Showing posts with label Security. Show all posts
Showing posts with label Security. Show all posts

Monday, March 12, 2012

জেনে নিন কিভাবে নিজেকে লুকিয়ে রাখবেন। আপনাকে তো এখন Trace করা কষ্টসাধ্য ব্যাপার

by একটা কথা বলি, ভাল হ্যাকার হোন কিংবা খারাপই হোন, বিনা সতর্কতায় আপনাকে কিন্তু Trace করা সম্ভব, কমবেশি সবাই আমরা তা জানি। শুধু হ্যাকিং কেন, যে কোন জায়গাতেই আপনাকে প্রতিনিয়ত ট্রেস করা হচ্ছে, রেকর্ড করা হচ্ছে Privacy. মেইল হোক, FaceBook হোক, বা কোন ওয়েবসাইট হোক। সবাই আপনার খবরাখবর রাখছে।
আপনি যদি একজন সচেতন ইউজার হোন, তাহলে এধরনের ফালতু বিষয়গুলো সত্যিই আপত্তিকর। এর কারনঃ
১। আপনি কখন ওয়েবসাইট ভিজিট করেছেন, তা বের করা যাবে।
২। আপনার IP (Internet Protocal) Address জানা যাবে। এর দ্বারা আপনি কোথায় অবস্থান করছেন তা জানানো সক্ষম হবে।
৩। হ্যাকাররা আপনার প্রাইভেসি এবং আইপি দ্বারা সহজে আপনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করবে।
৪। এমনকি ইদানীং দেখা যাচ্ছে, অনেক সংস্থা আপনি কম্পিউটারে কি করছেন, তার খবরও রাখতে সক্ষম।
এখন আমার কথা হল, আমি কাউকে কিচ্ছু বুঝতে দেব না, আমি কোন ওয়েবসাইটে গিয়েছি তা জানতে দেব না। ট্রেস করতে দেব না আমার আইপিঁ।
এখন নিশ্চয়ই বলবেন, কেন? IP Hider তো আছে। কিন্তু জেনে রাখুন, এগুলো সেফ নয়, কয়টিই বা ভাল সফটওয়্যার পাবেন। IP Hider প্রক্সি সার্ভার ইউজ করে। চলুন জেনে নিই কয়েক ধরনের Proxy.
বিস্তারিত শ্রেণীবিভাগে যাব না, কারন ভুল তথ্য দেয়ার শখ আমার নেই-
একধরনের Dedicated Server আছে যা সাধারন, প্রায় সকল IP Hiding Soft এটা ইউজ করে। হ্যাঁ, আপনার মূল আইপি দেখা যাবে না, তবে আপনি যে প্রক্সি ইউজ করেছেন তা জানা যাবে। শুধু তাই না, খুব সহজে কর্তৃপক্ষ Header File এর সাহায্যে আপনার মূল আইপি ধরে ফেলবেন, বের করে ফেলবেন আপনি কোথাকার, কখন হ্যাক করেছেন।
চলুন, একটা প্রমান নিয়ে নিই। এটি তাদের জন্য যারা ভাবেন IP Hiding সফট গুলো খুবই কাজের।
ঠিক আছে, আপনার IP Hider Active করুন। আমরা জানি, www.whatismyip.com এ গেলে আপনার আইপি জানা যাবে। সাইটটিতে যান, “আহা কি আনন্দ!। ফেক আইপি দেখাচ্ছে, তার মানে আমি সফল।“ কিন্তু ভাই, আইপিঁ ঠিকানার নিচে দেখেন। সাইট বুক উচুঁ করে দেখাবে, “Possible Proxy Detected: “
হি হি হি! ধইরা ফেলাইছে আপনি প্রক্সি আলা, যখন এ সাইট ধরতে পেরেছে, তখন হেডার ব্যবহার করে আপনার মূল আইপি পাওয়া সম্ভব, যদিও আপনি IP Hider ব্যবহার করছেন!!!!!!
এখন আপনি চান আরো প্রটেকশন, যাতে কেউ কিছুই ধরতে না পারে। তাহলে চলুন জেনে নিই Elite Proxy কী?
Elite Proxy Server এক ধরনের সার্ভার। খুব কম সফট এই ধরনের সার্ভার ইউজ করে (জানামতে হাতে গোনা দুই একটি)। এর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, আপনার IP Hide করবে। শুধু তাই নয়, কাউকে বুঝতে দেবে না যে আপনি প্রক্সি ইউজ করছেন। নিজেকে সাধারন সার্ভার হিসেবে পরিচয় দেবে। অপরপক্ষ ভাববে, আপনি স্বাভাবিকভাবে এসেছেন ও চলে গেছেন, তারা ভাববে ফেক আইপিই আপনার আসল আইপি (যা General IP Hiding সফট এ সম্ভব নয়)।
এখন নিশ্চয়ই ইচ্ছা করছে Elite Proxy নিতে, তাহলে পড়তে থাকুন। তার আগে বলি VPN (Virtual Private Network) সম্পর্কে, ফ্রি VPN সেফ নয়। কেননা এরা User Log জমা রাখে। অপরপক্ষে Paid VPN সুরক্ষিত, কিন্তু ওত টাকা দেয়ার ইচ্ছা আমাদের কাদের আছে???
এখন পরিচয় করিয়ে দিই সম্পূর্ণ ফ্রি এবং লেটেস্ট Security Software – ULTRASURF এর সাথে। পুরো ফ্রি, কিন্তু বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, Elite Proxy Server ইউজ করে। এর ফিচারসমূহঃ
১। কোন ইন্সটলের প্রয়োজন নেই, এমনকি পেন ড্রাইভে নিয়ে যে কোন কম্পিউটারে ইউজ করতে পারবেন।
২। সর্বোর্চ গতি সম্পন্ন সার্ভার বের করে। (স্বাভাবিক হাইডারে সবসময় ফুল স্পিড হয় না)।
৩। IE এর হিস্টোরি ও কুকি নিয়মিত ক্লিয়ার করে।
৪। আইপি লুকিয়ে রাখে, কাউকে জানতে দেয় না যে আপনি প্রক্সি ইউজ করছেন।
৫। ব্যবহার খুবই সহজ, সাইজ মাত্র ১.৫০ মেগাবাইট।
তাহলে চলে যানঃ
এটি একটি জিপ ফাইল, এক্সট্রাক্ট করুন। এটি IE এর জন্য ডিফল্ট। তবে সমস্যা নেই, Mozilla র জন্যও আছে। এজন্য ছোট্ট একটা Add-On লাগবে। সাইটির Support পেজে গিয়ে নিচের দিকে দেখুন, এড অন দেয়া আছে। ডাউনলোড করুন।
এবার .xpi ফাইলটি ফায়ারফক্সে ড্রাগ করে আনুন (যেভাবে ফাইল ফোল্ডার ড্যাগ করেন)। ২-৩ সেকেন্ড পর ইন্সটল শুরু হবে। শেষ হলে FireFox Restart করুন। মূল সফটটি চালু করুন। এবার Options->Toolbar Layout এ যান। এখানে গেলে একটা লিস্টের মত আসবে। নিচের দিকে গেলে UltraSurf এর Add-On আইকন দেখতে পারবেন। আইকনটি টেনে এনে পছন্দ মত স্থানে বসিয়ে দিন।
মূল সফট চালু করলেই নিচের মত দেখতে পাবেন। কানেক্ট হতে দিন। কিন্তু কানেক্ট হলে কিছু করবেন না, বন্ধ করে দিন। একটু আযব লাগলেও এমন্টাই করুন। কম্পিউটার রিস্টার্ট দিন। কাজ শেষ।
মূল সফট চালু করেন, অটো কানেক্ট হবে, ফায়ারফক্স খুলুন। এবার উল্লেখিত আইকনটি ক্লিক করুন, তাহলে UltraSurf চালু হবে। এখন আপনি পুরোপুরি সেফ। এটি যে জটিল কাজ করে, তার প্রমান দিই!
আগের মত www.whatismyip.com এ যান। এবার দেখুন তো, Proxy Detected লেখা দেখাচ্ছে?
samair.ru এ যান। লেখা দেখাবে “Using High Anonymous/Elite Proxy if using”.
www.free-hideip.com এ যান, দেখবেন যে দেখাচ্ছে অন্য একটা দেশ, বাংলাদেশ না।
আর কত প্রমান চাই, বুঝলেন তো UltraSurf এক ধরনের Elite Proxy।
তাহলে নিশ্চিন্তে ব্রাউজ করুন ইন্টারনেট। তবে যদি লুকিয়ে কোন অকাজ করেন, তাহলে দোষ কিন্তু আমার না।
original post
read more

সহজ পাসওয়ার্ড বিপজ্জনক!

by মিশু কুতুবি


এমন সহজ একটা পাসওয়ার্ড দেবো যে কেউ কল্পনাও করতে পারবে না! বিশ্বাস করুন, এমন চালাকি এডগার অ্যালান পো’র গোয়েন্দা গল্পে সম্ভব হতে পারে। বাস্তবে আমেরিকান নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ট্রাস্টওয়েভ বলছে, ইন্টারনেটের সাইটে এমন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা ঠিক নয়, যা সহজেই অনুমান করা যায়। কারণ, হ্যাকাররা প্রাথমিক পর্যায়ে নিরাপত্তা ভাঙ্গতে এইসব কমন পাসওয়ার্ডগুলোই ব্যবহার করে। এটা হ্যাকিংয়ের সহজ কৌশল। বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় পাসওয়ার্ডগুলোর একটি হলো 'password1'। খবর সিএনএনের।

ট্রাস্টওয়েভ এক রিপোর্টে password1 ব্যবহারকারীদের সতর্ক করে দিয়েছে। মাত্র ১০ ঘন্টা পরিশ্রম করেই প্রতিষ্ঠানটি এমন দুই লাখ পাসওয়ার্ডধারী খুঁজে পেয়েছে যারা এই পাসওয়ার্ডটি ব্যবহার করেন। মজার এবং ভয়ের বিষয় হলো কৌশলী পাসওয়ার্ড ভেবে এটি ব্যবহার করলেও এটি এখন কমন হয়ে গেছে।
Link
ট্রাস্টওয়েভ বলছে, নয় অক্ষরের এই পাসওয়ার্ড ব্যক্তিগত তো বটেই, এমনকি ব্যবসাক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হচ্ছে। আর এ কারণে হ্যাকারের সহজ শিকারে পরিণত হচ্ছেন অনেকেই।

ট্রাস্টওয়েভ জানিয়েছে, বিশ্বের মাত্র পাঁচ শতাংশ পাসওয়ার্ডে বৈচিত্র রয়েছে। তাছাড়া সাত অক্ষরের পাসওয়ার্ড আছে ৭০ ট্রিলিয়ন (এক ট্রিলিয়ন=১০ হাজার কোটি)। আর আট অক্ষরের পাসওয়ার্ড আছে ছয় কোয়াড্রিলিয়ন (দশ লাখের চতুর্ঘাত অর্থাৎ একের পর ২৪টি শূণ্য)। নয় অক্ষরের পাসওয়ার্ডকে শক্তিশালী বিবেচনা করা হলেও সেটা সবক্ষেত্রে সঠিক নয় জানিয়ে ট্রাস্টওয়েভ সবাইকে ‘আনকমন’ পাসওয়ার্ড ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে। তারা বলছে, যদি আপনার মনে হয় পাসওয়ার্ডটি অন্য কারো পক্ষে অনুমান করা সম্ভব, তবে অবশ্যই আপনাকে দীর্ঘমেয়াদে সুরক্ষিত অবস্থান নিতে হবে। আরেকটি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ভেরিজনের অনুসন্ধানী রিপোর্টেও ট্রাস্টওয়েভের বক্তব্যের মিল পাওয়া গেছে।
original post
read more

Saturday, March 3, 2012

ক্লিকেই ডলার! নতুন ডিজিটাল প্রতারণা

by আরিফুল ইসলাম আরমান

ঢাকা : একটি প্রিমিয়াম একাউন্টের দাম ৭ হাজার টাকা। তবে আপনি ২ হাজার টাকা দিয়েও শুরু করতে পারেন। প্রতিদিন আপনার একাউন্টে ৫০টি বিজ্ঞাপনের লিংক আসবে। লিংকগুলোতে ক্লিক করলে প্রতিদিন এক ডলার করে পাবেন। এভাবে মাসে ৩০ ডলার।

তবে প্রথম দু’মাস কোনো টাকা পাবেন না। এই দু’মাসে আপনার আয়কৃত ৫ হাজার টাকা প্রিমিয়াম একাউন্টের চার্জ বাবদ কেটে নেয়া হবে। তবে তৃতীয় মাস থেকে আপনি মাসে ২ হাজার ৫শ’ টাকা করে পাবেন।

আপনি যদি আপনার পরিচিত কাউকে দিয়ে আকাউন্ট খোলাতে পারেন তাহলে কমিশন হিসেবে ৫ ডলার পাবেন। এই টাকা বাংলাদেশের যেকোনো ব্যাংক থেকে তুলতে পারবেন।

এভাবেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে মাল্টিলেভেল মার্কেটিং বা এমএলএম পদ্ধতির অপব্যবহার করে দেশে ‘ডিজিটাল প্রতারণা’ চলছে। এই প্রতারণার শিকার হচ্ছেন বেকার তরুণ-তরুণী, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা।

এমএলএম পদ্ধতি অনুসরণ করে যারা নিজেদের বন্ধু ও স্বজনদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলছেন। এই সুযোগে ওয়েবসাইটভিত্তিক নামসর্বস্ব কয়েকটি প্রতিষ্ঠান কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান কোটি কোটি টাকা নিয়ে আত্মগোপনও করেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, ৭ হাজার টাকায় প্রিমিয়াম একাউন্ট খোলার বিপরীতে প্রতিদিন গ্রাহকের ই-মেইল ঠিকানায় ৫০টি বিজ্ঞাপনের লিংক পাঠানো হচ্ছে। এসব লিংকে ক্লিক করে প্রতিদিন আয় হচ্ছে এক ডলার। একজন সদস্য কমপক্ষে ১২ মাস এই পদ্ধতিতে ডলার আয় করতে পারবেন বলে মৌখিকভাবে জানানো হচ্ছে। তবে দেওয়া হচ্ছে না কোনো কাগজপত্র।

এদিকে রাজধানী ও মহানগরীর সীমানা পেরিয়ে এই ডিজিটাল প্রতারণার জাল এখন মফস্বল শহরগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগ সাইট ফেসবুকের অনেক ব্যবহারকারী এখন এই প্রতারণার জাল বন্ধুদের মাঝেও ছড়িয়ে দিচ্ছেন। বাংলা কমিউনিটি ব্লগগুলোতেও চলছে জোর প্রচারণা।

অনেকে পোস্ট দিয়ে বলছেন, ‘প্রিয় বন্ধু, সবাই নিজেদের অতিরিক্ত ব্যয় মেটাতে কিছুটা বাড়তি আয় করতে চান। অনলাইনের মাধ্যমে খুব সহজেই বাড়তি আয় করা সম্ভব। এজন্য সপ্তাহে মাত্র কয়েক ঘণ্টা ব্যয় আর ক্লিক করলেই আপনি ভালো টাকা আয় করতে পারবেন। এটা আপনার জন্য সম্ভব করেছে .... (প্রতিষ্ঠানটির নাম ও ওয়েব ঠিকানা)।’

ফেসবুক ব্যবহারকারী সুমাইয়া মেহজাবিন জানান, এই ধরনের প্রতারকরা আমার প্রোফাইলে প্রতিদিন গড়ে ১০টি করে পোস্ট করে। মেজেস দিয়ে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করে। এ থেকে মুক্তি পেতে ওই সকল ফেসবুক ব্যবহারকারীদের ব্লক করতে হয়েছে।

বর্তমানে এই ডিজিটাল প্রতরণার নেতৃত্বে দিচ্ছে ডুলেন্সার, অনলাইন অ্যাড ক্লিক, পেইড টু ক্লিক, সেফটি ক্লিক, স্কাইলেন্সার, পিটিসি ফর বিডি, অ্যাড সোর্সিং, ক্লিক টু পেইডসহ আরো অনেক ওয়েবসাইটভিত্তিক প্রতিষ্ঠান। যাদের অধিকাংশেরই নেই কোনো প্রতিষ্ঠানিক ভিত্তি বা অফিস।

হোটলে, রেস্টুরেন্ট, বিশ্ববিদ্যালয়, উন্মুক্ত স্থানসহ বিভিন্ন জায়গায় ভ্রাম্যমাণভাবে প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা পরিচালনা করছে প্রতারণা। রাজধানীর ঝিগাতলার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী শফিউল চৌধুরী বলেন, ‘ভার্সিটির’ এক বন্ধুর মাধ্যমে ডুলেন্সারের সদস্য হয়েছি। এখন পর্যন্ত কোনো টাকা পাইনি। আমি আরো কয়েকজনকে সদস্য বানিয়েছি। তারাও টাকা পাচ্ছেন না। শুরুতে বিষয়টা বুঝতে পারিনি। এখন বুঝতে পারছি আমরা প্রতারণার শিকার।’

তবে বাংলাদেশে যে প্রতিষ্ঠানগুলো এই ডিজিটাল প্রতারণার সূচনা করে তাদের মধ্যে সিঙ্গাপুরভিত্তিক স্পিক এশিয়া অনলাইন অন্যতম। কোম্পানিটি ২০১০ সালের ১১ আগস্ট চট্টগ্রামে রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মসে (আরজেএসসি) নিবন্ধিত হয়।

সূত্র জানায়, সাধারণ মাল্টিলেভেল মার্কেটিং কোম্পানির মতোই তারা বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু করে। প্রথমে তারা সপ্তাহে গ্রাহকের ই-মেইলে দু’টি প্রশ্নপত্র পাঠায়। প্রতিটির উত্তরের জন্য দেওয়া হতো ১০ ডলার। এসব প্রশ্নের উত্তরের সঙ্গে নিজের মতামত, পরামর্শ ও পছন্দ জানাতে হতো।

স্পিক এশিয়ার প্রিমিয়াম একাউন্ট খোলার জন্য ২০০ এবং নিবন্ধনের জন্য ২০ ডলার দিতে হতো। সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রায় ১৫ লাখ গ্রাহককে প্রতারিত করে ২৫০ কোটি টাকা নিয়ে চলে গেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ফ্রিল্যান্সার ফেরদৌস বাপ্পি জানান, বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে ডলার আয় ব্যবসা করে অনেকে নিজেকে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে দাবি করছে। কিন্তু এটা কোনোভাবেই ফ্রিল্যান্সিং নয়। যেসব ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এই প্রতারণা করা হচ্ছে সেই সকল ওয়েবসাইটও প্রযুক্তিগতভাবে শক্তিশালী নয়। এমন অনেক সাইট রয়েছে ৫-৬ মাস প্রতারণার পর হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতারক বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মসে (আরজেএসসি) নিবন্ধিত। তবে কোনো প্রতিষ্ঠানই এমএলএম কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধন পায়নি।

বাংলাদেশে রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মসের একটি সূত্র জানায়, বর্তমানে আরজেএসসি থেকে কোনো এমএলএম কোম্পানিকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হচ্ছে না। এমএলএম বিষয়ে নীতিমালা তৈরির পরই এদের নিবন্ধনের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সচেতন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা অবিলম্বে বাংলাদেশে প্রতারক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করে সাধারণ মানুষকে রক্ষা করার দাবি জানিয়েছেন।
original post
read more

Monday, February 20, 2012

বিশ্বের বিপজ্জনক কয়েকটি এয়ারপোর্ট

by যাযাবর নাবিক
বিশ্বের বিপজ্জনক কয়েকটি এয়ারপোর্ট :


১.প্রিন্সেস জুলিয়ানা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (সেন্ট মার্টিন):



পূর্ব ক্যারীবিয় দ্বীপপুঞ্জের ২য় ব্যাস্ততম এয়ারপোর্ট।বিখ্যাত হচ্ছে এর শর্ট ল্যান্ডিং স্ট্রিপ এর জন্য।বড় বিমান গুলি মাহো বিচের ট্যুরিস্টদের মাত্র ১০-২০ মিটার উপর দিয়ে উড়ে গেলেও আজ পর্যন্ত কোন দূর্ঘটনায় পড়েনি।
নিচের ছবিগুলো ফেক মনে হলেও বাস্তব।

২.জুয়াঞ্চো র্যাজস্কুইন এয়ারপোর্ট(সাবা):


ক্যারীবিয় দ্বীপপুঞ্জ সাবার একমাত্র এয়ারপোর্ট।বিমান বিশেষজ্ঞদের কাছে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক এয়ারপোর্টগুলোর একটি। ছোট দ্বীপ সাবার তুলনামূলক বড় অংশই দখল করে আছে এটি। রানওয়ের দুই প্রান্তে ক্রস মার্ক দিয়ে বোঝানো হয়েছে এটি বাণিজ্যিক বিমানের জন্য বন্ধ।


বিপজ্জনক হওয়ার কারণ হচ্ছে এর একপাশে উচু পাহাড় আর তিন পাশে গভীর সমুদ্র।



৩. কোর্কেভেল, ফ্রান্সঃ


কোর্কেভেল হচ্ছে ফ্রান্সের আল্পস পর্বতের পাদদেশে বিখ্যাত স্কি এরিয়া।এর রানওয়ে মাত্র ৫২৫ মিটার লম্বা। এই জন্য এটিকে ১৮.৫ ডিগ্রী ঢালু করে বানানো হয়েছে যাতে উড্ডয়নের সময় পর্যাপ্ত গতি তুলতে পারে।বিখ্যাত ছবি “টুমোরো নেভার ডাইস” এর উদ্বোধনী দৃশ্যেই এটিকে দেখানো হয়েছে।
আজ পর্যন্ত কোন দূর্ঘটনায় পড়েনি।

৪. গুস্তাফ III এয়ারপোর্ট, সেন্ট বার্টঃ


ক্যারীবিয় দ্বীপপুঞ্জ সেন্ট বার্থলেমের একমাত্র এয়ারপোর্ট।দ্বীপ এবং এয়ারপোর্ট দুটোই সুইডিশ রাজা গুস্তাফ III এর নামে নামকরণ করা হয়েছে যার নেতৃত্বে ১৭৮৫ সালে ফ্রান্সের কাছ থেকে দ্বীপ টি সুইডেন নিজের অধিকারে নিয়ে নেয়। পরে আবার ১৮৭৮ সালে দ্বীপ টি ফ্রান্সের কাছে বিক্রি করে দেয় সুইডেন। বিপজ্জনক হওয়ার কারণ হচ্ছে ঊচু পাহাড়ের দিক থেকে এখানে ল্যান্ড করতে হয়। তবে এখানে শুধু ছোট বিমান ল্যান্ড করে।






৫. বারা এয়ারপোর্ট,স্কটল্যান্ডঃ



বারা এয়ারপোর্ট পৃথিবীর একমাত্র এয়ারপোর্ট যেখানে প্লেন বীচের বালুর উপর ল্যান্ড করে।প্রতিদিন জোয়ারের সময় একবার বীচটি ধুয়ে যায়।রাতে পাইলটের দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য গাড়ী পার্ক করে লাইট জ্বালিয়ে রাখা হয়।এয়ারপোর্টটি প্রাকৃতিক ভাবে তৈরী।গ্লাসগো এয়ারপোর্ট থেকে ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ এর বিমান নিয়ে এখানে যাওয়া যায়।





৬.ম্যাডেরিয়া এয়ারপোর্ট, পর্তুগালঃ


এয়ারপোর্ট টি এর ভৌগলিক অবস্থানের জন্য পরিচিত। এর একপাশে ঊচু পাহাড় আর তিন পাশে গভীর সমুদ্র। এর আর্কিটেকচারাল ভিউ এবং ডিজাইন পৃথিবীর সমস্ত এয়ারপোর্ট গুলোর মধ্যে অন্যতম।

৭.লুকলা এয়ারপোর্ট, নেপালঃ


এটার ব্যাপারে আর কিছু বলবোনা, ছবি দেখে বুঝে নিন।
original post
read more

এমন ভুল সবাই করতে পারি। তাই সতর্ক হওয়া উচিৎ।

by বোরহান উদদীন
আসলে এমন ভুল সবাই করতে পারি। তাই এই ভিডিওটি দেখে আমাদের সতর্ক হওয়া উচিৎ।

original post
read more

Wednesday, January 25, 2012

বিখ্যাত সাইট Dolancer নিয়ে আমার কিছু কথা.....

by তারছিড়া..
বেশ কিছুদিন ধরেই এই সাইটের নাম শুনছি.... এতদিন শুধু সবার সাথে এই সাইট নিয়ে মজা করছি... কিন্তু এখন দেখি সবাই যেভাবে এটার সদস্য হচ্ছে তাতে কিছু একটা বলা দরকার।

--> এই সাইট যদি এতই সুপ্রতিষ্ঠিত হয় তাহলে কেন মাত্র ৩৪০ দিন বয়স নিয়ে সাইটে ১২ বছরের সাফল্যর ব্যানার ঝুলিয়ে রেখেছে...???

এই প্রশ্নটা করেছিলাম এই সাইটের একজন সদস্যকে সে বলল আসলে এটা আমেরিকায় ১২ বছর ধরে আছে বাংলাদেশে আসছে ১ বছরের মত। তাই..

শুনে আমি আমেরকিয় তাদের সাইটের ঠিকানা চাইলাম কিন্তু সে দিতে পারে নাই। আমার কথা হল এই মিথ্যাচার করে কি লাভ??
আর যারা সদস্য হচ্ছে তারা কোন কিছু ভালোভাবে না বুঝেই সদস্য হওয়ার জন্য লাফাচ্ছে.. আর এটা যদি এতই ভালো হয় তাহলে ফ্রীল্যান্সার / ওডেস্ক এগুলোর নাম যেমন সবার কাছে শোনা যায়.. এটার নাম ১ বছর আগে শুনি নাই কেন?????

আর একটা কথা সেটা হল আজ রূমে আসার সময় শুনছিলাম এই সাইটের একজন সদস্য মোবাইলে কাউকে এভাবে বোঝাচ্ছে... হ্যা খুবই লাভ প্রতিদিন ১ ডলার বা ৭০ টাকা মাত্র ১-২ ঘন্টা সময় দিতে হবে।

এখন আমার কথা হল যদি এমনি এমনি ২ ঘন্টা দিয়ে ৭০ টাকা পেতাম তাহলে বেশ ভালো হত.. কিন্তু যেখানে আমি ১০০ ডলার বা ৭০০০ হাজার টাকা দিয়ে সদস্য হয়ে প্রতিদিন মাত্র ১ ডলার পাচ্ছি.. সেখানে আমার বিনিয়োগ করা টাকা আমার কাছে আসতে সময় লাগবে ১০০ দিন বা ৩ মাস ১০ দিন... তাহলে এই ১০০ দিনে ২ ঘন্টা শ্রম দিয়ে ২০০ ঘন্টা নষ্ট করে ৩ মাসে প্রায় ১০০০ টাকার মত ইন্টারনেট বিল যে কোনদিক দিয়ে বের হয়ে গেল সেটা একবারও ভেবে দেখল না।

অথচ এই ২০০ ঘন্টা যদি ফ্রীল্যান্স এর পিছে ব্যায় করা হয় আমার বিশ্বাস এর থেকে অনেক ভালো আউটপুট আসবে।

আরো অনেক কিছুই বলার মত ছিল কিন্তু এত লিখতে ভালো লাগছে না,

সবার শেষে মুনির হাসান স্যারের সাথে গলা মিলিয়ে বলতে চাই,
টাকা কামানোর কোন সহজ বুদ্ধি নাই।

কষ্টা করে উপার্জন করুন টাকা হতে আসার পর দেখবেন কত সুখ লাগে মনের ভিতর..... ভাওতাবজি করবেন না আর ভাওতাবাজীতে সহযোগীতাও করবেন না দয়া করে। তাহলে বাংলাদেশে ফ্রীল্যান্স এর সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা জন্মাতে খুব বেশি সময় লাগবে না। ধন্যবাদ সবাই ভালো থাকবেন
original post
read more

Tuesday, January 24, 2012

ব্রডব্যান্ড বাছা পালাবি কোথায়: আসুন হ্যাক করি ব্রডব্যান্ড নেট

by অণুজীব


হ্যাকিং জিনিসটা আসলে অনেক মজার। আসুন শিখে ফেলি কিভাবে ব্রডব্যান্ড নেট হ্যাক করতে হয়। আমার মনে হয় এই পোস্ট টি তাদেরই বেশি কাজে লাগবে যারা ভার্সিটির হলে থাকে কেননা বেশির ভাগ হলেই ব্রডব্যান্ড নেট দেওয়া হয়।

এ্ই হ্যাকিং টা এতো সোজা যে কোনো software লাগেনা। এবার আমরা কাজ শুরু করি।

আমরা যারা ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করি তাদের প্রত্যেকরই একটি করে IP_address এবং MAC_address দেওয়া থাকে। এবার দেখেন IP address কোথায় বসানো হয়.....।

Control Panel>All Control Panel Items>Network and Sharing
Center তারপর নিচের মতো একটি চিএ পাবেন

এখন Local Area Connection এ ক্লিক করুন। তারপর নিচের চিএ মতো কাজ করুন.......


Local Area Connection এ ক্লিক করার পর Local Area Connection status (২) নামক একটি box আসবে । সেই box এ properties (3) নামক একটি option আছে সেটাতে ক্লিক করুন।

properties এ ক্লিক করলে Local Area Connection properties নামক একটি box আসবে। সেই box এ Intenet Protocol Version 4 (Tcp/IPv4) নামক option এ ডাবল ক্লিক করলে Intenet Protocol Version 4 (Tcp/IPv4) properties নামক একটি box আসবে। আর সেখানেই আপনি আপনার IP address পেয়ে যাবেন।

এবার আসি MAC address কিভাবে পাবেন।

আপনি উপরের চিএে ভালোভাবে খেয়াল করুন Local Area Connection properties নামক box এ configure...... নামক option আছে। সেটাতে ডাবল ক্লিক করুন। নিচের চিএ দেখুন


সেখানে advance নামক tab আছে । ওখানে ক্লিক করলে network address নামক option আসবে। address এ ক্লিক করলে আপনি আপনার MAC address পেয়ে যাবেন।

আমাদের IP ও MAC address পাওয়া শেষ। এখন আমরা যদি হ্যাকিং করতে চাই তাহলে আমাদের অন্য আরেক জনের IP ও MAC address জানা লাগবে।
আসুন এখন আমরা শিখি কিভাবে অন্যের IP ও MAC address পাবো।
এজন্য আমাদের একটি সফটওয়্যার লাগবে নিচে আমি সেটার ডাুনলোড লিং্ক দিয়ে দিলাম
netscanner
এটি ডাউনলোড করার পর ইনস্টল করুন। নিচের চিএ দেখুন


কালো দাগ দেও্য়া ঘরে ip range বসিয়ে scannig শুরু করুন।
দেখবেন প্রত্যেকটা ip এর পাশে MAC address দেয়া আছে।

পেয়ে গেলেন অন্যের ip ও MAC address।

এবার অন্যের ip ও MAC address নিজ ip ও MAC address এর ঘরে বসিয়ে দিন । দেখবেন আপনার net connection off থাকলেও on হয়ে যাবে।

***যার ip নিবেন তারই MAC address নিবেন।
*** যার ip ও MAC address নিবেন তার অবশ্যই net connection on থাকা লাগবে।
original post
read more

Monday, January 23, 2012

কিভাবে ইয়াহুতে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করবেন?

আমরা যারা ই-মেইল প্রযুক্তি ব্যবহার করি তাদের প্রতিনিয়ত পাসওয়ার্ড নামক শব্দটার সাথে দেখা করতে হয়। যা আমাদের কাছে অনেকটা সিন্দুকের চাবির মত। যে চাবি হারালে আমার একাউন্টের সমস্ত তথ্য ও তত্ব আটকা পড়তে পারে। অথবা আপনার পাসওয়ার্ড চুরি গেলে খোয়া যেতে পারে আপনার একান্ত গোপনীয় বা প্রয়োজনীয় তথ্য। তাই কি ভাবে ইয়াহুতে আপনার পাসওয়ার্ড পরিবর্তণ করবেন? সেটা হয়তো অনেকের কাছেই আহামরি ব্যাপার। কিন্তু এই আহামরি ব্যাপার কিন্তু খুব একটা আহামরি নয়। যারা জানেন তাদের জানার দরকার নেই যারা জানেন না এই পোস্টটা শুধু তাদের জন্য ।
প্রথম পদক্ষেপঃ আপনার ইয়াহু একাউন্ট ওপেন করুন।
২য়ঃ আপনার লোকেশন আইডিতে ক্লিক করুন।
এরপর এডিট মাই ইনফরমেশন এ ক্লিক করুন।
এরপর পুনরায় আপনার পাসওর্য়াড চাইবে।
এবার চেঞ্জ পাসওয়ার্ড আইকনে ক্লিক করুন।
পুরাতন পাসওয়াড দিন।
এর পর নতুন পাসওয়ার্ড দিন। সব শেষে সেভ করে বেরিয়ে আসুন।
আপনার একাউন্ট থাকবে নিরাপদ।
বিঃদ্রঃ পাসওয়ার্ড চুরি গেছে মনে হলে আপনার পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করে আপনার তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।
original post
read more

আসুন বন্ধ করে দেই ফেসবুক আকাউন্ট হ্যাকের সকল পথ চিরতরে....

by বুড়া মানব
ফেসবুক বর্তমানে খুবই স্পর্শ্শকাতর একটি বিষয়। ফেসবুক আকাউন্ট হ্যাক করে যে কেউ আপনার সর্বনাশ করতে পারে। তাই আসুন ফেসবুক আকাউন্ট হ্যাকের সকল পথ চিরতরে বন্ধ করি।
আপনার ফেসবুক আকাউন্টে লগ ইন করুন।
উপরে ডান কোণায় Account থেকে Account Settings-এ ক্লিক করুন।

Account Security এর Change এ ক্লিক করুন।
নিচের অপশন তিনটি আসবে।
Secure Browsing (https)
Browse Facebook on a secure connection (https) whenever possible


Login Notifications
When an unrecognized computer or device tries to access my account:
Send me an email


Login Approvals
When an unrecognized computer or device tries to access my account:
Require me to enter a security code sent to my phone

সবগুলো অপশন এ টিক মারুন।
সর্বশেষ অপশনে ক্লিক করার পর বাকি কাজ গুলো তাদের দেওয়া direction অনুযায়ী করুন।
এরপর আপনি যখন নতুন কোন কম্পিউটার থেকে আপনার ফেসবুক আকাউন্টে লগ ইন করবেন তখন আপনার মোবাইল এ একটি Security Code যাবে। ঐ Security Code ছাড়া কেউ আপনার Account এ লগ ইন করতে পারবেনা। উপরন্তু অন্য কেউ আপনার ফেসবুক আকাউন্টে লগ ইন করতে চেষ্টা করলে আপনি সাথে সাথে জেনে যাবেন।
original post
read more

আসুন হ্যাক করি ফেসবুক আ্যাকাউন্ট

by অণুজীব
১। প্রথমে http://www.facebook.com এ যান তারপর forgot password
এই লিংকে ক্লিক করুন।


২।এখানে যার প্রোফাইল হ্যাক করবেন তার ইমেইল অথবা ইউজার নেম বসিয়ে দিয়ে search অপশন ক্লিক করুন। যার প্রোফাইল হ্যাক করবেন তার account show করবে। this is my account এই লিংকে এন্টার চাপুন।


৩।এখন যেই পেজ টি আসবে সেখানে “No longer have access to these” এই অপশনে ক্লিক করুন।


৪। তারপর যে পেজ আসবে সেখানে আপনার একটা নতুন ইমেইল আইডি বসাবেন।

ফেসবুক আপনাকে Security question করবে , চিন্তা করার কিচু নাই আপনি ৩ বার ভুল উত্তর দিবেন।

এরপর এই পেজে চলে যাবেন


৫. আপনার আসল হ্যাকিং শুরু হবে এখন । এই পর্যায়ে ফেসবুক ৩ জন ব্ন্ধু সিলেক্ট করতে বলবে। তাই আপনাকে আগেই তিনটি ফেক আ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এবং যার আ্যাকাউন্ট হ্যাক করবেন তাকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠানো লাগবে। ফেসবুক এই ৩ টা আ্যাকাউন্ট এ পাসোর্য়াড কোড পাঠায় দিবে যা কিনা আপনারই ফেক আ্যাকাউন্ট ।
আপনি ৪ নং ধাপে যে ইমেইল টা দিয়েচিলেন সেটাতে ফেসবুক Password Recovery Email পাঠাবে। ব্যাস আপনি পেয়েগেলেন পাসওয়ার্ড।

Note: The victim will be emailed about the password change. So, this method of hacking Facebook account is useful only for those whose victim does not check emails regularly.

*আশা করি কেউ খারাপ কাজে ব্যবহার করবেন না
*তাহলে এই পোস্টের মাধ্যমে শিক্ষা হইল...ভুলেও অপরিচিত ফ্রেইন্ড রিকোয়েস্ট একসেপ্ট করা যাবে... আর করিলে তার ভার বহন তাকেই করিতে হবে...
original post
read more

Sunday, January 22, 2012

দাম্পত্য কলহ এবং সন্তানের ওপর প্রভাব

by নিপাট গর্দভ

আমাদের দেশে বর্তমানে সাইকোলজির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কম-বেশী খোলামেলা আলোচনা হচ্ছে। এটা অত্যন্ত শুভ লক্ষণ। এর মধ্যে অবশ্য আমি খুব বেশী আলোচনা দেখলাম না দাম্পত্য কলহ সন্তানের উপর কি প্রভাব ফেলে তা নিয়ে। তাই নিজেই নেট ঘেঁটে চেষ্টা করছি কিছু লেখার।

প্রথমেই বলা যাক দাম্পত্য কলহ, ডোমেস্টিক ভাওলেন্স ইত্যাদি কি। ইংল্যান্ডের 'রয়্যাল কলেজ অফ সাইকাইয়াট্রিস্ট'-এর মতে, "The term `domestic violence' is used to describe the physical, sexual or emotional (including verbal and financial) abuse inflicted on a man or woman by their partner or ex-partner." ।


ইউনিসেফ-এর একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, "Some of the biggest victims of domestic violence are the smallest"।



ইউনিভার্সিটি অফ নটরদেম-এর একটি রিসার্চ-এ সাইকোলজিস্ট ই. মার্ক কামিংস বলেন, "What we show is that children's emotional security is affected by the relationship between the parents --- not just the child's relationship to the parent"। অর্থাৎ বাবা-মার সাথে সন্তানের সম্পর্ক যতটা গুরুত্বপূর্ণ, বাবা-মার নিজেদের ভিতরকার সম্পর্কও সমান গুরুত্বপূর্ণ।



ইন্ডিয়ান ওমেন্স হেল্‌থ-এর মতে, "Spouses often disagree on one issue or another, which is quite normal. But when they start fighting to resolve their conflicts in front of the children, it leads to a negative impact on kids. Quarrels between parents can cause detrimental (ক্ষতিকারক) effects on children’s emotional and overall health and their relationships with others later in life." (লিংক )

কার্ডিফ ইউনিভার্সিটি-এর ডক্টর গডর্ন হ্যারল্ড বলেন, "Arguing in front of children can cause them serious damage. " (লিংক )

এতগুলি তথ্যের পরে নিশ্চয়ই পাঠক বুঝতে পারছেন পরিস্কারভাবে দাম্পত্য কলহ সন্তানের ওপর যথেষ্ট নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং তা অনেকদিন ধরেই সর্বজন স্বীকৃত। এবার দেখা যাক কি কি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে শিশুর উপরে। আমি এরপরে যা যা লিখছি, তা সবই পূর্বে উল্লেখিত লিংকগুলি হতে।

ইউনিসেফ-এর রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে, "শিশু যারা ​​হিংস্রতা বাড়িতে দেখে, তাদের ভবিষ্যতে অসুবিধা হতে পারে শেখার এবং হতে পারে সীমিত সামাজিক দক্ষতা (অন্যের সাথে মেলামেশার); করতে পারে হিংস্র, ঝুঁকিপূর্ণ বা অপরাধী আচরণ। দেখা যেতে পারে বিষণ্নতা বা তীব্র দুশ্চিন্তায় ভোগা। শিশুদের জীবনের প্রথম দিকের বৎসরগুলিতে তারা হয় বিশেষভাবে অরক্ষিত, অসহায়। গবেষণায় দেখা যায় যে, গার্হস্থ্য সহিংসতা হয় ছোট বাচ্চাদের বাড়িতে আরও ​​বেশী, এবং আরেকটু বয়স্ক শিশুদের বাসায় আরও কম।"

ইংল্যান্ডের 'রয়্যাল কলেজ অফ সাইকাইয়াট্রিস্ট'-এর মতে, "এমন দাম্পত্য সম্পর্ক যেখানে গার্হস্থ্য সহিংসতা হচ্ছে, এই সহিংসতার তিন চতুর্থাংশের সাক্ষী হয় শিশুরা।এই শিশুদের প্রায় অর্ধেকের হয় শারীরিক আঘাত। যৌন ও মানসিক নির্যাতন হওয়ার সম্ভাবনা আরও বেশী এই পরিবারের মধ্যে।"

তারা আরও বলে, "ছোট শিশুরা উদ্বিগ্ন হয়ে উঠে, পেট ব্যাথার অভিযোগ করে অথবা তাদের বিছানা ভিজাতে শুরু করতে পারে। তাদের ঘুম অনিয়মিত হতে পারে, মেজাজ তিরিক্ষি হতে পারে এবং বয়সের তুলনায় আরও ছোট বাচ্চার মত আচরণ শুরু করতে পারে।"

ছেলে আর মেয়েদের সব আচরণই ভিন্ন হয় আমরা জানি। এই ক্ষেত্রেও তা দেখা যায়। "ছেলেরা তাদের মর্মপীড়া আরো বাহ্যিকভাবে প্রকাশ করে। তারা আক্রমনাত্মক এবং অবাধ্য হয়ে যেতে পারে। কখনো কখনো, তারা হিংস্রতার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা শুরু করে, যদি তারা তাদের পরিবারের প্রাপ্তবয়স্কদের আচরণ থেকে এটা শেখে। আরও বয়স্ক ছেলেরা স্কুল পালানো এবং এলকোহল বা ড্রাগ ব্যবহার শুরু করতে পারে।"



মেয়েদের বেলায় যা হয় তা নিয়ে বলা হচ্ছে, "মেয়েরা চেপে রাখে ভিতরে তাদের অস্থিরতা। তাদের অন্যান্যদের থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয় এবং বিষণ্ণ বা হতোদ্যম হয়ে উঠতে পারে। তারা গুরুতরভাবে নিজেদের নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগে ও অস্পষ্ট শারীরিক উপসর্গের অভিযোগ করতে পারে। They are more likely to have an eating disorder, or to harm themselves by taking overdoses or cutting themselves"।




এই ধরণের শিশুরা (ছেলে ও মেয়ে) যথেষ্ট মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও স্কুলে পড়াশোনায় খারাপ করতে পারে। কারণ তারা নিজেদেরকে নিয়ে অনেক 'doubt'-এ ভুগতে থাকে এবং পারিবারিক বিবাদ তাদের মধ্যে অস্থিরতা তৈরি করে, তাই মনঃসংযোগের ঘাটতি তৈরি হয়।

ইন্ডিয়ান ওমেন্স হেল্‌থ ডট কম বলে, "একটা ছোট বাচ্চার পুরো পৃথিবী যে তার মা-বাবা, যারা বিশ্বজগতের তার জন্য কেন্দ্র, তাদের সম্পর্ক যদি স্থিতিশীল ও যুক্তিযুক্ত না হয়, সন্তানের জন্য কিছুই বিশ্বস্ত এবং স্থিতিশীল থাকে না এবং সন্তানের নিরাপত্তার অনুভূতি মরে যায়।"

ইউনিসেফ-এর রিপোর্টটিতে বলা হয়েছে তিনটি বিষয়ঃ

১। There is increased risk of these children becoming victims
of abuse themselves. There is a common link between domestic violence and child abuse.

২। There is significant risk of ever-increasing harm to
the child’s physical, emotional and social development. It can harm the development of their brains and impair cognitive (মস্তিষ্কের) and sensory growth. ... Later in life, these children are at
greater risk for substance abuse (ড্রাগ, অ্যালকোহল), juvenile pregnancy (অকালে গর্ভধারণ) and criminal behavior than those raised in homes without violence.

৩। There is a strong likelihood that this will become a
continuing cycle of violence for the next generation. The single best predictor (ভবিষ্যতের ইঙ্গিত) of children becoming either perpetrators (অপরাধী) or victims of domestic violence later in life, is whether or not they grow up in a home where there is domestic violence. Studies from various countries support the findings that rates of abuse are higher among women whose husbands were abused as children or who saw their mothers being abused.

আরও অনেক চমকপ্রদ তথ্য বেরিয়ে আসে গবেষণায়। যেমন শিশুরা কিন্তু বাবা-মার 'ঠাণ্ডা যুদ্ধ' খুব সহজেই ধরতে পারে। অর্থাৎ মারামারি না করলেও যেই পরিবারে বাবা-মা সহজ কোন সম্পর্ক নিয়ে চলছে না, সেখানেও শিশুর রিস্ক রয়েছে।

কামিংস-এর গবেষণায় তিনি বলেছেন যে, প্রায় ১ বছর বয়স থেকেই শিশু পরিবারের অশান্তি বুঝতে পারে। আবার টিনএজারদের উপরে এই নেতিবাচক প্রভাব আরও বেশী শিশুদের চেয়ে! এমনকি বাবা-মা শিশুদের 'বুঝ' দিয়ে কোন একটা ঝগড়া থামানোর ঘোষণা দিলেও তারা এই মিথ্যা আচরণ সহজেই ধরতে পারে।

আরেকটি লক্ষণীয় ব্যাপার, অনেক শিশুই বাবা-মার ঝগড়া থামাতে নিজেই উদ্যোগী হয়, এটা শুধু তারা করে আতংকিত হয়ে, আর কিছু নয়।

তাহলে বাবা-মা থেকে শুরু করে পরিবারের সবার কি কি করা উচিত? নিচে গবেষকদের সেরকম কিছু প্রস্তাব তুলে ধরা হলঃ

১। শিশুদের সামনে কখনই ভয়াবহ রকমের ঝগড়া-ঝাঁটি করা যাবে না। সেরকম কোন কনফ্লিক্টের আশংকা থাকলে, তাদেরকে নানাবাড়ি, দাদাবাড়ি এ ধরণের কোথাও পাঠিয়ে দেওয়া যায়। তবে এরকম ঘন ঘন হলেও ওই বাড়িগুলো তাদের জন্য নেতিবাচক স্মৃতি হিসাবে জমা থাকবে।

২। গবেষকরা বলেন, কত বেশী ঝগড়া হচ্ছে সেটাও নিয়ামক নয়। বরং দেখা যায়, যেসব বাবা-মা ঝগড়া করে আবার ভালভাবে তা মিটিয়ে ফেলে, সেইসব পরিবারের শিশুদের জন্য এটা আরও পজিটিভ হয়। কারণ তারা বাস্তব জীবন সম্বন্ধে পরিষ্কার ধারণা পায়। তারা বুঝতে শিখে যে, যে কোনও দ্বন্দ্ব শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধান করা যায়। আবার শিশুদের সব ধরণের দ্বন্দ্ব থেকে আগলে রাখলেও তারা ভবিষ্যতে একটি অবাস্তব পৃথিবীর চিন্তা করে বড় হয়, যেখানে কোনও দ্বন্দ্ব নেই। এটাও কিন্তু নেগেটিভ।

৩। যে কোনও ঝগড়ার সময় শিশু আশেপাশে থাকলে অনেক সময় তারা ভাবে, তাদের কোনও আচরণেই বাবা-মা এরকম করছে। তাই যেকোনো ঝগড়া মিটে গেলে তাদেরকে অবশ্যই বোঝাতে হবে যে, তাদের কোনও দোষ ছিল না। আর বাবা-মার এরকম ঝগড়া হয়ই, কিন্তু এটা সাময়িক মাত্র। এতে শিশুর ভিতরে একটা 'সেন্স অফ সিকিউরিটি' গড়ে ওঠে।

৪। আমার আপনার সবার দায়িত্ব আছে এইসব ঘটনা সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে অবগত করার। এ জন্য এই লিংকগুলি শেয়ার করুন। যারা মিডিয়ায় আছেন, তারা চেষ্টা করুন এগুলো ছড়িয়ে দিতে। এমনকি বন্ধু-বান্ধব আত্মীয়দের সাথে এ নিয়ে আলোচনা করুন রেগুলার। কোনও শিশুরই একটি পরিবারে বড় হওয়া উচিত নয়, যেখানে ভয়াবহ দাম্পত্য কলহ তাকে প্রতি মুহূর্তে আতংকিত করে রাখে।

৫। যারা এই লেখা পড়ছেন, আপনিও এই ধরণের পরোক্ষ 'অ্যাবিউজ'-এর শিকার হয়ে থাকতে পারেন। তাই আপনি এমন অনেক আচরণ করতে পারেন, যা আপনার 'সাব-কন্শাস'-এ রয়ে গেছে। কাউন্সেলিং-এ যা করা হয়, তা হল, কাউকে এই আচরণের ব্যাপারে 'কনশাস' করা, তাহলেই একমাত্র এইসব নেতিবাচক আচরণ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়া মেডিটেশন, ভালো সঙ্গীত, এমনকি শুধুমাত্র কোনও নিকট বন্ধুর সাথে এই বিষয়ে কথা বলাও অনেক কাজে দেবে। তবে কোনও প্রোফেসনালের সাহায্য নেয়াই শ্রেয়। আর তা সম্ভব না হলে ইন্টারনেট তো আছেই।

আমরা সবাই জন্মেছি একটি 'ফাঁকা স্লেট' নিয়ে যা হচ্ছে আমাদের মস্তিষ্ক। আমাদের সবারই জীবনের বিভিন্ন ঘটনার মাধ্যমে নিজস্ব সাইকোলজি, চিন্তাভাবনা, আচার-আচরণ গড়ে ওঠে। ভবিষ্যতে সবাই আমরা যেন একটি শিশুর জন্য আনন্দময় শৈশব উপহার দিতে পারি, সে চেষ্টা আমাদের সবারই করা উচিত।



original post
read more

গাড়ির টিপস : ব্রেক ফেল হলে

by সন্দীপন বসু মুন্না


দুর্ঘটনা বস্তুটি এমনই যে এটি বলে কয়ে আসে না! আর গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে এই কথাটি শতভাগ প্রযোজ্য। গাড়ি চালানোর নিরাপত্তার প্রথম শর্তটি হল সকল পরিস্থিতিতেই মাথা ঠাণ্ডা রাখা। যেমন ধরুন , আপনি ৬০ কিলোমিটার বেগে গাড়ি চালাচ্ছেন।
হঠাৎ ব্রেক-এ পা দিয়ে দেখলেন ব্রেক কাজ করছে না !কয়েকবার পাম্প করলেন তারপরও কাজ করছে না। কী করবেন এই পরিস্থিতিতে?

১. প্রথমেই ইমার্জেন্সি লাইট অন করে দিন

২. ম্যানুয়াল গাড়ি হলে গিয়ার কমিয়ে আনুন

৩. তবে একবারে তিন বা পাঁচ নাম্বার থেকে এক নাম্বারে আসবেন না। এতে গিয়ার বক্সের ভেতরে গিয়ার ভেঙে যেতে পারে। তাই ঠাণ্ডা মাথায় পর্যায়ক্রমে তিন থেকে দুই, তারপরে এক নাম্বারে গিয়ার সিলেক্ট করুন।

৪. এক্সিলারেটর থেকে পা পুরোপুরি উঠিয়ে নিন।

৫. গাড়ির গতি কমে এলে স্টার্ট বন্ধ করে দিন এবং আস্তে আস্তে হ্যান্ড ব্রেক টেনে গাড়িকে থামিয়ে দিন।

তবে এই সময় সবচাইতে বড় পরামর্শ হল মাথা ঠান্ডা রাখা। কারণ এই পুরো প্রক্রিয়াটির মাঝখানেই আপনাকে হয়তো সিগন্যাল ভাঙতে হতে বা অন্য থেমে থাকা গাড়িকে পাশ কাটিয়ে যেতে হবে।
original post
read more

Tuesday, January 10, 2012

কিছু ঘটনা (মনে হয় বাস্তবের সাথে মিল)

by জুয়েল রানা (কিসলু)
ঘটনা ১

ইমন কলেজে উঠেই নতুন মোবাইল কিনেছে। আনন্দে তাই সবার ছবি তুলছে।ছোট আপু রুমে শুয়ে শুয়ে বই পরছে, বড় আপু বাথরুম থেকে গোসল থেকে বের হয়েছে এরকম কত মজার ছবি।

-এই কি করিস, এসব ছবি তুলছিস কেন?দেখছিস না আমি রেডি না।
-দারাও না আপু একটু মজা করি……আরে তুলতে দাও না। ক্লিক……।।

কয়েক ঘন্টা পরে…
-কিরে নতুন মোবাইল কিনছস নাকি?
-আরে তুহিন নাকি…।হ দোস্ত।কিনলাম।
-দেখি একটু
-নে
-দোস্ত কয়েকটা গান লই আমার মোবাইলে…
-নে।
আর এভাইবে ট্রান্সফার হয়ে গেল ইমনের পারিবারিক কিছু ছবি।

ঘটনা ২

তুহিনের বোন সামিয়া।মেডিকেলের পুরো ব্যাচ সহ এখন কক্সবাজারে। রাতের পার্টিতে যাওয়ার জন্য রেডি হচ্ছে।

-ওহ সামিয়া, শাড়ী ছারা ওই শর্ট ড্রেসে তোকে যা সেক্সি লাগছে না। দারা তোর একটা ছবি তুলি।
-শিমু, একদম ভাল হবে না বলে দিলাম।
-আরে দ্বারা না……ক্লীক…ক্লীক
-দ্বারা শিমু তাহলে তোরও একটা ছবি তুলি
-তোল
এই নাদিয়া তোরও একটা ছবি তুলি, দেনা? তুই এত মিন মাইন্ডেড কেন বলত?নিজেকে আপগ্রেড কর বুঝলি...।
ক্লীক…ক্লীক
সামিয়া, শিমু, নাদিয়া তিন বান্ধবি হাসতে হাসতে দেখতে লাগল স্বল্প বসনে তাদের ছবি।

শিমুর পিঠা পিঠী বড় ভাই রুমেল বোনের ল্যাপটপ ব্রাউস করতে গিয়ে আবিস্কার করল আনারি ব্যাবস্থাপনায় হিডেন করে সংরক্ষন করা এইসব অর্ধনগ্ন ছবি।শুধুমাত্র বোনের ছবিগূলো বাদ দিয়ে ওর বান্ধবিদের ছবিগুলো চালান করে দিল নিজের পেন ড্রাইভে।

নাদিয়ার বয়ফ্রেন্ড জুনায়েদ
-এই কক্সবাজারে কি কি ছবি তুলেছ দেখাও না নাদিয়া। মোবাইলের গুলোই দেখাও।
-এখন দেখান যাবে না। পারসনাল কিছু ছবি আছে।ওগুলো ডিলেট করে নেই তার পর দেখো।
-আরে আমি পারসনাল ছবি গুলো দেখবনা।যেগুলো তোমার সেগুলো দেখব।
-সত্যি তো
-একদম সত্যি
নাদিয়া জানতেও পারল না ব্লু-টুথ টেকনোলজি ব্যাবহার করে কোন এক ফাকে কয়েকটা ছবি ঠিকই জুনায়েদ ট্রান্সফার করে ফেলেছে শুধু নাদিয়ারগুলো ছারা।

ঘটনা-৩

জুনায়েদের বোন ইমি। ভার্সিটি হলের রুমে ঘুমিয়ে আছে। রুমে এই মাত্র প্রবেশ করলো মিরা।ঘুমন্ত ইমিকে দেখে তার মনে জেগে উঠল প্রতিশোধের আগুন। এই ইমির জন্য সে তার পছন্দের মানুষটিকে পায়নি।দ্বারা ঘুমন্ত অবস্থায় এই আলুথালু বেশের ছবি তুলে সে ছরিয়ে দিবে সব ছেলেদের মধ্যে।ক্লিক…ক্লিক…

-এই বাবু তোর জন্য একটা এক্সলুসিভ জিনিস আনছি।
-কি আনছস মিরা।
-তোমারে ছেকা দেওয়া ইমির হাই প্রোফাইল ছবি।
-দেখি…।দেখেই মাথায় আগুন চাপল বাবুর। এই ইমি তার প্রেমের অফার প্রত্যাক্ষান করে আরেকজনকে ভালবেশেছে। আজকে তার প্রতিশোধ নেয়ার পালা।

হাসছে মিরা।আজ চরম একটা প্রতিশোধ নেয়া গেল।কিন্তু আক্ষেপ একজায়গায়।মিরা ফাজিলটাকে ছবিতে নায়িকাদের মত সেক্সি দেখা যাচ্ছে।তাকেও কি এমন লাগেবে? পরিক্ষা করেই দেখা যাক।বাথরুমের আয়নার সামনে যেয়ে পোশকটা সরিয়ে তুলে ফেলল নিজের একটা ছবি। ভাবল “নাহ আমার ফিগারটাও খারাপ না”
সেদিনই মার্কেটে যাওয়ার সময় মিরার মোবাইলটা ব্যাগসহ চুরি হয়ে গেল!!!

ঘটনা ৪

বাবুর বোন বিন্দু আর দুলাভাই নিয়াজ। আজকে নিয়াজ একটা নতুন ঝকঝকে সাইবার শট মোবাইল কিনেছে।প্রথম দিনেই মাথায় ভুত চাপল তার নিজের ও স্ত্রীর কিছু রগরগে হলিউডি মার্কা ছবি ও ভিডিও তুলবে। বিন্দুর শত আপত্তি সত্তেও রাতে তার ইচ্ছাটা পুরন করলো নিয়াজ। সকালে অফিসটাইম তারাতারি হওয়ায় সিদ্ধান্ত নিল রাতে এসে সব ভিডিও ও ছবি কম্পিউটারে ট্রান্সফার করতে হবে।সারাদিন অফিসে লুকিয়ে লুকিয়ে কিছু ছবি দেখে তার বউয়ের সৌন্দর্য নিয়ে বেশ তৃপ্তি পেল সে। আর সন্ধ্যায় বাসায় আসার সময় ছিন্তাইকারীর হাতে পরে মোবাইল খোয়াল সে!!!!

ইমন,তুহিন, রুমেল,জুনায়েদ, মিরা, বাবু, নিয়াজ কয়েকদিন পর আবিস্কার করল তাদের যার যার বোন বা কাছের মানুষের ছবি কয়েকটি পর্ন সাইটে আপলোডেড অবস্থায়।মাথায় হাত দেয়া ছার কিছুই করতে পারল না তারা।সাইটগুলোতে যত ভিজিটর বাড়তে থাকল তাদের বুকে যেন ততগুলো শেল এসে বিধল।শুধু তা একসাইটে না ছরিয়ে পরল আরো অনেক সাইটে।এমনকি খুব কাছের কিছু মানুষের পিসি বা মোবাইলেও। রুমেল,জুনায়েদ কিছুতেই বুঝে উঠতে পারল না কক্সবাজারের ছবিগুলোতে তাদের বোনদের ছবি আপলোড করল কে । ওগুলোতো তারা আপলোড করে নাই। তবে সবাই তারা একটা কথা বুঝলো যে পাপ তারা অন্যের বোন বা প্রিয়তমার সাথে করেছে সেই পাপ আজ তাদের নিজেদের ঘাড়ে এসে পরেছে।

আর এভাইবেই আমাদের অসচেতনতার জন্য জানা বা না জানা উপায়ে আমাদের প্রিয় মানুষগুলোর ছবি বা ভিডিও চলে যাচ্ছে পর্ন সাইটে আর তার দর্শক হচ্ছে অসংখ্য বিকৃত মস্তিস্কের মানুষ। আপাতত দৃস্টিতে যা আপনার বোন, মা বা প্রিয়তমার ক্ষেত্রে যে ছবিটি শোভন তা অন্যের কাছে হয়ত ভয়াবহ বিকৃত আনন্দের খোরাক।

তাই বলে কি স্বাভাবিক চলাচল বা স্বাভাবিক আনন্দ থেকে নিজেকে বিরত রাখব।না, অবশ্যই না।তাই সবার প্রতি অনুরোধ থাকবে আসুন আমরা সবাই একটু সচেতন হই। আমাদের দেশের সামাজিক রীতিনীতি বা ধর্মীয় অনুশাসনকে পশ্চিমা কালচারের বড়াই করে বুড়ো আঙ্গুল না দেখাই কিংবা অভিহিত না করি “মিন মাইন্ডেড, ব্যাক ডেটেট, ক্ষেত” ইত্যাদি উপমায়। কিংবা জালাতন বা উৎপাত না করি উক্ত অনুশাসন মান্যকারিদের।নিজেরা নিজেরদের আচরন সংযত করি। সবার হয়ত ইমন,তুহিন, রুমেল,জুনায়েদ, মিরা, বাবু বা নিয়াজদের মত অভিজ্ঞতা নাও হতে পারে। তবে হতে কতক্ষন। দেশে ছয়কোটি মোবাইল গ্রাহকের এককোটিও যদি ক্যামেরা মোবাইলে ব্যাবহার করে থাকে তাহলে প্রতি মুহুর্তে আপনাকে আমাকে তারা করে বেরাচ্ছে এককোটি সুযোগসন্ধানি হিডেন ক্যামেরা লেন্স। সুযোগটাযে কখন আসবে............

মূল সমস্যা হোল আজকে আমি মোবাইলে যে ছবি রাখছি তা বেহাত হতে পারে বিভিন্ন কারনে। যেমন আমার মোবাইল ছিনতাই হতে পারে, নষ্ট হলে তা দোকানে দিয়ে আসতে হতে পারে ইত্যাদি। আবার কম্পিউটার নষ্ট হলে তা সার্ভিসিং সেন্টারে দিতে হয়। মূলত এভাবেই মানুষের ব্যক্তিগত মুহুর্তগুলোর ভিডিও/ছবি সর্বত্র ছড়িয়ে পরে আর ভুক্তভোগী মেয়টিকে হয়তো আত্নহত্যার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। খুব সাধারন একটি ভুল বিশাল বিপদের কারন হয়ে দাঁড়ায়...
original post
read more

Tuesday, December 6, 2011

মধ্যপ্রাচ্য- চাকরির প্রতারণা থেকে নিজেকে বাচান- জেনে নিন সঠিক তথ্য!

by saifulchowdury
মধ্যপ্রাচে সবচেয়ে দুর্লভ হল অফিসিয়াল জব। আবার মধ্যপ্রাচে অফিসিয়াল অফিসারের চাহিদা প্রচুর।
বাংলাদেশের ভিসা খুব সহজে পাওয়া যায় না। ।
আমি আগে বলে রাখি আমার এই লিখা শুধু মাত্র যারা অফিসিয়াল জব নিয়ে মধ্যপ্রাচে আসতে চান তাদের জন্য, লেবার জবের জন্য না।
মধ্যপ্রাচে bayt.com, jobsindubai.com সাইট দুটির রেঙ্ক বেশ ভাল।

১. আপনি যদি কোন জবের জন্য নির্বাচিত হন, তবে মধ্যপ্রাচের ওই কোম্পানিই আপনার সাথে যোগাযোগ করবে, তারা টেলিফোন, অথবা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আপনার ইন্টারভিউ নিবে। ।
এ ক্ষেত্রে একাধিক ইন্তারভিউ নিতে পারে।

২. আপনি ইন্টারভিউতে নির্বাচিত হলে আপনাকে তারা আপনার পাসপোর্টের ফটোকপি তাদের মেইলে পাঁঠাতে বলবে।

৩. আপনার পাসপোর্ট নাম্বার বরাবর আপনার জন্য একটি অফার লেটার পাঠাবে আপনার সম্মতির জন্য ।

৪. আপনি এই অফার লেটারটিতে আপনার সাক্ষর দিয়ে, আপনার সম্মতি জানিয়ে অফার লেটারটি পাঁঠাতে হবে।

৫. আপনার সম্মতি পাবার পর কোম্পানি আপনার জন্য ভিসা ইস্যু করবে। ।

৬. আপনার জন্য যে ভিসা ইস্যু হবে তা অবশ্যই আরবিতে হবে। অন্য কোন ভাষায় নয়। আপনি চাইলে ভিসা নাম্বার দিয়ে ইংরেজি অনুবাদ করে নিতে পারেন ওই দেশের সরকারি সাইট থেকে।

৭. আপনার জন্য যে ভিসা ইস্যু হবে তা অবশ্যই লেবার লেভেলে হবে। কারন মধ্যপ্রাচে বাংলাদেশিদের জন্য কোন অফিসার ভিসা ইস্যু হয় না। । আপনি দুই বছর পর কোম্পানিকে বলে অফিসার ভিসা ইস্যু করতে পারবেন।

৮. আপনার ভিসাটি অবশ্যই working-visit visa হবে।

৯. আপনার ভিসা ইস্যু হলে কোম্পানি আপনাকে একটি ফটোকপি পাঠাবে।।

১০. আপনি ভিসার ফটোকপি হাতে পাবার পর, তারাই আপনাকে ফোন করবে, জানতে চাইবে কবে আপনি জয়েন করবেন। আপনার দেয়া সময় অনুযায়ী কোম্পানি আপনার জন্য এয়ার টিকেট বুক করে আপনাকে পাঠাবে।

১১. আপনি আপনার জবে জয়েন করার পর কোম্পানি আপনার মেডিক্যাল টেস্টের ব্যবস্থা করবে। মধ্য প্রাচের সকল দেশ মেডিক্যাল টেস্ট নিজ নিজ দেশে করায়।

১২. এর মানে আপনি আপনার জবে জয়েন করার আগ পর্যন্ত আপনার কোন খরচ নেই, কোম্পানি আপনার সব খরচ বহন করবে। ।

১৩. আপনি জবে জয়েন করার পর কোম্পানি তার খরচ আপনার প্রতি মাসে আপনার বেতন থেকে অল্প অল্প করে কেটে রাখবে। ।

১৪. আপনি জয়েন করার পর কোম্পানি তিন মাসের মধ্য আপনাকে রেসিডেনসিয়াল ভিসা প্রদান করবে।

এবার আসুন দেখে নিই কোম্পানি আপনার থেকে সর্বমোট কত টাকা কেটে রাখবে।
(১ ইউ এ ই রিয়াল = ২০ টাকা, ১ কাতারি রিয়াল= ২১ টাকা, ১ সৌদি রিয়াল = ১৭ টাকা)

মেডিক্যাল বাবদ ১০০-২০০ রিয়াল
ভিসা বাবদ ৩০০-৫০০ রিয়াল
এয়ার টিকেট বাবদ ১৪০০-১৬০০ রিয়াল
এবার আসুন জেনে নিই কেমন খরচ হবে আপনার প্রতি মাসেঃ

খাবার বাবদ প্রতি মাসে =৬০০-৮০০ রিয়াল
আবাসন (ফুল ফার্নিস) (ফ্ল্যাট) প্রতি মাসে = ২৩০০-৫০০০ রিয়াল
আবাসন (ফুল ফার্নিস) (রুম) প্রতি মাসে = ১২০০-২৫০০ রিয়াল
আবাসন (ফুল ফার্নিস) (বেড স্পেস)প্রতি মাসে =৫০০-৭০০ রিয়াল
অনান্য প্রতি মাসে = ২০০-৩০০ রিয়াল

তার মানে আপনি ২৫০০ রিয়ালের নিচে বেতনে চাকরীতে না আসাই ভাল। ।

এবার আসুন জেনে নিই কোম্পানি আপনাকে কি কি সুযোগ সুবিধা প্রদান করবে।
১. নির্দিষ্ট পরিমাণ বেতন
২. আবাসন, ট্র্যান্সপোর্ট, লন্ড্রি
৩. বছরে ২১-৩০ দিনে বাৎসরিক ছুটি যা বেতনভুক্ত।
৪. বছরে ১ বার এয়ার টিকেট, কিছু ক্ষেত্রে তা ২ বছরে ১ বার।
৫. বাৎসরিক ইঙ্ক্রিমেনট

** বলে রাখা ভাল মধ্য প্রাচে প্রমোশন বলে কিছু নেই**
**আপনি চাইলে সুইচ করতে পারবেন তবে তা জয়েন করার ২ বছর পর**

আসুন জেনে নিই কি ধরনের চাকরির চাহিদা মধ্যপ্রাচে বেশিঃ
১. পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ার
২. আইটি ইঞ্জিনিয়ার
৩. সিভিল ইঞ্জিনিয়ার
৪. সেপটি ইঞ্জিনিয়ার
৫. ব্যাংকিং
৬. মার্কেটিং
original post
read more

Wednesday, November 30, 2011

অটোরান ভাইরাস কি করে রিমোভ করবেন (একটি বিরক্তি কর সমস্যার সমাধান)

অটোরান ভাইরাসের সাথে সবার-ই কম বেশি পরিচয় আছে । যাদের কম্পিউটারে এটা প্রবেশ করেছে তারা হয়তো জেনে গেছেন যে এটা কতটা বিরক্তি কর। যখন আপানার কম্পিউটারের ড্রাইভ খোলার চেস্টা করেন ড্রাইভ না খোলে মেসেজ দেই অথবা Open with দেখাই।

এই অটোরান ভাইরাস গুলো আসে সাধারনত এক্সটারনাল ডিভাইস যেমনঃ Pen Drive, External HDD ইত্যাদির মাধ্যমে যখন ফাইল অন্যের কম্পিউটার থেকে আপনার কম্পিউটারে ট্রান্সফার করেন তখন। আপনি একটু সচেতন হলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। যখন কারো কম্পিউটার থেকে আপনার কম্পিউটারে ট্রান্সফার করেন তাখন নিচের মত করে চেক করে নিন এতে কনো অটোরান ভাইরাস আছে কি না।

অটোরান ভাইরাস রিমোভ করতে যা করে করবেন

১-প্রথমে Start-এ ক্লিক করে Run-এ যান অথবা Windows+R ছাপ দিন।

২- তার পর Run-এ CMD টাইপ করে Enter press করোন।

৩-তার পর যে উইন্ডোটা খোলবে সেখানে টাইপ করোন del একটা স্পেস যে ড্রাইভ থেকে অটোরান ভাইরাস রিমোভ করতে চান সেই ড্রাইভ

D:\autorun.*/f/s/q/a তার পর এন্টার। পুরোটা এক সাথে দেখেন
( del d:\autorun.*/f/s/q/a ) তার পর কম্পিউটার Restart করে নিন। দেখেন তো এই সমস্যাটা আর ছে কি না......?

original post

read more

Thursday, November 24, 2011

একসাথে একাধিক প্রেম চালিয়ে যাওয়ার সহজ ও নিরাপদ তরিকা

by আলিম আল রাজি

প্রাক কথনঃ
নেটে পড়ছিলাম হ্যাকিং-এর টিউটোরিয়াল। এক যায়গায় লেখা দেখলাম "হ্যাকিং থেকে বাচার সব চেয়ে কার্যকর উপায় হলো হ্যাকিংটাই শিখে ফেলা।"
কথাটা পড়ার পরেই মনে হলো কম্পিউটার হ্যাকিং এর চেয়েও ভয়াবহ এক রকম হ্যাকিং আছে। সেটা হলো "মন হ্যাকিং"। বলা হয়ে থাকে hacking is not a crime. হ্যা। কম্পিউটার হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে কথাটা যায়। কিন্তু মন হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে এটা যায় না। বরং এই হ্যাকিংটা হচ্ছে পৃথিবীর নিকৃষ্টতম ও জঘন্যতম পাপ।

যাই হোক, অই লাইনটার মতো করে বলি, "মন হ্যাকিং থেকে বাচার সব চেয়ে কার্যকর উপায় হলো নিজেই মন হ্যাকিং শিখে ফেলা"।
এই পোস্ট-টা আসলে লেখা হয়েছে এই দৃষ্টিকোন থেকেই।
তাহলে শুরু করা যাক আমাদের টিউটোরিয়াল।


মালটিপল রিলেশন কি?
উত্তরঃ মান ও হুশ-এর অভাবে একই সময়ে একাধিক ছেলে/মেয়ের সাথে প্রেম চালিয়ে(প্রতারনার সাথে) যাওয়াকে বলা হয়ে থাকে মালটিপল রিলেশন।
উদাহারণঃ মেয়ে ১ প্রেম করছে ছেলে ১ এর সাথে। হঠাৎ করে মেয়ে ১ ছেলে ২ এর সাথে প্রেম করা ডেটিং-এ যাওয়া শুরু করলো। এই অবস্থাকে বলা হয়ে থাকে মাল্টিপল রিলেশন।

কেনো মানুষ মাল্টিপল রিলেশনে জড়ায়ঃ
১। পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার।
২। যথাযথ পারিবারিক শিক্ষার অভাব।
৩। নৈতিক শিক্ষার অভাব।
৪। বিকৃত মানষিকতা।
৫। চারিত্রিক অধঃপতন।

প্রথম ধাপঃ
এই ধাপে আপনাকে কিছু ব্যাপার একদম ঝেড়ে ফেলে দিতে হবে। ব্যাপারগুলো হলোঃ
> আত্মসম্মানবোধ
> মনুষত্ব
> বিবেকবোধ
> মান+হুশ
> লজ্জা



দ্বিতীয় ধাপঃ
এই ধাপে আপনাকে কিছু ব্যাপার অর্জন করতে হবে। ব্যাপারগুলো হলোঃ
> পৈশাচিকতা
> মিথ্যা বলার অপূর্ব ক্ষমতা
> প্রতারণা করতে একটুও কেপে উঠেনা এরকম একটা হার্ট
> অসম্ভবরকম চতুর বুদ্ধি
> কান্নাকাটি করার ক্ষমতা(মেয়েদের ক্ষেত্রে)
> স্ট্রিক্টলি কিছু বলে ফেলার ক্ষমতা(ছেলেদের ক্ষেত্রে)
> অভিনয় করার অপূর্ব গুন।
> ইমোশোনালী ব্ল্যাকমেইল করায় অসম্ভব দক্ষতা।
> ভন্ডামি।

পার্টনার নির্বাচন-
এই ধাপে আপনাকে নিচের সতর্কতাগুলো অনুসরণ করত হবে।
> প্রথমেই নির্বাচন করুন দু-জন ভালো মানুষ।
> কারণ ভালো মানুষরা সবাইকে ভালো মনে করে।
> আপনার মতো কুৎসিত চিন্তাভাবনার কেউ হলে সমস্যা। পার্টনার কুৎসিত/লম্পট হলে আপনার লাম্পট্যও(সরি, আপনার জন্য এর চেয়ে সভ্য কোন শব্দ আমি খোজে পাচ্ছি না) ধরা পড়ার চান্স থাকবে বেশি।




বাড়তি সতর্কতা
> দুজন পার্টনার যাতে একে অপরের পরিচিত না হয়।
> পরিচিত হলে বিরাট বিপদ। এ ক্ষেত্রে এমন ব্যাবস্থা করুন যাতে তাদের দুজনের দেখা বা কথা না হয়।

জটিলতা মোকাবেলা
এই ধাপটা হচ্ছে সব চেয়ে ভয়ংকর ও গুরত্বপূর্ন ধাপ। এই ধাপের নির্ভর করছে অনেক কিছু।
স্বাভাবিকভাবেই দুই পার্টনারের কাছ থেকে শুনবেন অসংখ্য প্রশ্ন। এই ধাপে আপনাকে কমন কিছু প্রশ্ন ও সেইসব প্রশ্নের উত্তর সম্পর্কে ধারণা দেয়া হলোঃ


প্রশ্নঃ ঐ ছেলে/মেয়ের সাথে তোমার এতো কি?
উত্তরঃ ঐ ছেলে/মেয়ে আমার ফ্রেন্ড। বেস্ট ফ্রেন্ড। মহা আপনা বান্ধব।(কন্ঠে কনফিডেন্স ঝরে পড়বে)

প্রশ্নঃ তোমার বয়/গার্ল ফ্রেন্ডের থেকে ঐ ছেলে/মেয়েকে প্রাধান্য দিচ্ছো কেনো?
উত্তরঃ তোমার কারনে আমি একটা ফ্রেন্ডশিপও রাখতে পারবো না? ছিহহহ(হ এর উপর জোর দিন)। তুমি এতো খারাপ? তোমার মন এতো ছোট?(আহা! আপনার মন বিরাট বড়। এক মনে কতোজনকে যায়গা দিতে পারেন। মাশআল্লাহ!)

প্রশ্নঃ ঐ ছেলে/মেয়েকে আমাদের রিলেশনের কথা জানাচ্ছো না কেনো?
উত্তরঃ আমি কেনো তাকে আমার ব্যাক্তিগত ব্যাপারে জানাবো?(উলে বাবা!)

প্রশ্নঃ দুনিয়ার সবাইকে জানাচ্ছো। ওকে জানাতে সমস্যা কি?
উত্তরঃ কান্নাকাটি(কারণ এই প্রশ্নের উত্তর আপনার কাছে নেই)

প্রশ্নঃ ঐ ছেলে/মেয়ের সাথে যোগাযোগ কমাবা?
উত্তরঃ কমাবো।(হা হা!)
স্বাভাবিকভাবেই আপনি যোগাযোগ কমাতে পারবেন না। তখন আবার প্রশ্নের মুখোমুখি হবেন।


প্রশ্নঃ তুমি কাকে চাও? আমাকে না তোমার ফ্রেন্ডকে?
উত্তরঃ ছিহ। তুমি আমাকে সন্দেহ করো? (ন্দ এর উপর জোর দিয়ে)

প্রশ্নঃ প্লিজ, সব কিছু ক্লিয়ার করো। আমি পেইনে আছি।
উত্তরঃ তুমি আমাকে লম্পট/প্রস্টিটিউট মনে করো?(খেয়াল করে দেখুন। আপনি নিজেই কিন্তু নিজেকে লম্পট/প্রস্টিটিউট হিসেবে স্বিকৃতি দিচ্ছেন। হা হা হা)

প্রশ্নঃ ঐ ছেলে/মেয়ের সাথে ফোনে কথা হয় তোমার?
উত্তরঃ নাহ। ওকে আমি ব্লক করবো পরে। টাকা ভরে নেই ফোনে।(আরে ধুর। ব্লক করতে হবে না। টাকা ভরে আবার রোমান্টিক কথোপকথন শুরু করবেন। ব্লক করতে যাবেন কেনো?)


এক পর্যায়ে দুই পার্টনারই আপনাকে চাপ দিবে। ফেসবুক ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে তৃতীয় ছেলে/মেয়েকে বাদ দেয়ার জন্য।
এই ধাপটার আপনার জন্য বড় একটা চ্যালেঞ্জ। আপনি কাকে বাদ দিবেন?
সিদ্ধান্ত নিন নিচের ব্যাপারগুলো উপর ভিত্তি করে।
- কে আপনার জন্য বেশি ডেডিকেটেড?
- কে আপনি যাই করবেন তা মেনে নিবে?
- কে আপনার সব অন্যায় দেখেও বেশিরভাগ সময় বিশ্বাসের উপর জোর দিয়ে ভুলে যায় সব?
- কাকে আপনি সব চেয়ে ইজিলি ইউজ করতে পারেন?
উত্তর যার পক্ষে যাবে তাকেই ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে কাটুন।

পরবর্তিতে যুক্তি দেখানঃ
- এই জানো? আমার ভাইয়া না আমার ফেসবুক মনিটরিং করে।
- তুমি আমাকে লাইফে চাও নাকি ফেসবুকে চাও?
- ছিহ! আমাকে পাওয়ার জন্য ফেসবুক থেকে কাটতে পারবা না? এই তোমার ভালোবাসা?
কি বললেন? জঘন্য মিথ্যা আর প্রতারনার জন্য তীব্র অপরাধবোধ সৃষ্টি হবে? আরে ধুর। "অপরাধবোধ" শব্দটা কেবল মানুষের সাথেই যায়। সৌভাগ্যজনকভাবে আপনি এটা অনুভব করে কষ্ট পাবেন না। কারণ আপনার মাঝে ন্যুনতম মনুষত্বও নেই(সরি টু স্যা)।

মোবাইল সংক্রান্ত ঝামেলাঃ
যেহেতু একসাথে একাধিক প্রেম করছেন তাই বিভিন্ন সময় আপনাকে ফোনে কথা চালিয়ে যেতে হবে। কল ওয়েটিং কিংবা বিজি রাখলে সমস্যা হতে পারে। তাই বিজি ডাইভার্ট করে রাখুন।
এক পার্টনারের সাথে কথা বলার সময় অন্য পার্টনার ট্রাই করবে। পরবর্তিতে প্রশ্নের সম্মুখিন হবেন। সমস্যা নেই। উত্তর আছে রেডিমেইড।
- আরে ধুর! মা ফোন করেছিলেন।
- কথা বলছিলাম ফুপাতো বোনের চাচার ছোট মেয়ের দাদার আপন ছেলের সাথে(প্রায় ঘন্টা খানেক কথা বলছিলেন কিন্তু)
- আমার টিচার ফোন করেছিলেন।
- নোট বুঝে নিচ্ছিলাম।
ইত্যাদি ইত্যাদি...।


ডেটিং সংক্রান্ত ঝামেলাঃ
যেহেতু দুই যায়গায় করছেন প্রেম সেহেতু ডেটিং-এও যেতে হবে। একজনের সাথে ডেটিং-এ যাওয়ার পর অন্যজনকে বুঝ দিতে পারেন এভাবেঃ
- এই আজকে না আব্বুর অফিসে যাবো। তুমি এর মাঝে আমাকে ফোন দিও না।
- এখন যাবো অগ্রনী ব্যাংকে। ওখানে ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত ঝামেলা আছে কিছু আমার।
- একটু শপিং-এ যাচ্ছি।
- বাংলাদেশ ব্যাংকে যাবো। কাজ আছে।

নির্লজ্জ্বতা আর নষ্টামীর সব সীমা অতিক্রম করুন এভাবেঃ
- এক পার্টনারকে বলুন অন্য পার্টনার আপনার রিলেশনে ঝামেলা করছে।
- এক পার্টনারের কাছ থেকে এস এম এস নিয়ে অন্য পার্টনারকে খুশি করুন।
- ফেসবুকে অপেনলি চালিয়ে যান দুইটা প্রেম।
- কেউ কিছু বললে চোখ বন্ধ করে অস্বীকার করুন সব।

আনুসাঙ্গিক ঝামেলা মোকাবেলাঃ
ফেসবুকে আপনার লাম্পট্য দেখবে অনেকেই। পার্টনারের ভাই ব্রাদাররা সেটা দেখে আপনাকে ভালো রকম সন্দেহ করবে। অনেকে বলবে অনেক কথা। আপনার ওসব গায়ে মাখলে চলবে না। হাজার হোক আত্মসম্মানবোধ তো আপনার নেই! যাই হোক এই পরিস্থিতি ট্যাকল করবেন এভাবেঃ
- ও আমাকে এরকম কথা বললো। আমি নাকি দুইটা প্রেম করি। ওকে ব্লক করো।
- তোমার সাথে রিলেশন রাখবো না। তোমার পরিচিতরা আমাকে নিয়ে কথা বলে।
সোজা কথা যতরকম মিথ্যা বলা যায় বলে যেতে হবে।


ইমোশোনাল ব্ল্যাক মেইল
ইমোশোনাল ব্ল্যাকমেইল একটা গুরত্বপূর্ন পর্যায়। এ পর্যায়ে বলতে পারেন নিচের কথাগুলো।
- আমার ভালোবাসা যদি সত্যি হয়ে থাকে তাহলে আমি টেরাকের নিচে লাফ দিমু।
- আজই আমি হাত কেটে ফেলবো। আউউউউউউউউউ... কেটে ফেলেছি তিন চতুর্থাংশ।(এই হাত আবার আপনাকে আবার পরের দিন কাটতে হবে কিন্তু। এক হাত যে কয়বার কাটতে হবে! আল্লাহ মালুম।)
- আমার জ্বর। আহা। উহু। সারারাত তোমার কথা চিন্তা করি।
- আমি কি তোমাকে কম ভালোবাসছিলাম?
- আমি ছাদ থেকে লাফ দেবো।


অভিনয়ঃ
এই ধাপটাও গুরত্বপূর্ন। কারণ যা সত্যি সেটাকে প্রমান করতে হয় না। যা মিথ্যা সেটাকেই প্রমান করতে হয়। আসুন কিছু অভিনয় শিখে নেই।
- আপনি ইচ্ছামতো অন্যের সাথে ডেটিং-এ যাচ্ছেন। সেটা কোন সমস্যা না। কিন্তু আপনার পার্টনারের মাঝে সন্দেহজনক(আসলে সেটা কিছুই নয়, আপনি নিজেও জানেন সেটা। অথবা এমনও হতে পারে, আপনি নিজে যেমন সবাইকে তাই মনে করেন) কিছু দেখলে সেটাকে চেপে ধরুন। তিলকে বানিয়ে ফেলুন তাল। ওটা নিয়ে প্যাচাতে থাকুন। কৃতৃমভাবে হলেও বুঝান "আইলাভু"।
- ফোনে জানান, তোমার দেয়া কষ্ট পেয়ে আমি অসুস্থ হয়ে গেছি। কাল সারা রাত পিজিতে ছিলাম।
- বলুন, তোমাকে ভালোবেসে এই মাত্র ২০ টা ঘুমের অষুধ খেয়েছি(লুলজ)
- পার্টনারকে চাপের মধ্যে রাখার জন্য দিনে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ২৩ ঘন্টাই অসুস্থ থাকার ভান করুন।
- আপনার মেকি প্রেমকে বিশ্বাসযোগ্য করতে জানান, "আমাদের রিলেশনের কথা ফ্যামিলিকে জানিয়েছি"। পার্টনার ভাববে, "বাপ্রে! কি সাংঘাতিক পিরিতি"


ধরা পড়ে যাবার পরে(ধরা দেবেন না কিন্তু; ধরা পড়বেন। আপনি কি এতো বোকা না কি যে ধরা দিবেন? হুহু!)
"এক দিন তুমি পড়বে ধরা রে বন্ধু" এই গানটার মতোই ধরা পড়ে যাবেন একদিন। তখন? আপনার লাম্পট্যের কথা জেনে যাবে সবাই। পরিস্থিতি তখন অনেকটাই আপনার আওতার বাইরে। কি করবেন এখন?

আলাদা আলাদা ভাবে দুই পার্টনারকে সময় দিন।
- (হাউ মাউ করে কান্নাকাটি করে)। আমি পা ফস্কে ফেলেছি। ফিরতে চাই। (মাগনা উপদেশঃ first deserve then desire)
- শেষ পর্যন্ত আমি তোমাকে চাইছিলাম।
- ওর সাথে ডেট-এ গেলেও আসলে আমার চিন্তা চেতনায় কেবল তুমিই ছিলা।

** বিদ্রঃ দুই পার্টনারকেই এটা বলতে হবে। মানে হাতে রাখতে হবে দুইজনকেই।

পার্টনার তখন অনেক সচেতন। সে আর ভুল করতে রাজি না। ইমোশোন হয়েছে অনেক। এবার সে আপনাকে বলতে পারে-
- সরি। এবার ফিরে আসতে চাইলে ঐ ছেলে/মেয়েকে ব্লক করতে হবে। পারবা?
কিন্তু আপনি তো মহা ধুরন্দর। এইবারও পিছলাবেন। বলতে পারেন নিচের কথাগুলো।
- দেখো সেও ভালো ছেলে। তাকে কিভাবে ব্লক করবো?
পার্টনারঃ আচ্ছা তাহলে আমি ঐ ছেলে/মেয়ের সাথে কথা বলবো এবার। সব জানিয়ে আবার তোমাকে ফিরিয়ে নেবো।
- না। (কান্নাকাটি)

দুই যায়গায়ই এই কথোপকথন চালিয়ে যাবেন।


ধরা পড়ে যাবার পর স্বাভাবিকভাবেই চারদিকে ছিঃ ছিঃ রব উঠবে। অনেকেই অনেক কথা বলবে। জাতীয় পত্রিকায়ও হাসাহাসি হতে পারে আপনাকে নিয়ে। এসব শুনে আপনার কুম্ভকর্নের ঘুমে থাকা আত্মসম্মানবোধ হঠাৎ জেগে উঠবে ক্ষনিকের জন্য। অভিমানের স্বরে বলবেনঃ
- ওমুক আমাকে নিয়ে খারাপ কথা বলে। তাই অমুক খারাপ।(আসলে খারাপ কে?)
- তমুক আমার চরিত্র নিয়ে কথা বলে। আমার চরিত্র খারাপ হলেই কি প্রশ্ন তুলতে হবে? তমুকও বদ।
- ছিহ! এভাবে সবাই হাটে হাড়ি ভাঙ্গে?

এক পর্যায়ে পার্টনার অথবা পার্টনারদ্বয় বুঝে যাবে আপনি কি। মুখোশ উন্মোচিত হবে আপনার। আপনার সাথে দুরত্ব সৃষ্টি করবে সে/তারা।

সব শেষে "এই তোমার ভালোবাসা?" বলে আপনি ফুটে যান।
"চোরের মা-র বড় গলা" কথাটাকে মনে করুন। আপনাকেও এমন হতে হবে। গলার সাউন্ড কমানো যাবে না একদম। উচু স্বরের কথা দিয়ে নিজের লাম্পট্যকে ঢেকে রাখার চেষ্টা করে যান।


ও হ্যা। পুংটা ছেলেপেলে আপনাদের মতো মানুষের মুখোশ উন্মোচন করে এরকম পোস্ট দিয়ে দিতে পারে।
পোস্ট দেখে মুখ কুচকে বলুন ছিহ(যথারীতি হ-এর উপর জোর দিয়ে)। তারপর খেয়াল করে দেখুন "ছিহ"টা আপনার দিকেই ছুটে আসছে।
তারপর কনফিডেন্স এর সাথে বলুন "আমার লাইফ নষ্ট করতে পারবে না কেউ"(ফর ইউর কাইন্ড ইনফরম্যাশন, পচা আলুকে আর পচানো যায় না। সুতরাং কেউ আপনার লাইফ নষ্ট করছে না। বরং এই পোস্টটাকে ধরে নিন পচা আলুর জন্য এক বোতল ফরমালিন হিসেবে)

উপরের পুরো প্রক্রিয়া কারো কৃতকর্মের সাথে সম্পুর্ন বা আংশিক মিলে গেলে ঐ পারভার্টের কুৎসিত মুখ বরাবর থাকলো আমার মুখের এক দলা থু থু।
original post
read more

Microsoft এর অ্যান্টি ভাইরাস

by আবুসু িফয়ান

আপনার মাইক্রোসফট os যদি ওরিজিনাল হয় তবে , আপনি Microsoft security essentials অ্যান্টি ভাইরাসটি ব্যবহার করতে পারবেন। এটা আপনি মাইক্রোসফট এর সাইট থেকে অথবা এখান থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন।
এবার আমাকে একটু মতামত দিন তো- আগে আমি অ্যাভাস্ট ব্যবহার করতাম, এখন এটা করি। কোনটা ভালো? ( আমার কাছে দুটোই মনে হচ্ছে best)


original post
read more

Wednesday, November 23, 2011

HTML Code কে Encrypt করুন । আপনার site এর Source Code চুরি / নকল হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করুন ।

by

আপনাদের কে HTML Encrypt Tool এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিব, যেটি আপনার সাইট এর html code কে এমন ভাবে Encrypt করবে যে কেউই আপনার html code কে বুঝতে পারবেনা । এই tool টা তাদের জন্য খুব কার্যকরী যারা তাদের site এর Source Code কে অন্যের দেখা/কপি করা থেকে বিরত রাখতে চায় । এই tool দ্বারা Encrypt কৃত html code যেকোনো web browser আবার ঠিকই পরতে পারে । সুতরাং এই tool আপনার HTML Code এর privacy রক্ষায় শতভাগ কার্যকরী । এই tool টি আপনার HTML Code কে JavaScript এ রুপান্তরিত করে, তাই কেউই HTML Code কে বুঝতে পারে না ।

নিচের একটি উদাহারন দেখুন -

HTML Code Before Encrypt -

HTML Code After Encrypt -

তাহলে এই tools টির কার্যকারিতা বুঝতেই পারছেন । Tools টি use করতে হলে visit করুন - HTML Encrypter এই লিঙ্ক এ ।
original post
read more

Wednesday, November 16, 2011

কিভাবে Liberty Reserve হ্যাক থেকে বাঁচবেন

অনেকেই ইদানিং অভিযোগ করছেন তাদের বা তাদের বন্ধুদের Liberty Reserve অ্যাকাউন্ট নাকি হ্যাক হয়েছে।
তাই এই পোস্টটি করলাম কিভাবে আপনার Liberty Reserve অ্যাকাউন্টটি আরও সেফ রাখতে পারেন।

হ্যাকিং থেকে বাঁচার উপায়ঃ

  • Phishing সাইট থেকে সাবধান থাকুন।
  • IP Security এনাবল রাখুন।

IP Security কি?

IP Security হল Liberty Reserve এর একটি সুবিধা যা ব্যবহার করে আপনি আপনার অ্যাকাউন্টটিকে হ্যাক হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারেন। আপনার IP Security এনাবল থাকলে অন্য IP থেকে কেউ আপনার Liberty Reserve অ্যাকাউন্ট access করতে পারবে না। আপনার কম্পিউটার ব্যাতিত অন্য কোন IP থেকে Liberty Reserve এ লগিন করতে গেলেই ইমেইল একটি ভেরিফিকেশন কোড পাঠিয়ে দেয়া হবে। হ্যাকার সেই কোডটি না পেলে কখনই আপনার অ্যাকাউন্টে লগিন করতে পারবে না। আপনার পাসওয়ার্ড এবং পিনও যদি সে জেনে থাকে, তবুও কোনভাবে লগিন করতে পারবে না। সেইক্ষেত্রে শুধুমাত্র আপনার ইমেইল access করতে পারলেই আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করতে পারবে। তাই আপনাকে আপনার ইমেইলও নিরাপদ রাখতে হবে। তাই এমন একটি ইমেইল দিয়ে Liberty Reserve অ্যাকাউন্ট ওপেন করুন যেটার কথা আপনি ছাড়া কেউ জানে না এবং Liberty Reserve অ্যাকাউন্ট খোলা ব্যাতিত অন্য কোন কাজে তা ব্যবহার করা হয়নি এবং হবে না। সেই ক্ষেত্রে আপনার Liberty Reserve অ্যাকাউন্টের ইমেইল হ্যাকার কখনো জানতে পারবে না এবং আপনার LR অ্যাকাউন্টও কখনো হ্যাক করতে পারবে না।

কিভাবে IP Security এনাবল করবেন?

আপনার Liberty Reserve অ্যাকাউন্টে লগিন করুন। লগিন করার পর "Account" ট্যাবে 'Services Status" মেনুটি দেখতে পাবেন।

ছবি পোস্ট করা হয়েছে

IP Security অপশনটি ডিজেবল রয়েছে। IP Secirity তে ক্লিক করে অপশনটি এনাবল করুন।

ছবি পোস্ট করা হয়েছে

এখান থেকে "High (any change of IP address)" সিলেক্ট করুন। তারপর "Master Key" দিয়ে সাবমিট করুন।

তারপর আবার "account" ট্যাবে ফিরে আসুন। দেখুন আপনার IP Security এখন এনাবল এবং আপনি সেফ।

ছবি পোস্ট করা হয়েছে

এমন একটি ইমেইল দিয়ে Liberty Reserve অ্যাকাউন্ট ওপেন করুন যেটার কথা আপনি ছাড়া কেউ জানে না এবং Liberty Reserve অ্যাকাউন্ট খোলা ব্যাতিত অন্য কোন কাজে তা ব্যবহার করা হয়নি এবং হবে না। সেই ক্ষেত্রে আপনার Liberty Reserve অ্যাকাউন্টের ইমেইল হ্যাকার কখনো জানতে পারবে না এবং আপনার LR অ্যাকাউন্টও কখনো হ্যাক করতে পারবে না।

original post

read more

কন্যা ভাবিয়া করিও কাজ করিয়া ভাবিও না

সুন্দর জীবন সবারই প্রত্যাশা। নিজের জীবনের কষ্টের জন্য প্রায়ই আমরা অন্যকে দোষারোপ করে থাকি। কিন্তু নিজের অসাবধাণতায় নিজের জীবনের সর্বোচ্চ ক্ষতি যে নিজেই করে থাকি আমরা কেউ কখনো ভাবি না। প্রিভেনশন ইজ ব্যাটার দেন কিউর-কথাটা সত্যি এবং সত্যিই।


মেয়েরা সাধারণত যে ভুলগুলো করে


#(FB) অচেনা কেউ অথবা ফ্রেন্ডস অফ ফ্রেন্ডস থেকে রিকোয়েস্ট আসা বন্ধুকে এড করে। তারপর কিছুদিনের মধ্যেই তার সাথে খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে যায়, নিজের খুব প্রিয় বন্ধু হয়ে সেই অপিরিচিত মানুষটি। বলা বাহুল্য সেই অন্তরঙ্গ সম্পর্ক বন্ধুত্ব থেকে প্রেমে গড়াতে মাসখানেকের বেশি সময় লাগে না। এবং সেসব সম্পর্ক কখনো বন্ধুত্ব নয় প্রেমই হয়।

এসব প্রেমের পরিণতি বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ব্যক্তিজীবন এবং ক্যারিয়ারের জন্য মারাত্মক নেতিবাচক ভূমিকা রাখে।

মেয়েটি কখনো ভেবে দেখেনা কেন সে একজন অপরিচিত মানুষকে বন্ধু হিসেবে গ্রহন করবে। সব কথা বিশ্বাস করছে মেয়েটি কিন্তু সেসব কথার কতখানি সত্যি। সেই ছেলেটি মেয়েটির কাছে সম্পূর্ণ অপরিচিত একজন হয়ত কিন্তু ছেলেটি হয়ত মেয়েটির সম্পর্কে অবগত অথবা তার অন্যকোন ইচ্ছা ছিলো। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ব্রেক আপ হয়ে গেলে অথবা বন্ধুদের সবার গার্লফ্রেন্ড আছে নিজের নেই-সেই মনোভাব থেকে ছেলেরা ফেসবুকে প্রেম করার ইচ্ছা ভীষণভাবে কাজে লাগায়।
অথবা বাস্তব জীবনে সে মেয়েটিকে চেনে কোন কারণে সে ইচ্ছে করে তার সাথে এমন একটি মিথ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি করার মিশন নিয়ে ফেইক আইডি দিয়ে রিলেশন প্রতিষ্ঠিত করে। ফেইক আইডি বাস্তব সম্মত করতে এবং ধোকা দিতে বেশি বেগ পেতে হয়না। নিজের কাজিন বা বন্ধুর ছবি দিয়ে সহজেই বিশোসযোগ্য করে নেয়। তথ্য সাজানো কোন ব্যাপার নয়।


একজন মানুষ যখন কোন মিশন নিয়ে এগিয়ে যায় তখন সে সাফল্য পাওয়ার জন্য নিজের সবচেয়ে ভালো ব্যবহার দিয়ে নিজেকে একজন নমনীয় ভদ্র সহনশীল রোমান্টিক মানুষ হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত করে। এগুলোর জন্য নিজের ব্যক্তিগত গুন না থাকলেও চলে। বই/ গান/ কবিতা/ এসএমএস ভান্ডার থেকে সাহায্য নিয়ে সহজেই তা পারা যায়। এবং অনলাইন জগতে নিজেকে চাইলে যেমন খুশি তেমন মানুষ হিসেবে দেখানো যায়।

অথবা কেউ হয়ত নিছক মজা করার উদ্দেশ্যে এমন করতে পারে। কেউ হয়ত মনের খেয়ালে। কিন্তু কোন ক্ষেত্রেই অপরপক্ষের কি পরিমাণ ক্ষতি সে করছে সে তা ভেবে দেখে না কখনোই।

এমন কেউ কেউ আছে যাদের প্রচন্ড পড়ার চাপে নিজেকে রিলাক্স করতে ফেসবুকে এসে এমন মিথ্যে ভালোবাসার জাল বুনে সময়টা দারুণ কাটান। এবং সময় হলে কেটে পড়েন। চাকরি জীবনে ঢুকে গেলে পুরোন সব কথা অস্বীকার করে বন্ধু বলে কেটে পড়েন।

আবার অনেক ছেলেরা নিজের চলমান রিলেশন থেকে মুক্তি পেতে সাময়িকভাবে কারো সাথে এমন রিলেশন তৈরি করে নিজের সমস্যা সমাধান করেন। এটা খুব কমন একটা ব্যপার!

ছেলেরা যেমন তেমন মেয়ের সাথে প্রেম করলেও বিয়ে করার সময় অবশ্যই একটি ভালো মেয়ে চান বউ হিসেবে সে নিজে যতই খারাপ হোন না কেন।

ফেসবুকে ফ্রেন্ড লিস্ট দীর্ঘ করার বাসনা থেকে অনেকে চেনা-অচেনা মানুষকে এড করতেই থাকেন। এক্ষেত্রে নিজের অজান্তেই সমস্যা হয়ে যেতে পারে। নিজের ছবি সহজেই অন্যের কাছে চলে যায়।

* এই বাসনা থেকে নিজেকে বিরত রাখুন।
*অপিরিচিত মানুষকে ভালোভাবে না জেনে অযথাই ভালোবাসার রাজ্য গড়ে ফেলবেন না।
*মনে রাখবেন মুখের কথা মনের কথা সবার এক নয়।

# মেয়েদের একাংশ আছে যারা নিজেকে অনেক ছেলে ভালোবাসে অনেক ছেলে তার পেছনে ঘুরে এটা ভাবতে ও বলতে আনন্দবোধ করেন।

এই মানসিকতা থেকে একইসাথে অনেকজনের সাথে প্রেম প্রেম ভাব সম্পর্ক চালিয়ে নেন অনেকদিন বছরও হয়ত।
এতে হিতে বিপরীত হয়। সুন্দরি মেয়েটির প্রতি তখন ভালোবাসা বিষেদাগার ধারণ করে। এই মুহূর্তে ব্লেকমেইল এবং কুৎসা রটনা হতে পারে। মোটামুটিভাবে ব্যক্তিজীবনে সাময়িক ঝামেলার সৃষ্টি হয়।

$$ এই মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসুন। ভালোবাসলে একজনকেই বাসুন।

$$ ক্যাম্পাসে ভালো রেজাল্ট-নোটপ্রাপ্তির সুবিধার্তে সাময়িক প্রেম প্রেম খেলা থেকে বেড়িয়ে আসুন।

$$ ভালোলাগা এবং ভালোবাসা কখনোই এক জিনিস নয়। চট করে কাউকে ভালোবাসি বলে ফেলবেন না। হয়ত কোন বন্ধুকে ভালো লাগে কিন্তু তাকে ভালোবাসি বলে পরে আবার আমি ত বন্ধুর চেয়ে বেশি কিছু কখনোই ভাবিনি এটা বলবেন না। এতে পরের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলার চেয়ে নিজের জীবনের ক্ষতিটাও কম নয়। আপনার জীবন সুন্দর এবং সার্থক করার দায়িত্ব আপনার। নিজের হাতে সেটা নষ্ট করলে দোষ কার।

$$ সবার আগে নিজেকে বুঝুন ভালোভাবে তারপর অন্যকে।


## বেশিরভাগ সময় প্রেম-করে-বিয়ে-করা দম্পতিদের নিজেদের কলহে পরিবার তাদেরকে কটু কথা আগে শোনায় পরে সমস্যা সমাধান করে।

যে কোন সমস্যা আগে নিজেদের মধ্যে সমঝোতায় আনুন। চট করে রেগে বাপের বাড়ী চলে আসবেন না। এসে অযথাই স্বামীর নামে বদনাম করা শুরু করবেন না। হেনতেন দোষ একটা বদমাইশ এগুলো কখনো বলবেন না। কারণ আপনি হয়ত রাগের মাথায় কথাগুলো বলেছেন, আপনার স্বামীর প্রতি আপনার ভালোবাসা হয়ত আছে কমে যায়নি। কিন্তু আপনার কথায় আচরণে নিজের স্বামীর সম্মান নিজে নষ্ট করলেন। পড়ে হয়ত আপনার কথার সূত্র ধরে বলবে হে অমুক ত( আপনার স্বামী) এমন খারাপ বা অন্যকিছু।

এমন অনেককেই দেখেছি কোন সমস্যা ছাড়াই তুমুল ঝগড়া বাঁধিয়ে নিজেদের সম্মান নষ্ট করার পাশাপাশি বাবা-মাকেও বিব্রত করে।

@@ তবে সমস্যা গুরুতর (নির্যাতন/ অন্য যে কোন)হলে সেটা নিজের পরিবারকে জানিয়ে সমাধান অবশ্যই করবেন।

(প্রেমিক জুটির প্রতি)
$$ ঘর-সংসার করার মানসিকতা নিয়ে বিয়ে করুন। স্বপ্নের জগতে বাস করে বিয়ে করবেন না। তাহলে ভূমি ধ্বসের মত আপনিও ধ্বসে পড়বেন। স্বামীর আর্থিক সংগতির সাথে মানিয়ে চলুন। অযথা খালাত/মামাত বোনদের স্বামীর সঙ্গে তুলনা করবেন না। বাস্তববাদী হওয়ার চেষ্টা করুন। প্রেম করার সময় যেমন দেখেছেন সংসার করার সময় তেমন নাও দেখতে পারেন। কারণ সময় এবং পরিপ্রেক্ষিতে মানুষের আচরণ ভিন্ন হয়।

$$ নিজেদের ব্যক্তিগত বিষয়গুলো প্রয়োজন ছাড়া কারো সাথে শেয়ার করবেন না। কাজিন-মামী-চাচী সমস্যা সমাধান না করে বরং প্যাঁচ লাগাতে পারে। একান্তই প্রয়োজন হলে নিজের মা'র সাথে শেয়ার করুন। মনে রাখবেন পৃথিবীতে মার মত খাঁটি বন্ধু আর কেউ নয় কখনোই হয়।

$$ কারো কারো মধ্যে নিজের অতিরিক্ত প্রশংসা করার প্রবণতা থাকে। নিজের এবং নিজের পরিবারের গর্ব আর্থিক স্বচ্ছলতা বলা যায় অনেকটা বাড়িয়ে বলা, মন্ত্রী তার কাছের আত্মীয় এই জাতীয় কথা। এগুলো অযথাই অন্যের বিরক্তি বাড়ায়। আপনার মধ্যে যদি প্রশংসনীয় কিছু থেকে থাকে তবে সেটা হয়ত অপর ব্যক্তির ভালো লাগলে তিনি নিজে বলবেন।
বাবার বাড়ীতে এসে শ্বশুর বাড়ীর সুনাম আবার শ্বশুর বাড়ী গিয়ে বাবার বাড়ীর সুনাম এগুলো কখনো করবেন না। এতে করে কখনোই আপনি কারো ভালো দিকটি তুলে ধরতে পারবেন না বরং অন্যের বিরক্তির স্বীকার হবেন। সময়মত যখন যেখানে যা বলা দরকার শুধু সেটুকুই বলবেন।


#$$# নববিবাহিত মেয়েদের মধ্যে প্রবল মাত্রায় নিজের স্বামীর গুণগান করার প্রবণতা থাকে। ভাল দিকটি অবশ্যই বলবেন, তবে যতটুকু প্রয়োজন। সারাক্ষণ তার কথা অন্যকে শোনানোর জন্য সুযোগ খুজঁবেন না।
বিয়ের পর পর সাধারণত মেয়েরা নিজের পছন্দ-অপছন্দ ভুলে গিয়ে স্বামীর ভালো লাগাকেই প্রাধান্য দেন, এটা খুব ভুল। শুরু থেকেই নিজের এবং আপনার সঙ্গীর দুজনের মধ্যে সব বিষয়ে একটি পারষ্পরিক সমঝোতার ভেতর চলার চেষ্টা করবেন। পরে হঠাৎ করে আপনি চাইলেও আপনার চাওয়াকে তুলে ধরতে পারবেননা। আপনার স্বামী ধরে নেবেন তার সব কথাতেই আপনি রাজী।



$$## সাম্প্রতিক সময়ের অন্যায়ের ঢেউ প্রেমিক-প্রেমিকা একে অপরকে প্রতারিত করার মাধ্যমে( নেটে ভিডিও দেয়া) যে সামাজিক আলোড়ন তুলেছেন তার জন্য দায়ি ব্যক্তিটি কে? আগে ভাবুন। আপনি যদি বিবাহ বহির্ভূত এমন সম্পর্কে জড়িয়ে না পড়তেন তাহলে এই কাজটি হতো কি? প্রকৃত ভালোবাসা এটা না। শারীরিক প্রেম এর পরিণতি কতটা ভয়াবহ!! পারষ্পরিক শ্রদ্ধা-ভালোবাসার অভাব-বোধ থেকে এসব ঘটনা ঘটে। তালাকের পর স্বামী যদি স্ত্রীকে হেনস্থা করতে চান সে এই ভিডিও দিলে তখন স্ত্রী আইনি সহায়তা পাবেন এবং পারিবারিক সমর্থন। কিন্তু আপনার কাছে কি জবাব আছে? কিভাবে অস্বীকার করবেন? কারণ আপনি স্বেচ্ছায় এই কাজটি করেছেন যা আমাদের ধর্ম এবং সমাজ বহির্ভূত। কোন ধর্মই অনৈতিক কাজ সাপোর্ট করে না।

*ধর্মীয় বিধান মেনে চলার পাশাপাশি সামাজিকতাকে বদলে দিয়ে ওয়েস্টার্ন কালচার অনুকরণ না করার প্রবৃত্তি দূর করুন। আধুনিকতা পোশাকে এবং অন্ধ অনুকরণে নয় মন-মননে -মেধায়-জ্ঞানের বিকাশে।


মেয়েরা সাধারণ চিন্তা ভাবনা ছাড়াই কাজ করে থাকেন। আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারার জন্য নিজের জীবন নিজেই বিষিয়ে তুলেন। কিন্তু একটু ঠান্ডা মাথায় ভেবে চললে অনেক সমস্যা এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব।
original post
read more
affiliate program

EARN INCOME FROM YOUR WEBSITE

Turn your valuable web site traffic into income. Work online and join our free money making affiliate program. We offer the most pay-per-click rate to help maximize your cash stream.

Join our income making program absolutely free and 100% risk free.

Sign Up...

A steady income generator

Imagine running of a something that never failed to provide you with cash-flow. A earning money program so amazingly profitable that you never had to look for job ever again!Income while you sleep

CASH WHILE YOU SLEEP

Earn $1,000... $2,000... $5,000...

Turn your website visitors into cash!
You get money for every visitor that clicks on our advertizing. Our goal is to enable you to make as much as possible from your site. We pay monthly, either by check, or through PayPal.

Begin collecting steady partner commissions

Our money making program really can make you income on the same day. Start receiving steady partner revenue with almost no effort at all. This is a serious revenue opportunity, the chance for you to build a steady, reliable, long-time profitable business.

Savings Highway Dream Team Member Site Savings Highway Dream Team Member Site