by প্রীিত ওয়ােরছা
রুপালী জগত মানুষকে চুম্বকের মত টানে।খুব সহজেই মানুষ আকৃষ্ট হয় ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতি।তার যৌক্তিক কারণও আছে।মিডিয়া মানুষের কথা বলে,সমসাময়িক অসামঞ্জস্যতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়,বিনোদনপ্রিয় মানুষকে হাসায় কাঁদায়।নাটক সিনেমার প্রিয় চরিত্রের সাথে দর্শকরাও হেসে কেঁদে একাত্ম হয়ে যায়।সাধারণ মানুষের জন্য এই জগত স্বপ্নের সমান।যে কেউই এটা মানবে -একটি শক্তিশালী মিডিয়াই পারে মানুষের বিবেক জাগ্রত করতে।কিন্তু মিডিয়া দূষিত.কলুষিত হয়ে পড়লে এর দায়ভার একা কি শুধু একজন নারীকেই বহন করতে হয় !
আমাদের দেশে অল্প কয়েক বছরের মধ্যে গড়ে উঠেছে অসংখ্য টি,ভি চ্যানেল।এই সব টি.ভি চ্যানেল এবং বড় পর্দার জন্য জন্য প্রয়োজন প্রচুর মিডিয়া কর্মী।ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে তাদের মেধাকে বিকশিত করার সুযোগ পাচ্ছে যেটা খুবই আশাব্যঞ্জক ঘটনা।ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কিছু জায়গায় মেয়েদের চাহিদা ব্যাপক।মেয়েরা মিডিয়াতে সুযোগ পাওয়ার জন্যে সঠিক পন্থায় এগুতে না পেরে মরিয়া হয়ে উঠছে।উর্ধ্বতন সুযোগসন্ধানী কামনা লিপ্সুদের ছড়ানো ফাঁদে নির্দ্বিধায় পা দিচ্ছে।মিডিয়াতে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার আশায় নিজেকে বিকিয়ে দিতেও পিছপা পর্যন্ত হচ্ছে না এসব মেয়েরা।বেডে যাওয়াটাকে স্মার্টনেস হিসাবে ধারণা করছে তারা।এর প্রভাব পড়ছে তাদের সামাজিক জীবনে।একসময় সমাজের রোষানলে তাদের জীবন হয়ে উঠছে দূর্বিসহ।এই কাতারে আছে সুশিক্ষিত এবং সম্ভ্রান্ত ঘরের মেয়েরাও।

।
সাম্প্রতিক সময়ে মিডিয়ায় মেয়েদের প্রতিষ্ঠিত করার আশ্বাসে তাদের নিগৃহিত করার ভয়াবহ চিত্র ব্যাপক ভাবে প্রচার পেয়েছে।বেশ কিছুদিন থেকেই ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মেয়েদের অসংযত সময়ের ভিডিও মোবাইলে,ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে।হালের এমন কোন টপ ক্রেজ মডেল,অভিনেত্রী নাই যাদের অশালীন ভিডিও ফুটেজ ইন্টারনেটে পাওয়া যায় না ! এতে করে মিডিয়ার সুনাম নষ্ট হচ্ছে।এসব জানার পর যে কোন অভিভাবক তার মেয়ের পর্যাপ্ত মেধা থাকা সত্বেও তার এই জগতে পা রাখার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করছেন।প্রযোজক,পরিচালকদের সাথে বেডে না গেলে নাকি সেখানে কাজের সুযোগ পাওয়া যায় না।শুধু নাম ,যষ,খ্যাতি,আর্থিক স্বচ্ছলতা আর ফেস ভ্যালুর জন্য মেয়েরা মিডিয়ার নোংরা মানুষদের অধীনতা মেনে নিচ্ছেন সাবলীল ভাবে। এ থেকে বের হয়ে আসার জন্য প্রয়োজন মেয়েদের মূল্যবোধকে জাগ্রত করা।মেয়েদের যোগ্যতাকে সম্মান প্রদর্শন করে নিয়োগ দান করা।আর এই অনাচার দমন করতে এগিয়ে আসতে হবে প্রসাশনকে।

original post
রুপালী জগত মানুষকে চুম্বকের মত টানে।খুব সহজেই মানুষ আকৃষ্ট হয় ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতি।তার যৌক্তিক কারণও আছে।মিডিয়া মানুষের কথা বলে,সমসাময়িক অসামঞ্জস্যতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়,বিনোদনপ্রিয় মানুষকে হাসায় কাঁদায়।নাটক সিনেমার প্রিয় চরিত্রের সাথে দর্শকরাও হেসে কেঁদে একাত্ম হয়ে যায়।সাধারণ মানুষের জন্য এই জগত স্বপ্নের সমান।যে কেউই এটা মানবে -একটি শক্তিশালী মিডিয়াই পারে মানুষের বিবেক জাগ্রত করতে।কিন্তু মিডিয়া দূষিত.কলুষিত হয়ে পড়লে এর দায়ভার একা কি শুধু একজন নারীকেই বহন করতে হয় !
আমাদের দেশে অল্প কয়েক বছরের মধ্যে গড়ে উঠেছে অসংখ্য টি,ভি চ্যানেল।এই সব টি.ভি চ্যানেল এবং বড় পর্দার জন্য জন্য প্রয়োজন প্রচুর মিডিয়া কর্মী।ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে তাদের মেধাকে বিকশিত করার সুযোগ পাচ্ছে যেটা খুবই আশাব্যঞ্জক ঘটনা।ইলেকট্রনিক মিডিয়ার কিছু জায়গায় মেয়েদের চাহিদা ব্যাপক।মেয়েরা মিডিয়াতে সুযোগ পাওয়ার জন্যে সঠিক পন্থায় এগুতে না পেরে মরিয়া হয়ে উঠছে।উর্ধ্বতন সুযোগসন্ধানী কামনা লিপ্সুদের ছড়ানো ফাঁদে নির্দ্বিধায় পা দিচ্ছে।মিডিয়াতে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার আশায় নিজেকে বিকিয়ে দিতেও পিছপা পর্যন্ত হচ্ছে না এসব মেয়েরা।বেডে যাওয়াটাকে স্মার্টনেস হিসাবে ধারণা করছে তারা।এর প্রভাব পড়ছে তাদের সামাজিক জীবনে।একসময় সমাজের রোষানলে তাদের জীবন হয়ে উঠছে দূর্বিসহ।এই কাতারে আছে সুশিক্ষিত এবং সম্ভ্রান্ত ঘরের মেয়েরাও।
সাম্প্রতিক সময়ে মিডিয়ায় মেয়েদের প্রতিষ্ঠিত করার আশ্বাসে তাদের নিগৃহিত করার ভয়াবহ চিত্র ব্যাপক ভাবে প্রচার পেয়েছে।বেশ কিছুদিন থেকেই ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মেয়েদের অসংযত সময়ের ভিডিও মোবাইলে,ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে।হালের এমন কোন টপ ক্রেজ মডেল,অভিনেত্রী নাই যাদের অশালীন ভিডিও ফুটেজ ইন্টারনেটে পাওয়া যায় না ! এতে করে মিডিয়ার সুনাম নষ্ট হচ্ছে।এসব জানার পর যে কোন অভিভাবক তার মেয়ের পর্যাপ্ত মেধা থাকা সত্বেও তার এই জগতে পা রাখার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করছেন।প্রযোজক,পরিচালকদের সাথে বেডে না গেলে নাকি সেখানে কাজের সুযোগ পাওয়া যায় না।শুধু নাম ,যষ,খ্যাতি,আর্থিক স্বচ্ছলতা আর ফেস ভ্যালুর জন্য মেয়েরা মিডিয়ার নোংরা মানুষদের অধীনতা মেনে নিচ্ছেন সাবলীল ভাবে। এ থেকে বের হয়ে আসার জন্য প্রয়োজন মেয়েদের মূল্যবোধকে জাগ্রত করা।মেয়েদের যোগ্যতাকে সম্মান প্রদর্শন করে নিয়োগ দান করা।আর এই অনাচার দমন করতে এগিয়ে আসতে হবে প্রসাশনকে।
original post


No comments:
Post a Comment