বাড়ে।

১০.যেসব খাবারে preservatives হিসেবে BHT, BHA ব্যবহার করা হয় তা প্রাণিদেহে ক্যান্সার তৈরী করতে পারে।
original post
read more

যে খাবার পেটে গ্যাস তৈরী করে.....

by ডোরা রহমান

এসিডিটির সমস্যাকেই সবাই আমরা পেটে গ্যাসের সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করি। দীর্ঘদিন খাবারে অনিয়মের ফলাফল হিসেবে এসিডিটি দেখা দেয়,এটা ছাড়াও অবশ্য আরও অনেক কারণ আছে।ইদানিং পেটে গ্যাস জমা, পেটে অস্বস্থি,গলায় অস্বস্থি ইত্যাদি সমস্যগুলো বেড়ে গেছে! সাধারনত অতিরিক্ত তৈলাক্ত খাবার পেটে গ্যাস উৎপাদন করে।যেমন দাওয়াত খাওয়া হলে পেটে কিছুটা অস্বস্থি হতে পারে।সেটা যদি সাময়িক হয় তবে ততটা চিন্তার কিছু নেই, ১ টা এন্টাসিড খেলেই হয়। তবে কারও যদি এটা নিত্যদিনের সমস্যা হয় তবে অবশ্যই এ ব্যাপারে সচেতন হতে হবে।
সবার যে একই খাবারে গ্যাস সৃষ্টি হবে তা কিন্তু নয়, একেক জনের একেক খাবারে সমস্যা হয়।তবে কিছু খাবার আছে যা সাধারনভাবে "গ্যাস উৎপাদনকারী" হিসেবে পরিচিত। এ খাবারগুলো হল-
১.শশা
২.মূলা
৩.শালগম
৮.পেয়াজ
৯.মিষ্টি আলু
১০.বাধা কপি
১১.ফুলকপি
১২.ব্রোকলি
১৩.কাচা মরিচ
১৪.গাজর
১৫.সেলারি
১৬.লেটুস
১৭.পেস্তা বাদাম
১৮.বিভিন্ন রকমের পেস্ট্রি
১৯.আইসক্রিম
২০.সালাদ ড্রেসিং
২১.আপেল
২২.কলা
২৩.পিচ
২৪.নাসপতি
২৫.আঙ্গুর
২৬.জাম
২৭.কিছমিছ
২৮.পাউরুটি
২৯.পাস্তা
৩০.ওট / ওট মিল
৩১.পণির
৩২.কৃত্রিম চিনি ব্যবহার করা হয় এমন খাবার
৩৩.সোডা ও কোমল পাণীয়

একজন ব্যক্তির এসব এক বা একাধিক খাবার থেকে পেটে গ্যাস উৎপাদন হতে পারে।তবে একথাও ঠিক এই লিস্টে নেই এমন কোন খাবার থেকেও কারো গ্যাস হতে পারে । আসলে আপনার নিজেকেই খেয়াল রাখতে হবে কোন ধরনের খাবার খেলে আপনার অসুবিধা হচ্ছে এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

লক্ষ্য করুন:এসব খাবার খেলে গ্যাস হয় না, যাদের গ্যাসের সমস্যা আছে তাদের এসব এক বা একাধিক খাবারে সমস্যা হতে পারে।
original post
read more

গ্যাস কমাবে- এমন কিছু ডায়েট টিপস.

by ডোরা রহমান

গ্যাসের সমস্যা অস্বস্থিকর,বিব্রতকর এবং অনেক ক্ষেত্রেই যন্ত্রণাদায়ক।আমাদের দৈনিক খাবার ও পাণীয় পেটে গ্যাস তৈরীতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। এখন দেখা যাক কিভাবে আমরা এর থেকে পরিত্রাণ পেতে পারি!

১.প্রথমে আপনাকে খুজে বের করতে হবে ঠিক কোন খাবারে আপনার গ্যাস হয়। (এর জন্য আপনি দৈনিক কি কি খাবার খাচ্ছেন তা লিখে রাখুন,যেদিন পেটে অস্বস্থি অনুভূত হবে সেদিন তালিকায় দেখুন যে কোন খাবার নতুন যোগ হয়েছে।এক সপ্তাহ সেই খাবার বাদ রাখুন, এর পর আবার খেয়ে দেখুন।যদি সমস্যা হয় তবে বুঝতে হবে এটাই ট্রিগার ফুড)।গ্যাস সৃষ্টিকারী খাবার তালিকা থেকে বাদ দিন।তবে আপনার ডায়েটিশিয়ানের সাথে আলাপ করে জেনে নিন বাদ দেয়া খাবারের পরিবর্তে আপনি অন্য কি খাবেন,যেন পুষ্টি ঘাটতি না হয়।

২.ননীবিহীন দুধ,কমলার রস, সবুজ চা, চাল,চালের গুড়ার কেক,চর্বি ছাড়া মাংস, মুরগী আপনার খাবার তালিকায় যোগ করুন।

৩. যাদের আশযুক্ত সবজিতে গ্যাস হয়, তারা সবজি ভাপিয়ে বা সিদ্ধ করে খাবেন।

৪. খাবার ধীরে ও আস্তে আস্তে চিবিয়ে খাবেন । এতে মুখ দিয়ে কম পরিমান বাতাস পেটে ঢুকবে।

৫.খাওয়ার পর সামান্য হাটাহাটি করবেন। এতে পেটের গ্যাস আপনার সিষ্টেমের মাধ্যমে বের হয়ে যাবে।

৬. প্রচুর তরল খেতে হবে। তরল হজমে সাহায্য করে। পানির পাশাপাশি ফলের রস, ক্লীয়ার সুপ খেতে পারেন।

৭.ইসুবগুল সকালে খালি পেটে খাবেন। (১ গ্লাস পানিতে ১ চা চামচ ইসুবগুল)


৮.খাবার পরিবর্তনের পরও যদি আপনার সমস্যার সমাধান না হয়, তবে আপনার ডাক্তার ও ডায়েটিশিয়ানের সাথে আলাপ করুন।

৯.মনে রাখুন:একেক জনের একেক খাবারে গ্যাস হয়,এবং এই টিপসের ফলাফলও ব্যক্তিবিষেশে ভিন্ন হতে পারে।

যা আপনাকে বাদ দিতে হবে:

১.ধূমপান
২.এলকোহল ও সোডা
৩.শক্ত ক্যান্ডি চিবানো
৪.চুইং গাম চিবানো
৫.কোমল পাণীয়
original post
read more
affiliate program

EARN INCOME FROM YOUR WEBSITE

Turn your valuable web site traffic into income. Work online and join our free money making affiliate program. We offer the most pay-per-click rate to help maximize your cash stream.

Join our income making program absolutely free and 100% risk free.

Sign Up...

A steady income generator

Imagine running of a something that never failed to provide you with cash-flow. A earning money program so amazingly profitable that you never had to look for job ever again!Income while you sleep

CASH WHILE YOU SLEEP

Earn $1,000... $2,000... $5,000...

Turn your website visitors into cash!
You get money for every visitor that clicks on our advertizing. Our goal is to enable you to make as much as possible from your site. We pay monthly, either by check, or through PayPal.

Begin collecting steady partner commissions

Our money making program really can make you income on the same day. Start receiving steady partner revenue with almost no effort at all. This is a serious revenue opportunity, the chance for you to build a steady, reliable, long-time profitable business.

Savings Highway Dream Team Member Site Savings Highway Dream Team Member Site