Wednesday, October 19, 2011

অ্যানি এনরাইট : ম্যানবুকারের সতর্কিত নির্বাচন

by অবনি অনার্য

অ্যানি এনরাইট

এবারের ম্যানবুকারের লংলিস্ট এবং শর্টলিস্টে একটু সতর্ক দৃষ্টি দিলেই বোঝা যাবে, এমনকি, ব্যঙ্গ করার জন্যও অ্যানি এনরাইটকে ম্যানবুকার পুরস্কার বিজয়ী হিসাবে কেউ ভাবেনি। লংলিস্টের চমক ছিলেন ক্যাথেরিন ও’ফ্লিন। তাঁর ‘হোয়াট ওয়জ লস্ট’ ম্যানবুকার ছাড়াও এবছরের ‘গার্ডিয়ান ফার্স্ট বুক অ্যাওয়ার্ড’ এবং ‘অরেঞ্জ প্রাইজ ফর ফিকশন’-এর লংলিস্টে জায়গা নিয়ে রীতিমতো হ্যাটট্রিক করেছে। ফলে চমক হিসাবে তাঁর দিকে দৃষ্টি ছিলো অ্যাডভেঞ্চারিস্টদের। কিন্তু লংলিস্ট থেকে ও’ফ্লিনের বিদায়ের পর অবধারিতভাবেই সবার দৃষ্টি চলে যায় ইয়ান ম্যাকইউয়ানের দিকে। ২০০৫ সালের লংলিস্টে ফেভারিট ছিলেন ম্যাকইউয়ান, ইরাক-যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লিখিত তাঁর ‘স্যাটারডে’ উপন্যাসের দিকে সবার দৃষ্টি। ব্রিটিশ এই পুরস্কারটির কর্তাব্যক্তিরা ম্যাকইউয়ানকে বিজয়ী হিসাবে ঘোষণা দিয়ে একটা আলোড়ন সৃষ্টি করবেন; সাহিত্যপ্রেমীদের এবং, বলাই প্রয়োজনীয়, জুয়াড়িদের মধ্যে কানাঘুষার এইরকম একটা পরিস্থিতিতে শর্টলিস্ট থেকেই বাদ পড়লেন তিনি। পুরোপুরি অপ্রত্যাশিত বিদায়ে সাহিত্য সমালোচকরা ক্ষুব্ধ হন।

ম্যাকইউয়ানের বিপরীতে আইরিশ লেখক সেবাস্টিয়ান ব্যারিকে শর্টলিস্টে রাখার কারণে গার্ডিয়ান পত্রিকায় সমালোচনাও করা হয়। সেবার লংলিস্ট থেকে বিদায় নিলেও এবার ঠিকই শর্টলিস্টে পৌঁছে গেছেন ম্যাকইউয়ান তাঁর ‘অন চেসিল বিচ’ নিয়ে। সঙ্গে আছেন আরো পাঁচজন : নিকোলা বারকার (ডার্কম্যানস), অ্যানি এনরাইট (দ্য গ্যাদারিং), মোহসিন হামিদ (রিলাকটেন্ট ফান্ডামেন্টালিস্ট), লায়ড জোন্স (মিস্টার পিপ) এবং ইন্দ্রা সিনহা (অ্যানিম্যাল’স পিপল)। ইন্দ্রা সিনহার ‘অ্যানিমেলস পিপল’-এর কথা আপাতত বাদ দিলে (এ-প্রসঙ্গে খানিক বাদে বলছি) সবদিক বিবেচনায় ইয়ান ম্যাকইউয়ান-ই আবারও ফেভারিটের তালিকায়। ম্যানবুকার পুরস্কারের ইতিহাসের দিকে তাকালে আরো সহজেই বোঝা যায়, ম্যাকইউয়ান কেন ফেভারিটের তালিকায় থাকবেন। ১৯৮১ সালে তাঁর উপন্যাস ‘দ্য কমফোর্ট অব স্ট্র্যাঞ্জারস’ বুকারে শর্টলিস্টেড হয়, এরপর ১৯৯২ সালে তাঁর ‘ব্ল্যাক ডগস’ আবার শর্টলিস্টেড হয়, ১৯৯৮ সালে তাঁর ‘আমস্টারডাম’ বুকার পুরস্কারের চূড়ান্ত বিজয়ী হয়, ২০০১-এ তাঁর ‘অ্যাটোনমেন্ট’ শর্টলিস্টেড হয়, ২০০৫-এ লংলিস্টেড হয় তাঁর ‘স্যাটারডে’, এবার ২০০৭-এ শর্টলিস্টেড হয় ‘অন চেসিল বিচ’। অথচ, ২০০৫-এর মতো এবারও শেষতক হোঁচট খেলেন আরেক আইরিশ লেখক অ্যানি এনরাইট-এর কাছে।

এবার দৃষ্টি ফেরানো যাক অ্যানি এনরাইটের দিকে। ১১ অক্টোবর, ১৯৬২-তে ডাবলিনে জন্ম নেয়া অ্যানি তাঁর পঁয়তাল্লিশতম জন্মদিন পালনের মাত্র পাঁচ দিন পর ঘোষিত হলেন ম্যানবুকার ২০০৭-এর বিজয়ী হিসাবে।

ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার ভিক্টোরিয়ায় লেস্টার পিয়ারসন ইউনাইটেড ওয়ার্ল্ড কলেজ অব দ্য প্যাসিফিক-এ ইন্টারন্যাশনাল ব্যাকালরিয়েট (ডিপ্লোমা) ডিগ্রির জন্য দু’বছরের একটা স্কলারশিপ পান। ট্রিনিটি কলেজ ডাবলিন থেকে ইংরেজি এবং দর্শনে ডিগ্রি লাভ করার পর ইউনিভার্সিটি অব ইস্ট আংলিয়া’স ক্রিয়েটিভ রাইটিং কোর্স-এ পড়াশোনার জন্য স্কলারশিপ নিয়ে ভর্তি হন। অ্যাঞ্জেলা কারটার এবং ম্যালকম ব্র্যাডবারির তত্ত্বাবধানে পড়াশোনা শেষে এম.এ ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে প্রোডিউসার এবং ডিরেক্টর হিসাবে কাজ করেন ডাবলিনের স্টেট টেলিভিশন আরটিই-তে। ছয় বছরের চাকরিজীবনের প্রথম চার বছর অসম্ভব জনপ্রিয় টিভি শো নাইটহকস-এর প্রোডিউসার ছিলেন। পরের দুই বছর কাজ করেন শিশুদের প্রোগ্রামিং-এ। এর মধ্যেই সময় বের করে লিখতেন। ১৯৯২ সালে ‘দ্য পোর্টেবল ভার্জিন’ নামে গল্পগ্রন্থ প্রকাশিত হয়, এবং একই সালে রুনি প্রাইজ ফর আইরিশ লিটারেচার পুরস্কার লাভ করে। বলা যায় ১৯৯৩ সালের পর থেকে অ্যানি পেশাদার লেখক হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেন। অ্যানি এনরাইট বিয়ে করেছেন প্যাভিলিয়ন থিয়েটারের ডিরেক্টর মার্টিন মারফিকে। তাঁদের সন্তান আছে দুটি।

অ্যানি এনরাইটের প্রথম উপন্যাস ‘দ্য উইগ মাই ফাদার ওর’ প্রকাশিত হয় ১৯৯৫ সালে। প্রেম, মাতৃত্ব, রোমার ক্যাথলিকিজম, যৌনতা ইত্যাদি উপন্যাসটির আখ্যান দখল করে আছে। উপন্যাসের কথক গ্রেইস কাজ করেন একটি গেম শো-তে। ডাবলিনেই থাকেন তিনি। গ্রেইস নামের মেয়েটির বাবা একটি উইগ পরেন, যেটা আবার তাঁর সামনে উচ্চারণ করা বারণ। স্টিফেন নামের এক দেবদূত ১৯৩৪ সালে আত্মহননের পর এখন আবার মর্ত্যে ফিরে আসেন হারানো আত্মাদের দিকনির্দেশনা দেবার তাগিদে। গ্রেইসের বাড়িতেও একসময় আসেন স্টিফেন, কালক্রমে স্টিফেনের প্রেমে পড়ে যান গ্রেইস। অ্যানির এই উপন্যাসটি আইরিশ টাইমস/‘আয়ার লিংগাস আইরিশ লিটারেচার প্রাইজ’* শর্টলিস্টে স্থান পেয়েছিলো।

অ্যানির পরবর্তী উপন্যাস ‘হোয়াট আর ইউ লাইক?’ দুই জমজ সহোদরার ভিন্ন পরিবেশে বেড়ে ওঠার আখ্যান। দুই বোনের জন্মের কিছু সময় পরে মারা যান তাদের মা; দীর্ঘদিন ধরেই তিনি ব্রেইন ক্যান্সারে ভুগছিলেন। দুই বোনের একজন, মারিয়া, বেড়ে ওঠে বাবার হাত ধরে, ডাবলিনেই। আর অন্যজন, রোজকে দত্তক নিয়ে যায় এক ইংরেজ পরিবার। এভাবে সম্পূর্ণ ভিন্ন দুই পরিবেশে বেড়ে ওঠে দুই বোন। মারিয়া একবার কিছুদিনের জন্য নিউ ইয়র্কে গেলেও আবার চাকরি নেয় ডাবলিনের একটা কাপড়ের দোকানে। ওদিকে রোজ শুধু সেক্স আর সেক্স : “প্র্যাকটিস করেই যাচ্ছে, কিন্তু এখনো পর্যন্ত ঠিক অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারেনি।” তাদের দু’জনেরই যখন বাইশ বছর বয়স, উপন্যাসের প্রায় শেষের দিকে, রোজ জানতে চায় তার আসল মায়ের পরিচয়। এক পর্যায়ে এও জানতে পারে যে, ওর এক জমজ বোন আছে। মারিয়া, রোজ এবং তাদের বাবা এই তিনজনের দৃষ্টিভঙ্গীতে ছোট ছোট অনুচ্ছেদে রচিত উপন্যাসটি রয়্যাল সোসাইটি অব অথরস এনকোর প্রাইজ লাভ করে। উপন্যাসটি হুইটব্রেড অ্যাওয়ার্ডস-এর নভেল ক্যাটাগরিতেও শর্টলিস্টেড হয়েছিলো।

২০০২ সালে অ্যানি এনরাইটের ইতিহাস-আশ্রিত উপন্যাস ‘দ্য প্লেজার অব এলিজা লিঞ্চ’ প্রকাশিত হয়। এলিজা লিঞ্চ (১৮৩৫? - ১৮৮৪) একটি ঐতিহাসিক চরিত্র। আয়ারল্যান্ডের কর্কে জন্ম নেয়া এলিজা দশ বছর বয়সে আয়ারল্যান্ডের মহাদুর্ভিক্ষ থেকে মুক্তির লক্ষ্যে প্যারিসে পাড়ি দেন পরিবারের সঙ্গেই। প্যারিজিয়ান কোর্টিজান (কোর্টিজান ইতিহাসের সঙ্গে সম্ভবত ভারতীয় উপমহাদেশের বাইজি-সংস্কৃতির একটা সম্পর্ক আছে। এ-বিষয়ে স্বতন্ত্র গবেষণা করার ইচ্ছা আছে আমার।) হিসাবে কাজ করতেন এই রমণী। ১৮৫৪ সালে প্যারাগুয়ের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট কার্লোস অ্যান্টোনিও লোপেজ (৪ নভেম্বর ১৭৯০ - ১০ সেপ্টেম্বর ১৮৬২)-এর পুত্র ফ্রান্সিসকো সোলানো লোপেজ-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় এলিজার। ১৮৫৫ সালে লোপেজ যখন প্যারাগুয়েতে ফেরেন, তখন এই রমণী তাঁর বাহুলগ্না ছিলো। পরবর্তী পনেরো বছর দেশের অন্যতম প্রধান ক্ষমতাধর এক নারীর বেশে জীবনযাপন করেছেন এলিজা লিঞ্চ।

১৮৬২ সালে কার্লোস অ্যান্টোনিও লোপেজের মৃত্যুর পর পুত্র ফ্রান্সিসকো সোলানো লোপেজ উত্তরাধিকার সূত্রে প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট হন। এলিজা লিঞ্চও স্বাভাবিকভাবেই দেশটির ফার্স্ট লেডি (উল্লেখ্য, তাঁরা কখনো বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ হননি, অবশ্য কোর্টিজান প্রথা অনুযায়ী এ-জাতীয় সম্পর্ক বিবাহসম্পর্ক-বহির্ভূতই হতো।) বনে যান। প্যারাগুয়ের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে প্রেসিডেন্টকে সমর্থন দেন এই নারী, তিন লক্ষাধিক প্যারাগুইয়ানের মৃত্যু হয় সে যুদ্ধে। ১ মার্চ ১৮৭০ তারিখে ফ্রান্সিসকো সোলানো লোপেজের মৃত্যুর পর এলিজাকে দেশ থেকে বহিষ্কার করা হয়। ১৮৮৪ সালে প্যারিসে অজ্ঞাতেই মৃত্যু হয় এলিজা লিঞ্চের। তাঁর মৃত্যুর একশো বছরেরও বেশি সময় পর স্বৈরাচারী জেনারেল আলফ্রেডো স্ট্রেসনারের নির্দেশে তাঁর মৃতদেহ প্যারাগুয়েতে ফেরত আনার ব্যবস্থা করা হয়, এবং তাঁকে ন্যাশনাল হিরোইন আখ্যা দেয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

এলিজা লিঞ্চের মেলোড্রামাটিক জীবনী অবলম্বনে অবশ্য আরো কয়েকটি উপন্যাস প্রকাশিত হয়। উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের তালিকায় আছেÑ গ্র্যাহাম শেলবি’র ডিমান্ড দ্য ওয়ার্ল্ড (১৯৯০), লিলি টাক-এর দ্য নিউজ ফ্রম প্যারাগুয়ে (২০০৪)। উপন্যাসটির উচ্চকিত প্রশংসা করে রিভিউ প্রকাশিত হলেও পুরস্কার-প্রদানকারী কোনো সংস্থা এগিয়ে আসেনি।

এনরাইটের চতূর্থ উপন্যাস ‘দ্য গ্যাদারিং’ প্রকাশিত হয় এ-বছর। আয়ারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ডের প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাসটি মূলত একটি আইরিশ পরিবারের তিন প্রজন্মের আখ্যান। উপন্যাসটির নাম-কারণ উপন্যাসটিরই একটি চরিত্র লিয়াম হেগার্তি’র শেষকৃত্যে অংশগ্রহণকারী জনসমাবেশ। মদ্যপ হেগার্তি ব্রাইটনের সাগরে আত্মহত্যা করে। উপন্যাসটি শুরুই হয়েছে মৃত্যু দিয়ে। হেগার্তি’র আত্মহত্যার কথা তার মাকে জানায় বোন ভেরোনিকা। একে একে পরিবারের সব সদস্য জড়ো হয় হেগার্তির শেষকৃত্যে। উপন্যাসের কথক ঊনচল্লিশ বছর বয়স্ক ভেরোনিকা ছিলো লিয়াম হেগার্তি’র সবচেয়ে কাছের বন্ধু। ভাইয়ের মৃত্যু-রহস্যের একটা অর্থ দাঁড় করানোর চেষ্টায় ভেরোনিকা তার পারিবারিক টানাপড়েনের অতীত কাহিনী রোমন্থন করে, ছোটবেলার স্মৃতিতে আচ্ছন্ন হয় সে। দাদিমার বাড়িতে থাকার সময় কোনো ঘটনা হয়তো হেগার্তিকে মদ্যপানে আসক্ত করে ফেলে বলে মনে করে ভেরোনিকা। এভাবে মৃত্যু, অস্বস্তিকর পারিবারিক ইতিহাস, অসুখী ছেলেবেলা, স্মৃতি রোমন্থন আর যৌনতার আইরিশ দলিল অ্যানি এনরাইটের ‘দ্য গ্যাদারিং’। বিশেষত যৌনতার বিষয়টা বেশ জটিল বলা যায়। যেমন, উপন্যাসের শেষের দিকে দেখা যায় ভেরোনিকা সন্তানসম্ভবা, সম্ভবত একটি ছেলে কর্তৃক যাকে সে হয়তো লিয়াম (আত্মহত্যা করে যে ভাইটি তার মারা গেছে তার নামও লিয়াম হেগার্তি) নামে ডাকে। অথবা সঙ্গমোত্তর একটা দৃশ্যের বর্ণনায় দেখা যায়, ভেরোনিকা ওর স্বামীকে বলে, “তোমার মেয়েরাও তোমার মতোই পুরুষদের সঙ্গে বিছানায় যাবে। ওরা তাদেরকে ঘেন্না করবে, এই কারণে যে ওরা তাদেরকে আকাক্সক্ষা করে।”

উপন্যাসটি প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই এর অনেকগুলো প্রশংসাসূচক রিভিউ প্রকাশিত হয়। বই বিক্রির পরিসংখ্যানও ভালোই বলা যায়। কিন্তু ম্যানবুকারের চূড়ান্ত বিজয়ী ঘোষণার আগে অন্তত বিচারকগণ ভারতের ভোপালের প্রেক্ষাপটে রচিত ইন্দ্রা সিনহার ‘অ্যানিমেল’স পিপল’-এর কথা আরেকবার ভাবতে পারতেন বলে মনে করেন অনেকে। উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র একটি টিন-এজ বালক, পেছনের দিকটা বিচ্ছিরিরকম প্যাঁচানো বলে তাকে চার পায়ে হাঁটতে হয়, পশুর মতো। বাচ্চা ছেলেরা তাকে পশু বলেই ডাকে। দিনমান একা একা পথে হাঁটতে হাঁটতে আর বনে-জঙ্গলে ঘুরে বেড়াতে বেড়াতে অনেকটা আধা-বন্য হয়ে ওঠে বালকটি। মানুষদের প্রতি তার ঘেন্নাও বাড়তে থাকে…উপন্যাসটির আখ্যান এরকম।

ম্যানবুকার পুরস্কারের বিচারকমণ্ডলীর একজন হাওয়ার্ড ডেভিস অবশ্য অ্যানি এনরাইটকে চূড়ান্ত বিজয়ী নির্বাচন করার একটা গুরুত্বপূর্ণ কারণ বলেছেন, উপন্যাসটির শেষটা দুর্দান্ত। এ-মন্তব্য নিয়ে বিস্তর ব্যঙ্গাত্মক আলোচনা হচ্ছে। গার্ডিয়ানে স্টুয়ার্ট জেফরিজ এ-মন্তব্যের সঙ্গে কোনোভাবেই একমত নন। শেষ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, হোক। এ-লেখাটির শেষ নিয়েও আলোচনা-সমালোচনা হতে পারে, তাও হোক। শেষ করবো অ্যানি এনরাইটের ‘দ্য গ্যাদারিং’-এর ভেরোনিকার একটি সংলাপ দিয়ে : “একেবারে রাখঢাক ছাড়া বলতে গেলে, শেষতক আমরা তো মানুষ।”
…….
*১৯৮৮ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত পুরস্কারটি যৌথভাবে স্পন্সর করতো আইরিশ টাইমস ও আয়ার লিংগার। ৯২-র পর থেকে আইরিশ টাইমসই স্পন্সর করে আসছে এ পুরস্কার।
original post

No comments:

affiliate program

EARN INCOME FROM YOUR WEBSITE

Turn your valuable web site traffic into income. Work online and join our free money making affiliate program. We offer the most pay-per-click rate to help maximize your cash stream.

Join our income making program absolutely free and 100% risk free.

Sign Up...

A steady income generator

Imagine running of a something that never failed to provide you with cash-flow. A earning money program so amazingly profitable that you never had to look for job ever again!Income while you sleep

CASH WHILE YOU SLEEP

Earn $1,000... $2,000... $5,000...

Turn your website visitors into cash!
You get money for every visitor that clicks on our advertizing. Our goal is to enable you to make as much as possible from your site. We pay monthly, either by check, or through PayPal.

Begin collecting steady partner commissions

Our money making program really can make you income on the same day. Start receiving steady partner revenue with almost no effort at all. This is a serious revenue opportunity, the chance for you to build a steady, reliable, long-time profitable business.

Savings Highway Dream Team Member Site Savings Highway Dream Team Member Site