এক চেইন স্মকার কে একদিন ২ টা সিগারেট একসাথে জ্বালাতে দেখে এক ব্যাক্তি জিজ্ঞাসা করলো , ” ভাই, শেষ খাওয়া খাচ্ছেন নাকি? ”
লোকটি উত্তর দিল, আমার বন্ধু মারা জাওয়ার আগে আমাকে বলে গিয়েছে ,’ দোস্ত, যখনি বিড়ি খাবি, আম্র নাম করেও একটা খাবি”
এই জন্যেই ২ টা খাচ্ছি।
এর কিছু দিন পর একদিন তাকে ১ টি সিগারেট খেতে দেখে লোকটি আবার জিজ্ঞাসা করলো ,
কি ভাই? বন্ধুর কথা ভুলে গেলেন নাকি?
লোকটির উত্তর,
ভাই, আমি সিগারেট খাওয়া ছেরে দিয়েছি । এখন শুধু বন্ধুর টা খাচ্ছি।
এক কিশোরী মেয়ে স্কার্ট পড়ে খেলতে যায়্, তো একদিন সে তার ছেলে বন্ধুর সাথে স্কার্ট পড়ে গেছে, ছেলেটা তাকে গাছে উঠতে বললো।
সে গাছে উঠায় ছেলেটা গাছের নিচে যায় দাড়ালো মেয়ে টার অন্তর্বাস দেখার জন্য্।
মেয়েটা বাসায় যেয়ে তার মা কে বললো সব্।
মা তার কথা শুনে আরে বোকা মেয়ে, ছেলেটা তোমার অন্তর্বাস দেখার জন্য তোমাকে গাছে উঠতে বলছে।
তো পরের দিন মেয়েটা আবার গেলো খেলতে, ছেলেটাআবার তাকে গাছে উঠতে বললো। মেয়েটাও উঠল আর বাসায় যেয়ে মা কে সব বললো। তার মা আবার একই কথা বললো,
এবার মেয়ের উত্তর্ঃ মা আমি এবার আর অন্তর্বাস পড়ে যাই নাই যাতে ছেলেটা অন্তর্বাস না দেখতে পারে।
বনে কাঠ কাটতে গিয়ে বোলতার কামড় খেয়ে বাড়ি ফিরল গেদু।
বোলতা কামড় দিয়েছে তার পুরুষাঙ্গে ।
জিনিষটা হয়েছে দেখার মত। ইয়া মোটা |
প্রচণ্ড যন্ত্রণা নিয়ে বাড়ি এসে বউকে দেখানোর পর বউ লতাপাতা বেটে লাগাতে লাগাতে
বলল, আল্লা ব্যথাটা কমিয়ে দাও, ফুলাটা কমাইওনা, যেভাবে আছে সেভাবে থাক।
সাক্ষীকে উকিল একটা দমক দিলেন ।
আপনি বিয়ে করেছেন?
জি, করেছি?
কাকে?
একটা মেয়েকে।
যত্তসব, তাও আবার বলতে হয়। কখোন কাউকে একটা ছেলেকে বিয়ে করতে দেখেছেন।
জি, দেখেছি- আমার বোন করেছে।
প্রেমিকাঃ তুমি কি আমায় ভালোবাসো?
প্রেমিকঃ বিশ্বাস না হলে পরিক্ষা করে দেখো?
প্রেমিকাঃ ধরো তোমার প্যান্টের পকেটে মাত্র বিশ টাকা আছে, তা থেকে আমি পনেরো টাকা চাইলাম, তুমি দিতে পারবে?
জরুরি টাকাটায় প্রেমিকার চোখ পরেছে দেখে, বিব্রত প্রেমিক নিজেকে সামলে নিয়ে বলল, কেনো পারব না, একশবার বার পারব। তবে পরীক্ষার তারিখটা একটু পেছানো যাই না?
নলাদা তার গার্লফ্রাণ্ড এর সঙ্গে পার্কে বসে চুটিয়ে প্রেম করছে... হঠাৎ নলাদার গার্লফ্রাণ্ড বললঃ আচ্ছা নলা এইযে আমি তোমার কথা ভাবি, তুমি আমার কথা ভাবো... আমরা দুজন দুজনার কথা ভাবি, আমি তোমায় ভালোবাসি তুমি আমায় ভালোবাসো... আমরা দুজন দুজনকে ভালোবাসি... এর মানে কি জানো?!
'' ''
নলাদাঃ হ... কোন কাম কাইজ নাই তাই ফালতু সময় নষ্ট করা।
: আমার মেয়েকে যে বিয়ে করতে চাও ওকে খাওয়াবে-পরাবে কী? তোমার মাসিক আয়টা কত শুনি।
: নিশ্চিত আয় মাসে হাজার খানেক, আর এদিক ওদিক করে….
: হাজার খানেক। জান আমার মেয়ে আমার কাছ থেকে মাসে হাত খরচই পায় এক হাজার টাকা।
: নিশ্চিত আয় বলতে আমি ওটাই মিন করছি।
চল্লিশ বছর পার হয়ে গেছে তবু বিয়ে করেনি এক লোক। একদিন একজন এর কারণ জিজ্ঞেস করল।
লোকটি বলল, সারা জীবন আমি একটা পারফেক্ট মেয়ের খোঁজ করছিলাম।
–তা একটিও পান নি?
–পেয়েছিলাম একটি, কিন্তু সে আবার একটা পারফেক্ট ছেলের অপেক্ষায় ছিল।
প্রেমিকা :- যদি আমাদের বিয়ে হয় তাহলে তুমি সিগারেট ছেড়ে দিবে ?
প্রেমিক :- ওকে
প্রেমিকা :- ড্রিংকস করাও না..
প্রেমিক :- ওকে
প্রেমিকা :- নাইট ক্লাবেও যেতে পারবেনা
প্রেমিক :- ওকে
প্রেমিকা :- আর কি বাকী আছে যা তুমি ছেড়ে দিবে
প্রেমিক :- তোমাকে!
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ফোনে কথা হচ্ছে।
স্ত্রী: (ধমকের স্বরে) কোথায় তুমি?
স্বামী: প্রিয়তমা, তোমার কি সেই জুয়েলারির দোকানটার কথা মনে আছে, যে দোকানের একটা গয়নার সেট তুমি পছন্দ করেছিলে এবং বলছিলে, ‘ইশ্! যদি এটা কিনতে পারতাম?’
স্ত্রী: (গদগদ স্বরে) হ্যাঁ প্রিয়তম, মনে আছে!
স্বামী: আমি সেই জুয়েলারির দোকানের ঠিক পাশের দোকানে বসে চা খাচ্ছি।
দুই মহিলা এক জাইগাই বসে কথা বলছিলেন।কথা প্রসঙ্গে প্রথম মহিলা দ্বিতীয় জনকে বল্লেন-আমার স্বামী এতই আত্মভোলা যে বাজারে গেলে মাছ কিনবে তো তরকারি ভুলে আসবে,আর তরকারি কিনবে তো মাছ কিনবে না।একথা শুনে দ্বিতীয় মহিলা বললেন-আমার স্বামী তো আর বেশি আত্মভোলা।সেদিন বাজার করতে গিয়েছিলাম।সেখানে অফিস যাত্রী স্বামী আমাকে দেখে বললেন- কিছু মনে করবেন না ম্যাডাম আপনাকে যেন আমার পরিচিত মনে হচ্ছে এবং কোথাই যেন দেখেছি।
স্ত্রী >এই আজতো আমাদের ১ম বিবাহ বর্ষিকী। আমাররা আজ কি করব?
স্বামী > একটু চুপ করো, আস আমরা দুই মিনিট দাড়িয়ে নিরবতা পালন করি।
উকিল সাহেব হস্তদন্ত হয়ে বাড়ি ফিরলেন অনেক আগেই । উকিল গিন্নী অবাক হয়ে বললেন কোন দিকে চাঁদ উঠল আজ । এত সকাল সকাল সাহেব যে বাড়ী চলে এলেন । সে কথা পরে বলছি, উকিল সাহেব বললেন, আগে তোমার যাবতীয় কাপড় চোপড় আর গহনাগুলো শিগরীর তোমার বাপের বাড়ীতে রেখে আসো ।
আরো অবাক হয়ে গিন্নি বললেন, ওমা সে কি কেন ?
আজ এক অতি কুখ্যাত চোরকে বেকুসুর খালাস দিয়ে এসেছি। সে নাকি সন্ধার পর কৃতজ্ঞতা জানাতে আসবে।
এক দম্পতি হানিমুনের জন্য ট্রেনে করে যাচ্ছেন। পথে এক স্টেশনে ট্রেন থামলেএকজন বৃদ্ধলোক হঠাত্ করে তাদের কম্পার্টমেন্টে উঠে পরে। লোকটি জানায় তারকাছে পয়সা না থাকায় টিকেট কাটতে পারেনি। বৃদ্ধের প্রতি দয়া হওয়ায় তারালোকটিকে তাদের কম্পার্টমেন্টে জায়গা দেয়।
রাতে ঘুমাবার সময় স্বামীটি বৃদ্ধলোকটিকে বলে -"চাচা আপনি বৃদ্ধমানুষ, আপনি নিচের সীটেই ঘুমান। আমরা স্বামী-স্ত্রী ওপরের বাঙ্কারে ঘুমাবে।"
লোকটি সম্মতি দিয়ে শ...ুয়ে পড়ে।
কিন্তু ঘুমাবার আগে স্ত্রী স্বামীকে চিন্তিত হয়ে জিজ্ঞেস করে, " আচ্ছা, রাতে আমরা যখন 'ইয়ে' করবো তখন শব্দ হলে একটা লজ্জার ব্যাপার হবে।"
স্বামীটি বলে, "চিন্তা করোনা, তুমি তখন 'আম-জাম' বলো, অন্যকোন শব্দ করোনা"
তো স্বামী-স্ত্রী কথামতো এভাবে সারারাত 'আম-জাম' করে কাটালো।
সকালে সবার ঘুম ভাঙলে স্বামীটি বৃদ্ধকে জিজ্ঞেস করল রাতে ঘুম কেমন হয়েছে।
বৃদ্ধ জবাব দিলেন, " বাবা, ঘুম তো ভালই হয়েছে, কিন্তু সারারাত তোমরাবাঙ্কারে শুয়ে যে আম-জাম খেয়েছ তার 'সব রস' নিচে আমার গায়ে পড়েছে।
সুন্দ্ররী রগীঃ ডক্টর, আমি শুধুমাত্র একটা জিনিশই চাই।
দাক্তারঃ সেটা কী?
রগীঃ বাচ্চা
ডাক্তারঃ আপনি নিশ্চিত থাকুন, এ ব্যাপারে আমি একবারও ব্যর্থ হই নি ।
original post
লোকটি উত্তর দিল, আমার বন্ধু মারা জাওয়ার আগে আমাকে বলে গিয়েছে ,’ দোস্ত, যখনি বিড়ি খাবি, আম্র নাম করেও একটা খাবি”
এই জন্যেই ২ টা খাচ্ছি।
এর কিছু দিন পর একদিন তাকে ১ টি সিগারেট খেতে দেখে লোকটি আবার জিজ্ঞাসা করলো ,
কি ভাই? বন্ধুর কথা ভুলে গেলেন নাকি?
লোকটির উত্তর,
ভাই, আমি সিগারেট খাওয়া ছেরে দিয়েছি । এখন শুধু বন্ধুর টা খাচ্ছি।
এক কিশোরী মেয়ে স্কার্ট পড়ে খেলতে যায়্, তো একদিন সে তার ছেলে বন্ধুর সাথে স্কার্ট পড়ে গেছে, ছেলেটা তাকে গাছে উঠতে বললো।
সে গাছে উঠায় ছেলেটা গাছের নিচে যায় দাড়ালো মেয়ে টার অন্তর্বাস দেখার জন্য্।
মেয়েটা বাসায় যেয়ে তার মা কে বললো সব্।
মা তার কথা শুনে আরে বোকা মেয়ে, ছেলেটা তোমার অন্তর্বাস দেখার জন্য তোমাকে গাছে উঠতে বলছে।
তো পরের দিন মেয়েটা আবার গেলো খেলতে, ছেলেটাআবার তাকে গাছে উঠতে বললো। মেয়েটাও উঠল আর বাসায় যেয়ে মা কে সব বললো। তার মা আবার একই কথা বললো,
এবার মেয়ের উত্তর্ঃ মা আমি এবার আর অন্তর্বাস পড়ে যাই নাই যাতে ছেলেটা অন্তর্বাস না দেখতে পারে।
বনে কাঠ কাটতে গিয়ে বোলতার কামড় খেয়ে বাড়ি ফিরল গেদু।
বোলতা কামড় দিয়েছে তার পুরুষাঙ্গে ।
জিনিষটা হয়েছে দেখার মত। ইয়া মোটা |
প্রচণ্ড যন্ত্রণা নিয়ে বাড়ি এসে বউকে দেখানোর পর বউ লতাপাতা বেটে লাগাতে লাগাতে
বলল, আল্লা ব্যথাটা কমিয়ে দাও, ফুলাটা কমাইওনা, যেভাবে আছে সেভাবে থাক।
সাক্ষীকে উকিল একটা দমক দিলেন ।
আপনি বিয়ে করেছেন?
জি, করেছি?
কাকে?
একটা মেয়েকে।
যত্তসব, তাও আবার বলতে হয়। কখোন কাউকে একটা ছেলেকে বিয়ে করতে দেখেছেন।
জি, দেখেছি- আমার বোন করেছে।
প্রেমিকাঃ তুমি কি আমায় ভালোবাসো?
প্রেমিকঃ বিশ্বাস না হলে পরিক্ষা করে দেখো?
প্রেমিকাঃ ধরো তোমার প্যান্টের পকেটে মাত্র বিশ টাকা আছে, তা থেকে আমি পনেরো টাকা চাইলাম, তুমি দিতে পারবে?
জরুরি টাকাটায় প্রেমিকার চোখ পরেছে দেখে, বিব্রত প্রেমিক নিজেকে সামলে নিয়ে বলল, কেনো পারব না, একশবার বার পারব। তবে পরীক্ষার তারিখটা একটু পেছানো যাই না?
নলাদা তার গার্লফ্রাণ্ড এর সঙ্গে পার্কে বসে চুটিয়ে প্রেম করছে... হঠাৎ নলাদার গার্লফ্রাণ্ড বললঃ আচ্ছা নলা এইযে আমি তোমার কথা ভাবি, তুমি আমার কথা ভাবো... আমরা দুজন দুজনার কথা ভাবি, আমি তোমায় ভালোবাসি তুমি আমায় ভালোবাসো... আমরা দুজন দুজনকে ভালোবাসি... এর মানে কি জানো?!
'' ''
নলাদাঃ হ... কোন কাম কাইজ নাই তাই ফালতু সময় নষ্ট করা।
: আমার মেয়েকে যে বিয়ে করতে চাও ওকে খাওয়াবে-পরাবে কী? তোমার মাসিক আয়টা কত শুনি।
: নিশ্চিত আয় মাসে হাজার খানেক, আর এদিক ওদিক করে….
: হাজার খানেক। জান আমার মেয়ে আমার কাছ থেকে মাসে হাত খরচই পায় এক হাজার টাকা।
: নিশ্চিত আয় বলতে আমি ওটাই মিন করছি।
চল্লিশ বছর পার হয়ে গেছে তবু বিয়ে করেনি এক লোক। একদিন একজন এর কারণ জিজ্ঞেস করল।
লোকটি বলল, সারা জীবন আমি একটা পারফেক্ট মেয়ের খোঁজ করছিলাম।
–তা একটিও পান নি?
–পেয়েছিলাম একটি, কিন্তু সে আবার একটা পারফেক্ট ছেলের অপেক্ষায় ছিল।
প্রেমিকা :- যদি আমাদের বিয়ে হয় তাহলে তুমি সিগারেট ছেড়ে দিবে ?
প্রেমিক :- ওকে
প্রেমিকা :- ড্রিংকস করাও না..
প্রেমিক :- ওকে
প্রেমিকা :- নাইট ক্লাবেও যেতে পারবেনা
প্রেমিক :- ওকে
প্রেমিকা :- আর কি বাকী আছে যা তুমি ছেড়ে দিবে
প্রেমিক :- তোমাকে!
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ফোনে কথা হচ্ছে।
স্ত্রী: (ধমকের স্বরে) কোথায় তুমি?
স্বামী: প্রিয়তমা, তোমার কি সেই জুয়েলারির দোকানটার কথা মনে আছে, যে দোকানের একটা গয়নার সেট তুমি পছন্দ করেছিলে এবং বলছিলে, ‘ইশ্! যদি এটা কিনতে পারতাম?’
স্ত্রী: (গদগদ স্বরে) হ্যাঁ প্রিয়তম, মনে আছে!
স্বামী: আমি সেই জুয়েলারির দোকানের ঠিক পাশের দোকানে বসে চা খাচ্ছি।
দুই মহিলা এক জাইগাই বসে কথা বলছিলেন।কথা প্রসঙ্গে প্রথম মহিলা দ্বিতীয় জনকে বল্লেন-আমার স্বামী এতই আত্মভোলা যে বাজারে গেলে মাছ কিনবে তো তরকারি ভুলে আসবে,আর তরকারি কিনবে তো মাছ কিনবে না।একথা শুনে দ্বিতীয় মহিলা বললেন-আমার স্বামী তো আর বেশি আত্মভোলা।সেদিন বাজার করতে গিয়েছিলাম।সেখানে অফিস যাত্রী স্বামী আমাকে দেখে বললেন- কিছু মনে করবেন না ম্যাডাম আপনাকে যেন আমার পরিচিত মনে হচ্ছে এবং কোথাই যেন দেখেছি।
স্ত্রী >এই আজতো আমাদের ১ম বিবাহ বর্ষিকী। আমাররা আজ কি করব?
স্বামী > একটু চুপ করো, আস আমরা দুই মিনিট দাড়িয়ে নিরবতা পালন করি।
উকিল সাহেব হস্তদন্ত হয়ে বাড়ি ফিরলেন অনেক আগেই । উকিল গিন্নী অবাক হয়ে বললেন কোন দিকে চাঁদ উঠল আজ । এত সকাল সকাল সাহেব যে বাড়ী চলে এলেন । সে কথা পরে বলছি, উকিল সাহেব বললেন, আগে তোমার যাবতীয় কাপড় চোপড় আর গহনাগুলো শিগরীর তোমার বাপের বাড়ীতে রেখে আসো ।
আরো অবাক হয়ে গিন্নি বললেন, ওমা সে কি কেন ?
আজ এক অতি কুখ্যাত চোরকে বেকুসুর খালাস দিয়ে এসেছি। সে নাকি সন্ধার পর কৃতজ্ঞতা জানাতে আসবে।
এক দম্পতি হানিমুনের জন্য ট্রেনে করে যাচ্ছেন। পথে এক স্টেশনে ট্রেন থামলেএকজন বৃদ্ধলোক হঠাত্ করে তাদের কম্পার্টমেন্টে উঠে পরে। লোকটি জানায় তারকাছে পয়সা না থাকায় টিকেট কাটতে পারেনি। বৃদ্ধের প্রতি দয়া হওয়ায় তারালোকটিকে তাদের কম্পার্টমেন্টে জায়গা দেয়।
রাতে ঘুমাবার সময় স্বামীটি বৃদ্ধলোকটিকে বলে -"চাচা আপনি বৃদ্ধমানুষ, আপনি নিচের সীটেই ঘুমান। আমরা স্বামী-স্ত্রী ওপরের বাঙ্কারে ঘুমাবে।"
লোকটি সম্মতি দিয়ে শ...ুয়ে পড়ে।
কিন্তু ঘুমাবার আগে স্ত্রী স্বামীকে চিন্তিত হয়ে জিজ্ঞেস করে, " আচ্ছা, রাতে আমরা যখন 'ইয়ে' করবো তখন শব্দ হলে একটা লজ্জার ব্যাপার হবে।"
স্বামীটি বলে, "চিন্তা করোনা, তুমি তখন 'আম-জাম' বলো, অন্যকোন শব্দ করোনা"
তো স্বামী-স্ত্রী কথামতো এভাবে সারারাত 'আম-জাম' করে কাটালো।
সকালে সবার ঘুম ভাঙলে স্বামীটি বৃদ্ধকে জিজ্ঞেস করল রাতে ঘুম কেমন হয়েছে।
বৃদ্ধ জবাব দিলেন, " বাবা, ঘুম তো ভালই হয়েছে, কিন্তু সারারাত তোমরাবাঙ্কারে শুয়ে যে আম-জাম খেয়েছ তার 'সব রস' নিচে আমার গায়ে পড়েছে।
সুন্দ্ররী রগীঃ ডক্টর, আমি শুধুমাত্র একটা জিনিশই চাই।
দাক্তারঃ সেটা কী?
রগীঃ বাচ্চা
ডাক্তারঃ আপনি নিশ্চিত থাকুন, এ ব্যাপারে আমি একবারও ব্যর্থ হই নি ।
original post


No comments:
Post a Comment